বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Devil_Boss Part_1

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ ছেলে (০ পয়েন্ট)

X উপমা :নিলু আজকে মনে হয় আমরা শেষ, দেখ লোকটা কীভাবে আমাদের দিকে আসছে,, নিলা :ভাই এর মধ্য আমি নাই,,, যা করছিস সব তুই করেছিস,, এর মাঝে আমারে টানিস না। . উপমা :এই কই পালাস তুই, (নিলার হাত ধরে টান দিয়ে) মরলে দুইটাই একসাথে মরবো তারপর ও পালাইছ না। নিলা :আরে, আমার বুকে তো ঘূর্ণিঝড় হইতেছে,, উপমা :তোর তো ঘূর্ণিঝড় আমার তো টর্নেডো বইতেছে বুকের ভিতর। লোকটার রাগে তো নাক, মুখ সব লাল হই গেছে। মনে হয় আজকে আমাদের দুইটাকে রাক্ষসের মতো চিবিয়ে খাবে। . নীলা :দেখে তো তাই মনে হচ্ছে,, উপমা :No চিন্তা বাবু দেখ আমি কি করি? নীলা :তুই আবার কি করবি? তোর অবস্থা তো ভয়ে ঘামিয়ে পুরো বাংলার ৫ হয়ে আছে,, উপমা :চুপ থাক দেখি কি হয়,, . উপমা ও নিলা দুজনে ভয়ে ঘামছে আর ডোকের পর ডোক গিলছে। আদি :Who Shot Me? Whois my Atop Bullet Kills? (জোরে চেঁচিয়ে) উপমা :কি.......কি? আদি :ইংরেজি বুঝেন না নাকি? . উপমা :ভাই আন্নে কিতা কোন আই কিচ্ছু বুঝিনা,, এট্টু বুঝাই কোন না? আদি :Are You বরিশাইল্লা? উপমা :হো ভাই আর বাড়ি বরিশাল,, অন কোন আন্নে এনো কিল্লাই আইছেন? (বরিশালের ভাষায় কথা বলছে আর মিট মিট করে হাসছে) . নিলা তো হা করে উপমার দিকে তাকিয়ে আছে। আদি :গাইয়া ভূত কোথাকার,, কোথা থেকে যে এইসব আসে,, উপমা :ভাই মুখ সামলাই কতা কোন নয়লে আইজ্জা আন্নেরে,, বলার আগেই,, আদি :চুপ একদম চুপ, (রাগে আরো জোরে চিল্লায়ে) অন্তর :এই আদি এতো চিল্লাচিল্লি করছিস কেনো? আদি :আরে Bro, এই দুইটা মেয়ে থেকে কোন মেয়েটা আমার মাথায় গুলি করেছে? . অন্তর : o my god,, বলিস কি কই দেখি দেখি রক্ত পরছে কিনা? আদি :ব্রো খেলনা পিস্তল দিয়ে মেরেছে রক্ত পরবে কই থেকে। অন্তত:আগে বলবি তো আমি তো ভয় পেয়ে গেছিলাম। . আদি :আপনাদের মধ্যো কে মেরেছে বলুন আজকে তো তাকে আমি পুলিশে দিবো। নিলা উপমা একে ওপরের দিকে তাকিয়ে আবার আদির দিকে ভয়ের দৃষ্টিতে তাকালো। . অন্তর :তোর তো কিছুই হয়নি পুলিশে দেওয়ার কি আছে,,, ভুল বশত হয়তো মেরে দিয়েছে। আদি :আদি ভুল বশত মানে,, ওদের এতো সাহস হয় কি করে আদি চৌধুরীর মাথায় গুলি মারা তাও আবার খেলনা পিস্তল দিয়ে। . আদি রাগী চোখে আর জোরে চিল্লায়ে বলাতে নিলা ও উপমা দুজনে দুজনের হাত মুট করে ধরেছে। আদি :কে মেরেছে বলবেন? নাকি,, উপমা :আ.......আমরা জানিনা? আদি :আপনারা জানেন না মানে? আপনারাই মেরেছেন এখানের একজন,, ওই তো আপনার হাতে পিস্তল টা (উপমাকে দেখিয়ে) Am Sure You Born. . উপমা ভয়ে কাপতে কাপতে পিছুতে থাকে আর আদি ও উপমার সামনে যেতে থাকে। উপমা :উপমা ভয় পাস না নিজেকে শান্ত রাখ আর একটা শয়তানি বুদ্ধি খাটা। (মনে মনে) আদি :আপনার সাহস তো কম না,, আপনাকে জিজ্ঞেস করছি আর আপনি চুপ আছেন,, এতো সাহস আসে কই থেকে? . উপমা ভয়ে পিছুতে পিছুতে কিছু একটার সাথে ধাক্কা খায় আর আটকে যায় পিছনে আর যেতে পারে না। আদি :Answer দিচ্ছেন না কেনো? আপনাকে তো আজকে .......... . বলার আগেই উপমাকে আর পায় কে,, নিজের জান নিয়ে দিলো এক দৌড় বিড়ের মাঝে পালিয়ে গেল। পিছন পিছন নিলা ও কেটে পরলো। অন্তর :হাহাহাহাহা,, মেয়েটা আজকে যে পরিমাণ ভয় পাইছে,, ভবিষ্যতে আর কোনো ছেলের সামনে আসবে না। আদি :............ . চলবে....................... ???????? Part_2 অন্তর :হা.হা.হা.হা মেয়েটা আজকে যা ভয় পাইছে না, ভবিষ্যতে আর কোনো ছেলের সামনেই আসবে না। . আদি :একটা বার শুধু হাতের কাছে পাই, তখন মজা বুঝাবো। . অন্তর :তুই ওকে পেলেই মজা বুঝাইছ, এখন চল,, আদি :হুহু,,, . এইদিকে উপমা দৌড়ে এসে গাড়ির উপর হাত রেখে হাপাতে হাপাতে শেষ। রাফিন :কিরে তোরে কি কুকুর দৌড়াইছে এতো হাপাছ কেন। . উপমা :কুকুর না কুকুর না তার চেয়েও বড় কিছু (বুকে এক হাত দিয়ে বড় নিশাষ নিয়ে) রাতুল :বড় কেউ দৌড়াইছে মানে, নিলা :তুই আমারে কেমনে রাইখা দৌড়াই চইলা আসলি, জানিস না আমি ভয়ে খিঁচে আট্টুক হই গেছি। . উপমা :নিজের জান নিয়া ভাগছি এটাই অনেক, তোর জন্য দাড়ানোর সময় পামু কই,, রাতুল :আরে তোরা কি বলছ, আমি তো আগা মাতা কিছুই বুঝি না ????????, উপমা :পরে বুঝামু আগে পানি খাওয়া,, রাফিন :নে ধর,,, উপমা :সালা চাপটি খুলে দে বোতলের,, . রাফিন :হুম, এই নে ধর,, উপমা ধকধক করে পুরো বোতলের অর্ধেক পানি খেয়ে পেললো। রাফিন :আরে এটা মনে হয় অনেক গুলো ঘাস খেয়ে আসছে দেখ, বোতলটা খালি করে পেলছে। উপমা :সালা তুই বড্ড বার বেড়েছিস, বজ্জাত কোথাকার, তুই যদি ওই আজরাইলটাকে দেখতি তাহলে তো তুই ওখানেই মইরা ভূত হইয়া থাকতি। . রাতুল :ওমাগো,, আজরাইল এতো তারাতারি আকাশ থাইকা নেমে আসলো আমাদের জান কবজ করতে,, ???????? নিলা :বাপরে ওই লোকটা মানুষ নাকি অন্য কিছু,, রাফিন :কেন কি করছে তোদের,, নিলা :আরে কি করছে শুন? চলেন আমারও পিরে যাই কি হইছে ওখানে,, . উপমা :ওই নিলু চল আমরা বেলুন পাটানো গেমটা খেলি,, নিলা :হ্যাঁ চল। উপমা :আমি তো আজকে এখানের সবগুলো বেলুন পাটাবো।(দোকানের সামনে এসে) মামা বন্ধুকটা দেন তো আর এই নেন টাকা। দোকান দার :এই নেন বোইন। . উপমা কিছু বেলুন পাটানোর পর, চোখ গেলো কিছু ছেলের উপর যেখানে আদিরা ছিলো। আদি তার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করে কথা বলছিল। . উপমা :আরে নিলু ওই লোকটা যে দাত দেখাই হাসে,, দেখছচ। নিলা :ওই কালো জ্যাকেটটা। উপমা :আরে না ওই হাসতেছে সুন্দর করে মুখ, একটা কালো শাট পরা। অনেক হ্যান্ডসেম। নিলা :হ্য বাবুরে কি সুন্দর ছেলেটা, দেখলে যে কেউ ক্রাশ খাবে, Already আমি খাইছি,, . উপমা :দেত কছুর ক্রাশ দেখ আমি কি করি,, নিলা :কি করবি তুই,, উপমা :দেখ শুধু,, উপমা বন্ধুকটা তাক করলো আদির দিকে আর মেরেদিল আদির মাথায়,, আদি উপমার হাতে বন্ধুকটা দেখেই রাগে খটখট করতে করতে চলে আসলো উপমার কাছে আর তারপর তো শুনলেই। . রাফিন :এই খবিশটা আর বদলালোনা রে, মানুষের সাথে কিছু না কিছু একটা করেই বসে, আর দেখ আজকে ও কোন ছেলের সাথে এমন করে আসছে। উপমা :একশো বার করবো। তাতে তোর কি বান্দর কোথাকার। রাফিন :আমার কিছুই না, এমন করে তুই নিজেই একদিন বিপদে পরবি । . উপমা :বান্দর, হনুমান, রাক্ষস, পেকাটি তোকে আমার কথা ভাবতে হবে না। বন মানুষ, বিড়াল আমারে নিয়া তুই আরেকটা কথা বলবি না। আমি এখানে মরি তুই আমারে উপদেশ দিতে আসোস। রাফিন :তুই আমার সাথে এমন ভাবে কথা বলছ, এমন রাগ দেখছ, তোরে আমি অভিশাপ দিলাম হে আল্লাহ ওর কপালে এমন এমন একটা জামাই জুটাই ও যে ও জামাইরে দেখলেই ভয়ে খিচচা যায়, Davil মার্কা জুটাইয়ো যেনো এক দমকে চুপ হইয়া যায়। এটা আমার অভিশাপ তোর জন্য যা। উপমা :হ্য হ্য যা শখুনের দোয়ায় গরু মরে না বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, আর তোর কপালে তো বউই জুটবো না। . নিলা :তোদের ঝগড়া শেষ হইলে আমরা এখন বাড়ি যেতে পারি। রাতুল :আমার তোদের ঝগড়া শুনার মোড নাই। বাড়ি যাই এটা ভালো। উপমা :কি বললি তুই, রাস্তায় মেয়ে দেখার মোড তো দেখি ভালোই থাকে বজ্জাত কোথাকার। রাফিন :এই ওরে রাখি আমরা চলে যাবব এটা ভালো এখানে থাকলে শুধু বকবক করবো এখন। উপমা :ওই না না আমারে নিয়া চল। . সবাই বাড়িতে চলে গেল। পরেরদিন সকালে,, উপমা :কোন বজ্জাতের বাচ্চা ফোন করলো, ঘুমটা ভাঙাইলো কে? আজকে তারে,, (ফোনটা হাতে নিয়ে রিসিভ করে) ওই কেরে কেরে তুই,, নিলা :ওই আমি নিলা। উপমা :ও আচ্ছা, তো কেন ফোন করছচ,, সকালে ঘুম ভাঙাইলি কেন? নিলা :তুই অফিস যাবি না,,, আজকে তো নতুন বস আসবে,, তোর মনে নাই। উপমা :মনে থাকবো কীভাবে কালকের আজরাইলটার কথা মনে করলে, ওই লাল গোল আলুর মতো দুইটা চোখ মনে করলে কিছু মনে থাকে নাকি। নিলা :হেরে জানস আমার ও রাতে মনে কইরা ঘুম আসে নাই। আচ্ছা বাদ দেই তারাতারি আয়। উপমা :হ্যাঁ তুই যা আমি অফিসে যামো ওঠি নেই,, নিলা :ওকে বায়। . উপমা অফিসের জন্য তৈরি হয়ে নাস্তা করে বের হয়ে গেল। উপমা :আরে পাস অফিসে কার এতো গুন গান গাইছে,, শুনে তো মনে হইতেছে বসের কথাই কোন দেবদাস এখন আমাদের বস হইছে আল্লাহই জানে,, আগের ওনিরে পাকি দিয়া কত কি করলাম এখন ইনারে পাকি দেওয়া যায় কিনা সেটা দেখতে হইবো। আর কিছু না ভেবে যাই অনেক লেট হইছে এমনিতেই। রিসিপসনের সামনে সবাই দাড়িয়ে ছিল উপমাও একটা ফুলের তোরা নিয়ে সবার মতো লাইনে দাড়ালো নতুন বসকে সুভেচছা জানানোর জন্য। বস এসে গেছে সবাই তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে উপমার কোনো খেয়াল নেই সেই কখন থেকে নিলার সাথে বকবক করছে। বস সামনে এসে দাড়িয়েছে উপমা সামনে তাকিয়ে ফুলের তোরাটা দিতে ওনার দিকে তাকিয়ে,, উপমা :ওমা আমি তো পুরা হা হয়ে গেলাম, কে এই দেবদাস ????????. . চলবে.......................... (বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now