বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #বউ_আমার_এমপি !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #বউ_আমার_এমপি !!! Writer : Pantha Shahria !!! - আচ্ছা আমি এটা জিনিস বুঝি না, মশা গুলার কী কোন ঠান্ডা নাই... এই ঠান্ডার মধ্যে ও দুই একটা মশা তাঁদের বীরত্ব দেখাইতে কানের কাছে এসে প্যান প্যান করে। নেহাত লেপটা এত্ত মোটা তাই তাঁদের সুঁচটা এত মোটা লেপ ভেঁদ করে এসে শরীলে ঢুকে না। তবে এই শীতে সকাল সকাল ঘুম ভাঙানোর জন্য তাঁদের ঐ প্যান প্যানানিই যথেষ্ট। ঘুমটা হালকা ভাঙছে, তাই হাতটা এদিক ওদিক দিয়ে দেখতেছি, বউটা আমার আছে নাকি। - কিন্তুু হায় হায় ইয়া মাবুদ আমার একটা মাত্র বউ কোথায় গেলো.. এই সাত সকালে। বউ ও বউ কোথায় গেলা তুমি.. যেখানেই থাকো না ক্যান একটু সিগনাল দাও। কিন্তুু না... বউ তো আমার কোন খানেই নাই। আল্লারে আল্লাহ্ কী করমু এখন আমি, কোথায় খুঁজমু তাঁরে। আল্লাহ্ দুনিয়াতে এত লোকের বউ থাকতে আমার বউটারেই তোমার নিয়ে যাইতে হইবো... তাঁরে নিয়া গেলা ভালো কথা আমারে রাখলা ক্যান। দীর্ঘ তিনটা বছর তাঁর পিছনে ঘুর ঘুর করার পরে আমারে সে পাত্তা দিছে। আর বিয়ে করার সময় তো মনে হইতেছিলো এক বলে ছয় রান লাগবো এমন একটা অবস্থা। আর তুমি আমার সেই বউটারেই নিয়া গেলে.... এখন এক মাস ও হইলো না বিয়ার বয়স। না না এমনে থাকলে হইবো না.. বউরে তো আমার খুঁজে বের করতেই হইবো। - হ্যালো দোস্ত...কই তুই, এক্ষুনি আমার বাসার সামনে, একটা মাইক আর একটা রিক্সা নিয়া আয়। - ক্যান কী হইছে...। - তোরে এত খুলে কইতে গেলে আমি আর আমার বউরে পামু নারে ভাই। তুই আয় তাঁড়াতাড়ি। - কী হইছে ভাবির। - তোর মনে কী রং লাগছে হুমমম.... তাঁড়াতাড়ি মাইক নিয়া আয়। আর মাইক আনতে যদি লেট হয়.. মজনু... তোরে আমি... তোর পায়ে ধরি ভাই তাঁড়াতাড়ি আয়। আমার একটা মাত্র বউ... তাঁড়াতাড়ি আয়। একটু পরে....বাহিরে মাইক এর শব্দ শুনে... লাফাইতে লাফাইতে বাহিরে গেলাম। - হ্যালো... ওয়ান... টু...থ্রি...হ্যালো, শব্দ যন্ত্র পরিক্ষা হ্যালো হ্যালো। - বন্দু রে তুই আমার কাছে আমার সন্দেস এর থেকে ও বেশি আপন.. একটা কথাই মাইক নিয়ে হাজির হইছস। - ঠিকআছে... তবে এবার বল ভাবির কী হইছে.....। - ঐ দিকে সরে বস.... যখন মাইকে বলমু এমনি দেখতে পাবি বুঝলি। মামা এবার আস্থে আস্থে যাইতে শুরু করেন। - হ্যালো হ্যালো.... ঐ সালা মাইক বাঁজে না ক্যান। - মাইক্রোফোনের লাইন অফ করা আছে তো। - মজনুরে তুই ও আমার সাথে, বিশ্বাস ঘাতকতা করতে লাগছস। তোর ভাবি বেপাত্তা আর তুই মাইক্রোফোনের লাইন অফ করে রাখছিস। - হারামি তোর আজাইরা কান্দন থামাইয়া যেটা করতে আসছিস সেটা শুরু কর। - হুমমমমমমম। - একটি নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি... একটি নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি... অত্রএলাকার সকলকে জানানো যাইতেছে যে, আমাদের এলাকার সাবেক এমপি নিধি... আজকে সকালে আমার পাশে থেকে হাঁরিয়ে গেছে। ভাই আপনারা কেউ আমার বউ টারে দেখে থাকলে প্লিজ আমারে বইলেই। আমার একটা মাত্র বউ ভাই, তিন তিনটা বছর তাঁর পিছন পিছন ঘুরে ঘুরে তাঁর মন জয় করছি... আর আমার সেই বউটারে বিরোধী পার্টিরা কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে। সবার উদ্দেশ্যে একটা কথা বলতে চাই... আমি যদি আমার বউরে না পাই তাইলে আমি সমার সামনে ঐ পুকুরের ঠান্ডা পানিতে লাফ দিমু। এমন সময় সামনে থেকে একটা পুলিশের গাড়ি আসতেছে। - সাহরিয়া... ঐ দেখ সামনে থেকে একটা পুলিশের গাড়ি আমাদের দিকেই আসতেছে। - আমি কী পুলিশরে ডরাই নাকি, মনে রাখবি তোর ভাবি আর আমার বউ এমপি বুঝলি। - তাই বলে এমন মাইক নিয়ে বউ খুঁজবি....। - সব বুঝছি আমি... আমার বউটারে তো কারো সহ্য হয় না.. একে তো সুন্দরী বউ আমার তাঁর উপর আবার এমপি। আমার বউটা হাঁরিয়ে গেলেই তো সবাই খুশি। - এই রিক্সা থামো... স্যার আপনাকে আমাদের সাথে থানায় যেতে হবে। - রফিক সাহেব... আপনারে না কত বার বলছি আমাকে স্যার বলবেন না। বউ আমার এমনি তাঁরে যত খুশি ম্যাডাম বলেন... আর হ্যা আমি আমার বউকে না নিয়ে কোথাও যামু না। - স্যার... ম্যাডাম থানায় আছে। - কীইইইইই.... আমার বউরে থানায় নিয়ে গেছেন আপনারা। - ওহহহহহহ... সেটা না স্যার, থানায় গেলেই সব বুঝবেন। - রফিক সাহেব... আপনি কম করে হলে ও আমার থেকে দশ বছরের বড়... আর আপনাকে না, না করছি এই সব স্যার বলতে। - সেটা হবে না স্যার... এটা নিয়ম। - ঠিকআছে.... আপনারা চলে যান আমি আসতেছি। আপনাগো এই গাড়ি গুলো আর হুইসেল শুনলেই বুকটা ধরফর করে উঠে। - কিন্তুু স্যার ম্যাডাম তো আপনাকে, গাড়িতে করে নিয়ে যেতে বলছে। - এখন যদি আমি আপনাগো এই গাড়িতে করে যাই.. আশেপাশের মানুষ কী ভাঁববে বলেন। যে এমপির জামাইরে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে.. এটা নিয়ে আবার পেপার পত্রিকা হবে। তাঁর থেকে বরং আপনি আগে আগে যান আমি পিছন পিছন আসতেছি। - না না... স্যার.. আপনি আগে আগে যান আমি পিছন পিছন যাচ্ছি। - আরে ভাই... আমার বউ এমপি আমারে এত গর্ড দেওয়ার কী আছে। আপনারা পুলিশ গুলা ও না... সাধারণ মানুষের পিছনে না থাইকা, এমপি, মন্ত্রীর পিছনে আর তাঁদের ফ্যামিলির পিছনে সময় ব্যায় করে দেন...। এবার আপনারা যান আমি আসতেছি। - ঠিকআছে । পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার পরে....। - আরে কুদ্দুস ভাই সব ঠিক ঠাক তো। - জ্বী স্যার। - আহারে আপনি ও..এবার বলেন আসার বউ কই। - ওসি স্যারের রুমে আছে। - ঠিকআছে.... ভালো থাইকেন কেমন। - স্যার আর একটা কথা...। - কীইইইইই। - ম্যাডাম কিন্তুু অনেক রেগে আছেন... একটু সাবধানে থাইকেন। - হি হি থ্যাংকু....। . . . - ম্যাডাম... ঐ যে আপনার ঝামেলাবাজ জামাই চলে আসছে। - হাই.... কী অবস্থা । - ওসি সাহেব.. আপনি একটু বাহিরে যান। - ঠিকআছে... ম্যাডাম। - হ্যালো....আচ্ছা ওমন ভাবে তাঁকাই আছো ক্যান... তুমি এমনে তাঁকাইলে না শীতের মধ্যে ও আমার গরম লাগে। - কী শুরু করছো টা কী শুনি... দুষ্টুমি করার একটা লিমিট আছে। সারা এলাকাই মাইক দিয়ে বলছো... আমার এমপি বউ হাঁরাই গেছে, এটা বলছো ঠিকআছে, তবে তিনটা বছর ঘুরে ঘুরে আমার মন পাইছো, এটা বলার কী আছে। সাহরিয়া তুমি এমন করো ক্যান শুনি । - এমন করি মানে.... তুমি সকালে উঠে দুই একটা পাপ্পি দিবা, একটু আদর করবা তা না, সকালে উঠেই গায়েব হয়ে গেছো, তাইলে এমন করমু না তো কী করমু শুনি... তিনটা বছর ঠিকঠাক ঘুমাইতে পারি নাই তোমার পামু নাকি পামু না সেই টেনশনে। ভাবছি বিয়ের পর একটু পাপ্পি টাপ্পি পামু। কিন্তুু আগে তো আর জানতাম না যে আমার ফাঁডা কপাল। বিয়ের সাতদিন পরেই শ্বশুর মশাই টাটা বলে সোঁজা উপরে চলে গেলো, আর তাঁর দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য ভোটে দাঁড়াইলা... তখন ও দুঃখ ছিলো না, তবে মানুষ যে তোমার মধ্যে কী দেইখা এমন হুমরি খেয়ে ভোট দিয়ে পাশ করাই দিলো। যেদিন পাশ করছো সেদিন থেকে বউ এর সাথে থাকার সুখটা আমার হাওয়াতে মিলাই গেছে। কলেজ লাইফে তো মন চাইলেই দেখতে পাইতাম.. বাট এখন বিয়ে করে ও তোমারে দেখার কপাল নাই। আজ এখানে, কালকে ওখানে, পরশু সেখানে। - সাহরিয়া.... আমি এখন আর আগের মতো নেই, আমার উপরে এখন অনেক দায়িত্ব, বাবা যেমন ন্যায়ের সাথে কাজ করে গেছে, আমি ও তাঁর মতো ন্যায়ের সাথে কাজ করবো। মানুষ একটা বিশ্বাস নিয়ে আমাকে এমপি করছে.. বুঝছো.. সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে পাশে সব সময় থাকতে হবে। আর তুমি যেমনটা শুরু করছো, মনে হয় না.. সেটা আমি পারবো। - সব বুঝছি...আমার পাশে থেকে উইঠা... সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াইবা তাই তো। আগে জানলে বিয়েই করতাম না। যত সব ঝামেলা...কে বলছিলো এমপি তে দাঁড়াইতে... ভাবছিলাম বিয়ের পর এখানে ওখানে একটু ঘুরমু...বাট.. হায়রে আমার কপাল। - ঠাসসসসসসসসসসসসসসসসস.....। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চাইতে, আমার সাথে ঘুঁরাঘুরি করাই তোমার কাছে বড় হলো.. হ্যা। - ঠিকআছে....... থাকো তুমি। বলেই চলে আসলাম... রাস্তাই রাস্তাই ঘুরতেছি.. আর ভাবতেছি... - আহারে বউ আমার জনদরদি। ক্যান যে বিয়ে করলাম... আগের জীবনটাই ভালোছিলো। - মামা একটা রুটি দেন তো...। - আরে সাহরিয়া ভাই নাকি। - এমন দাঁত না ভেঁটকাই রুটি চাইছি রুটি দেন। - ধরেন ভাই রুটি। - এই নেন টাকা। - ভাই টাকা দিয়ে ছোট করবেন না.. আমরা গরীব হতে পারি ভাই, কিন্তুু আমাদের ও একটা মন আছে। - সিনেমাটিক ডাইলগ বাদ দিয়ে টাকা নেন। - না ভাই.... নিধি ভাবি যদি না থাকতো তাহলে আজ আমি এখানে থাকতাম না... ওনার বাবা যেমন ভালো মানুষ ছিলো ওনি ও তাঁর কোন বাতিক্রম না। ওনি আর ওনার বাবার জন্যই আজ আমি এমন হেঁসে খেলে বাঁচতে পারছি। আর আপনার কপাল অনেক ভালো ভাই... যে ওনি আপনাকে এত ভালোবাসে। - আরে ভাই ওই সবের সাথে টাকা না নেওয়ার কী আছে। - ভাই যখন আমার বাবা মারা যায়, আমার মা অসুস্থ ছিলো.. তখন আমি কী করবো বুঝতে ছিলাম না, কেউ যখন আমার পাশে ছিলো না তখন নিধি ভাবি আমাদের পাশে ছিলো। - আচ্ছা থাক আর শুনমু না... টাকা যখন নিবাই না.. তাইলে এক বোতল পানি দাও। - এই নেন। - ঠিকআছে তাইলে ভালো থাইকো কেমন। বউটার আর শ্বশুর মশাই এর জন্য বুকটা কেমন গর্বে ভরে উঠলো। এমন ভাবে যেখানেই যাই সব খানেই.. নিধির প্রশংসা শুনছিলাম। এই সব শুনতে শুনতে হঠাৎ করে আমার চোখে পানি চলে আসছিলো। কোনদিন ভাবি নি পাগলিটা আমার এত্ত ভালো...। এমন সময় একটা রিক্সাকে ডাক দেওয়ার আগেই কাছে এসে বললো। - স্যার বাসাই যাবেন। - হুমমমমমমম। - চলেন স্যার। - আচ্ছা চলো। - স্যার একটা কথা কই। - ঠিকআছে। - স্যার আপনার সবাই না অনেক ভালো। - কেমনে। - স্যার আগের একটা এমপি ছিলো...তাঁদের অহংকার তাঁদের ছেলেপেলের অত্যাচারে বাহিরে বের হওয়া যেত না। - কিন্তুু স্যার আনারা সবার থেকে আলাদা.. নিধি ম্যাডামের বাবা ছিলো একটা মাটির মানুষ .. আপনারা ও তাঁর বাতিক্রম না স্যার। - আসলে ভাই আমরা সবাই মাটির মানুষ.. মনটা শুধু সবার ভিন্ন রকমের, বুঝলা। কারো মন ডাস্টবিন এর মতো নোংরা... আর কারো মনটা খারাপ টেবিলের মতো পরিষ্কার। এক জায়গায় ভালো পরিষ্কার খাবার সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা হয়। আর এক জায়গায় সমস্ত পঁচা গলা নোংরা খাবার ফেলা হয়। খাবার টেবিলে এর খাবার মানুষ গুলো খায়... আর ডাস্টবিন এর খাবার কুকুর বিড়াল গুলো খায়। তাই যাদের মনটা খাবার টেবিলের মতো পরিষ্কার, তাঁদের মধ্যে একটা ভালো মানুষ বাস করে। আর যাদের মনটা ডাস্টবিন এর মতো নোংরা তাঁরদের মধ্যে বাস করে একটা পশু..বুঝলা। - ঠিক কইছেন স্যার...। - সামনে দাঁড়াও... বাসাই চলে আসছি। - ঠিকআছে স্যার। - এই নাও ধরো.. এই টাকা গুলো রাখো.. বাচ্ছাদের জন্য চকলেট নিয়ে যেও.. আর বাঁকিটা দিয়ে বাজার কইরো। - স্যার টাকা লাগবো না স্যার...। - আরে আল্লাহ্ আমাদের অনেক কিছু দিছে... তুমি এই টাকা গুলো রাখো এইটা তোমার হক বুঝলা। - স্যার আপনারা অনেক ভালো। - আচ্ছা এবার ভালো করে যেও কেমন। - ঠিকআছে স্যার। সন্ধা গড়িয়ে রাত চলে আসছে। - বাসার ভিতরে যেতেই...। - খুব বড় বড় কথা তো শিখছো...। - কেমনে। - তোমার শার্টের কলার এর মধ্যে একটা লোকানো মাইক্রোফোন আর একটা ট্রাকার লাগানো আছে বুঝলা পাগল। কোথায় কী ঘটে সেটা তো আর আমি দেখতে পারি না...তাই। কোন কথা না বলে সোঁজা গিয়ে নিধিকে জরিয়ে ধরি। - আমি না তোমাকে বুঝতে পারি নাই জানো.. আর তুমি তো জানোই তোমাকে ছাঁড়া আমার একটু ও ভালো লাগে না। তাই তো এমন পাগলামি করি। - হুমমমমমমম... হয়েছে এবার ছাঁড়ো আর যাও ফ্রেস হয়ে আসো। - হুমমমমমমম.... কালকে থেকে আর কোথায় একা একা যাবা না... আমি ও তোমার সাথে যাবো। - কেনো। - তুমি সবাইকে সামনে থেকে, সাহায্য করবা আর আমি সবার আড়ালে থেকে সবার সাহায্য করবো। প্লিজ না কইরো না। - ঠিকআছে..... এবার যাও ফ্রেস হয়ে আসো। - আগে একটা পাপ্পি দাও। - না... এখন না। - তাহলে রাতে ঘুমানোর সময় দিবা। - হুমমমমমমম। - এইটা সহ দিবা কিন্তুু। - ওকে... এবার যাও। - কিন্তুু... আমার কেমন লাগতেছে, এখন এর টা এখনি দাও না প্লিজ। - ওহহহহহহহহহহহহহ। আসো। - উমমমমমমমমমমমমম্মমমমা। - আহা এমন সুন্দরী এমপি বউ এর চুম্মা কয় জনের কপালে জুটে.... হি হি হি!!! >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now