বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রোহল্ট দেখলো ,,,যে এই শিশু যে রাজার তা যদি দস্যু জানতে পারে, তাহলে একে নিশ্চয়ই হত্যা করে ফেলবে।তা সে এই সন্তান নিয়ে তার স্ত্রীর কাছে দিলেন, এবং সবাইকে জানিয়ে দিলেন যে , এটা আমার সন্তান,, দেখতে দেখতে রাজকুমার এর সাত বছর বয়স হয়ে গেলো।রোহল্ট তাকে একটা ভালো গুরুর কাছে নিয়ে গেল,, সেখানে রাজকুমার শিক্ষা শুরু করে দিল,,সে অতী শিগ্ৰই অস্ত্র চালনায় দক্ষ হয়ে গেল,এত দুঃখের মাঝে জন্ম হওয়ার কারণে রোহল তার নাম রাখেন ত্রিস্তান,,,হটাৎ একদিন ত্রিস্তান কোথায় যেন হারিয়ে গেল,,, রোহল্ট আর্তনাদ করতে লাগলো,,,যে,, সে রানির দেওয়া শপথ রাখতে পারলো না,, একদিন ত্রিস্তান সমুদ্রের পাশে বসে ছিল,, তখন বণিকদের জাহাজ সেখান দিয়ে যাচ্ছিল,,,বণিকরা তা ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে যায়,,যাতে তারা ত্রিস্তান কে বিক্সি করে টাকা উপার্জন করতে পারে। অনেকক্ষন পর ত্রিস্তান বুঝতে পারে যে ,বণিকরা তাকে নিয়ে অন্য দেশে যাচ্ছে ,, তখন সে লড়াই করতে শুরু করলো,সমু সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য,, কিন্তু অতগুলো বণিকদের সাথে সে পেরে উঠলো না।তা ছাড়া ওর কাছে কোন অস্ত্র নেই,,ত্রিস্তান ওদের হাতে বন্দী রইলো। কিন্তু আপনারা সবাই জানেন যে ,সুমুদ্র কখনো পাপের বোঝা বহন করে না,। আকাশ কালো হয়ে গেল,, শুরু হলো তুমুল ঝড়,, জাহাজ চালক ঝড়ের মধ্যে কিছু দেখতে পেল না। সামনের দিকে খারা পাহাড়ে গিয়ে ধাক্কা লাগে জাহাজ,বণ বণিকরা সবাই মারা যায়।ত্রিস্তান ছুটে গিয়ে পড়ল বালুচরে। অনেক সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর ঝড় থেমে গেল। এবার ত্রিস্তান জাহাজ থেকে একটা নৌকা নিয়ে ভেসে চলল,, কিন্তু সে বাড়ীর রাস্তা ভুলে গেছে।ভাসতে ভাসতে সে গিয়ে উঠল সেই মার্ক রাজার দেশে, কিন্তু সে মার্কের ব্যপারে কিছুই জানে না।এই গল্পের ৩য় অংশ পাবেন অতি শীঘ্রই।কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,,, সবাই নিশ্চয়ই কমেন্ট করবেন,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now