বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাধারণ আবার অসাধারণ কিছু ঘটনা।

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sahida Akter Sumi(guest) (০ পয়েন্ট)

X কিছু সাধারণ ঘটনা যদিও এখনকার বর্তমান যুগে এই ঘটানাগুল অসাধারণই লাগছে,,,,, এলার্ম বেজেই যাচ্ছে উঠব ভেবে ফোন সাইলেন্ট করলাম।উঠে ফ্রেশ হয়ে নামাজ পরব,আযান শেষ হোল,,, আযানততো শেষ এই চিৎকার কে করছে।নাকি কেউ এই ভোররাতে ঝগড়া করছে। এতো দিন ধরে আসা যাওয়া করছি কই কোনদিনতো পাগল টাইপের কাউকে দেখি নি। চিৎকার করে বলা কথা গুল বুঝা যাচ্ছে না।বারান্দায় গেলে বুঝা যেতত থাক এখন আর বারান্দায় যেতে ইচ্ছা করছে না।নামায পড়ি। দুই-তিন দিন পর,,, অহ আজো আজানের আগেই উঠলাম।ওমা অইদিনের সেই চিৎকার আচ্ছা কি বলে আজ শুন্তেই হবে,,,হুম এখন বুঝতে পারছি আস্তে আস্তে কথা গুলা আমাদের বাসার কাছেই আসছে। "ঘুম থেকে নামাজ ভাল" "ঘর থেকে মসজিদ ভাল" "নামাজের সময় হয়েছে সবাই উঠে যান " আল্লাহ এখন এমন লোক ও আছে লোকটি বাসা থেকে মসজিদ পর্যন্ত এই চিৎকার করতে করতে যায়।আর অই দিন আমি পাগল ভাবছি।ছিঃ ছিঃ। লোকটিকে দেখতে ইচ্ছা করলেও বারান্দায় যাওয়ার ইচ্ছা নেই এখন।আজানের পরে উঠলে জানতেও পারতাম না এমন একটা মানুষ আমাদের এই গলিতে আছে। ২য় ঘটনা,,, এই কইরে তুই ছাদে যাবি না।আসছি।ইচ্ছা করছে না যেতে তাও যেতে হবে খালামনি একা যাবে না।গেলাম,,অমা এদের আজ ছাদে প্রথম দেখলাম।অবশ্য আমিতো ছাদে আসি না।খালামনি দেখ ছাদে কাপড় শুকাতে আসছে তাও বোরকা,নিকাব,পড়ে আসলো। দেখতে কি যে ভাল লাগছে।অবাক হলাম এত পর্দাশিল মানুষও আছে।নিজের ভিতর এখন অনেকটা সাহস সাহস অনুভূতি হচ্ছে। সেইদিন ক্লাস শেষ এ বাসায় পিরছি বাসার নিচতলার কেউ হয়তো বেড়াতে যাচ্ছে। বাসার গেট এর ভিতরে ঢুকে অবাক হলাম ওনাদের দরজা খোলাই এবং ৪-৫ টা মহিলা সবাই একদম কালো পর্দার ভিতরে অনেকের চোখ ও দেখা যাচ্ছে না।কি যে ভালো লাগছে এরকম একটা পরিবার আমাদের সাথেই বসবাস করে।হঠাতি মনটা খারাপ হয়ে গেলো এমন একটা পরিবারের সদস্য যদি হতে পারতাম।থাক আল্লাহ যা করে তাতো ভালোর জন্যই করে। মনের ভিতর ইচ্ছা আবার নাড়া দিয়ে উঠলো।কখনো ইচ্ছাগুল প্রকাশ করা হয়নি কারন আমার ইচ্ছাগুল শুনলে সবাই ব্যঙ্গ করবে,কারন আমার কিছু কান্ড দেখে কেউ কেউ খুব বাজে কমেন্ট করে যা সে নিরবেই হজম করতে হয়। অহ সবচেয়ে অসাধারণ ঘটনা ঘটল গত পরশু দিন।ছোটভাইটাকে যখন মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হল।ভাইবোনদের মধ্যে একমাত্র ওকেই মাদ্রাসায় পড়ানো হচ্ছে,,,খুব খুশি লাগছে আমিই তার হোম টিউটর। এবার আরবি লিখতে পারা এই ইচ্ছাতো পুরন হবে। আসলেই এই সাধারণ ঘটনা গুল কেন এত অবাক লাগছে,জানি না। সমাজটা এমন কেন??একটা মুসলিম দেশ,,,বাট দিন দিন যেন ব্রিটিশ হয়ে যাচ্ছে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now