বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

romantic stroy

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান shreedham roy (০ পয়েন্ট)

X এক ছেলে প্রতিদিন এক কলেজের সামনে ভিক্ষার থালা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতো,,,,বয়স ২৮-৩০ হবে।সে প্রতিদিন এসে একটা মেয়েকে বলতো,,,ম্যাম দুইটা টাকা দেন,,মেয়েটা টাকা দিয়ে কলেজে ঢুকতো,,,,,,,এ ভাবে বেশ কয়েক মাস চলে গেল। একদিন ছেলেটি মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো,,,কিছুক্ষন পর মেয়েটি আসলো,,,ছেলেটি মেয়েটিকে দেখে বললো ম্যাম আপনার সাথে কিছু কথা বলতাম,,,এই শুনে মেয়েটি বললো আচ্ছা বলেন,,,, ছেলেটি তখন তার কাপাকাপা গলায় বললো আমি আপনাকে পছন্দ করি,,,আর আপনাকে অনেক ভালবাসি,,,যদি আপনী কিছু বলতেন,,,এই কথা শুনে মেয়েটি তার উপর রেগে গিয়ে বললো তোমার তো সাহস কম নয়,আপনী জানেন আমি কে,আমার বাবা এই কলেজের প্রিন্সিপাল,,যদি আপনাকে আর এই কলেজের সামনে কোন দিন দেখি তো বাবাকে বলে পুলিশে ধরিয়ে দেব। ছেলেটি কিছু বললো না,,,তাই মাথা নিছু করে চলে গেল,,ছেলেটি আর কোন দিন সেই কলেজের সামনে আসে নি। একদিন মেয়েটি খুব অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলো,,,পরিক্ষা করে জানা গেল মেয়েটির পেটে টিউমার ধরা পড়েছে,,আর এটা অপারেশন করতে খুব রিক্স।তারপরো অঅপারেশন করতে হবে। অপারেশন করা হলো এবং মেয়েটি সুস্থ্য হলো,,হাসপাতাল থেকে মেয়েটি রিলিস নেওয়ার একদিন আগে এক নার্স একটি কাগজ মেয়েটির হাতে ধরিয়ে দিল,,,কাগজটিতে লেখা ছিল_আপনি এখন সুস্থ্য যদি একটু কষ্ট করে তিন তলার ৭ নাম্বার ঘরে আসতেন,,,,মেয়েটি কিছু বুঝতে পারলো না,কে দিল কেন দিল। মেয়েটি আর কোন চিন্তা না করেই সেই ঘরে চলে গেল। সেই ঘরে গিয়ে দেখলো সেই ছেলে সেই ভিক্ষার ছেড়া কাপড় পরে দাঁড়িয়ে আছে,,মেয়েটি অবাক হয়ে বললো আপনি আমাকে আসতে বলছেন,,ছেলেটি বললো হ্যাঁ আমি,,,,,এই বলে ছেলেটি ভিক্ষার কাপড়টা খুলে ফেললো,,ভিতরে ছিল ডাক্তারের সেই সাদা পোশাক,,,তখন ছেলেটা বলতে শুরু করলো,,তোমার অপারেশন আমি নিজে করেছি,, তুমি বলেছিলে না তোমার কলেজের প্রিন্সিপাল,,আর আমি হলাম এই হাসপাতালের একজন বড় ডক্টর।আমার কাজ শুরু হয় বিকেলে,,,আর আমি প্রতিদিন সকালে ভিক্ষার থালা হাতে তোমার কলেজে দাঁড়িয়ে থাকতাম আর তুমি যখন কলেজ থেকে চলে যেতে আমি তখন হাসপাতালে এসে আমার কাজ করতাম,,,,তোমার আমি অনেক আগেই বলতে পারতাম কিন্তু তোমার মন কেমন মানুষ চায় সেটা বুঝতে পারতাম না,,, তাই যখন বুঝতে পারলাম তোমার টাকা ওয়ালা ছেলে পছন্দ তখন সরে এলাম,,,,তোমাকে আর একটা কথা বলি কিছু কিছু মানুষ আছে অভিনয় করতে ভালবাসে,,,তাই কখনো মানুষের উপরটা দেখে বিচার করো না,,,,,,এখন তার অনেক টাকা কিন্তু কাল দেখবে সে ভিক্ষার থালা হাতে ঠিকি দাঁড়িয়ে আছে,,,,,,আর জীবনটা এ রকমেই,,,আজ আছে তো কাল নেই,,, অনেক কষ্ট করে লিখলাম যদি আপনাদের ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now