বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমিঃ শ্রাবন্তী কই?
এবার আম্মু বলল,,,,
আম্মুঃ তোর accident এর কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে গেছে।
আমিঃ মানে এখন ও কোথায়?
খালুঃ বাবা তুই উত্তেজিত হোস না,,,,ও পাশের কক্ষেই আছে। ওকেও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। তবে বড় কিছু না,,,,কিন্তু তোরটা,,,,,,,,,,,,,,,
আমিঃ আমার কিছুই হইনি,,,,,,
আব্বুঃ ডাক্তার বলছে, " অল্পের জন্য বেচে গেছিস, তবে তোর পাটা আর জোড়া লাগবে না,,,,,,
আমিঃ না আব্বু এটা হতে পারে না,,,,এই দুচোখে কত স্বপ্ন ছিলো একদিন ক্রিকেটার হবো,,,আমার সেই স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে না,
আরিফঃ শাকিব,, শাকিব শান্ত হো,,,,তোর কিছুই হইনি তুই ক্রিকেটার হতে পারবি। তোকে আমরা বিদেশে নিয়ে গিয়ে অপারেশন করাব,,, তুই শান্ত হো,
দেখলাম সবার চোখ দিয়ে পানি পড়তাছে। আমার পা আর জোড়া লাগবে না। আমার সব স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
কিছুক্ষনপর দেখলাম শ্রাবন্তী আসল। আমার পাশে বসল। সবাই তাকে দেখে চলে গেলো। মনে হলো আমাদের একলা করে দিলো। দেখলাম মেয়েটা কান্নার জন্য কথা বলতে পারতেছে না। তাকে অভয় দিয়ে বললাম আমার কিছুই হইনিরে পাগলি। আমি একদম ঠিক আছি। শ্রাবন্তী কান্নার জন্য কিছুই বলতে পারছে না। তাই সে আমার বুকেই মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। থাকনা শুয়ে আপনাদের কি,তাকায় আছেন কেন?
কিছুক্ষন পর আরিফ আসল। তবুও পাগলিটা মাথা উঠালো না। আরিফের হাতে ফলের ব্যাগ। আরিফ রেখেই চলে গেলো। পাগলিটা বুকের উপড় কেদে কেদে বুকটা পুরো ভিজিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ আমার পায়ে প্রচুর ব্যাথা উঠল। তাই চিৎকার শুরু করলাম। শ্রাবন্তী মাথা তুলে বলতে থাকল কিয়েছে
কি হয়েছে???? আমি চিৎকারের জন্য তার উত্তর দিতে পারলাম না। সে বাইরে চলে গেলো সবাইকে ডাকতে। বুঝলাম পাগলিটা ভয় পেয়েছে। সবাই ছুটে এলো। সাথে সাথে ডাক্তার। এসেই একটা ইঞ্জেকশন দিয়ে দিলো। আমার চোখ হারিয়ে গেলো ঘুমের রাজ্যে। সেখান থেকে ফিরে আসার রাস্তা পেলাম না।
ঘুম ভাংল রাত্রে। চেয়ে দেখি পাগলিটা আবার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে। আমার জাগার সাথে সাথে জেগে উঠলো। উঠে গিয়ে একটা ব্যাগ থেকে ফল আনল।
পাগলিটা খাইয়ে দিতে লাগল। আর আমি খেতে থাকলাম। আমি বললাম,,,,,
আমিঃ তুই খাবি না?
শ্রাবন্তীঃ accident টা তুই করেছিস আমি করি নাই,,,,
আমিঃ তুই না খেলে খাবো না,,,,,
শ্রাবন্তীঃ পাগলামি করিস না,,,,এগুলো খেয়ে ঔষদ খেতে হবে।
এবার আমি তার হাত থেকে ফলটুকু নিয়ে তার মুখে তুলে দিলাম। দেখি পাগলিটা আবারও কেদে দিল।
কিছুক্ষন পর আম্মু, আর খালা আসল। খালা এসে বলল,,
খালাঃ এখন কেমন লাগছেরে,,,,,,?
আমিঃ একটু ভালো।
আম্মুঃ কি থেকে কি হয়ে গেলো।
শ্রাবন্তীঃ খালা তুমি চিন্তা করো না,,,হাদারাম টা আবার ঠিক হয়ে যাবে।
আমি এবার আর কিছুই বললাম না। সে একটু মন ভালো করার জন্য এমন কথা বলতাছে। কিছুক্ষন পর দেখলাম আরিফ সহ পুরো গ্যাং চলে আসল।
ঘন্টা খানিক সবাই থেকে তারা চলে গেলো। তাদের সাথে কালাম স্যারও ছিলেন। দেখলাম তার চোখেও পানি। এটাই হয়ত স্বাভাবিক।
তারপর ডাক্তার এসে বলল ঔষদ খাওয়ানোর দায়িত্বটা একজনের নিতে হবে।
আম্মুঃ শ্রাবন্তীই এই দায়িত্বটা নেবে।
খালাঃ হুম,,,,
কিছুদিন চলে যায়। আমি হাসপাতাল থেকে realise পেয়েছি। মেয়েটা দিনরাত আমার সেবা করতে গিয়ে নিজের যত্ন নিতেই ভুলে গেছে। এখন আমি অনেকটা ভালো। লাঠি দিয়ে হাটতে পারি। সবটাই শ্রাবন্তীর জন্য। মেয়েটা প্রতিদিন রাতে আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমায়। একদিন সকালে উঠে দেখি,,,,,,,,,,,,
চলবে,, ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now