বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

18 বছর বয়সের হাসি কান্না

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোমিনুল ইসলাম শাহিন(guest) (০ পয়েন্ট)

X বয়স সবে ১৮।যে বয়সে মানুষ তার ভবিষ্যৎ গুছানোর কাজে ব্যাস্ত সে সময় আমি চিন্তা করি বাকি জীবনটুকু কিভাবে পার করবো আমার লেংরা মা কে নিয়ে। চলুন এখন আমি আমার জিবনের বাস্তব ঘটনার একটা বিবরণ দেই হাসপাতালের বারান্দায় বসে; মানুষ জিবনের সংগ্রামে টিকে থাকার জন্যই সারাজিবন লড়াই করে,আমার জিবনেও সব ছিল।এত টুকু জিবনে আমার সব চাইতে বড় পাওয়া হলো আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে আমি আমার আব্বা আর আম্মা এই বছর আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে হজ করেছি।এই বয়সে আমি আলহামদুলিল্লাহ্‌ অনেক ভাগ্যবান। অনেকের অনেক টাকা পয়সা থাকা সত্তেই এই ফরজ কাজটা আদায় করতে পারে নাহ,,আল্লাহ্‌ আমাকে এই কাজটা যে করাইছেন সেজন্য কোটিকোটি শুকরিয়া। প্রত্যেক বাবা-মার কাছে তার সন্তান অনেক আদরের মহল,একমাত্র হলে তো কথাই নেই,এইই মহল থেকে যদি একজন চলে যায় তখনই বুঝাযায় জিবনের আর্থ কি! আমার বাবা মারা গেছেন গত মাসের ৩১ তারিখ,অর্থাৎ ৩১শে অক্টোবর ২০১৮।তার তিন দিন আগে আমার মায়ের পায়ের অপারেশন হইছিল,ডায়াবেটিকের কারনে পায়ে ঘা হয়ে পচন ধরে ডান পায়ের তিনটি আংগুল কাটা পরছে।তো ডাক্টার তিন দিন পর রিলিজ দেয়ায় আমরা বাড়ির উদ্দেশে রউয়ানা দিলাম।আমার বাবার কিডনি সমস্যা ছিলো জন্মগত,উপমহাদেশ সবচাইতে বড় কিডনি বিশেষজ্ঞ ড.মতিউর রহমার ১৯৮৭ সালে বলেছিলের বাবার কিডনি সমস্যাটা বয়স যত বারবে আস্তে আস্তে সমস্যাটাও বাড়বে।ঠিক তাই, বাবা গত তিন বছর যাবত হাটা খুব কস্ট হতো,একটুকু হাটলেই পেটে ব্যাথা শুরু হত।তো বলতে পারেন যে হজ্জের তো অনেক কাজ তা তিনি কিভাবে এতাটা হাটাহাটি করলেন,? আল্লাহর রহমতে আমি একটা হুইল চেয়ার দিয়া আব্বাকে বসাইয়া হজের মূল কার্যক্রম সম্পুর্ন করেছি।তো আম্মার পা টা একটু ভালোর পথে বলে ডাক্টার রিলিজ পেপার দিলো,,৩১ তারিখ সারাদিন আব্বা মোটামুটি ভালোই ছিলো। সন্ধার পর হঠাত করে শ্বাশ কস্ট হয়েছে,আস্তে আস্তে ক্রমশ তা বারতে থাকলো পরিস্থিতি বিবেচনা করে আব্বাকে জলদি হাসপাতালে নিয়া আসলাম,আব্বাকে অক্সিজেন মাক্স পরানো হলো আবস্তা আরো খারাপ হয়,আমরা সবাই অনেক কান্নাকাটি আর দোয়া পরতাছিলাম কিন্তু আব্বুর আবস্তা ভেবে আব্বুকে ঢাকা নেব বলে এম্বুলেন্সে উথানোর সময় আব্বা ইন্তেকাল করেন।(ইন্নালিল্লাহি অ ইন্নাইলাইহির রাজউন)। বাকি অংশ আরো আশ্চর্য জনক,অপেক্ষা করুন আমার বাস্তব ঘটনা আমি বিবরণ দিব আমাকে ১২ ঘন্টা সময় দিন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now