বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

খুনী

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X খুনী সা ফিন ১. থানায় প্রবেশ করতে না করতেই টেলিফোনের আওয়াজ শুনতে পেলেন ইনসপেক্টর রবার্টসন। -হ্যালো,ইনসপেক্টর রবার্টসন স্পীকিং। -ইনসপেক্টর,একটা মার্ডার হয়ে গেছে এখানে।' কাঁপা কাঁপা গলায় বললো ওপাশের লোকটি। -কোথায় হয়েছে খুনটা? -ফিফথ স্ট্রিটের মাথায়। তাড়াতাড়ি আসুন, প্লিজ -ওকে, আমি আসছি। -আরেকটা খুন, টম। এই হপ্তায় তৃতীয়টা। হঠাৎ কি শুরু হলো বলতো? সহকারীর জিজ্ঞাসু দৃষ্টির জবাবের বললেন রবার্টসন। ইনস্পেক্টরের সহকারী টম রিডল উনিশ বছরের তরুন। মাথাভর্তি ঝাকড়া চুল আর দুই চোখে বুদ্ধির ঝিলিক। এই দুজনেই শহরের নিরাপত্তা রক্ষা করেন। রকি পর্বতমালার অন্তর্গত ছোট্ট শহর হাইডেলবার্গ। চুরি- ডাকাতি,খুন অর্থাৎ বেআইনী কাজ এখানে প্রায় হয়না বললেই চলে। আর তাই এখানে দুজনের বেশী আইনের লোকের প্রয়োজন ও হয়না। এমনিতে শান্তির শহর হিসেবে পরিচিত এটি। কিন্তু গত ৭দিনে ৩ খুনের পর এই পরিচিতি থাকবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান ইনস্পেক্টর।চিন্তিত মুখে সহকারীকে নিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে গেলেন তিনি। * ভিক্টিম টনি হাচিনস একজন ভবঘুরে। শহরের একমাত্র অকর্মন্য ব্যাক্তি এবং একজন স্বীকৃত চোর। তবে তার চুরি বিস্কিটের কৌটা কিংবা পুরাতন শার্টেই সীমাবদ্ধ। তাকে খুন করার কি মোটিভ থাকতে পারে ভেবে পেলেন না ইনস্পেক্টর। - মনে হচ্ছে খুনী ভিক্টিমের পরিচিত। তার চেহারায় কোন বিষ্ময় বা আতঙ্ক নেই। বোধহয় মৃত্যুর ঠিক আগমুহুর্তেও বেচারা বুঝতে পারেনি কি ঘটতে চলেছে। মন্তব্য করলো সহকারী। -হু, কিন্তু টনিকে চেনেনা এমন লোকতো এই শহরে নেই। চিন্তিত মুখে বললেন ইনস্পেক্টর। ২. ইনস্পেক্টর যখন থানায় ফিরলেন তখন প্রায় সন্ধ্যা। - স্যার, তিনজন প্রাইমারী সাসপেক্ট পাওয়া গেছে। এক, মুদি দোকানদার মিস্টার জনসন। তার দোকান থেকে প্রায় নিয়মিতই খাবার চুরি করে টনি। তাই তিনি টনিকে দু'চোখে দেখতে পারেন না। দুই, পাগলা বিজ্ঞানী মিস্টার আরগফ, কিছুদিন আগে চুরি করতে গিয়ে নাকি তার মুল্যবান কিছু নথিপত্র নষ্ট করে ফেলেছিলো টনি। এরপর ভদ্রলোক প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়েছেন টনিকে হাতের কাছে পেলে তার ডাবল ব্যারেল শটগান দিয়ে গুলি করে মারবেন। আর তিন নম্বর সাসপেক্ট হচ্ছেন শহরে নবাগত ক্যার্লিফোনিয়ার মিস্টার আর্নল্ড। ভদ্রলোক শহরে প্রবেশের দিনই টনির সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিলো। টনি তার খাবার চুরি করতে গেলে তিনি তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে টনি তাকে জঙ্গলে একা পেয়ে মেরে হাত ভেঙ্গে দেয়। - কিন্তু প্রত্যেকের মোটিভই তো খুব দুর্বল,টম। এতো সামান্য কারনে কেউ কাউকে খুন করবে বলে মনে হয়না। -তা ঠিক,স্যার। তবে এমনও হতে পারে,খুনীর ইচ্ছা ছিলো কেবল তাকে আহত করা,খুন করার ইচ্ছা ছিলোনা,কিন্তু দুর্ঘটনাবশত খুন হয়ে গেছে। বললো বটে তবে টমের নিজের কাছেই বেখাপ্পা ঠেকলো যুক্তিটা। - হতে পারে।, এখানে বসে না থেকে চলো টহলে বের হই। হয়তো খুনীকে ধরা কোন সূত্র পেয়ে যেতে পারি। -ইনস্পেক্টর, সারাদিন আপনার উপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে,তাছাড়া একজন তো ফোনের পাশে থাকা দরকার। আপনি এখানেই থাকুন আমি একাই টহল দিতে পারবো। ঝাড়া পাঁচ সেকেন্ড সহকারীর দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন তিনি। তারপর বললেন - সাবধানে থেকো। -ভাববেন না, ইনস্পেক্টর, আমি নিরাপদেই থাকবো। হেসে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো সহকারী। লাইট নিভিয়ে চিন্তিত মুখে সিগারেট ধরালেন ইনস্পেক্টর। আরেকটা নতুন সমস্যা যুক্ত হয়েছ। টমের আচরন কেমন যেনো অদ্ভুত ঠেকছে তার কাছে। ছেলেটার ব্যাপারে আরেকটু সতর্ক হতে হবে, ভাবলেন তিনি ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ খুনীদের খুনী - পর্ব ৩
→ জেমস বালগার মার্ডার কেস এবং সর্বকনিষ্ঠ দুই খুনী
→ খুনীদের খুনী — পর্ব ২
→ খুনীদের খুনী— পর্ব ১
→ অদৃশ্য খুনী
→ কে খুনী? ৩য় পর্ব
→ কে খুনী? ২য় পর্ব
→ কে খুনী? ১ম পর্ব
→ কে খুনী? ৪র্থ পর্ব
→ কে খুনী? ৫ম পর্ব
→ কে খুনী ৬ষ্ঠ পর্ব
→ কে খুনী? ৭ম ও শেষ পর্ব
→ খুনী
→ অদৃশ্য খুনী
→ খুনী—০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now