বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হাসির ১ম পর্ব
Bonus Jokes- চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে বল্টু-
প্রশ্নকর্তাঃ একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
বল্টুঃ এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তাঃ আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
বল্টুঃ ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তাঃ একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
বল্টুঃ ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তাঃ বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
বল্টুঃ হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তাঃ এক বৃদ্ধা কুমির ভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
বল্টুঃ কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তাঃ শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন,কেন?
বল্টুঃ উমম…আমার মনে হয়,তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তাঃ না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…
১)
তিন বন্ধু একটি বিল্ডিংয়ের ১০৮ তলায় থাকে। তারা তিনজন প্রতিদিন লিফট দিয়ে বাসায় আসা যাওয়া করে। একদিন লিফট নষ্ট হয়ে যায়। তাই তাদের সিঁড়ি দিয়ে আজ উঠতে হবে। তখন এক বন্ধু বলল, “আমাদের মধ্য হতে দুইজন দুইটা হাসির গল্প বলবে, আর একজন একটা কষ্টের গল্প বলবে। তাহলে আমরা গল্পগুলো এনজয় করতে করতে ১০৮ তলায় পৌছে যাব। প্রথম জন একটা হাসির গল্প বলল, তারা ৪৫ তলায় পৌছে গেল। আর একজন আরেকটি হাসির গল্প বলল, তারা ৯৯ তলায় পৌছে গেল।
তৃতীয় জন বলল, “কষ্টের গল্প আর কি বলব, আমার তো ফ্ল্যাটের চাবি নিচে গাড়িতে ফেলে এসেছি!!!”
২)
শিক্ষক: মশা মাছি অনেক রোগ ছড়ায়, তাদের বংশ বৃদ্ধি রোধ করতে হবে।
ছাত্র: হা হা হা হি হি হি হি হি হি…..
শিক্ষক: হাসির কি হলো?
ছাত্র: স্যার এতো ছোট বেলুন বানাবেন ক্যামনে!!!
৩)
সেদিন সি এস সি আর হাসপাতালে ডিউটি করার সময়, এক সহকর্মী বড়ভাই জিজ্ঞেস করলেন, “ক’টা বাজে দেখ তো?” উত্তর দেই, “জানি না, ঘড়ি দেয়ালেরটাও নষ্ট, আমার হাতেরটাও।” (উল্লেখ্য, তিনি যেদিকটায় বসেছিলেন, সেখান থেকে দেয়াঘড়িটা দেখা যায় না।) তিনি আমার হাতঘড়ির দিকে ভাল করে খেয়াল করে বলেন, “কই, ঘড়ি তো চলে দেখি …”
“শুধু সেকেন্ডের কাঁটা চলে, ঘন্টা-মিনিটের কাঁটা চলে না, নষ্ট।”
“ঘন্টা মিনিটের কাঁটা নষ্ট হইলে, এই ঘড়ি কি জন্য পড়স?” বড়ভাই তাজ্জব।
“রোগীর পাল্স দেখি।
৪)
এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল।
মেয়ে : হ্যালো.
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??
মেয়ে : হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে??
ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!!
কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল-
মেয়ে : হ্যালো!
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??
মেয়ে : না।
ছেলে : তাহলে আমি কে??
মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই।
ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!
৫)
একদিন জুমার নামায পড়ে, বাসায় ফেরার আগে, একটা চিপাগলির ভেতর আরেকটা অতিচিপাগলির মাথায় দাঁড়িয়ে মার্লবোরো ফুঁকছিলাম, পরিচিত মুরুব্বীদের চোখ বাঁচিয়ে। ওখানে একটা ঘরের ভেতর এক পিচ্চিকে তার মা নামতা পড়াচ্ছিলেন।
মাঃ “দুই একে?”
পিচ্চিঃ (দূর করে, টেনে টেনে) “দুউউইই”
মাঃ “দুই দুগুণে?”
পিচ্চিঃ “চাআআর”
মাঃ “তিন দুগুণে?”
পিচ্চিঃ “ছঅঅয়”
মাঃ “চার দুগুণে?”
পিচ্চিঃ “আঠেরো” (!!!)
মাঃ (শাসনের কড়া সুরে) “কি? চার দুগুণে কত?”
পিচ্চিঃ (আবারো সুর করে) “আঠেরোওও”
মাঃ “ইন কি হদ্দে তুই? আবার হ” [এগুলো তুই কি বলছিস? আবার বল]
পিচ্চিঃ “আবার?”
মাঃ “অ, ফইল্লাত্তুন হ” [হ্যাঁ, প্রথম থেকে বল]
পিচ্চিঃ “দুই একে, দুউউইইই; এঁএঁ(চিন্তিন্বিত) দুই দুগুণে, চাআআর; এঁএঁ, তিন দুগুণে, ছঅঅঅয়; এঁএঁম, চার দুগুণে, আঠেরোওও …”
মাঃ “আই! তিন দুগুণে ছ, ছ আর দুইয়ে হত?”
পিচ্চিঃ (একটু চুপ থেকে) “আঠেরো”
মাঃ “এই, এইবার ফিট্ট্যুম দরি, একত্তুন দশ গুন সাই” [এইবার পিটা দেব, এক থেকে দশ গোন তো]
পিচ্চিঃ “এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাতেরো, আঠেরো …” (!!!)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now