বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #ঘুম_ওয়ালী !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #ঘুম_ওয়ালী !!! Writer : Pantha Shahria !!! - বাসা থেকে বের হয়ে ফোনটা টিপতেছি আর হাঁটতেছি। এমন সময় হঠাৎ কই থেকে ইমন দৌঁড়াই আসলো। - মামা.... ইতিহাসের পাতাই উঠার মতো ঘটনা ঘইটা গেছে। - কীইইইইইইইইই....আবার কে মরছে। এবার কী প্লেনের সাথে ধাক্কা লাগছে নাকি। - আরে দূর..... অধরাকে দেখলাম। - সত্যি...... কোথায় দেখছিস। - আরে ঐ যে মার্কেটের দিকে যাইতে দেখলাম। - মাম্মা তুই থাক... আমি আসতেছি। - ঐ.... তুই আবার দৌঁড় দিলি ক্যান। - পরে তোরে সব কমুনি । ঘন্টাই একশো কি.মি বেগে দৌঁড়াইতেছি। ওহহহহহহহ হ্যা এক মিনিট, কেনো দৌঁড়াইতেছি সেটাই তো এখন ও বলি নাই। দুই বছর আগের ঘটনা। - এমনি একদিন বিকেলে, ক্রিকেট খেলতে গিয়ে অন্য দলের সাথে মারামারি লাগছিলাম। আর ওখান থেকে দৌঁড় দিয়ে এই রাস্তা দিয়েই আসছিলাম। হঠাৎ একটা মেয়ে সামনে চলে আসলো... এত্ত জোরে দৌঁড়াইতেছিলাম যে সঠিক স্থানে ব্রেক করতে পারিনাই, সোজা গিয়ে মেয়েটার সাথে ধাক্কা লেগে দুই জনই ধপাস করে পরে গেলাম। মেয়েটার হাতে অনেক গুলো ফুল ছিলো আর ফুল গুলো সব এলোমেলো হয়ে পরে যায়। আমি তাঁড়াতাড়ি করে উঠে, সব ফুল গুলো একটা একটা করে কুড়িয়ে নিলাম। এবার মেয়েটার কাছে যেতেই তো আমার মাথা ঘোরা শুরু করে দিছে। কারণ মেয়েটা অজ্ঞান অবস্থাই এমন করে পড়ে ছিলো নাকি মৃত অবস্থাই পড়ে ছিলো কিছুই বুঝতেছিলাম না। কাছে যেতে ও কেমন ভয় ভয় করছে, একে তো সুন্দরী একটা মেয়ে, তার উপর আবার আমিই এত জোরে ধাক্কা দিছি। তবু সাহস করে কাছে গেলাম। - এই যে আপু...আপনি কী বেঁচে আছে। প্লিজ একটু সারা দেন, আপনি এমনে থাকলে কিন্তুু আমি এমনিই হার্ডঅ্যাটাক করমু। কোন সারা শব্দ নাই, এবার আমি ভয়ে শেষ। আশেপাশে তাঁকিয়ে দেখি কেউ নেই। মনে মনে ভাবলাম মেয়েটারে যদি এমনেই রেখে যাই বিপদ আরো বাড়বে। তার থেকে বরং বাসাই নিয়ে যাই, জেলের ভাত খাওয়ার থেকে মার কাছে বকা খাওয়া ভালো। যেই ভাবা সেই কাজ, মেয়েটাকে কোলে নিলাম.. ওহহহহহহহ মা গো কী ভারি..। মেয়েটাকে কোলে নিয়ে যাচ্ছি আর মনে মনে আল্লাহ্ কে বলছি হে আল্লাহ্ তুমি আমারে রক্ষা কইরো। ক্যান যে বালের ক্রিকেট খেলতে গেছিলাম। - তাঁড়াতাড়ি বাসাই ঢুকলাম। মা একটু তাঁড়াতাড়ি এই দিকে এসো। । - মেয়ে.......তুই এই মেয়েকে কোথাই পাইছিস। - ওহহহহহহ....ঐ সব কথা বাদ দিয়া আগে মেয়েটারে কী একটু ধরবা। - আচ্ছা....। - এবার চলো মেয়েটরে আমার বেডেই রাখো। ওহহহহহহহহহহ.... কিছুটা হলে ও এখন একটু শান্তি লাগতেছে। । । - ঐ এবার বল ঘটনা কী? - মাকে সব ঘটনা খুলে বললাম। তবে আজকে ঘটনা অন্য, কারণ মা কিছুই বলে নাই। আগে যেমন কিছু হইলেই বকা দিতো। - আমার মনে হয় কী জানিস মেয়েটাকে এমন করে রাখাটা ঠিক হচ্ছে না। ডাক্তার কে দেখানো উচিত। - হুমমমমম.... আমার ও তাই মনে হয়। তবে অন্য কোন ডাক্তারকে আসতে বললে রিক্স হতে পারে, তুমি বরং মামাকে ফোন দাও। - ঠিকআছে । । । একটু পরে মামা আসলো। মেয়েটাকে দেখে বললো। - মেয়েটাতো ঘুমাচ্ছে। - কীইইইই...ঘুমাচ্ছে মানে। - ঘুমাচ্ছে মানে ঘুমিয়ে আছে। - ঘুমিয়ে আছে মানে, কেমনে কী? ধাক্কা লাগলো পরে গেলো আর ঘুমিয়ে পড়লো। - হুমমমমম.... মেয়েটা ঘুমাতে হয়তো অনেক ভালোবাসে । - তাই বলে এমন পরিস্থিতিতে ও ঘুমিয়ে পড়বে। - সেটা আমাকে না বলে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস কর। - ঠিকআছে.... তাকে এখন কেমনে ঘুম থেকে তুলমু সেটা বলো। - চোখে মুখে হালকা পানি দে এমনি উঠে পড়বে। আর বুবু আমার অনেক খিদে লাগছে খেতে দাও। তুমি যেমন সিরিয়াস এর কথা বললা, আমি তো না খেয়েই চলে আসছি। - ঠিকআছে... চল তোকে খেতে দিই। আর সাহরিয়া তুই মেয়েটাকে ঘুম থেকে উঠা। । । - মেয়েটার চোখে মুখে পানি দিতেই, একটু পরে চোখ ঘুসতে ঘুসতে উঠে গেলো। - ওহহহহহহহহ.... মা, এখনি আমাকে জাগাইতে হবে। - এই যে হ্যালো... আমি আপনার মা না, আমি সাহরিয়া। - ঐ আপনি আমার রুমে কী করছেন। - ল্যাঙ ঠেলা...এই যে এটা আপনার রুম না এটা আমার রুম। - আমি এখানে কেমনে আসলাম। - আপনি আসেন নাই, আমি আপনাকে কোলে করে নিয়ে আসছি। - মানে। - মানে হলো.... বিকেলে আপনার সাথে ধাক্কা লাগছিলাম আপনি ধপ করে পড়লেন আর রাস্তাই ঘুমাই গেলেন। তখন তো আপনি ঘুমাই আছিলেন, বাট বিপদে তো আমারে ফেলছিলেন। তার আর কোন রাস্তা না পেয়ে আপনাকে আমার বাসাই নিয়ে আসছি। - ওহহহহহহহহহহ.... সরি। আচ্ছা আমি এখন যাই। - ঠিকআছে... যান। । । রুমের বাহিরে এসে। । - আচ্ছা ওনারা কে। - ওনি আমার মা জননী, আর ঐ পাশের টা আমার মা জননীর ভাই মানে আমার মামা। ওনিই আপনাকে টিটমেন্ট করার পরে বলছে আপনি ঘুমিয়ে আছে। - সরি... আন্টি শুধু শুধু আপনার এত বিরক্ত করলাম। - আরে তুমি সরি বলছো কেনো, দোষ তো হলো ঐ গাধাটার ও যদি ধাক্কা না লাগতো এত কিছু তো হতো না। - আচ্ছা আন্টি আমি তাহলে এখন আসি। - ঠিকআছে মা এসো.... সাহরিয়া যা ওকে এগিয়ে দিয়ে আয় বাসা পর্যন্ত। এমনি তে তো সন্ধা হয়ে আসছে। - আচ্ছা.... তাহলে চলেন, এগিয়ে দিয়ে আসি। । । বাসার নিচে আসতেই মনে পড়লো। মেয়েটার ফুল গুলো তো আছে আমার কাছে। - ঐ এক মিনিট থামেন। - কেনো। - আপনার ফুল গুলো আছে আমার কাছে। - ওহহহহহহহহহহহহ.... আচ্ছা ঠিকআছে নিয়ে আসেন। । । - ফুল গুলো উপর থেকে নিয়ে এসে দেখি... মেয়েটা আবার দেওয়ালে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম শরীল হয়তো খারাপ তাই। তাকে ডেকে তুলে আবার হাঁটতে লাগলাম। । । - আপনি মনে হয় ঘুমাইতে পছন্দ করেন তাই না। - হুমমমমম.... একটু। - আচ্ছা আপনার নামটা। - আমার নাম অধরা.. আপনার। - লোকে আমাকে সাহরিয়া বলেই ডাকে। - আরে লোকে ডাকার নাম বলিনাই, আপনার নাম কী? - ওহহহহহহহহহহহ... আমার নাম সাহরিয়া। । । গল্প করতে করতে অধরাদের বাসাই চলে আসলাম। । - ঐ তো সামনের ওটাই আমাদের বাসা। - আচ্ছা ঠিকআছে.. তাহলে আপনি যান, আর আমি ও বাসাই চলে যাই। - আরে বাসাই যাবেন মানে, আমাদের বাসাই চলেন আগে। - এই না না.. আজকে না অন্য একদিন। এখন আমি যাই এমনিতে রাত হয়ে গেছে। - ঠিকআছে... অন্য একদিন আসবেন কিন্তুু। - আচ্ছা। । বাসাই ঢুকার সময় পিছন থেকে ডাক দিলাম। । - এই যে অধরা....। - হুমমমমম। - আপনার ফুল গুলো। - ওহহহহহহহ.... থ্যাংকস। । । এর পরে ওখান থেকে আমি ও বাসাই চলে আসলাম। । বাসাই এসে শুয়ে শুয়ে ভাবতেছি। মেয়েটা কিন্তুু অনেক সুইট। । - সাহরিয়া খেতে আয়। - হুমমমমম। । খাবার টেবিলে বসে। - আচ্ছা মা মেয়েটা অনেক সুইট তাই না। - হুমমমমম... কিন্তুু কেনো। - কিছু না... এমনি। তুমি খাও। । । সারাদিনে শুধু অধরার সাথে বিকেলের ঐ টাইমেই একটু দেখা হইতো। ওর ফুল খুব প্রিয় ছিলো, প্রতিদিন বিকেলেই এই টাইমে সে ফুল কিনতে যেতো। আর আমি তাকে একটুকু দেখার জন্য সারাদিন হা করে বসে থাকতাম। । । এমন করে আপনি থেকে তুমি, তুমি থেকে কেমন করে জানি প্রেমটা ও হয়ে গেলো। অধরার সাথে চব্বিশঘণ্টাই বড় জোর এক ঘন্টা কথা হতো আর বিকেলের ঐ টাইমটাই। আমি ভাবতাম ওর হয়তো অনেক কাজ থাকে তাই বেশি সময় আমাকে দিতে পারে না। তবে যেটুকু সময় দিতো সেটাই আমার কাছে অনেক ছিলো। । । কিন্তুু পরে আস্তে আস্তে জানতে পারি ওর এত কাজ কী? ওর কাজ হলো চব্বিশঘণ্টার মধ্যে সতেরো ঘন্টাই ঘুমানো। আর বাঁকি টাইমে সে আমার সাথে কথা বলা খাওয়া দাওয়া গোসল আর অন্য সব কাজ করে। প্রথমে আমি বুঝতাম না যে, ও এত কেমনে ঘুমাই। কিন্তুু পরে বুঝি যে...... । । অধারাকে যদি কেউ বলে তোমার প্রিয় খাবার কী সে বলবে ঘুম। প্রিয় গান ঘুম, প্রিয় খেলা ঘুম, প্রিয় কাজ ঘুম, প্রিয় মুভি ঘুম, প্রিয় বই ঘুম, ওরে যদি কেউ বলে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর নাম কী? সে বলবে ঘুম। তাকে যদি বলা হয় তুমি কোন দেশে বাস করো সে বলবে ঘুমের দেশে। দুনিয়াতে ওর সব থেকে প্রিয় জিনিস দুইটা। প্রথমটা হলাম আমি অধম নিজেই... আর আমি ছাঁড়া দুনিয়ার সব কিছুই ওর কাছে ঘুম মনে হয়। । । অধরাকে মার ও অনেক পছন্দ হয়। আর আমি তো ঘুমওয়ালী টাকে নিজের থেকে বেশি ভালোবাসি। তাই দুই জনের পরিবার থেকেই আমাদের বিয়ের জন্য রাজি হয়। । বাট.......যেদিন বিয়ের ডেটটা ফাইনাল করে আসছি সেদিনের পর থেকে তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নাই। আর যোগাযোগ হইবোই কেমনে, যখনি তারে ফোন দেই তখনি আমার হবু শাশুরী ফোন ধরে বলে। সাহরিয়া বাবা অধরা তো এখন ঘুমাচ্ছে। আমি আর কী কমু ওকে বলে রেখে দিই। আর এত ফোন দিতে নিজেরই সরম লাগে। মনটারে এইটা বলে বুঝাই যে, হয়তো বাসর ঘরে সারারাত জেগে থাকবে। এই জন্য আগেই ঘুমিয়ে নিচ্ছে। । । আর আজকে হঠাৎ ইমন এসে বললো যে অধরা মার্কেটে যাচ্ছে তাই তো এমন দৌঁড় শুরু করে দিছি। তার সাথে একটু কথা বলার জন্য। কিন্তুু পুরোটা মার্কেট খুজে ও তার কোন খবর নাই। ঐ হারামিই আবার মিছা কথা কইলো নাকি। ওহহহহহহহহহহহহ....এই ঘুমওয়ালীরে নিয়ে আমি পাগল হয়ে যামু। । । এমন করতে করতে বিয়ের দিন চলে আসলো। । আর আজকে সবাইকে নিয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছি। - মা দোয়া কইরো.. যাতে সহি সালামতো বউরে নিয়া বাসর ঘরে ঢুকতে পারি। - বিয়ে করতে যাচ্ছিস তবু তোর বাঁদরামি গেলো না। । । বর সেজে কী সুন্দর বসে আছি... কাজী সাহেব আমার এখানে এসে বিয়ে পড়িয়ে গেলো। বাহ্ খুব সুন্দর লাগতেছে। সবাইকে সালাম দিয়ে কোলাকোলি করতেছিলাম। ওখানে আমার শ্বশুর মশাই ও উপস্থিত ছিলো। আর সেটা আমার খেয়ালই ছিলো না। আর তখনি। - আস্ সালামু ওয়ালাইকুম ভাইজান। বলেই কোলাকোলি করতেছিলাম, আর সব শেষে মুখের দিকে তাঁকাই দেখি হায় হায় এটাতো আমার শ্বশুর আব্বা। সরমে ওখান থেকে এসে সোজা বরের আসনে বসে পড়লাম। ওহহহহহহহহহহ তবু কেউ দেখে নাই...দেখলে তো মান সম্মান আমার সব যাইতো। এমন সময় সাইট থেকে বলা বলি করছিলো, বউ নাকি ঘুমাচ্ছে। আমি তো মনে মনে ভাবতেছিলাম বিয়েটা মনে হয় আর করা হইবো না আমার। তবু মহান সৃষ্টিকর্তার অসিম ক্ষমতাই বিয়েটা হয়ে গেলো। সবার কাছে থেকে বিদাই নিচ্ছিলাম, আগে বিয়েতে এমন বিদাই এর সময় দেখতাম যে বউ কেঁদে কেঁদে ঢালে পড়তো,, কিন্তুু আমার বউ তো ঘুমে ঘুমে ঢলে পড়তেছে। এমন যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গাড়িতে এসে বসলাম, গাড়িতে শুধু আমি বউ আর সামনে ড্রাইভার। গাড়ির মধ্যেই তো বউ আমার কাঁধে হেলান দিয়ে ঘুমাইতেছে। ওকে আর কোন ডিস্টার্ব করলাম না, কারণ সারারাত জেগে থাকতে হবে ভেঁবেই হয় তো এখন ঘুমাচ্ছে। বউতো দেখি আমার সবার থেকে আলাদা, একটা রাত জেগে থাকার জন্য কতদিন থেকে ঘুমাইতেছে... বাহ্ অনেক কর্তব্য বান একটা বউ পাইছি আমি। বাসাই আসার পরেই তো সবাই বউ দেখাই ব্যাস্ত, কিন্তুু একি বউ তো আমার সবার সামনেই কী সুন্দর করে ঘুমাইতেছে। তবে সবাই বলাবলি করতেছে অনেক ক্লান্ত হয়তো তাই এমন হচ্ছে। তবে আমি তো জানি কেমন ক্লান্ত। । । বউ দেখে শেষ। । সবাই আমার বউটাকে নিয়ে গিয়ে বাসার ঘরে রেখে আসলো। । আর এই দিকে আমি ও বরের পোশাক খুলে একটা থ্রিকোয়াটার আর একটা গেঞ্জি পড়ে পড়লাম। । - ঐ এই সব কী পড়ছিস (মা) । - মা... বিয়ে করছি বলে ঘুমানোর ড্রেসআপ কী ভুইলা যামু... আর ঐ দিয়ে অনেক কাজ আছে যাও। আর আমি ও বউ এর কাছে যাই, নতুন বউ একা একা কী না কী করতেছে। - তুই না একটা শয়তান। - হি হি.... এখন বাই। । । - টান টানাং..... বউ আই আম কামিং। হায় হায় কোন সাড়া শব্দ নাই। ভাবছিলাম আমারে দেখে বউ এসে সালাম করবে। আর আমি বলমু আরে থাক থাক সালাম করা লাগবে না। কিন্তুু ঐ দিকে তো বউ আমার আবারছে ঘুমাইতেছে। খাটের উপরে গেলাম। - বউ ও বউ.. উঠো না আজকে না আমাদের বাসর রাত। - ঐ এত কথা না বলে ঘুমাও। - কিন্তুু... বাসর রাতে ও ঘুমাবা। - হুমমমমম.... আর তুমি ও ঘুমাবা আমার সাথে... বলেই আমাকে জরিয়ে ধরে বুকের উপর মাথা দিয়ে আবার ঘুমাই গেলো। - আহা কী কপাল আমার... ঘুমাই ঘুমাই বাসর রাত করতেছি। আগে যদি জানতাম যে এমন ঘুমিয়েই সব পার করা লাগবো। তাইলে কী আর বিয়ে করতাম, বিয়ে আগে ও যা এখন ও তাই শুধু পার্মানেন্ট একটা কোলবালিশ পাইছি.... হি হি হি। দোয়া করি আর কারো কপালে যেন এমন ঘুমওয়ালী বউ না জুটে আমিন।।। - ঐ কী বলছো একলা একালা, ঘুমাও। - হয় ঘুমাইতেছি... আর দোয়া পড়তেছিলাম ঘুমানোর। - ঠিকআছে... এখন ঘুমাও, সবাই বাসর রাত করে আমরা না হয় কালকে বাসর সকাল করবো কেমন। - আচ্ছা... তোমার হাতেই সব। তবে দুনিয়াই আর বেশিদিন আমার ভালো থাকা হইবো না অল্পতেই পাগল হয়ে যামু। হে দুনিয়া বাসি সবাই ভালো থাইকো....মুই গেলাম।।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now