বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিছানায় শুয়ে একটা স্বস্তির নি:শাষ ছাড়লো রাহাত। ভাবতেই পৈশাচিক আনন্দ পেল সে। রাহাতের স্ত্রী পারুল বাবার বাড়িতে গিয়েছে। বাচ্চার ডেলিভারী হবে সেখানেই। কাজ শেষে বাড়ি ফিরলে কিছুতে যখন সময় কাটতেছিল না তখন বাল্য বন্ধু সাজুর সাথে আড্ডা দেয়াটা উপভোগ করে সে। সাজুর অনেক বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞতা।
কদিন থেকেই বলতেছিল, "বউ তো কাছে নাই। চল মোজ মাস্তি করবি আমাদের সাথে। নতুন স্বাদ নে ব্যটা! "
সাজুর কথা শুনে রাহাতের ভেতরের আদী সত্বাটা জেগে উঠে। বিয়ের আগে যে সে নিষিদ্ধ পল্লীতে যায় নাই তা নয়। তবে বিয়ার পর যাওয়া হয় নাই। বউ ও কাছে নাই কমাস হোল। যে ভাবা সেই কাজ সন্ধ্যায় সাজুর সাথে বাইকে করে চললো এক রেষ্টুরেন্ট এ। মেয়েটা আগেই বসে ছিল। সাজুর ফেসবুক গার্ল ফ্রেন্ড। আগে দু এক বার দেখা হয়েছে তাদের। হাই হ্যালো বলা শেষে পুর্ব প্লান অনুযায়ী রাহাত ফোন এর বাহানায় দূরে যাবার পর সাজু মেয়েটাকে পটিয়ে নিয়ে যায় ভাড়া করা রুমে।
রুমের ভেতর আগেই রাহাত লোকায় ছিলো। প্রথমে সাজু তারপর রাহাত.. মেয়ের চিৎকার যেন বাইরে না যায় আর এদিকে যেন কেউ না আসে তাই ওয়েটার কে আগে থেকেই টাকা দিয়ে ম্যনেজ করা আছে আর রুমেও গানের ভলিউম জোরে। ভিডিও ক্যমারা আগেই ফিট করা ছিল!
আনন্দ শেষে মেয়েটাকে মুখ খোললে ভিডিও ছেড়ে দেবার ভয় দেখিয়ে ছেরে দেয়। গরীব মেয়ের স্বামর্থ যে নাই মামলা করার। গরীব ঘরের মেয়ে মুখ বুজে লোকলজ্জার ভয়ে যে কাউকে বলবে না এটা সাজু ভাল করেই যানে।আর বেশি ঝামেলা করলেই ভিডিও ছেরে দিবে।
রাহাত রেষ্ট নিচ্ছিল। মোবাইল বেজে উঠলো। পারুল এর মায়ের ফোন। ছেলে বাবু হয়েছে। রাহাত ব্যাগ গুছিয়ে তারপরের দিন সকালের গাড়িতে ছুটলো গ্রামে। বাচ্চা কে কোলে নিয়ে হতভম্ব! এ কার সন্তান! দেখতে যে হুবহু সাজুর চেহারা!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now