গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভূতের গ্রাম - পর্ব ঃ ২

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ismail Ahnaf (০ পয়েন্ট)



★ইসমাঈল আহনাফ★ -------------------------- কয়েকদিন পথ চলার পর হান্ট ও তার বন্ধুরা গ্রামে গিয়ে পৌছালো। গ্রামে ঢুকতেই হান্টের বন্ধু আজমির কেমন একটা অসস্থি লাগছিলো। তারা গ্রামে ঢুকতেই তাদের আঙ্গুরের রস খেতে দেওয়া হলো। বিশ্রাম নেয়ার জন্য একটা ঘর দেখিয়ে দেয়া হল। সেখানে তারা বিশ্রাম করছিলো। সবাই যখন গ্রামের সবকিছু উপভোগ করছে তখন আজমি মনে মনে ভাবছে গ্রামটা এমন কেন......?? মানুষ গুলোর গায়ে যেন শত বছবের পুরোনো কাপড়। যেটা বর্তমানে প্রচলন ছিলোনা। গ্রামটা দেখে মনে হচ্ছে শতবছরেউ কোন মেরামত করা হয়নি কিন্তু কেন.........?? আসে পাসে কোন চাষ যোগ্য জমিও নেই এরা কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করে......??? এখানে ত কোন গবাদি পশু ও নেই.........!! তবে এরা কিভাবে চলে......?? ভাবতে ভাবতে "আজমি " ঘুমিয়ে পড়লো। কিছু সময় বাদে সে জেগে উঠলো এবং দেখলো আছরের নামাযের সময় হয়ে গেছে। সে অজু করে আশে পাশে মসজিদ খুজছিলো খুজতে খুজতে তার হঠাৎ মনে পড়লো হান্টের গ্রামটা ত খিস্টানদের গ্রাম এখানে ত মসজিদ থাকার কথা নয়। সে তার ঘরের দিকে ফিরে আসছিলো, আসতেই কিছু একটা তার দৃষ্টি আটকে দিলো। তখন সে তত টা গিরুত্ত দিলোনা কারন নামাযের সময় বয়ে যাচ্ছিলো। আজমি রুমে এসে নামায পড়ে আবার ফিরে গেলো সেই স্থাকে যেখানে তার দৃষ্টি আটকে গেছিলো। সেখানে গিয়ে সে ভাঙ্গা একটা ঘরের মত কিছু একটা দেখলো। চারিদিকে মার্কোসার জাল সরিয়ে আজমি ভেতরে প্রবেশ করলো। ভেতরে গিয়ে বই এর মত কিছু একটা পেলো। খুলে গেখলো সেখানে আরবি লেখা তার বুঝতে অসুবিধা হলো না এটি কোরআন। এমন আরো কিছু কোরআন পেলো আজমি। এমব দেখতে দেখতে ততক্ষনে সন্ধা নেমে এসেছে আজমি বাহিরে বেরিয়ে এলো। এবং নিজের ঘরে ফিরে গেলো। রাতে খাবার খেয়ে আজমি আজমি ভাবছিলো। তার মনে হাজারো প্রশ্ন। অনেক ভেবে সে আবিস্কার করল। আজমি যে ঘর থেকে কোরআন পেয়েছিলো সেটা আসলে একটা মসজিদ। কিন্তু খিস্টানদের গ্রামে মসজিদ কেন.........?? সে ভেবে কিছুতেই উত্তর পেলোনা, ঘুমিয়ে পড়লো। অনেক সবালে ঘুম থেকে নামায পড়ার জন্য। আজমি যখন ঘুম থেকে উঠেছে তখন রাতের আভাষ কাটেনি। যখন বাহিনে বের হলো, তখন সে দেখলো গ্রামের সবাই অনেক ব্যাস্ত। রাতে যেন গ্রমের মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। আজমি ভাবলো রাতে ত ভুতেদের ব্যস্ততা বাড়ে এরা কি ভুত নাকি........?? একটু পর নিজেই নিজেকে পাগল বলে সাব্যস্ত করে বললো। গ্রামের সবাই কি ভুত হতে পারে.......?? এটা কিভাবে সম্ভব.........?? এবস না ভেবে আজমি নামায টা পড়ে নিলো এবং ততক্ষনে সকাল হয়ে এলো। সকালের খাবার খেয়ে আজমি গ্রামটা ঘুরবে বলে বেরিয়ে পড়লো। গ্রামটা অনেক ছোট।। ঘুরছিলো গ্রমের রাস্তায় আজমি কিন্তু সব কিছু আজমির কাছে আশ্চর্যকর লাগছিলো। যেন এক ভুতুড়ে গ্রাম। যেদিকে তাকায় এক গা থম থমে পরিবেশ। দেখতে ভালই লাগছিলো আজমির। এমন ভাবে কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে গেলো এর মধ্যে হান্ট ও আজমির এক বন্ধুর মধ্যে আচরনের বেশ পরিবর্তন লক্ষ করলো আজমি। বন্ধটির নাম "পিটার "। পিটার এমন আচরন করছিলো যেন গ্রামের মানুষ গুলো তার শত বছরের পরিচিত। আজমির একটু সন্দেহ হলো কিন্তু তেমন গিরুত্ত দিলোনা। এমন চলতে থাকলো কিছুদিন। একদিন আজমি বিকেলে গাছের ছায়াতলে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলো দখিনা বাতাসে অনেক ভালো লাগছিলো যেন স্বপ্নে ডুব দিয়েছিলো আজমি। হঠাৎ বায়ু তার দিক পরিবর্তন করলো। দক্ষিনের বাতাসটা হঠাৎ উত্তরদিক থেকে আশা শুরু করলো। আজমি কিছু একটা আবিস্কার করলো তার নাকে পচা কিছু একপার গন্ধ আশছে। সে অনেক খুজে পেলোনা। পরের দিন "পিটারকে" বাড়িতে রেখে হান্টকে নিয়ে সে গন্ধ অনুসন্ধানে বেরহয়ে পড়লো। অনেক খুজে তারা একটা মরা পচা মানুষের দেহ পেলো। দেহটা পচে গেছে কার শরির বোঝা যাচ্ছিলোনা। তারা বোঝার চেষ্টা করছিলো কার লাশ। হঠাৎ আজমির লাশটার হাতের দিকে চোখ গেলো। হাতে একটা চেন ছিলো। চেনের কথা ভাবতেই গলাই চোখ গেলো আজমির। গলায় একটা লকেট পোলো। লকেটা খুলে আজমি স্তদ্ধ হয়ে গেলো। হান্ট বললো কি হয়েছে। আজমি লকেট টা হান্টকে দিলো হান্ট লকেট টা দেখে চিৎকার করে উঠলো। কারন লকেট দেখে তার আর বুঝতে বাকি ছিলোনা এটা তাদের বন্ধু পিটারের লাশ............!!! পিটারের লাশ দেখে যখন হান্ট চিৎকার করে কান্না করছিলো, তখন আজমি পুরো স্তব্ধ। কারন সবে পিটারের সাথে কথা বলে আসলো আজমি। আর এখানে পিটারে কয়েকদিন আগের মরা পচা লাশ। এটা কিভাবে সম্ভব। অবশ্য হান্টের সে কথা মাথায় আসেনি। এবার লাশ রেখে আজমি ও হান্ট দোড় দিলো গ্রামের দিকে। গ্রামে গিয়ে পিটারকে কোথাও খুজে পাওয়া গেলোনা। এবার লাশটার শেষ কাজ করে কাওকে কিছু না বলে হান্টকে নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওনা দিলো আজমি। আজমির মতে যা ভাব্বার শহরে গিয়ে ভাব্বে। এখানে আর এক মাহুর্ত থাকা যাবেনা।। ২ যন গ্রাম ছেড়ে শহরের উদ্দেশ্য রওনা দিলো। তারা শহরে পৌছালো এবং মেরিকে সব কথা খুলে বললো। মেরি শুনে হতবাক হয়ে গেলো। কারন তারা তাদের ২ বন্ধুকে হারিয়েছে।.................................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪০০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডার্কম্যাটার 2
→ রেসলিং আসল না নকল?
→ "তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র" (২:২২৩)-আয়াতের মাধ্যমে ইসলাম কি নারীদের ছোট করেছে?
→ জিজেসরা এখন আফ্রিকা ২ (পর্বঃ ২)
→ করােনাকালে যেমন আছেন লেখক-পাঠকেরা
→ যে দশটি বই জীবনে একবার হলেও পড়া উচিত [শেষ অংশ ]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ৪]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ২]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ১]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [ পর্ব ৩]

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...