বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভিন্ দেশের মুসাফির প্রথম পর্ব

"যুদ্ধের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mizan (০ পয়েন্ট)

X আয়েশা আক্তার নামে এক মুসলিম কিশোরী তার পিতার নাম মোঃ আবদুল হামিদ।মায়ের নাম মোছা খাদিজা বেগম তার পিতা একজন ডাক্তার তার মা একজন গৃহিণী।তার একটি ছোট ভাই আছে যার নাম হাসান আলি। তারা ঢাকা মিরপুরে থাকে মিরপুরে তাদের একটি নিজস্ব বাগলো বাড়িতে থাকে। আয়েশা ইসলামি ভার্সিটিতে প্রথম বর্ষের ছাত্রী।আর তার ভাই একটি দাখিল মাদ্রাসায় দশম শ্রেণীর ছাত্র। একদিন আয়েশার মা বাবাও ভাই আয়েশার নানু বাড়িতে তার মামাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে গেছিল তার নানু বাড়ি ঢাকা শহর থেকে অনেক দূরে। আয়েশার সামনে পরীক্ষা তাই সে যায়নি বাড়িতে পড়ালেখা করে এশার নামাজ আদায় করে খাওয়া দাওয়া করে রাত এগারোটা বেজে ঘুমিয়ে পরে। হঠাৎ করে একটি আওয়াজে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়।তাদের বাড়ির গেটে কে জানি ধাক্কা মারছে আর বলছে এনিওয়ান প্লিজ হেল্প এনিওয়ান প্লিজ হেল্প,,,,সে ভয় পেয়ে যায় এতো রাতে কে গেটে ধাক্কা মারছে আবার ইংলিশ ভাষায় সাহায্য চাচ্ছে আবার গোলা শুনে মনে হচ্ছে ছেলে ভয়ে সে গেট খুললো না।কিছুক্ষণ আর কারো ডাক শুনা গেলোনা তাই সে মনে করল ছেলেটি চলে গেছে।আয়েশা ফজরের আযানের সময় ঘুম থেকে উঠে ওযু করে নামায আদায় করে কুরআন শরীফ পাঠ করলে।এরপর হঠাৎ তার কালকে রাতের ঘটনা মনে পরে গেলো তখন সে গেট খুলে দেখে একটি ছেলে পরে আছে গেটের সামনে ছেলেটির সারা শরীর রক্তাক্ত এখনো রক্ত বের হচ্ছে মনে হয় রাতে ছেলেটিকে কেউ ছুরী দেয়ে কুপিয়ে জখম করেছে আয়েশা আল্লাহ বলে চিৎকার করে তারপর সে ঘরে আসে মুখে হিজাব পরে আবার বাহিরে গিয়ে ছেলেটির হাত এর প্লাস চেক করে দেখে যে ছেলেটা এখনও জিবিত আছে। সে অনেক কষ্টে ছেলেটিকে টেনে টেনে ঘরে নিয়ে যায় তারপর সে যতটুকু সম্ভব ছেলেটির হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ করে দেয়।এরপর সে গেটের বাইরে যায় এবং রক্ত গুলো পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে গেট লাগিয়ে ঘরে আসে।এবং ফোনে তার বাবা মাকে ঘটনা তা যানায় তার বাবা ঘটনা শুনে বলে তুমি চিন্তা করনা আমরা রওয়ানা দিয়েছি তুমি একটু সাবধানে থাকিও আমরা আর ২ঘনটার মধ্যে পৌঁছে যাব।সেফোন রেখে দিল।এমনসময় কে যেনো তাদের গেটে লক করল সে মনেমনে বলল এখন আবার কে এলো সে কিহোলে চোখ দিয়ে দেখলো একটা লোক দাঁড়িয়ে আছে সে গেট খুলে দিতেই লোকটি আয়েশা কে বলল আপনাদের বাড়িতে কি ছুরির আঘাতে জখম হওয়া কোন ছেলে আশ্রয় নিয়েছে আয়েশা মনেমনে বলল অবশ্যই ছেলেটির কোন বিপদ হয়েছে তাই সে বলল না আমাদের বাড়িতে এমন কেউ আসেনি।তখন লোকটি বলল আমি তোমাদের বাড়ি সাচ করব।তখন আয়েশা পুলিশ এর ভয় দেখালে লোকটি চলে যায়।তারপর সে ঘরে আসে। কিছুক্ষণ পর ছেলেটির চোখ খুলে এতক্ষণে তার ঙান ফিরল আয়েশা তখন মনে মনে আল্লাহর প্রশংসা করল আলহামদুলিল্লাহ। আয়েশাকে দেখে ছেলেটি সালাম দিল আয়েশা সালাম এর জবাব দিল। আয়েশা বলল আমি এরকম কখনো দেখিনি ছুরির আঘাতে আপনার অনেক রক্ত বের হয়ে গেছে তবুও আপনি বেঁচে আছেন। ছেলেটি বলল সবই আল্লাহর ইচ্ছা আল্লাহ যাকে জিবিত রাখতে চান তাকে কেও মারতে আর যাকে মারতে চান তাকে কেও বাঁচাতে পারেনা।আয়েশা বলল একটা লোক এসছিল আপনাকে খুজতে আমি পুলিশের ভয় দেখালে লোকটি চলে যায় তখন ছেলেটি বলল,,,,,,, দ্বিতীয় পর্ব কালকে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ বিশেষ দ্রষ্টব্য: গল্পটি কিছু টা বাস্তব এর সাথে মিল থাকবে তবে পুরোপুরি বাস্তব না। গল্পটা ভালো লাগলো কিনা কমেন্ট করে জানাবেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now