বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিশপ্ত কবরস্থান শেষ

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X শেষ পর্ব আবির ঈমাম সাহেবের এই কথাটা শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায়! কিন্তু তার কাছে আর কোন উপায়ই নেই । আবির জানে যে সেখানে না গেলেও তার মৃত্যু তাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না! এরপর আবির ঈমাম সাহেবের কাছ থেকে সেই বড় হুজুরের ঠিকানা নিয়ে তার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। . বড় হুজুরের বাড়িতে পৌছাতে পৌছাতে প্রায় বিকেল হয়ে যায়! তবে পথে সে কোন বিপদের সম্মুখীন হয়নি! এরপর সে বড় হুজুরের কাছে গিয়ে তার সব ঘটনা খুলে বলে। আবিরের কথাগুলো শুনে হুজুর কিছুক্ষন চুপ করে রইলেন! এরপর কিছুটা গম্ভীরকন্ঠে আবিরকে বললেন: -এটাতো হওয়ারই ছিলো! তোদেরকে তো আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিলো। তাও তোরা শুনিস নি! ভুলের মাশুলতো সবাইকেই দিতে হয়! তাই তোর পরিবারের সবাইকেও দিতে হয়েছে!!এবার তুইও দিবি! -কিন্তু এই অভিশাপ থেকে মুক্তির কী কোনই উপায়ই নেই?! সেই শ্রমিক গুলোর আত্মাদের মুক্তি দিয়ে কবরস্হানকে আবার অভিশাপ মুক্ত করা কী পুরোই অসম্ভব?! (আবির) -হ্যাঁ এটা কিছুতেই সম্ভব না! কারণ যারা সেই শ্রমিকগুলোর মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিলো এবং বাকি নিরোপরাধ শ্রমিকদের খুন করেছিলো তাঁদের সবাইকেই সেই অভিশপ্ত আত্মাগুলো খুন করে ফেলেছে! তার পরেও তাঁদের অভিশপ্ত আত্মাগুলো কেনো এখনো মুক্তি বা শান্তি পেলো না এটা কারোই জানা নেই !! তাই সেই কবরস্হানকে অভিশাপ মুক্ত করার আর কোন উপায়ই আমার জানা নেই। তবে তুই চাইলে শুধু নিজে ঐ অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারিস! শুধু নিজের জীবনটাই বাঁচাতে পারিস তুই!! -কিন্তু কিভাবে? -তুই এখন সেই অভিশপ্ত কবরস্হানটাতে যাবি! তারপর তোর বাবাকে যেখানে কবর দিয়েছিলি সেই কবরটা খুড়বি! কবরটা খুড়ার পর তার কাফনে মোড়া লাশটা কবর থেকে উঠাবি। এরপর অন্য যে কোনো একটা কবরস্হানে আবার তার কবর দিয়ে দিবি! এরপরে তোর বাবার আত্মা মুক্তি পেয়ে যাবে। আর তোর কোন বিপদ হবে না! তুই বেঁচে যাবি। যদিও এই অভিশাপটা এরপরেও শেষ হবে না! এরপরে অন্য কোন পরিবার আবার তাদের পরিবারের কোন সদস্যকে এই অভিশপ্ত কবরস্থানে কবর দিলে তাদের পরিবারো আবার এই একই রকম পরিস্হিতে পড়বে। কেউ মুক্তি পাবে না! সবাই ওপাড়ে চলে যাবে! তবে তুই একটা কথা মনে রাখিস! তুই যখন কবর খুড়া শুরু করবি তখন সেই কবরস্তানের অনেক আত্মা তোকে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করবে! নানান ভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবে! তবে তারা তোর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না! কিন্তু তুই যদি অর্ধেক কবর খুড়ার পর ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করিস তাহলে তারা তোকে আর বাঁচতে দিবে না! অথবা তুই পুরো পাগল হয়ে যাবি! . . সেই বড় হুজুরের কথাগুলো শুনে তার কাছে বিদায় নিয়ে আবির আবার তার গ্রামের দিকে রওনা হলো। গ্রামে পৌছাতে পৌছাতে আবিরের প্রায় রাত হয়ে গেলো। সে গ্রামের একজনের কাছ থেকে একটা কোঁদাল এবং একটা লাইট ধার নিলো। এরপরে সেই কবরস্হানের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো! সেই কবরস্হানে এমনি দিনের বেলা গেলেই যে কেউ ভয় পেয়ে যাবে! আর আবির রাতের অন্ধঁকারে লাইটের আলোতে একা একা সেই কবরস্হানে যায়! এটা ভেবেই ভয়ে আবিরের গলা প্রায় শুকিয়ে যাচ্ছিলো, তার শরীরের রক্ত যেনো ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিলো, তার শরীরের লোমগুলোও অদ্ভুত শিহরণে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো! আবির ভয়ে ভয়ে তার বাবার কবরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো! এরপর ধীরে ধীরে তার বাবার কবরটা খুড়তে থাকলো। আবিরের মনের ভয় যেনো আরো বেড়ে যাচ্ছিলো!! হঠাৎ আবিরের মনে হয় অনেক গুলো অশরীরী আত্মা তার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে! তারা তাকে কবরটা খুড়তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা তাকে কবরটা খুঁড়তে নিষেধ করছে!! কিন্তু আবির সেদিকে লক্ষ না করে মনে কিছুটা সাহস এনে কবরটা খুড়তেই থাকে! তার মনে হচ্ছিলো নানান অজানা শক্তি তার কাছে এসে ভিড় জমাচ্ছিলো!! এরপরে আবিরের মনে হয় যে তার পেছন থেকে তার বাবা, মা, আসিফ,শম্মী, আনিকা তাকে ডাকছে! তাকে এই কবর খুড়তে তারা নিষেধ করছে! কিন্তু আবির এটাকেও পাত্তা দেয় না! সে জানে যে এইসবই ধোকা! এরপরেও সে কবর খুড়তেই থাকে। কবর খুড়তে খুড়তে সে লক্ষ করে যে এই কয় মাসে কবরে দেওয়া বাঁশ, পাটি সব মাটিতে মিশে গেছে! এরপর কবরটা আরেকটু খুড়তেই সে তার পায়ের সাথে কোন একটা শরীরের স্পর্শ পায়! সাথে সাথে ভয়ে তার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়! এরপর আবির হাত দিয়ে কবরের নিচের মাটি সড়াতে থাকে। কিছুক্ষণ মাটি সড়ানোর পর আবির যা দেখলো তা দেখার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিলো না! সে হালকা লাইটের আলোতে দেখলো যে কাফনের কাপড়ে মোড়া তার বাবার লাশটা কবরের ভেতর পড়ে রয়েছে। তার বাবার লাশটার চোখ খোলা! চোখদুটো যেনো সোজা আবিরের চোখের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। মনে হচ্ছে চোখ দুটো যেনো এখনো বেঁচে রয়েছে!আর একটু পরেই হয়তো লাশটা তাকে টেনে কবরে শুইয়ে দিবে! কি ভয়ঙ্কর লাশটার চেহারা! আবির যেনো তার বাবার লাশকেই চিনতে পারছে না! লাশটাকে এই অবস্হায় দেখে আবির যতোটানা ভয় পায় তার চেয়ে বেশি অবাক হয়ে যায়। কারণ তারা তার বাবাকে কবর দিয়েছে প্রায় কয়েক মাস হয়ে গেলো। এতোদিনেতো তার বাবার লাশ পঁচে-গলে মাটিতে মিশে যাওয়ার কথা! কিন্তু লাশটা দেখে মনে হচ্ছে হয়তো একটু আগে কেউ এসে এখানে কবর দিয়ে গেছে! এখনো কাফনের কাপড়টাও নতুন রয়েছে আর কবরের উপরের মাটি শক্ত হলেও লাশটার পাশের মাটিগুলো পুরোই ঝুড়ঝুড়ে। তার উপর আবার লাশটার চোখ খোলা! আবির কিছুটা বুঝতে পারে যে! এটা হয়তো এই অভিশপ্ত কবরস্হানের আত্মাগুলোর অভিশাপের ফল! . এরপর আবির আর বেশি কিছু না ভেবে তার বাবার লাশটা কাধে করে নিয়ে গ্রামের অন্য একটা কবরস্হানের দিকে ছুটতে থাকে। তার অন্য হাতে লাইট এবং কোদালটা ছিলো! এরপরে অনেকটা পথ ছুটার পর আবির অবশেষে গ্রামের নতুন কবরস্হানে পৌছায়! এরপরে দ্রুত সেখানে একটা নতুন কবর খুড়ে এবং তার বাবার লাশকে আবার সেখানে কবর দেয়। এরপর আবির সেই কবরস্হানে বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে! সে নিজেও বুঝতে পারছিলো না যে সে কয়েক মুহূর্তের ভেতর কতোটা ভয়ংকর কাজ করেছে!! এরপর হঠাৎ আবিরের মাথাটা ঘুরাতে থাকে আর সে সে সাথে সাথেই সেই নতুন কবর স্হানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়! . এরপর আবির যখন চোখ খুলে তখন সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটা মসজিদে। তার মাথার পাশে সেই ঈমাম সাহেব চুপচাপ বসে আছেন! আবির উঠে বেশ অবাক হয়! সে কিছুই বুঝতে পারে না! এরপর ঈমাম সাহেব তাকে সব ঘটনা খুলে বলেন। আসলে আবির রাতে নতুন কবরস্হানে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ার পর সারারাত সেখানেই পড়েছিলো। এরপর ফজরের নামাজ পড়ার পর গ্রামের কিছু লোক তাকে সেখানে পড়ে থাকতে দেখে এবং সেখান থেকে উঠিয়ে মসজিদে দিয়ে যায়! . এরপর আবিরও ঈমাম সাহেবকে বাকি ঘটনাটা খুলে বলে। গতকাল বড় হুজুরের কাছে যাওয়া থেকে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ঘটা সব ঘটনা আবির ঈমাম সাহেবকে খুলে বলে। এরপর ঈমাম সাহেব কিছুটা হতাশ আর করুণ দৃষ্টিতে আবিরের দিকে তাঁকিয়ে বলেন: -তুমিতো বেঁচে গেলে! কিন্তু তোমার পরিবারের বাকি সদস্যদেরতো আর ফিরিয়ে আনতে পারলে না! আমি ভাবছি এরপরে যে সকল পরিবার গুলো এখানে এসে সেই অভিশপ্ত কবরস্হানে তাদের পরিবারের সদস্যদের কবর দিবে তাদের কী হবে?! তাদের সাথেও তো ঠিক একই ঘটনা ঘটবে। তারাও প্রথমে আমাদের কারো কথা বিশ্বাস করবে না এবং পরে বিপদে পড়বে। কোনভাবে যদি এই কবরস্হানকে অভিশাপ মুক্ত করা যেতো! তাহলেই হয়তো সবচেয়ে ভালো হতো! তাহলে আর কোন নিরপরাধ প্রাণকে অকালে ওপারের দুনিয়ায় পাড়ি জমাতে হতো না! . ঈমাম সাহেবের কথা শুনে আবির কিছুক্ষণ নীরব থেকে এরপর ঈমাম সাহেবকে বললো: -হয়তো এই কবরস্হানকে অভিশাপ মুক্ত করার একটা উপায় আমার জানা রয়েছে! . আবিরের কথাটা শুনে ঈমাম সাহেব পুরো আৎকে উঠলেন আর অবাক হলেন । এরপর অনেকটা কৌতুহলতা আর উদ্দীপনার সাথেই আবিরের কাছে জানতে চাইলেন: -কী উপায় রয়েছে?! আর এই উপায় তুমি জানলে কী করে?! . এরপর আবির কিছুটা ঠান্ডা মাথায় উত্তর দিলো: -আমার বাবার লাশ এই কবরস্হানে কবর দেওয়ার পরেই তার আত্মা অভিশপ্ত হয়। আর এরপর যখন ঐ কবরস্হান থেকে তার লাশটা উঠিয়ে অন্য কবরস্হানে কবর দিলাম তারপরেই তার আত্মা মুক্তি পেয়ে গেলো! ঠিক একই ভাবে এই কবরস্হানে শখানেক শ্রমিকের লাশকে জানাজা ছাড়া, রক্তাক্ত অবস্হায় কবর দেওয়ার কারণে হয়তো তারা এখনো সেখানেই অভিশপ্ত হয়ে আটকে রয়েছে। তারা তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলেও এখনো তাদের আত্মা মুক্তি পায়নি। এখনতো আর কবর খুড়ে তাদের লাশগুলো পাওয়া যাবে না! তবে সেই শ্রমিকগুলোর শরীরের বিভিন্ন হাড় খুজে পাওয়া যেতে পারে! আমরা পুরো কবরস্হানটা খুড়ে সেই লাশগুলোর হাড়গুলোকে বের করে আমরা তাদের জানাজা পড়বো। এরপর ভিন্ন একটা জায়গায় তাঁদের হাড়গুলোর কবর দিবো। তারপর হয়তো সেই শ্রমিকগুলোর অভিশপ্ত আত্মা মুক্তি পাবে এবং এই কবরস্হানটাও অভিশাপ মুক্ত হবে! . . আবিরের যুক্তিটা শুনে ঈমাম সাহেবের মুখে হাসি ফুটলো। সে বুঝতে পারলো যে আবিরের কথাগুলো পুরোপুরি ঠিক। সে ভাবতে লাগলো, আসলেই সেই শ্রমিক গুলোর সাথে অনেক বড় অন্যায় হয়েছিলো। তাই এখন তাঁদের কঙ্কালগুলোরও যদি জানাজা দেওয়া যায় তাহলেও হয়তো তাদের আত্মাগুলো মুক্তি পেতে পারে! . এরপর আবির এবং ঈমাম সাহেব সেই বড় হুজুরকেও গ্রামে আহ্বান করলেন। এরপর তাকেও এই আত্মাগুলোকে কিভাবে মুক্ত করা যায় এটা আবির গুছিয়ে বললো। আবিরের কথাটা সেই বড় হুজুরো পছন্দ করলেন। সেও তাদের সাথে একমত হলেন। এরপরে গ্রামের মানুষদের সাথে এই কথাগুলো আলোচনা করে তারা সবাই। গ্রামের সবাইও তাদের সাথে একমত হয়। এরপর তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় যে , এই অভিশপ্ত কবরস্হানটা তারা পুরোটা খুড়বে। এই পর্যন্ত এই কবরস্হানে যাদের কবর দেওয়া হয়েছে সবার কঙ্কাল গুলোই উঠিয়ে আবার জানাজার নামাজ পড়াবে তারা! যাতে করে আর অকালে কারো জানাজার নামাজ পড়তে না হয়!! . যেই কথা সেই কাজ। তারা তখন থেকেই সেই পুরো কবরস্হানটা খুঁড়া শুরু করে। এরপর সেই গণ কবরটাও তারা খুড়ে। এরপর সেই সব কঙ্কালগুলোকে তারা একত্রিত করে। এরপর ঈমাম সাহেব গ্রামের সবাইকে নিয়ে জানাজার নামাজ পড়েন! জানাজার নামাজের পর সেই সব কঙ্কালগুলোকে কাফনের কাপড়ে মোড়ে একটা নতুন কবরস্হানে কবর দেওয়া হয়। . . আসলেই আবিরের ধারণাটা সঠিক হয়। এরপরেই সেই সকল শ্রমিকের অভিশপ্ত আত্মা গুলো মুক্তি পায়। সেই কবরস্হানও এই ভয়ংকর অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়। এরপরে সেই কবরস্হানটা আবার মেরামত করে সেই গ্রামের নতুন লাশদের কবর দেওয়া শুরু করে গ্রামবাসী। কিন্তু এরপর থেকে আর কোন গ্রামবাসী বা অন্য কোনো পরিবার আর এই ভয়ংকর অভিশাপের স্বীকার হয়নি! এরপর থেকে গ্রামের সবাই স্বাভাবিক ভাবেই দিন কাটাতে থাকে। এইদিকে আবিরও অনেক কষ্টে তার আপনজনদের স্মৃতি ভুলে আবার একটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই অভিশাপে মারা যাওয়া আর কেউ এই পৃথিবীতে আর ফিরে আসেনি। তাও একটা সুন্দর সমাপ্তি ঘটে এই অভিশপ্ত কবরস্হানের। . . * * * * * সমাপ্ত * * * * *


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now