বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নিষ্পাপ মুখ
লেখক - সিহান রিদ
তিথি একটা আনস্মার্ট আর ক্ষ্যাত টাইপের মেয়ে।ওকে আমি কখনো কোন অনুষ্ঠান কিংবা কোন বন্ধুদের মাঝে নিয়ে আড্ডা দিতে পারিনি।আমাকে ছাড়া ওর নাকি এত বন্ধু বান্ধব ভালো লাগে না।ও শুধু
একটা কথাই বলত,আর সেটা হলো
তুর্য তোমাকে ছাড়া আমার লাইফে অন্য কোন বন্ধুর প্রয়োজন মনে করি না আমি।
ওকে এত বলতাম প্লিজ! তিথি
স্মার্ট হতে শিখো।
ও তখন বলত,তুর্য আমি লম্বা জামা আর হিজাবেই নিজেকে স্মার্ট মনে করি।
ওর কথা শুনলে প্রচন্ড রাগ হতো!
মাঝেমাঝে ওকে নিয়ে শপিং করতে যেতাম। আমি চাইতাম ওকে মর্ডান ড্রেস কিনে দিয়ে স্মার্ট বানাতে আর সে কিনা বলত,
তুর্য! তুমি বরং আমাকে এক মুঠো কাঁচের চুড়ি কিনে দাও তাতেই আমি খুব খুশি হবো।
মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম এই আনস্মার্ট মেয়ের সাথে কোনরকম সম্পর্ক রাখব না।জানতাম ও খুব কষ্ট পাবে কিন্তু তারপরও একদিন ওর সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে এসেছিলাম আমি ভিন্নকিছুর অযুহাতে।
ও সেদিন আমার হাত ধরে খুব কান্না করেছিল। কিছুতেই আমার হাত ছাড়তে চাইছিল না কিন্তু তা সত্ত্বেও ওর হাত ছেড়ে আমি চলে এসেছিলাম।আর কখনো ওর সাথে যোগাযোগ করিনি।
___
অরিত্রা সে খুব স্মার্ট আর আধুনিক মেয়ে।তিথিকে ছেড়ে আমি অরিত্রার সাথে নতুন সম্পর্ক শুরু করি।কিন্তু অরিত্রার ফ্রেন্ড সার্কেল এত বড় যে আমাকে সে টাইম ই দিতে পারে না।নিজেকে তখন বড্ড অসহায় মনে হয়।তার উপর অরিত্রা সপ্তাহে ৫ দিনই শপিং করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যারা দেয়।আর রেস্টুরেন্টে গেলে সেই রেস্টুরেন্টে যত দামী খাবার আছে সবই তার ফেবারিট যেখানে তিথি ১০ টাকার বাদামেই হ্যাপি ছিল।
আজ তিথিকে আমার খুব মনে পড়ছে বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে বিদায়বেলা কান্নায় ভেঙে পড়া তিথির সেই নিষ্পাপ
মুখটি।জানি না তিথি আজ কই আছে!
ও থাকলে হয়ত আজ আমার জীবনে ভালবাসার অভাব হতো না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now