বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর সাথে প্রেম। {শেষ পর্ব}

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X বসে বসে আম্মুর কথা ভাবছিলাম! এমন সময় তৃষা রুমে আসলো! . -চলুন![তৃষা] . -চলুন মানে? কোথায় যাবো?[আমি] . -বা রে! এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন! আপনি না বলছিলেন আমার শেষ ইচ্ছাটা পূরন করবেন![তৃষা] . -ও সরি। আমি তোমার সাথে যেতে পারবো না! আমি বাসায় যাবো! আমাকে বাসায় গিয়ে দিয়ে আসো![আমি] . -কিন্তু! আমার ইচ্ছাটা![কাদো কাদো গলায়] . -আমি বলছি যাবো না ব্যস যাবো না[ধমক দিয়ে] . তৃষা আমার কথা শুনে কাঁদতে লাগলো! কাদুক তাতে আমার কি! এতো ভাব আর সহ্য করতে পারবো না। . -কি হলো কথা কি কানে যাচ্ছে না! [চিৎকার দিয়ে] . -চলুন আপনাকে বাসায় দিয়ে আসি[কেঁদে কেঁদে] . -হুম চলো।[আমি] . দেখতে দেখতে তৃষা আমাকে নিয়ে আকাশে উড়াল দিলো। . -আপনি ভয় পাবেন! চোঁখ দুটো বন্ধ করে ফেলুন।[তৃষা] . -ঐ তোকে এতো ঙ্গান দিতে হবেনা! চুপকরে বাসায় দিয়ে আয় গিয়ে![রাগ দেখিয়ে] . তৃষা কাঁদছে আর উড়ছে। আমারও কেমন ঘুম ঘুম পাচ্ছে। তাই ওর বুকের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলাম! যখন চোঁখ খুললো তাকিয়ে দেখি তৃষা আমার পাশে দাড়িয়ে কাঁদছে! . আমি জোর করেই চোঁখ বুজে রইলাম। হঠাৎ করেই অনুভব করলাম কেউ একজন আমার কপালে চুমু খেলো! তাকিয়ে দেখলাম তৃষা আমার কপালে চুমু খাচ্ছে। . আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে দেখে ও ভয় পেয়ে গেলো। তাই অদৃশ্য হয়ে গেলো। আমিও ঘুম থেকে ওঠে ফ্রেশ হয়ে নাশতা করলাম।কিন্তু আম্মু আব্বু কিছুই বললো না! তারা হয়তো বুঝতে পেরেছে আমি আকাশে গিয়েছিলাম। . -কিরে তৃষাকে কেমন দেখলি[আম্মু] . আম্মুর হঠাৎ করেই এইরকম প্রশ্নে অনেকটা ভয় পেয়েই উওর দিলাম ; -হ্যাঁ ভালোই।[আস্তে আস্তে] . -তোর কি মন খারাপ? এখন একটু রেস্ট নে বাবা[আম্মু] . আমি কিছু বলার আগেই আম্মু রুম থেকে বের হয়ে গেলো! মাথা কেমন জানি ভারি ভারি লাগছে! তাই আবার শুয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম ভাঙ্গলো আম্মুর ডাকে! ; -কিরে রিহান এখনো ঘুমোচ্ছিস! কলেজে যাবিনা? কতদিন যাবত কলেজে যাসনা তার কেনো খরব আছে?[আম্মু] . -হু যাবোতে! তুমি গিয়ে নাশতা রেডি করো আমি আসছি।[ঘুম ঘুম চোঁখে] . আম্মু আমার কথা শুনে নাস্তা রেডি করতে চলে গেলো। আমিও ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট করে কলেজে গেলাম। কলেজে ঢুকতেই বন্ধুরা আমাকে চারপাশে ঘিরে ধরলো! . -কিরে দোস! এতোদিন কোথায় ছিলি?[নাইমা] ; -বিয়ে করে ফেলেছিস নাকি হারামি?[দিপু] . . -আরে না! একটু ঘুরতে গিয়েছিলাম এই আরকি![মিথ্যা বললাম] . -ও এই কথা! তা একটা ফোন তো দিতে পারতি![মোস্তাফিজ] . -ফোন ভুলে বাসায় ফেলে গেছিলাম! তাই দিতে পারিনি![আবারও মিথ্যা বললাম] . -ঠিক আছে। ক্লাসে চল[নাঈমা] . সবাইকে নিয়ে ক্লাসে গেলাম। কিন্তু কিছুতেই ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছি না! বারবার তৃষার সাথে কাটানো মূহর্ত গুলোর কথা মনে পড়তে লাগলো! . তাই পুরো ক্লাস না করেই বাসায় চলে আসলাম! এভাবেই একটা মাস কেঠে গেলো! এখন তৃষাকে আগের থেকেও বেশি মিস করতে লাগলাম! ওর কথা মনে হলেই বুকটা ধক করে ওঠে! . এখন আর আগের মতো খাওয়া দাওয়া করিনা! কলেজে যায়না! সারাদিন দরজা বন্ধ করে বসে থাকি! . আজকেও এর ব্যতিক্রম হলোনা! ডিনার করে চোঁখ বুজে শুয়ে আছি! হঠাৎ করেই অনুভব করলাম কে যেনো আমার পাশে দাড়িয়ে আছে। চোঁখ খুলতেই বুকটা ধক করে ওঠলো! . তৃষাকে দেখলাম চোঁখ বন্ধ করে আমার বিছানার পাশে দাড়িয়ে কাঁদছে! চোঁখ বন্ধ থাকায় আমায় দেখতে পায়নি! আস্তে আস্তে বিছানা থেকে নেমে ওর হাতটা ধরলাম। . তৃষা অনেকটা ভয় পেয়ে গেলো! ও হয়তো ভাবছে আমি ওকে জিঙ্খেস করবো কেনো এখানে এসেছে! বা ঝাড়ি দিবো! তাই অনেকটা ভয় পেয়ে চোঁখের অশ্রগুলো মুচতে লাগলো! . -এতোদিন কোথায় ছিলে? কেনো আসোনি হা[চোঁখের দিকে তাকিয়ে] . তৃষা হয়তো নিজের চোঁখকেই বিশ্বাস করতে পারছে না! আমার দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে চেয়ে কাঁদছে! এই ১মাসে ওর অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে! কাজলকালো চোঁখদুটো কেমন জানি ফুলে গেছে! আগের থেকেও অনেক শুকিয়ে গেছে! চোঁখর নিচে কালো কালো দাগ হয়ে গেছে! . -কি হলো! এই কয়দিনে তোমার একি অবস্তা হয়েছে?[আমি] . তৃষা কিছু না বলেই কেঁদে কেঁদে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো ; -আপনাকে না দেখে আর থাকতে পারছিলাম না! অনেকবার আসতে চেয়েছি! কিন্তু আসিনি! যদি আপনি রাগ করেন এই ভয়ে![কাঁদতে কাঁদতে] . -হু রাগ করতাম তখন যখন তোমাকে ভালোবাসতাম না! তোমাকে অনুভব করতে জানতাম না! ভালোবাসা কি বোঝতাম না! . জানো তুমি চলে যাবার পর বুঝতে পেরেছি তোমাকে ছাড়া আমার পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব! প্রতিদিন রাতে আকাশের দিকে থাকিয়ে তোমাকে খুজতাম! আমি যে তোমাকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছি তৃষা![চোঁখের জলগুলো মূচে দিয়ে] . পাগলিটা আমাকে আরও শক্ত করে ঝরিয়ে ধরলো। আমার পায়ের ওপর ওর দুটো পা রাখলো! আমার মাথাটাকে দুই হাতে ধরে ওর মিষ্টি দুটো ঠোটের সাথে আমার ঠোটগুলো মিলিয়ে দিলো। দুজনেই হারিয়ে গেলাম এক পবিএ ভালোবাসায়। . অনেকক্ষন পর ; -এই যে শুনোন! আমার ইচ্ছাটা কি পূরন করবেন?[মাথা নিচু করে] . হবু বউয়ের সাথে প্রেম করতে সমস্যা কোথায়! . -হু চলো। বলেই পাগলিটাকে জড়িয়ে ধরলাম! পাগলিটাও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আকাশে উড়াল দিলো। . আমি তৃষার চোঁখের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি! তৃষা লজ্জায় চোঁখ বন্ধ ফেললো। . -এইযে রিহান সাহেব এই ভাবে কি দেখেন আমার লজ্জা করছে![চোঁখ বন্ধ করেই] . -দাড়াও লজ্জা এখনি ভেঙ্গে যাবে বলেই তৃষাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ওর ঠোটে ঠোট রাখলাম! পাগলিটাও আমাকে বাধা না দিয়ে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো! . দুজনেই পবিএ ভালোবাসার মধ্য দিয়ে উড়ে চলছি এক অজনার উদ্দেশ্যে! ...............সমাপ্ত............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now