বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বন্দী ভালবাসা

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X সময়ের হাতে হয়তো আমরা সবাই ..বন্দী। তেমনি বন্দী আমাদের ভালবাসা। . সময়ের তালে আধুনিকতার ..ছোঁয়ায় সত্যি ভালবাসা গুলো ..কেমন বিলুপ্ত হচ্ছে। তবুও কেউ কেউ এই সত্যি ভালবাসা টাকে ..বাচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে অন্য কে সত্যি ভালবেসে ..। এমনই একজন ..মুবিন। . ভার্সিটির ছাত্র। . চলুন তাহলে .তার ভালবাসা বাচিয়ে রাখার গল্প টা আজ আমরা শুনি। . : : জুবায়ের আর মুবিন দুজন খুবই ভালো বন্ধু। একই ভার্সিটির একই বিষয়বস্তুর ওপর পড়াশোনা করছে. মুবিন স্বাভাবিক ভাবে আর পাঁচ টা ছেলের মতো হলেও তার চিন্তামগ্ন মস্তিষ্ক টা একটু হলেও আলাদা । ভার্সিটিতে এই দুজনের তেমন কোনো বন্ধু নেই। বলতে গেলে এদের প্রয়োজন নেই কাউকে। দুজন দুজনের ভালো মন্দ সব শেয়ার করে চলে। একসাথে ..থাকা খাওয়া চলাফেরা পড়াশোনা.। এদিকে ভার্সিটির একই ডিসিপ্লিন এর ছাত্রী. ইভা। দেখতে অনেক সুন্দরী.। বলতে গেলে যে কেউ. দেখেই উপস্থিত স্থানে শতবার ক্রাশ এবং ..একবার প্রেমে পরে যাবে। .ভার্সিটির অনেক ছেলের স্বপ্ন, কল্পনায় ..নিয়মিত তার যাওয়া আসা। কিন্তুু .সেদিকে. তার কোনো ..খেয়াল নেই। কারণ সে এই মুবিন এর মাঝে কেমন যেন অন্য কিছু অন্য রকম কিছু খুজে পায়। মনে হয় সে আছে ..এই পৃথিবীর ভেতর সবকিছুর মাঝে তারপর ও সে এগুলো থেকে একটু আড়ালে। ইভা প্রায় তাকিয়ে থাকে। . কিন্তুু ..মুবিনের এসব এর দিকে কোনো খেয়াল নেই। কিছু অতীত ..তাকে এমন করে দিয়েছে। .. প্রায় ইভা মুবিনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তুু পারে না। .. : : এদিকে জুবায়ের এই ব্যপারটা লক্ষ্য করেছে। .. কিন্তুু জুবায়ের এর সাহস নেই এই কথাটা মুবিন কে বলার। কারণ মুবিন. এর অতীত টা জানে জুবায়ের। .. এদিকে ইভাও যেন সম্পূর্ণ ভাবে মুবিনের প্রেমে পড়ে গেছে। . ভালবাসা টা বেড়েই চলেছে। .ইভা তাই ..চিন্তা করে. মুবিন কে সে নিজেই. জানাবে এই ভালবাসার কথা। .. : : : অতীতে. ফিরে ..গল্প. : মুবিন ..সবে কলেজ লাইফে উঠেছে। মুবিন বরাবরই. ছোট বেলা থেকেই মেয়ে, প্রেম, ভালবাসা. থেকে দুরে থাকে। সবার ভাবনা ছিলো ..এই ছেলের দ্বারা প্রেম ভালবাসা হবেনা। . কলেজে নতুন এক ছাত্রী আছে .. মেয়েটির নাম ..রূপা। অনেক সুন্দরী, কিউটের ডিব্বা , মায়াবী চোখ। এই জিনিস গুলো ..মুবিন. সবার থেকে লুকিয়ে মনে গহিনে রাতের আড়ালে নিজের ঘরে বসে ভাবে। এমনই ..কেউ যে সত্যিই. হবে সেটা মুবিন ..চিন্তা করলেই ..খুশি তে অজান্তেই মুখে অনুভূতির হাসি একেঁ যায়। মুবিন রূপা কে সত্যি সত্যি ভালবেসে ফেলে .! একদিন এই ভালবাসার কথা টি ..জানায়! কিন্তুু রূপা ..তাকে হ্যাঁ না কিছুই বলে না ...শুধু হেসে চলে যায়। .রূপার উপরের ঠোঁটে ছোট্ট একটি তিল আছে ! মুবিন ভাবে .হয়তো তার উত্তর না। তাই ..সে সব কিছু মেনে নিয়ে নিজেই পিছিয়ে আসে। শুধু দুর থেকে রূপা কে দেখে। . জুবায়ের সব কিছুই জানে। .. এভাবে চলতে চলতে .পরীক্ষা চলে আসে। .. .. অস্বাভাবিক ভাবেই. দুজনে সীট একই বেঞ্চে পড়ে। দুজনে ভালো পরীক্ষা দেয়। কিন্তুু ..মুবিনের রেজাল্ট টা ..তুলনা ভাবে একটু নাম্বার কমে আসে। কারণ মুবিন শুধু ..রূপার দিকে তাকিয়ে থাকে। .. এদিকে. রুপা ব্যপারটা বুঝে। এভাবে কলেজ লাইফের প্রথম বছর কেটে যায়। সবাই মিলে .পিকনিক এ যায় সেখানে মুবিন একটা গান করে ..গান টি নিজের লেখা ছিলো। . সেই গানে রূপা ভালো লেগে যায়। .. এভাবেই তাদের বন্ধুত্ব হয়ে যায়. .মুবিন খুশি থাকে। একদিন ফেব্রুয়ারি 14; সেদিন একগুচ্ছ ফুল নিয়ে ভালবাসার কথা বলে আবার। .. কিন্তুু সেদিন সে গ্রহণ করে নেয়। .এভাবে চলতে চলতে .. : বাস্তব এ ফিরে যাওয়া : : : সেদিন ..মুবিন আর জুবায়ের ভার্সিটির ক্যাম্পাসে বসে. গল্প করছে। .. হঠাৎ ইভা চলে আসে। .. জুবায়ের জিজ্ঞেস করে কিছু বলবেন? জ্বি আমার মুবিন সাহেবের সাথে কিছু কথা ছিলো। ..রূপা বলে। রূপার কথা শুনে. মুবিন জুবায়ের দুজনেই উঠে দাড়ায়। .. জুবায়ের বলে বলেন কি বলবেন। . রূপা বলে আপনি একটু দুরে যেতে পারবেন? . ...জুবায়ের বলে আচ্ছা ..থাক তুই কথা বল আমি একটু ঘুরে আসি। . মুবিন জুবায়ের কে থামিয়ে বলে। তুই কোথাও ..যাবি না। আমার সব কথা ত তুই এমনিতেই জানবি তুই থাক. এবার মুবিন রূপার উদ্দেশ্য বলে ..আপনি অর সামনেই কথা বলেন কোনো অসুবিধা হবেনা। . ইভা কিছুটা ..রেগে গেলেও ..কন্ট্রোল করে বলা শুরু করে। . ....দেখ তুমি করেই বলছি। .জানি না তোমার ভেতর কি আছে ..তবে কিছু একটা ভিন্নতা আছে যেটা আমাকে তোমার কাছে টানে। জানি না কিভাবে .এসব হয়। .আমি এতো কিছু .বলে বোঝাতেও পারবো না তাই সোজা কথা সহজ ভাবে বলছি .আমি তোমাকে ভালবাসি। .কথা গুলো বলেই. .ইভা একটু মাথা নিচু করে আছে। .. এদিকে এই কথা শুনে মুবিন কোনো উত্তর না দিয়ে ..শব্দ ছাড়া সেখান থেকে ..চলে আসতে লাগে। জুবায়ের বলে উঠে আরে উত্তর ত দিয়ে যা নাকি? জুবায়ের কথা শুনে ইভা তাকিয়ে দেখে ..মুবিন চলে যাচ্ছে। ..ইভা জুবায়ের এর দিকে তাকায়। .. জুবায়ের সাথে সাথে ইভার উদ্দেশ্যে বলে আরে .পথ আগলে ধরে উত্তর টাত শুনে আসুন। .. : : ইভা দৌড়ে গিয়ে মুবিনের সামনে দাড়িয়ে জিজ্ঞেস করে আমার উত্তর না দিয়ে চলে আসলেন কেন?? উত্তরে মুবিন বলে ..দেখুন আমি ভালবাসতে পারি না ..,প্রেম ভালবাসা আমি চাই না। এটা আমার জীবনে প্রয়োজন নেই.। আর তাছাড়া আমি দেখতে তেমন সুন্দর, হ্যান্ডসাম নই তাই প্লিজ বিরক্ত করবেন না। .. এই বলে. মুবিন চলে যায় ..।জুবায়ের এসে ইভা কে বলে ও.এমন ছিলো না ..কিছু মনে কর না। . ইভা অশ্রু চোখে জিজ্ঞেস করে. মানে? হুম ..আসলে ..কিছু ঘটনা ওকে এমন করে দিয়েছে .। আমাকে বলা যাবে? ইভা জিজ্ঞেস করে .। হ্যাঁ। কিন্তুু এটা বল তুমি কি সত্যিই ওকে ভালবাস? আপনার কি মনে হয়? আমি তোমার এসব কাজ গুলো অনেক দিন থেকেই লক্ষ্য করেছি মনে হয় আমার বন্ধুটি তার সত্যি ভালবাসা টা পেয়েছে কিন্তুু ..ওকে সেরা মেনে নিবে কি বা বুঝবে কিনা এটা জানি না। কেন?? .ইভা কিছু আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করে? .: : . : তারপর জুবায়ের অতীত টা বলতে শুরু করে। . : . : . অতীতে ফিরে .. : . এভাবেই মুবিন নিজেকে সবচেয়ে সুখি মানব বলে মনে করে ..সে লাইফে সব পেয়ে গেছে ..মুবিন ছোট খাটো লেখক ছিলো .। গান গাইতো ..সব করত. । । এভাবে চলতে থাকে ..কিন্তুু হঠাৎ করেই রূপা. পাল্টে যায়.। মুবিনের সামনে একদিন সব পরিষ্কার হয়ে যায় .. এরপর রূপা কে .দেখা করতে বলে দেখে করে .সেদিন ..রূপার সাথে ..একটা ছেলে দেখে. ছেলেটা মুবিনের থেকে সুন্দর, স্মার্ট. রূপা অই ছেলের হাত ধরে থাকে। .. রূপা এসে কিছু বলতে যাবে। ..তার আগেই ..মুবিন সব বুঝে যায়। .. তাই মুবিন ই..বলে উঠে. কিচ্ছু বলার প্রয়োজন নেই ..!আমি ..বুঝতে পারছি। ..আমার ভুল ছিলো.! রূপা কিছু বলার আগেই মুবিন আবার বলে ওঠে .আমি তোমার যোগ্য নইলে রূপা । তবে এই য অযোগ্যতার ..আড়ালে হয়তো তুমি. আমার ভালবাসা টা খুজে পাওনি। ..তখন রূপা ওকে অনেক কথা বলে ..ছোট করে ..বলে তোমার মতো আরও দশটা ছেলে আমার পেছনে আছে। .. মুবিন হেসে বলে আমি অই দশটা ছেলের মতো না। ..আমি তোমাকে আজীবন ভালবেসে যাবো। .. এই বলে মুবিন চলে আসে। সেখান থেকে সেই মুবিনের ভেতর এমন কিছু অদ্ভুতা ঢুকে গেছে .! : : : আবারও বাস্তব জীবনে ... : : ইভা অশ্রু চোখে জুবায়ের এর কথা শুনছিলো। .. ইভা জিজ্ঞেস করে তারপর? জুবায়ের বলে তারপর আর কি তারপর থেকে .আমার বন্ধু টিপস এভাবেই থাকে। ভালবাসা ছাড়া প্রেম ছাড়া। .. তবে অদ্ভুত বিষয় কি জানো? ইভা বলে কি? পরে রূপা মুবিনের ভালবাসা টা বুঝতে পারে .। অই ছেলে টা ওকে ঠকায়. .।তারপর রূপা মুবিনের কাছে এসে ক্ষমা চায়। ফিরে আসতে চায়.। তখন মুবিন ওকে ফিরে দিয়েছিলো ..।বলে ছিলো আমি তোমাকে আজীবন ভালবাসবো কিন্তুু নতুন করে .তোমাকে. আর নিজের করতে পারবো না। .নিজের মতো করে ..বেসে যাবো শুধু তুমি নও আর কোনো মেয়ে কেই ..আমি কখনো আমার পথের আমার হাত ধরার অনুমতি পাবে না। সেখান থেকে ও এভাবেই আছে কখনো ওকে কাদতেঁ দেখিনি। জানো। .. ইভা অবাক হয় ভেবে সত্যিই ছেলেটা অদ্ভুত ..। জুবায়ের আবার বলে ইভা তুমি চেষ্টা করলে অবশ্যই ওকে নিজের করে নিতে পারো ..।শুধু ওকে এটা রিয়েলাইজ করাতে হবে তুমি ওর সেই ভালবাসা আর ..ভালবাসা টা কে এভাবে. রক্ষা করা যায় না। ..যেভাবে ও ভাবছে.। ইভা বলে হ্যাঁ আমাকে পারতেই হবে ..। এরপর থেকে ইভা অনেক ভাবে চেষ্টা করে জুবায়ের এর সাহায্য নিয়ে ..মুবিন কে বুঝানোর কিন্তুু .ব্যার্থতা ছাড়া কিছুই ফলাফল আসেনি। .. ভার্সিটি থেকে পিকনিকে যাওয়া হয়. সবাই যায় ..সেখানে জুবায়ের এর বলায় ইভা মুবিনের সেই প্রথম লেখা গান টি গায়। ... কিন্তুু গান টি শুনে ..মুবিন চলে আসে সেখান থেকে এসে একা বসে থাকে .।ভার্সিটি থেকে কক্সবাজার এ পিকনিক এ এসেছিলো ..।তাই একা একা .মুবিন সাগরের পাড়ে বসে আছে। . হঠাৎ ..কেউ কাধে হাত রাখে .মুবিন ফিরে দেখে ..ইভা দাড়িয়ে আছে ..। মুবিন ইভার মাঝে রূপা কে খুজে পাচ্ছিলো ..তাই ফিরে ..ইভাকে জরিয়ে ধরে রূপা ভেবে .। সেদিনের পর থেকে মুবিন রূপা র সাথে আর দেখা হয়নি। .. অনেক দিন পর জোছনাতে. ইভাকে রূপা ভেবে আবেগাপ্লুত হয়ে. যায়। কিন্তুু কিছুক্ষণের ভেতর সেই ঘোর ভেঙে যেতেই ছেড়ে দেয়। মুবিন বলে ..সরি সরি রিয়েলি সরি আমি ভেবেছিলাম. বলতে গিয়ে থেমে যায় মুবিন। .. ইভা বলে তুমি ভেবে ছিলে ..রূপা। মুবিন অবাক হয়। .ইভা বলে আমি সব জানি মুবিন. জুবায়ের সব বলেছে .কিন্তুু সবাই ত.এক নয়। আমাকে একটা সুযোগ দেও প্রমাণ করার .. দেখেন ইভা এটা কখনো. সম্ভব না। আপনি কেন এভাবে আমার পিছু লেগে আছেন? ইভা বলে ..তোমার একটু ভালবাসা পাওয়ার জন্য! .. আমি আর কাউকে ভালবাসতে পারবো না। খানিকটা চিল্লায় বলে ওঠে মুবিন। .. ইভা বলে .আমার সাথে এই একটা রাত এই সাগর পাড়ে বসে আমার হাত ধরে ..থেকো দেখ ঠিক পারবে। সম্ভব না। তুমি চাইলেই সম্ভব. মুবিন। ইভা আবার বলে ভালবাসতে বলছি না .. ইভা কান্না করে দেয়। তখন মুবিন বলে ..একটা শর্ত কি? ইভা একটু খুশি মনে জিজ্ঞেস করে। আজকের পর থেকে আপনি আর আমার সাথে ..যোগাযোগ দেখা, কথা কিচ্ছু করার চেষ্টা করবে না। . ইভা মন খারাপ হয়ে যায়। তাও রাজি হয় যাকে ভালবাসে অন্তত কিছু মুহুর্ত ত পারবে তার সাথে হাত ধরে থাকতে। . ইভা রাজি বলে মাথা নিচু করে থাকে। মুবিন চুপ করে ..গাছের একটা গুড়ির ওপর বসে। ..ইভা ভয়ে ভয়ে আসতে আসতে ..মুবিনের পাশে বসে হাত টা ধরে । দেখে মুবিন কিছু বলে না। একটু সাহস পেয়ে কাধেঁ মাথা রাখে .. কিছুক্ষণ পর ইভা ঘুমিয়ে পরে। .. আর মুবিন চুপচাপ ..সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। .. হঠাৎই সাদা ..জামা কাপড় পড়া একটা লোক ডাক দেয় মুবিন বলে। . মুবিন চেয়ে দেখে মুবিনের মতো দেখতে কেউ তাকে ডাকছে। এটা মুবিনের বিবেক। . মুবিন. .তুমি কি বোঝ না মেয়েটা তোমাকে কত ভালবাসে? আমার কিচ্ছু করার নেই। মুবিন জবাব দেয়। বিবেক বলে আছে মুবিন অনেক কিছু। ..তুমি ওকে ফিরিয়ে দিয় না। . কিন্তু আমি রূপা কে ছাড়া কাউকে ভালবাসব তে পারবো না। আমি আমার ভালবাসা কে রক্ষা করবোই। তুমি এটা তখনই রক্ষা করতে পারবে যখন ইভা কে মেনে নিয়ে ভালবাসবে। .. কিভাবে?মুবিন জিজ্ঞেস করে। উত্তরে মুবিনের বিবেক বলে . কারণ তুমি ইভার মাঝে তোমার রূপে কে খুজে পেয়েছ। তার উধাহরন যখন ওকে ..জরিয়ে ধরে ছিলে ..!নিজের ভালবাসা রক্ষা করতে গিয়ে কাউকে কষ্ট দেওয়া আঘাত করা উচিত নয় মুবিন। .. তুমি ওকে ..মেনে নেও। মেনে নেও!!! ..বলতে বলতে ..মুবিনের বিবেক হারিয়ে যায়। ..সমুদ্রের স্রোতে.! আর এসব ভাবতে ভাবতে .সকাল হয়ে গেছে। ..সূর্য উদয় হচ্ছে। .. ইভা এখনো ঘুম। অর চুল গুলো ..মুখের ওপর এসে পরেছে। তাই হাত দিয়ে ..চুল গুলো ঠিক করে কানে গুজে দিল। . তারপর অজান্তেই সেই হাসি টা আবারও হেসে উঠলো যেটা রূপার কথা ভেবে হয়েছিল। . তারপর. ইভাকে ডাকে। .. ইভা উঠে দেখে সকাল হয়ে গেছে ..এখনো মুবিনের হাত জরিয়ে আছে। .. ইভা একটু. ছেড়ে দিয়ে দাড়িয়ে থাকে। .. তারপর মুবিন বসা থেকে উঠে ইভার পাশে গিয়ে বলে। দুখিত ঘুম থেকে ডাকার জন্য.! আসলে যাকে ভালবাসেন তার সাথে সূর্য উদয় দেখা থেকে আপনাকে বঞ্চিত করতে চাইনি তাই ..! ইভা এই কথা শুনে অবাক হয়ে মুবিনের দিকে তাকিয়ে আছে। .. এদিকে .সূর্য উদয় হয়ে গেছে ভোরের আলোয় দুজন দুজনের প্রতি কিছু বোঝার ..চেষ্টা করছে। .. তারপর হঠাৎ করে জুবায়ের এসে জিজ্ঞেস করে কিরে তোরা দুইটা সারারাত কই ছিলি? কত খুজলাম সবাই। . মুবিন কিছু নাম বলে সমুদ্রের পাড় ধরে হাটতে শুরু করে। জুবায়ের আবারও ইভার কাছে জিজ্ঞেস করে। কই ছিলে? এইখানেই .. সারারাত?? জুবায়ের অবাক হয়ে। হুম. . আর ও? হুম .. কি হুমায়ূন হুম? করছ ইভা? ও কি তোমার সাথেই ছিলো? ইভা বলে হ্যাঁ. জুবায়ের খুশি হয়ে বলে তাহলে পেলে তোমার ভালবাসা টাকে নিজের করে। .. ইভা মনে খারাপ করে মাথা নিচু করে বলে ..হয়তো কখনোই না। জুবায়ের জিজ্ঞেস করে কেন? ও..শর্ত দিয়েছিল। এই একটা রাত. এর পর আর যেন কোনো যোগাযোগ না করি.। জুবায়ের ও কিছুটা হতাশ নিয়ে জিজ্ঞেস করে. আর কি কথা হলো রাতে? ইভা আরো মন খারাপ করে মাটিতে বসে পরে আর বলে কোনো কথা হয়নি। আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। জুবায়ের অবাক ও হতাশ হয়ে ..কি? কিছুই না? কোথায় ঘুমিয়ে ছিলে? ইভা কিছুটা সময় নিয়ে বলে ওর কাধে মাথা রেখে। . জুবায়ের চিতকার দিয়ে বলে সত্যি??!! ইভা তাকিয়ে বলে হ্যাঁ। .. জুবায়ের আবার জিজ্ঞেস করে ও কিচ্ছু বলেনি? কোনো কথা না? ইভা আবারও কিছু সময় নিয়ে বলে ..হ্যাঁ সকালে ঘুম থেকে ডেকে বললো যে আমি যাকে ভালবাসি. তার সাথে এই সুন্দর সূর্য উদয় দেখা টা থেকে আমার বঞ্চিত করা উচিত নয় তাই ডাকছে .. জুবায়ের ঝাড়ি দিয়ে বলে আরে বোকা ..মেয়ে ও তোমাকে মেনে নিয়েছে.। ইভা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে কিভাবে? কি বলছ? আরে হ্যা এই কথার মানে বোঝা না?? ও কখনো এমন কথা বলত না যদি তোমাকে ও না মেনে নিতো। যাও ও একা একা হাটছে কাছে গিয়ে হাত টা ধর না হলে কিন্তুু সারাজীবনের জন্য হারাবে। এই কথা শুনে ইভা দৌড়ে গিয়ে ..পেছন থেকে জরিয়ে ধরে .।মুবিন কে। আর জুবায়ের দাড়িয়ে দেখছে ..। মুবিন ছাড়িয়ে ইভার দিকে ঘুরতে আবার জরিয়ে ধরে আর বলে একটা সুযোগ দেও তোমার রূপা হওয়ার. .। মুবিন কিছু না বলে ছাড়িয়ে ছোট একটা হাসি দেয়। তারপর ওর ইভার হাত ধরে সমুদ্রের পাড় ঘেসে ..হাটতে থাকে। .. এভাবেই ..মুবিনের ভালবাসা রক্ষা করার গল্প টি ..হয় ..চলতে থাকে ...হয়তো চলবে আজীবন.। এখন ইভাই মুবিনের রূপা ..। :


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now