বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঘুড়ি 1

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আল মামুন (০ পয়েন্ট)

X মঙ্গলবার বড়দিন বলে আমি ঘুমাতে গেলাম দেরীতে, বাটাভিয়া মেডিকেল জার্নাল, এর জন্য একটি লেখা তৈরি করলাম দুপুর পর্যন্ত, তারপর গেলাম জাহাজঘাট। সিঙ্গাপুরে যাওয়ার জন্য জাহাজের টিকেট কাটতে। সামারিন্ডায় কম দিন তো কাটালাম না। পুরো ছয় বছর। এখন এই জায়গা ছেড়ে চলে যাচ্ছি চিরতরে। অবশ্য এজন্য আমি মনে মনে খুশি। কাজটা সেরে ফিরে এলাম বাড়িতে। বাধাছাদা শুরু করলাম। দুপুর দুটোর দিকে হঠাৎ কেন জানি একটা অদ্ভুত অস্থিরতা গ্রাস করল আমাকে। ঘড়িতে ঢংটং করে দুটো বাজার শব্দ হলো, শব্দটা থেমে যেতেই ভয়ের শীতল একটা স্রোত বয়ে গেল শিরদাড়া বেয়ে। হঠাৎ এই ভয় এবং অস্থিরতার কোনও কারণ খুঁজে পেলাম না আমি। আধিভৌতিক কোনও ব্যাপারেও আমার বিশ্বাস নেই। কিন্তু পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে জানি অহেতুক আমার ভেতরে এ ধরনের কোনও অনুভূতি কাজ করছে না। মনে হলো খুব শিগগিরই ভয়ঙ্কর কোনও ঘটনার সম্মুখীন হতে যাচ্ছি আমি। ঘণ্টাখানেক পর কর্লিনের কাছ থেকে একটি অদ্ভুত চিঠি পেলাম আমি। চিঠিটি নিয়ে এল এক ক্যান্টোনিজ ছোকরা। চিঠিতে লেখা: প্রিয় ডাক্তার ভ্যান রুলার: আপনি এলিসকে শেষ বার যখন দেখে গেলেন, বললেন জ্বর হয়েছে। সেই জুর এখন আরও খারাপের দিকে মোড় নিয়েছে। সামারিন্ডা ছেড়ে যাওয়ার আগে অনুগ্রহ করে একটিবার যদি আমার বাড়িতে পদধূলি দেন, চিরকৃতজ্ঞ থাকব আমি। আর একটি ব্যাপারে আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি, আসার পথে জঙ্গলের ওপর যদি কোনও ঘুড়ি উড়তে দেখেন, মনের ভুলেও ওটাকে মাটিতে নামানোর চেষ্টা করবেন না। আপনার বিশ্বস্ত এডওয়ার্ড কর্লিন। বারদুই চিঠিটি পড়লাম আমি। কর্লিনের সঙ্গে আমার পরিচয় বেশি দিনের নয়। বছরখানেক আগে সে ব্রিটিশ নর্থ বোনিও থেকে এখানে আসে। ওখানে সে জঙ্গল রক্ষক হিসেবে কাজ করত। তার আগমনের কয়েকদিন পর অন্য আরেকটি স্টীমারে আসে তার স্ত্রী এলিস এবং কন্যা ফে। কর্লিন সম্পর্কে লোকে নানা কথা বলে। গুজব আছে, জঙ্গল রক্ষকের চাকরি করার সময় ডায়াক আদিবাসীরা বিদ্রোহ ঘোষণা করলে সে তাদের সবাইকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করে। তার এই নিষ্ঠুরতার কারণে ব্রিটিশ সরকার তাকে চাকরিচ্যুত করে। সামারিন্ডায় আসার কিছুদিনের মধ্যে কর্লিন মাহাকাস নদী থেকে কিছু দূরে, একটি পুরানো রেস্ট হাউসে আস্তানা গাড়ে। পরে ওটাকেই সে নিজের বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। তার স্ত্রী এবং কন্যা তখন থেকে বাধ্য হয় জঙ্গলের ওই অনাত্মীয় পরিবেশে প্রায় একঘরে অবস্থায় জীবনযাপনে। ক্যান্টোনিজ ছেলেটা এখনও দাড়িয়ে আছে সামনে। আমার ইচ্ছে করল সরাসরি বলি যে যাব না। সত্যি বলতে কি কর্লিনকে আমি খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু চিঠিতে ঘুড়ির ব্যাপারটা আমাকে আগ্রহী করে তুলল। তাই ছোকরাকে জিজ্ঞেস করলাম, কাংচো, তোদের গ্রামের ডায়াকরা কি ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব শুরু করেছে? মাথা নাড়ল সে। তাহলে কি মালয়ল ওড়াচ্ছে? ওখানে কোনও মালয় নেই। মাত্র একটি ডায়াক গ্রাম আছে। আপনি যাবেন? আমি একটু ইতস্তত করলাম। তারপর বললাম, হ্যাঁ, যাব। তোর মাঝিমাল্লাকে সাম্পান নিয়ে রেডি থাকতে বল। আমি আধঘণ্টার মধ্যে জেটিতে আসছি। আমি এমনিতে সাম্পানে চড়ে কোথাও গেলে খড়ে ছাওয়া কেবিনের ছায়ায় বসে পাইপ খেতে খেতে যাই। কিন্তু আজ টেনশনের জন্যই বোধহয় সূর্যের প্রখর তাপ অগ্রাহ্য করে গলুইতে বসে তীরের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম। ঘণ্টা দুই কেটে গেল কোনও ঘটনা ছাড়াই। তারপর, কর্লিনের বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছেছি, নদীর শেষ মোড় ঘোরার সময় কাংচো আঙুল তুলে আকাশ দেখাল। উত্তেজিত গলায় বলল, দেখছেন? ঘুড়ি, বড় ঘুড়ি। নদীর বুকে বসে স্পষ্ট দেখতে পেলাম ঘুড়িটিকে। তবে অস্বাভাবিক কিছুই চোখে পড়ল না। ঘুড়িটি বেশ বড়, দুটুকরো বাঁশ আর লাল রাইস পেপার দিয়ে সুন্দর করে ওটাকে তৈরি করা হয়েছে, লেজটা লম্বা, রূপকথার ড্রাগনের কথা মনে করিয়ে দিল। হঠাৎই জিনিসটা চোখে ধরা পড়ল আমার ? যে সুতোতে বেঁধে ঘুড়িটি উড়ছে, ওটা গ্রামবাসীদের তৈরি পাটের দড়ি কিংবা সুতো নয়, তার। তামার তার! সূর্যের আলোতে সোনার মত ঝকমক করে উঠল তারটি। ক্রমশ নিচু হতে হতে একসময় জঙ্গলের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল। তীরে, কাংচো, চেঁচিয়ে উঠলাম আমি, জলদি তীরে ভেড়াও সাম্পান ? কয়েক মিনিট পর ঘন জঙ্গল আর পোকামাকড় অগ্রাহ্য করে ছুটতে শুরু করলাম আমি সামনের দিকে। একটি বড় পালাপাক গাছের মাথায় আটকে আছে। তাবটি। কাছে পিঠে কোনও মানুষজন চোখে পড়ল না আমার। অবাক হলাম ভেবে তাহলে ঘুড়িটি কে ওড়াচ্ছিল? ঘুড়িটি কোনও আদিবাসীর তৈরি, কিন্তু ওই তামার তানের সঙ্গে কোনও শ্বেতাঙ্গের সম্পর্ক আছে, ধারণা করলাম আমি। চিন্তান্বিত মুখে ফিরে চললাম আবার সাম্পানে। মিনিট দশেক পরে কর্লিনের স্কেটিতে মাঝিরা সাম্পান বাঁধল। কাংচো আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলল কর্লিনের বাড়িতে। কর্লিন দরজায় দাঁড়িয়েছিল। আমার সাথে হাত মিলিয়ে ঢুকল ভেতর ঘরে। আপনি এসেছেন বলে খুব খুশি হয়েছি, ডাক্তার, বলল সে। আপনার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে চিন্তায় মরে যাচ্ছিলাম আসবেন কি আসবেন না ভেবে। এলিস পেছনের ঘরে আছে। আমার মেয়ে ফে তার সেবা করছে। রোগীর অবস্থা এখন কেমন? জানতে চাইলাম আমি। ভাল না, বলল কর্লিন। কুইনাইন খাওয়াচ্ছি ওকে যেভাবে আপনি বলেছেন। কিন্তু জ্বরের জন্য সে এত অসুস্থ হয়ে পড়েনি। আচ্ছা ডাক্তার, আসার সময় কোনও ঘুড়ি চোখে পড়েছে আপনার? আমি লোকটার দিকে কড়া চোখে তাকালাম। কর্লিনের মুখটা বাজপাখির মত, চোখদুটো শুয়োরের চোখের মত কুতকুঁতে। ওর মুখে, হাতে পোকামাকড়ের অসংখ্য কামড়ের দাগ। এসব গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশে অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। ওর চেহারায় প্রচণ্ড অস্থির একটা ভাব। আমার কঠিন দৃষ্টি দেখে সে তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ঠিক আছে, ঠিক আছে। তারচে আপনি বরং আমার স্ত্রীকে একবার দেখুন। পেছনের একটি ঘরে নিয়ে গেল সে আমাকে। ঘরটি ছোট। একটি মাত্র বিছানা ঘরে। জানালার শাটার অর্ধেক নামানো। অসুস্থ মানুষের গায়ের গন্ধ প্রকটভাবে ভেসে বেড়াচ্ছে ঘরটিতে। কর্লিনের স্ত্রী মরার মত পড়ে আছে বিছানায়। তার পাশের চেয়ারে বসে আছে তার মেয়ে, ফে। আমি মহিলার হাতের নাড়ি পরীক্ষা করতে লাগলাম, তাপমাত্রা দেখলাম। হৃৎস্পন্দন দ্রুত। কিন্তু থার্মোমিটারে দেখলাম স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে। কলিন হঠাৎ এসে ঢুকল ভেতরে, আমাকে টেনে নিয়ে গেল জানালার কাছে। আঙুল তুলল আকাশের দিকে। দেখুন! ভাঙা গলায় বলল সে। দেখতে পাচ্ছেন? দেখলাম। সেই ঘুড়িটি। আগের মত উঁচুতে আকাশে উড়ছে, কিন্তু বাতাস কাছিয়ে আনছে ওটাকে দ্রুত। লাল রাইস পেপার নীল আকাশের বুকে ক্ষতচিহ্নের মত দগদগে হয়ে ফুটে আছে। দেখলাম, বললাম আমি। একটা ঘুড়ি। কিন্তু তাতে কি…? কর্লিন দ্রুত বাধা দিল, ঘুড়িটা দেখতে থাকুন ভ্যান রুলার। কথা বলবেন না, প্লীজ। আমি আবার আকাশের দিকে মুখ তুলে চাইলাম। এবার বুকে হাতুড়ির বাড়ি পড়তে শুরু করল। ঘুড়িটা দেখতে দেখতে ওর নাড়ি পরীক্ষা করে দেখুন, কর্কশ গলায় বলল কর্লিন। কাঁপা হাতে একটি সিগারেট ধরাল সে, হেলান দিয়ে দাড়াল দেয়ালের গায়ে। আমি অনেকক্ষণ ধরে এলিসের নাড়ি পরীক্ষা করলাম, ঘুড়িটির দিকে চোখ রেখে। ড্রাগনের মত লেজ বাতাসে উড়ছে পতপত করে, নামতে নামতে ঘুড়িটি মাটি থেকে পঞ্চাশ ফুট উচ্চতায় এসে দাঁড়াল। এলিসের ভয়ানক শ্বাসকষ্ট শুরু হলো। হাঁপানি রোগীর মত শ্বাস টানতে শুরু করল সে। নাড়ির গতি ভয়ানক ক্ষীণ হয়ে এল। আমি তাড়াতাড়ি একটি ক্যাপসুল খাইয়ে দিলাম এলিসকে। ধীরে ধীরে অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে এল। বাইরে চেয়ে দেখি ঘুড়িটি ওপরে উঠতে শুরু করেছে, তাড়া খাওয়া পাখির মত ওটা দিক বদলে চলে গেল। সেন্ট্রাল রুমে এসে ঢুকলাম আমি। এক গ্লাস হুইস্কি ঢেলে কর্লিনের মুখোমুখি বসলাম। কর্লিন, কণ্ঠ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করতে করতে বললাম, বোর্নিওতে আমি ছয় বছর ধরে আছি। অনেক অদ্ভুত এবং কঠিন রোগের চিকিৎসা করেছি। কিন্তু এমন ঘটনা আমার জীবনে এই প্রথম। এটা-এটা-গুড লর্ড, এ অসম্ভব! তাহলে আমি মিথ্যে বলিনি, বলেন? বলল কর্লিন। আপনি দেখেছেন? আমি দেখেছি, বললাম আমি। আর ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। আপনার স্ত্রীর শারীরিক সুস্থতা কোনও অদ্ভুত এবং অশুভভাবে ওই ঘুড়ির ওড়াউড়ির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঘুড়িটি যখন ওপরে উঠতে থাকে, তখন তার নাড়ির গতিও থাকে স্বাভাবিক। কিন্তু যেই মুহূর্তে জিনিসটা মাটির দিকে নেমে আসতে শুরু করে। তার হৃৎস্পন্দন ধীর হয়ে আসে, মৃত্যু চলে আসে নিকটে। এই ব্যাপারটার শুরু কবে থেকে? গতকাল দুপুর থেকে, বলল কর্লিন। এলিস এত দুর্বল হয়ে পড়েছিল যে বিছানায় শুয়ে পড়তে বাধ্য হয়েছিল। প্রথমেই আমার মনে আসে ওই শয়তান ঘুড়িটাকে টেনে নামানোর, আমি কাজটা করতে গিয়েছিলাম। সেই সঙ্গে প্রায় মেরে ফেলার জোগাড় করেছিলাম ওকে। ওই গাছে উঠে ওটাকে আস্তে আস্তে টেনে নামাতে শুরু করেছি, এই সময় ফে রিভলভারে গুলি ছুড়ে জানাল ওর মায়ের অবস্থা খুবই খারাপের দিকে মোড় নিয়েছে। গাছ থেকে নেমে পড়ি আমি তৎক্ষণাৎ। কর্লিন আমার দিকে ঝুঁকল। খোদার কসম, ডাক্তার। এ কিসের বিরুদ্ধে লড়াই করছি আমরা? আমি জবাব না দিয়ে পাশের আরেকটি কামরার দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ভেতরে দেখলাম অনেকগুলো শেলফ, দেয়ালে থরে থরে সাজানো অদ্ভুত কিছু জিনিস। আপনার কালেকশন আমাকে দেখতে দিন, বললাম, হয়তো এ থেকে কোনও কু খুঁজে পাবো। কর্লিন তার কালেকশনের জন্য এই এলাকায় বেশ পরিচিত। বহু বছর ধরে সে এই কালেকশনের পেছনে লেগে আছে। সে মাথা ঘুরিয়ে ডাকল, কাংচো, এদিকে আয় শিগগির। ক্যান্টোনিজ ছেলেটি দৌড়ে এল কর্লিনের গলা শুনে, দ্রুত দরজা খুলল। কয়েকদিন আগে এক চোর বুকেছিল আমার ঘরে, বলল কর্লিন। আমার জিনিসপত্র চুরি করতে চেয়েছিল হারামজাদা। আমি গুলিও করেছিলাম ব্যাটাকে লক্ষ্য করে। কিন্তু মিস হয়েছে গুলি। কর্লিনের সংগ্রহের বেশিরভাগ জিনিস বোনিও থেকে সগ্রহ করা। বেশকিছু জিনিস যেমন জাগ, সিলেবস। এসব চীন থেকে আনা। আমার চোখে পড়ল পরাং স্লো পাইপ এবং কিছু মৃন্ময়পাত্র। তবে চোখ আটকে গেল কোণার দিকে একটি শেলফের ওপর। টকটকে লাল রঙের বিশাল একখণ্ড সিল্কের কাপড় রাখা ওখানে। সিল্কের এই কাপড় খণ্ড খাঁটি তিব্বতী কাজ, আমার আগ্রহ লক্ষ করে বলল কর্লিন। এনেছি উত্তর ভারতের নিষিদ্ধ মন্দির পো উয়ান কোয়ান থেকে। যখন জিনিসটা আমার চোখে পড়ে তখন ওটা দিয়ে অগ্নিদেবতার পূজা করা হচ্ছিল। আ-সত্যি বলতে কি, আমি লোভ সামলাতে পারিনি। বাইরের দেয়াল বেয়ে, খোলা এক জানালা দিয়ে ঢুকে কাপড়টা নিয়ে আসি আমি। মন্দিরের পুরোহিতরা তখন সবাই ঘুমাচ্ছিল। আপনি ওটা চুরি করেছেন? চিৎকার করে উঠলাম আমি। মাথা কঁকাল কর্লিন। যারা এসব দুপ্রাপ্য জিনিস সগ্রহ করে তাদের প্রয়োজন পড়লে এরকম এক আধটু শঠতার আশ্রয় নিতেই হয়। এতে অন্যায়ের কিছু নেই। তিব্বতীদের কাছে এই কাপড়ের গুরুত্ব অপরিসীম। সন্ন্যাসীরা এটাকে অগ্নি দেবতার বস্তু বলে উল্লেখ করছিল। তাদের বিশ্বাস যারা এই বস্ত্রের অবমাননা করবে তাদের ওপর সপ্তনরক ভেঙে পড়বে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঘুড়ি
→ ঘুড়ি
→ ইচ্ছে ঘুড়ি
→ ঘুড়ি ও নাটাইওয়ালার বিশেষ উদাহরণ
→ সুতা ছাড়া ঘুড়ি
→ ঘুড়ি 2
→ কাটা ঘুড়ির টানে
→ অন্য আকাশের ঘুড়ি
→ ইচ্ছেঘুড়ি লেখাঃ ফারজানা সিদ্দিকী নম্রতা
→ ঘুড়ি
→ ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৫)
→ ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৩)
→ ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-২)
→ ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now