বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মরণবান-০৪

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X মরণবান আবুল ফাতাহ মুন্না চার বেন কোয়ার্টারের দিকে এগোতে এগোতে আঁড়চোখে লক্ষ্য করে দেখেছে থমাস এগিয়ে ওর চারহাত পেছনে চলে এসেছে। আর কয়েকগজ সামনেই লিভিং কোয়ার্টারের দরজা। এই পথটুকুর মধ্যে কিছু করতে যাওয়া বোকামি হবে। 'তোমার কি ধারণা তুমি বেঁচে যাবে, থমাস?' এই প্রথম কথা বলে উঠল বেন। 'হা হা হা!' উন্মাদের মত হেসে উঠল থমাস। 'আমি আবার কখন বললাম, বাঁচার জন্য আকুলিবিকুলি করছে আমার হৃদয়?! এখানে তোমার আগমনই বলে দিচ্ছে আমার দাবি মানা হবে না। জানতাম আমি। সেজন্যই আমি নাইট্রোজেন মিশিয়ে ভাইরাসটা সম্পূর্ণ তৈরি করে ফেলেছি। সামনে তাকিয়ে দেখো, বেন।' সামনে তাকাল বেন। লিভিং কোয়ার্টারের খোলা দরজা পথ দিয়ে একটা টেবিল দেখা যাচ্ছে। টেবিলটার উপর নিতান্তই অবহেলায় ফেলে রাখা হয়েছে একটা কাচের অ্যাম্পুল। টেবিলে সামান্য নাড়া লাগলেই গড়িয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে থমাসের কথা অনুযায়ী আগামী একঘন্টার মধ্যে... আর ভাবার অবকাশ পেল না বেন। মাথায় ঝাঁ করে রক্ত চড়ে গেল।'তুমি উন্মাদ নাকি, অ্যাঁ? এভাবে কেউ এই জিনিস রাখে? যদি ভেঙে যায়?' আবারও হেসে উঠল থমাস। 'তাতে কী এসে যায়, বেন? কাল তো এমনিতেই সেটা ঘটবে।' খানিক বিরতি দিল থমাস। এরপর বেনকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বলল, 'বাদ দাও,এবার কাজের কথায় আসা যাক। সাবধানে গিয়ে ওই সোফাটায় বসে পড়ো। তুমি দাঁড়িয়ে থাকা মানেই বিপদ। কখন না জানি আবার ভেল্কিবাজি দেখিয়ে বসো!' দুই গজ দুরে একটা সোফা রাখা। সেটায় গিয়ে বসে পড়ল বেন। 'শোনো, বেন। তুমি নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝে ফেলেছ আমি ইয়ার্কি করছি না।' 'হুম,' সম্মতি জানাল বেন।'কী চাও তুমি?' 'আগে যা চেয়েছিলাম।' 'তুমিই বলো, সেটা কি সম্ভব? তাছাড়া আজই তোমার বেঁধে দেয়া শেষ দিন।' 'উমম... দেখো বেন, তোমার কর্তাব্যক্তিরা হয়ত আমার কথাগুলোকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। কিন্তু তুমি তো সব দেখেছো। তুমি যদি এইমুহূর্তে ফোন করে তোমার কর্তাদের সব খুলে বলো, আর তোমার কর্তারা যদি সেটাকে সিরিয়াসলি নিয়ে এখন থেকেই কাজ শুরু করে দেয় তাহলে কাজ শেষ হতে যতদিন লাগবে, সেই সময়টুকু আমি তোমাদের দিতে পারি।' 'এই পাগলামিটা কেন করছো থমাস? তোমার এ ছাড়া আর কী চাই বলো? তুমি চাইলে তোমাকে সাধারণ ক্ষমা এবং সেই সাথে ব্ল্যাংক চেক দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারি আমি।' দপ করে জ্বলে উঠল থমাস। 'ক্ষমা? কোন অপরাধে? এই অসুস্থ পৃথিবীকে বাঁচাতে চাইছি, তারজন্য? নাকি গোটা বিশ্বের উপর গুটিকয়েক পরাশক্তির ছড়ি ঘোরানো বন্ধ করতে চাইছি,তারজন্য? আমার জন্মের কয়েক মাস আগে ভিয়েতনাম যুদ্ধে বাবা মারা যান। এরপর আমার মা কীভাবে বেঁচে ছিলেন, আমাকে কীভাবে বড় করেছেন সে খবর কি তোমাদের কর্তারা নিয়েছিল কখনো? জানো...'


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now