বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর সাথে প্রেম {2}

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X এই হাসিটার মধ্যে কি লুকিয়ে আছে তা হয়তো আমার জানা নেই। এই মেয়েটিকি সত্যিই কোন মাদ্রাসার ছাত্রী? নাকি অন্যকিছু। দোর- কি সব আজেবাজে কথা চিন্তা করছি আমি! ঐই মেয়েটা যাইহোক তাতে আমার কি! এইরে। ঐদিকে অনেক বেলা হয়ে গেছে আমার কোনো খেয়ালি নেই। যাই তাড়াতাড়ি বাসায় যায়। তাড়াতাড়ি করে বাসায় আসলাম। রুমে ডুকতেই আম্মু জিঙ্খেস করলো- . -কিরে রিহান এতো দেরি হলো কেন তোর আজকে?[আম্মু]। . এইরে এখন আম্মুকে কি বলবো? না মেয়েটার কথা বলা যাবেনা। . - অনেকদিন পর রাস্তায় দিপুর সাথে দেখা হয়ে গিয়োছিলো। তাই একটু লেট হয়ছে।[ডাহা মিথ্যা কথা]। . -ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি গোসল করে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে আয়। টেবিলে খাবার রাখা আছে।[আম্মু]। . -ঠিক আছে। [হাতে রুমাল নিয়ে] . ও তৃষা তুই গেছোস কিনা ভুইলা আমারে। আমি এখন রিকশা চালায় ঢাকা শহরে। গোসল করছিলাম আর গানটা গাচ্ছিলাম। . নিজেই অনেকটা অবাক হয়ে গেলাম। গানে তৃষা আসলো কোথায় থেকে? ও মনে পড়েছে সকালের মেয়েটার নামতো- তৃষা বলেছিলো! কিন্তু এই মেয়েটার নাম আমার মুখে আসছে কেন? কি হচ্ছে এসব? একটা মেয়েকে আমি চিনিনা জানিনা তাও কেন বারবার ঐই মেয়েটার নাম আমার মুখে আসছে। . কেন আমি এই মেয়েটাকে কিছুতেই ভুলতে পারছি না। তাহলে কি মেয়েটা সত্যিই কোন অদ্ভুদ শক্তির অধিকারী। না না। এটা কিভাবে সম্ভব। আর যদি কোন অদ্ভুদ শক্তির অধিকারী হয়েও তাহলে আমার কাছে কি চায়? দোর এসব আজেবাজে চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। . গোসল শেষ করে হালকা নাস্তা করে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গেলাম। রাস্তায় হাটছি আর একহাতে ফোন গুতাচ্ছি। কাদে ব্যাগ ঝুলিয়ে হাটা আর ফোন গুতানোও একটা আর্ট।শুধু আমি না। অধিকাংশ ছেলেদেরি এটা একটা অভ্যাস। . দেখতে দেখতে কলেজে এসে গেলাম। রুমে ডুকতেই দেখি সবাই আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকাচ্ছে। বাহ। একদিনে এতো ফেমাস হয়ে যাবো কখনো কল্পনাও করিনি। সবাই আমার দিকে যে ভাবে তাকাচ্ছে মনে হচ্ছে যেন আকাশ থেকে কোন এলিয়েন এসে পৃথিবীর বুকে পা রেখেছে। একটু এগিয়ে গিয়ে মোস্তাফিজের শার্টের কলার ধরে বললাম- . -ঐই হারামি আমাকে কি বোকা পেয়েছিস? আমাকে দেখে সবাই এভাবে তাকাচ্ছিস কেনো। . মোস্তাফিজ কিছু না বলেই হাসতে হাসতে পকেট থেকে ফোনটা বের করে আমার মুখের সামনে ধরলো। . একি আমার মুখে এতো কালি আসলো কোথায় থেকে? গেলো আমার মান ইজ্জত সব গেলো। তাড়াতাড়ি করে রুম থেকে বের হয়েই দিলাম এক দৌড়। একি আমার পিছনে দেখি কুত্তা ও আসছে। এ কেমন প্যারা। এমনিতেই আছি মহাবিপদে তার ওপরে আবার এই কুকুরের যন্ত্রনা। . হু হু হেস হেস। একি কুত্তা কাক্কু তো দেখি কিছুতেই আমার পিছু ছাড়ছে না। না যাই এই পাশের বাড়িটিতে গিয়ে একটু লুকোয়। দৌড়ে গিয়ে পাশের একটা বাসায় ঢুকলাম। চুপ করে দেয়ালের পাশে বসে আছি। হঠাৎ করেই কারো হাসির শব্দ শুনতে পেলাম। পিছনে ফিরে দেখি একটা মেয়ে! . আরে এটা তো সেই মেয়েটা যাকে আমি সকালে মাদ্রাসায় পৌছে দিয়েছিলাম! মেয়েটা মানে তৃষা এখানে কি করে? . -আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন মি.রিহান?[তৃষা]। . -ওয়ালাইকুমআসস-ওয়ালাইকুমআসসালাম। তু তু তুমি এখানে কি করো। . -আমাকে দেখে এতো তোতলাচ্ছেন কেন? আমি কি ভূত নাকি?[হাসতে হাসতে]। . -না। তবে আপনি কি মানুষ নাকি অন্যকিছু।[ভয় পেয়ে] . -ঠিক ধরেছেন। আমি হলাম পরী। আর এই পৃথিবীতে আসছি আপনাকে নেয়ার জন্য। . -মা মা মানে..কি ব.....! পুরোটা বলার আগেই চোখদুটো বন্ধ হয়ে গেলো। সম্ভবত ঙ্গান হারিয়ে ফেলেছি। যখন ঙ্গান ফিরলো চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি ইয়া বড় একটা বাড়ি। এই বাড়িটা কার? আমাদের বাড়ি তো এইরকম না। তাহলে কি আমি পরীর রাজ্যে আছি? . পাশে তাকিয়ে দেখি ছোট একটা মেয়ে আমার পাশে বসে আছে। একি এই মেয়েটার পিছনে তো দেখছি ইয়া বড় পাখির মতো পাখা। আমি ঠিকি ধরেছি। এটাই পরীদের রাজ্য। . আমাকে উঠতে দেখে ছোট মেয়েটা চিৎকার করে কাকে যেন ডাকলো। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমার চারপাশে অনেকগুলো মহিলা জড়ো হয়ে আমাকে দেখতে লাগলো। সবার পিছনেই পাখির পাখার মতো পাখা। তারমানে এরা সবাই পরী। . কিছুক্ষন পর তৃষা আসলো। তৃষাকে দেখে সবাই রুম থেকে বের হয়ে গেলো। তৃষাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই বলতে লাগলাম- . -আমাকে এই ভাবে তুলে আনার মানে কি? কি অপরাধ করেছি আমি হা।[রাগ দেখিয়ে]। . -ওলে বাবা লে। রিহান সাহেব দেখি রাগ করছে। এতো রাগ করা ভালোনা বুঝলেন![আমার চোখের দিকে তাকিয়ে]। . আমি কিছু না বলে শুধু ওর চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। পরীরা সুন্দর হয় শুনেছি।কিন্তু- এতোটা সুন্দর হয় জানতাম না। আমার এভাবে তাকিয়ে থাকা দেখে তৃষা লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে নিলো।...................... .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now