বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিশাচর রোদ্দুর—০২ এবং শেষ পর্ব

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নিশাচর রোদ্দুর সংগ্রহিত…… সকাল হইতে আর আধা ঘণ্টাও বাকি নাই। জমিদার মদন রায় ত্রস্ত পায়ে ঘরের এই প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পায়চারি করিতেছেন। কিয়ৎক্ষন ধরিয়া তাহার মনে হালকা অনুশোচনা বোধ জাগ্রত হইয়াছে। খুব সম্ভবত তিনি ভুলই করিয়াছেন। তিনি আড়চোখে একবার জনার্দনকে দেখিলেন। ঘরের এক কোণায় মেঝেতে বসিয়া সে ঢুলিতেছে। সনাতন যাওয়া হইতে অদ্যাবধি সে চক্ষু মেলে নাই। মনে মনে ভাবিতেছিলেন জনার্দনকে শুলে চরাইবেন নাকি গুপ্ত গৃহে পুঁতিয়া ফেলিবেন এমন সময় দরজায় করাঘাত হইলো। অত্যন্ত মৃদু কিন্তু যেই জিনিসের জন্যে এত ব্যাকুল অপেক্ষা তাহা এড়াইবে কেমনে? জনার্দন এক লাফে দরজায় গিয়া দাঁড়াইল। “গুপ্ত সংকেত বলো। আট আনা নাকি ষোলো আনা?” ওইপাশ হইতে সনাতনের বিরক্ত গলা শোনা গেলো, ” আনি দুই আনির হিসাব পরে হইবে আগে দরজা খোলো।” একটু দোনোমনা করিয়া জনার্দন দরজা খুলিল। হ্যাঁ। সনাতনই। সেই ধুতি, মালকোঁচা মারা। কিন্তু লাঠি খানা। সেটা গেলো কই? “পদ্মাকে নিয়ে আসতে গিয়ে লাঠিখানা ফেলে আসতে হলো।’ তার মনের কথা বুঝেই যেন বলে উঠলো সনাতন। “অসুবিধা নেই। আজ শিবুকে পাঠিয়ে নিয়ে আসতে বললেই হবে। ঐখানে আজ হতে আর কোনও ডাকাতকে দেখা যাবে না।” জমিদার মদন রায় ছুটিয়া আসিলেন। একপ্রকার ধাক্কা দিয়া জনার্দনকে সরাইয়া পদ্মাবতীকে সনাতনের কাছ হইতে নিজের কোলে তুলিয়া নিলেন। “মা, মা আমার। চোখ খোল মা। দেখ। আমি আছি এখানেই। তোর পাশেই। আর কেহ তোর কিছু করিতে পারিবে না” সনাতন মৃদু স্বরে বলিল, “উতলা হবেন না রাজামশাই। বিশেটা কোনও জ্ঞানহর গাছের গন্ধ শুকিয়ে পদ্মকে বেহুশ করিয়া রাখিয়াছিল। তাই বাধ্য হইয়া তাহাকে এইরূপে আনিতে হইল। অপরাধ মার্জনা করিবেন।” জনার্দন কাছে আইসা বলিল, “বাপ আগে বল তোর মাথায় এই শাল পেঁচানো কেন? আর এত রক্ত। দেখি দেখি।” সনাতন বিরক্ত হইয়া বলিল, “আহ থাম তো। যাও আগে দরজাখান লাগাও। আর নায়েব মশাই। যান। আপনি বাসায় ফিরিয়া বিশ্রাম নিন। রাতের এই সকল গুপ্ত কথা যেন প্রকাশ না পায় সেটাও খেয়াল রাখিবেন।” নায়েব মশাই আধেক ঘুমাইয়াই ছিলেন। কোনোমতে উঠিয়া যাইতে যাইতে বলিলেন, “এইবার বাপু লেঠেলদের ভারটা তোমার হাতে না নিলেই নয়। তা তোমার বাপের দিকটাও ত একটিবার ভাবিয়া দেখিতে পারো।” জনার্দন দরজা খানা লাগাইয়া সারিতেও পারিল না। তাহার আগেই মাথায় যেন আক্ষরিক ভাবেই আকাশ ভাঙ্গিয়া পরিল। জমিদার মশাই পদ্মাকে বিছানায় শোয়াইয়া দিতে ব্যস্ত ছিলেন। চমকাইয়া ফিরা তাকাইয়া দেখেন ও কি। জনার্দন মাটিতে। কিন্তু দরজার পাশে ও কে? একমুখ দাড়ি গোঁফ। বাবরি চুল। চপচপে রক্তের একটা ধারা এসে আটকে গেছে জুলফিতে। ব্যাঙ্গের স্বরে সে বলিল, “সালাম হুজুর। আমি বিশু।” —x—*—x— জমিদার মদন রায় জাঁদরেল মানুষ। আনেকে আছে শুধু নামেই জমিদার। কিন্তু মদন রায়ের কথা আলাদা। এক সময় নিজেও লাঠি খেলতেন, কুস্তি লড়তেন। এখনো তার কড়া গলার ধমক শুনলে বাঘা বাঘা পালোয়ান স্তম্ভনে চলে যায়। ঠাণ্ডা মাথার লোক বলেও তার খ্যাতি সুবিদিত। কিন্তু। এ কি। তার সামনে এসব কি হচ্ছে। রাগের বসেই হয়তো হুংকার ছাড়তে যাচ্ছিলেন তার আগেই বিশু কথা বলে উঠলো, “সামলে হুজুর। আগে পদ্মার কথা ভাবুন।” মদন রায় একটু থামলেন। “তুই এখানে ঢুকেছিস, কিন্তু বেরোবি কি করে রে পামর।” বিশু অট্টহাসি দিলো। “সূচ হয়ে ঢুকেছি হুজুর। ফাল হয়েই বের হবো। আর ও তো আমার বা হাতের কাজ। সকাল সন্ধে দু বেলাই করতে হয়।” ” কি চাস তুই?” “হুজুর দয়ালু। কিন্তু আমার চাওয়াটা যে একটু বড়।” “মোহর চাস ঘড়া ঘড়া, হীরে- জহরত? যা লাগে নিয়ে যা। কিন্তু এটা জানিস তোর আয়ু আর বেশী নেই।” বিশু মুচকি হেসে বলিল, “এখনই জানের ভয় দেখাচ্ছেন হুজুর। তবে আর আমি কি বলবো। আমার দাবি শুনলে ত তাহলে আপনি আমার মুণ্ডু কেটে ডাংগুলি খেলতে চাইবেন।” মদন রায় চাপা স্বরে বলিলেন, “কি চাস? বলে ফেল?” বিশু বলিল, “গত বৎসর হইতে খাজনা যে দ্বিগুণ করিয়া দিলেন হুজুর। কাজটা কি ঠিক হলো? প্রজাবৎসল বলিয়া সকলেই আপনাকে চিনিত। সেই আপনি এখন অর্ধশত লাঠিয়াল রাখেন শুধু খাজনা আদায় করিবার নিমিত্তে। আমাদের বাপ দাদারা আপনাদিগকে খাজনা দিয়া আসিতেছে। অনেক তো হইলো। এইবার হইতে আগামী পাঁচ বৎসরের জন্যে খাজনা মাফ করিয়া দিলে আপনার কিছু যাইবে আসিবে না। কিন্তু ভুখা নাঙ্গা প্রজারা আপনার নামে জ্বয়ধ্বনি দিতে দিতে না হয় আরেকবার বাঁচিতে শিখুক।” কিছুক্ষণের জন্যে যেন সময় থামিয়ে গেলো। মদন রায় ধীরে ধীরে উঠিয়া দাঁড়াইলেন। বিশু দেখিল জমিদার বাবুর হাত দুখানা মুষ্টিবদ্ধ। কাঁপিতেছে। সে বলিল, “”হুজুর, আমার সাথে পারিবেন না। খামাখা বৃথাই শক্তি ক্ষয়। আপনি হীরা দিতে চাহিয়াছিলেন, মুক্তা দিতে চাহিয়াছিলেন। নিলাম না। তাহার কারণ আমি তাদের কথা ভাবিতেছি যাহাদের কথা আপনার ভাবা উচিৎ।’ বিশু আবার হাসিয়া উঠিয়া কহিলো, “সত্যই কহিলাম তো হুজুর? না কি?” মদন রায়ের মুখ হইতে কথা সরিতেছিল না। তাহার চক্ষু হইতে অগ্নিসম ক্রোধের যে শিখা বাহির হইতেছিল তাহা দেখিয়া পিশাচও হয়তো ভয় পাইত কিন্তু বিশু সে চোখে চোখ রাখিয়া বলিল, “বলুন হুজুর। রাজি তো?” জমিদার বাবু কোনোমতে বলিলেন, “আর যদি না রাজি হই?” বিশু ব্যাঙ্গের স্বরে বলিল, “তবে পদ্মাবতী আমার সহিত ফেরত যাইবে। তবে কোথা তা জানি না। খুঁজিয়া পাইবেন তো আবার?” মদন রায় চমকাইয়া উঠিলেন। তাহার পদ্মা। পরাজিত হইয়াও শেষ একবার চেষ্টা করিতে চাইলেন, “আর যদি কথা দিয়াও কথা না রাখি। তবে আমায় পাইবে কোথা? পদ্মাকেইবা পাইবে কোথা?” বিশুর চোখ ঝলসাইয়া উঠিল, “বাঘকে ভয় নেই। যত ভয় আহত বাঘকে। মরণ কামড় দিয়া তবেই ছাড়ে। জানেন তো হুজুর? তা ছাড়া আপনার চরম শত্রুও এই কথা বলিবে না যে জমিদার মদন রায় কথা দিয়া কথার বরখেলাপ করে।” জমিদার মদন রায় হাল ছাড়িয়া দিলেন, “ঠিক আছে। আমি সম্মত।” —x—*—x— বিশু হাসিয়া বলিল, “আমি জানতাম। হুজুরের দয়ার শরীর। এ কথা না মেনে পারেনই না। এবার তাহলে শেষ কাজটা করেই যাই। হুজুর যদি একটু বাহিরে যাইতেন।” মদন রায় এইবার বাস্তবিকই খেপিয়া উঠিলেন, “কি বলিতে চাস।” বিশু বলিল, “হুজুর, শুধু সনাতনই মন্ত্র জানে এমন ভাবিলে চলিবে কেমনে। আমিও অল্পবিস্তর ওসব জানি। পদ্মাবতীর সংজ্ঞা হরণে আমি আমার গুরুর মন্ত্র ব্যাবহার করিয়াছি। কিন্তু এখন সেই মন্ত্রের বাধন ছুটাইতে যেই মন্ত্র পড়িব তাহা কাহারো সামনে পড়িলে কাজ করিবে না। আপনি আমার উপর বিশ্বাস রাখিতে পারেন। আপনি যেমন কথা দিলে নড়চড় হয় না আমিও তেমনি কথার খেলাপ করি না।” জমিদার বাবু ক্রোধ সংবরণ করিতে করিতে বলিলেন, “বিশু, আমি তোকে দেখিয়া লইব। তুই পাতালে গিয়া লুকাইয়াও বাঁচিবি না।” বিশুর চোখে কৌতুক নাচিয়া উঠিল, “চেষ্টা করিতে মর্জি হোক হুজুরের।” মদন রায় স্খলিত পায়ে বাহির হইয়া গেলেন। আপাতত তিনি বিশুর হাতের ক্রীড়নক। দরজা লাগিয়া যাওয়া মাত্র বিশু চাপিয়া রাখা শ্বাসটা ছাড়িল। সে লড়াই করিতে পারে ভালো। কিন্তু এমন বক্তৃতা বা অভিনয় করিতে তাহার বিলক্ষণ অসুবিধা বোধ হইতেছিল। সে মৃদু পায়ে হাঁটিয়া পদ্মাবতীর শয়ন পার্শ্বে আসিয়া দাঁড়াইল। “এখন তুমি উঠিয়া বসিতে পারো। তোমার পিতা আপাতত: বাহির হইয়া গিয়াছেন। এই বেলা আমাদের নাট্যাভিনয় সমাপ্ত হইতে পারে।” পদ্মা উঠিয়া বসিতে বসিতে বলিল, “বাবা কিছু বুঝে নাই তো?” বিশু তাহার চাপদাড়ি খুলিয়া হাতে লইতে লইতে বলিল, “তুমিই প্রথমে চিনিতে পারো নাই তখন আর কেউ কি চিনিবে?” পদ্ম হাসিয়া বলিল, “তখন সন্ধ্যা ঘনাইয়া আসিয়া ছিলো তাই চিনিতে পারি নাই নইলে তোমাকে কি চিনিতে পারিতাম না।” সনাতন মৃদু হাস্যরসের সাথে বলিল, “জমিদার কন্যা যদি কোনও ডাকুকে এইরূপ কথা বলে তবে তো দেশের দুঃসময় অতি নিকটে।” —x—*—x— পদ্ম সনাতনের মাথার দিকে হাত বাড়াইয়াছিল সনাতনের কথায় সে থামিল, “ভয় নেই। আলতা। তুমি পায়ে দাও। আর আজ আমি মাথায় দিলুম।” পদ্মা ম্লান হাসিল, “এখন সনাতন?” “এখন? এক্ষণে তুমি বিশু ডাকুর টোটকায় জাগিয়া উঠিয়াছ আর বিশু তোমার বারান্দা দিয়া পলাইয়াছে। এই তো। আর কি?” পদ্ম মাথা নত করিয়া কহিল, “আমার পিতাকে তুমি কাহারো চাইতে কম চিনো না। সাপের লেজে পাড়া মারিলে দংশন সে করিবেই। তুমি এখন যাইবে কোথা?” সনাতন হাসিয়া কহিল, “ঘরের মাঝে বন্দী থাকো তাই হয়তো বাহিরের খবর রাখো না। দেশে একটা বদলের হাওয়া বহিতেছে। তুমি আজ হয়তো বুঝিবে না। কিন্তু একদিন বুঝিবে। এই কাজ করিয়া আমি আসলে তোমার পিতার একরকম উপকারই করিয়াছি। তাহা না হইলে প্রজারা যেভাবে খেপিয়া উঠিয়াছিল তাতে আরো সর্বনাশা ঘটনাও ঘটিতে পারিত।” পদ্ম এবার মুখ তুলিয়া তাকাইল। তাহার দু চোখ দিয়া অশ্রু বাহিয়া পড়িতেছিল। সনাতন নির্বাক হইয়া গেলো। বাহুবলের খেলায় তাহাকে কেউ হারাইতে পারে নাই কখনো কিন্তু সে নারীর অশ্রুর সাথে কখনো লড়াই করিতে শিখে নাই। পদ্ম অশ্রুরুদ্ধ কণ্ঠে কহিল, “সকলের ভার নিজের কাঁধে তুলিয়া লইতে হইবে এমন দিব্যি তোমাকে কে দিয়াছে। আর তো দশজনকে দেখি। কই? কেউ তো এতকিছু ভাবে না। যে যে যার যার মতন চলিতেছে। তুমি কেন এত ভাবিবে, এত করিবে?” সনাতন বিষণ্ণ কণ্ঠে কহিল, “দশজনকে বাঁচাইতে একজনের দশজন হইতে আলাদা হইতেই হয়। ইহাই নিয়তি,ভাগ্য কিংবা যাই বল না কেনো। আমি অভিমন্যুর মতন এক চক্রব্যূহে আটকাইয়া গিয়াছি। ঢুকিয়াছি, কিন্তু জানি না আদৌ বাহির হইতে পারিব কি না। সব হয়তো তিনিই জানেন। কিন্তু কাউকে না জানানোটা তার খেলারই অংশ। আমরা সবাই ঘুটি।” পদ্ম এত কিছু বুঝিতে চাহিল না। সনাতনের বাহু আঁকড়াইয়া সে ব্যাকুল স্বরে বলিয়া উঠিল, “আমি পিতাকে বুঝাইব। সকলকে বলিব। তুমি ফিরিয়া আসো।” সনাতন কিছু বলিবার পূর্বেই বাহিরে দ্রুত পদশব্দ, হইচই শোনা গেলো। জমিদার মদন রায় পাইকদের লইয়া ঘরে প্রবেশ করিয়া দেখিলেন পদ্মাবতী বিছানায় উপুড় হইয়া ফুলিয়া ফুলিয়া কাঁদিতেছে। বিশুর খোঁজ নাই। মদন রায়ের নির্দেশে লেঠেল বাহিনী আবার তৈরি হইয়া গেলো। বিশুকে তাদের চাইই চাই। পদ্মাবতীর কান্নার মানে বুঝিল শুধু তাহার হৃদয় আর তাহার মন। “সনাতন, সনাতন, সনাতন………” সনাতন তখন বহুদূর চলিয়া গিয়াছে। হঠাৎ থামিয়ে একবার সে পিছন ফিরা তাকাইল। ইহা তার স্বভাব নহে তবুও। এই পথে নামিলে আর পিছুটান থাকিতে নাই তবু আজ তার মনে হইলো, “ফিরিয়া যাইব কি?” পর-মুহূর্তেই দাঁতে দাঁত চাপিয়া সে ছুটিতে শুরু করিল। তার কাঁধে অনেক ভার। সব সে সামলাইয়া চলিতে পারে। কিন্তু তবু তারও সাধ্য নাই কোনও রমণীর অশ্রুর ভার নিজ কাঁধে তুলিয়া লইবে। অনেক কাজ, অনেক পথচলা বাকি। “পদ্ম, আমি ফিরিয়া আসিবো…” @সমাপ্ত@ লেখকের কথাঃ ইহা একটি দুই পর্বে সমাপ্য গল্প। কেন সাধু ভাষা ব্যাবহার করিয়া গদ্য রচনা করিলাম তাহার কারণ আমার নিকটও অজ্ঞাত। সে যাই হোক, বাংলা ভাষা, বানান আর সাধু রীতীকে যে এক প্রকার খুন করিয়াছি তাহা বলাই বাহুল্য। কাজেই অপরাধ ক্ষমা করিতে সকলের নিকট আকুল আবেদন জানাইয়া গেলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now