বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অ্যাডভেঞ্চার অফ ফরেস্ট মিস্ট্রি

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Amir Hossain Hamim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব-১ আমি:মা ও মা যাই না মা প্লিজ[অনুনয় সুরে] মা:আহ! আমির বলছিনা যেতে হবে না[ধমকের সুরে] আমি:অনেক দিন হল আমার পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ঘরে বসে থাকতে থাকতে একদমই বোর হয়ে গেছি। তাই বন্ধুদের সাথে কয়েকদিন ছুটি কাটানোর জন্য নানুর বাড়ি যেতে যাচ্ছি।এমনকি বন্ধুদের কাছে কথা দিয়েছি যে এবার আমি আমার নানুর গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে নিয়ে যাব। এখন যদি তুমি না যেতে দাও তাহলে আমি আমার বন্ধুদের সামনে মুখ দেখাতে পারব না।(কাদুঁ কাদুঁ কন্ঠে) মা:বলছি না তর নানুর বাড়িতে যেতে হবেনা।[রাগী সুরে] আমি:কেন নানুর বাড়ি গেলে কি এমন হবে।যে যেতে পারব না। মা:তর আমি এই কেন কেন উওর দিতে পারব না। তুই তর নানুর বাড়ি যেতে পারবিনা ব্যাস। আমি:আচ্ছা যাও আমি যাব না(মন খারাপ করে) দরজা বন্ধ করে ভাবতে লাগলাম ঐ গ্রামে কি এমন রহস্য আছে যার কারনে আমাকে মা ঐ গ্রামে যেতে দেয় না।আমার আম্মু কোথায়ও যাওয়ার জন্য কোনদিন মানা করে নি। কিন্তু নানুর গ্রামের যাওয়ার কথা বল্লেই যেতে দিতে চায় না। কেন।সেখানে রহস্য তো অব্শ্যই আছে।সে রহ্স্য জানার জন্যে আমি যেভাবে হউক ঐই গ্রামে যেতেই হবে। মন খারাপ করে শুয়ে পড়লাম।রাতে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকতে আসে। মা:আমির খাবার খেতে আয় টেবিলে খাবার দিয়ে রাখছি।খাবার খেয়ে নেয়। আমি: যাও আমি খাবার খাবো না(মন খারাপ করে) মা: আয় বাবা খাবার খেতে আয়।না খেলে শরীর খারাপ করবে। আমি:বলছি না খাবো না যাও তুমি। মা:আচ্ছা বাবা যাছ এখন তো খাবার খেতে আয়। আমি:সত্যি আমাকে যেতে দিবে(খুশি হয়ে) আপনারা ভাবছেন এত সহজে কিভাবে রাজি হয়ে গেল তাই না।আসলে আমি অনেক জেদি।যেটা একবার বলি সেটা করেই থাকি।তাই একবার যখন বলছি খাবার খাবার খাবো না তাহলে শত চেষ্টা করেও আমাকে খাওয়াতে পারবে না।তাই আম্মু সহজে রাজি হয়ে গেছে হা হা হা। মা:হুমম এখন তো দরজাটা খুলে খাবার টেবিলে আয়। দরজা খুলে মাকে জরিয়ে ধরে বল্লাম আমার সুইট আম্মু।(আহ্লাদী সুরে) মা:হইছে আর ঢং করতে হবে না চল তর বাবা তর জন্যে খাবার টেবিলে বসে আছে। আমি: ঠিক আছে চল। খাবার খাওয়ার চলাকালীন সময় আব্বু হঠাৎ করে বল্ল আব্বু:তোমার আম্মু বল্ল তুমি নাকি তোমার নানুর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছ। আমি:জ্বি আব্বু।ঘরে বসে থাকতে থাকতে বোর হয়ে যাচ্ছি।তাই সব বন্ধুরা মিলে ডিশিসন নিয়েছি আমার নানুর গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে যাব। আব্বু:তা কে কে যাবে ডিসিশন নিয়েছ। আমি:জ্বি আব্বু আমি,ইশান,তানভির,রাজু আর ফারাবি(ওরা সবাই আমার একেকটা হারামি বন্ধু) আব্বু:তা কোন দিন যাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছ। আমি :দুই একদিনের মধ্যেই যাব। আব্বু:আচ্ছা যাও ভালো কথা।কিন্তু কোন বাঁদরামি করা চলবে না।(আমি বেশী দুষ্টামি করি তো তাই আব্বু এই কথাটা বল্ল) আর বন্ধুদের সাথে ঘুরাফেরা করে সন্ধ্যার আগেই বাড়িতে চলে আসবা। আমি:ঠিক আছে আব্বু।আমি এখন উঠি। ঘরের দরজা বন্ধ করে ভাবতে লাগলাম।কী এমন ঔ গ্রামে রয়েছে যে আব্বু -আম্মু আমাকে যেতে দিতে চাচ্ছিল না।আমারতো এটা জানতেই হবে।ও আপনাদের তো আমার নানুর বাড়ির ঠিকানাটাই বল্লাম না। আমার নানুর বাড়ি হল বরিশাল জেলার আলিয়াপুর গ্রামে। যেটাই হউক এখন একেকটা হারামী বন্ধুদেরকে এই সুখবরটা দিতে হবে। না হলে মাইর একটাও মাটিতে পরবেনা। আমি:হ্যালো ইশান ইশান:ওই সালা এত রাতে ফোন দিয়েছিছ কে?? আমি :আরে দোস্ত আব্বু-আম্মু আমাদের নানুর গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছে। ইশান:কি কস মাম্মা সত্যি কথা আগে বলবিনা। আমি:হুমম।আর শোন আগামীকাল বিকালে তোরা সবাই বঙ্গবন্ধু পার্কে চলে আসবি।গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।আমি ওখানেই মিট করব। তাহলে এখন রাখি বাকিগুলোকে ফোন দিয়ে বলতে হবে। গুড নাইট।আর সময় মত চলে আসিস। ইশান:ওকে গুড নাইট। বাকিগুলোকে ফোন দিয়ে এই কথা জানিয়ে দিলাম।আর নির্দিষ্ট স্থানে আসার জন্য বলে দিলাম। না এখন ঘুমাতে হবে সকালে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে।আপনারাও ঘুমান।গুড নাইট। সকালে আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গল।ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে গিয়ে চুপ করে খাবার গেলাম। খাবার খাওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে দুপুরে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করে একটা ঘুম দিলাম। বিকালে আজানের মধুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গে। ফ্রেস হয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলাম। নামাজ পড়ে সরাসরি বঙ্গবন্ধু পার্কে চলে গেলাম। ইশান:এই আমরা কতক্ষন ধরে তোর আশায় বসে আছি।আর তুই এখন আসলি। আমি:সরি নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম।বাই দ্যা ওয়ে তানভির কোথায়। রাজু:ওর একটা গুরুত্বপূর্ন কাজ পড়ে গেছে।একটু পড়েই আসবে বল্ল। ফারাবি:ওই যে তানভির এসে পড়েছে। তানভির:সরি দোস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের কারনে আসতে আমার দেরি হল(আমাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বল্ল) আমি:ওকে ঠিক আছে।এনি ওয়ে আমি যে কারনে তোদেরকে এখানে আসতে বল্লাম শুন।আমার মনে হয় ওই গ্রামে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে। তানভির:তুই কিভাবে জানলি যে তর নানুর গ্রামে রহস্য লুকিয়ে আছে। আমি:দেখ দোস্ত আমার আম্মুকে তোরা সবাই ভালো করে চিনিস।আমার আম্মু কি কোনদিন কোথাও যাওয়ার জন্য মানা করেছে। ইশান:না তো।তাহলে এটার মধ্যে তুই কি রহ্স্য খুজে পেলি। আমি:কিন্তু তুই ভেবে দেখ আমি নানুর বাড়িতে যাওয়ার কথা বল্লে আমার আম্মুর চোখে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। আম্মু চায় না যে আমি ওখানে যাই।ওখান থেকে বুঝতে পেরেছি যে গ্রামে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে। ইশান:তর কথাও ঠিক।বাই দ্যা ওয়ে আমরা কখন তর নানুর গ্রামের বাড়িতে রওনা দিব। চলবে............ গল্পটি কেমন লাগছে কমেন্টস করে জানিয়ে দিবেন।যাতে পরবর্তী পর্ব উৎসাহ সাথে দিতে পারি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অ্যাডভেঞ্চার অফ ফরেস্ট মিস্ট্রি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now