বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটা আমার লেখা না.....collect....করা।কিন্তু এটা সত্যি যে বাস্তবে আমি মামুন সৎ মার জ্বালাতন উপভোগ করতেছি।।।।সৎ মা রা কি ভালো হতে পারে না?????
-মা ,মা প্লিজ আমায় আর মেরো না।খুব লাগছে মা।
মা আমি আর আপনার অনুৃমতি ছাড়া কিছু খাবো না।এবারের মত আমায় ক্ষমা করে দিন।
-ওকে।এবারের মত ক্ষমা করে দিয়েছি তোকে।
এই নে,এই সব গুলো কাপড় ধুয়ে রাখ।
-ওকে মা.
ছোট্ট বেলায় অর্পার মা, অর্পা কে জম্ম দেওয়ার সময় মৃত্যু বরন করেছেন ।তারপর ওর বাবা ওর সুখের জন্য আরেকটি বিয়ে করেন।অর্পার দেখা শুনার জন্য ।কিন্তু কে জানে এই মহিলাটিই অর্পার জীবনের সমস্ত সুখ কেড়ে নিবে।এই ধরুন না,আজ সকালে কলেজে যাওয়ার সময় খেয়ে বাহির হবে।কিন্তু যখনই খেতে যাবে তখনি অনেক মেরে এরপর এত্ত গুলো কাপড়-চোপড় ধুতে দিয়ে চলে গিয়েছে ।এটাই ওর জীবন।
-মা সব কাপড় ধুয়েছি।
-এই ধর একটু রান্নাটা শেষ করে নে তো।
-ওকে মা।
এরপর অর্পা রান্না করা শুরু করে দিয়েছে ।রান্না পারে না।তবুও রান্না করতে হয়।রান্না না করলে আবারো মার খেতে হয়।এই সময়েই অর্পা একটু ওর রুমে গিয়েছে ।ওর মাকে মনে পড়ায়।ওর মায়ের ছবিটা দেখছে,আর কান্না করছে।শুধু বলছে কেন মা আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছো।আমি তো খুব কষ্ট পাচ্ছি ।কেউ আমায় আর আদর করে না।কান্না করতে করতে কখন যে মায়ের ছবিটি নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।সে নিজেও জানে না।আর ওই দিক থেকে সব কিছু পুড়ে গন্ধ বাহির হচ্ছে ।তখনি ওর সৎ মা এসে দেখতে পেলো ।অর্পা নেই।তারপর দেখতো পেলো অর্পা তার রুমে মায়ের ছবিটি নিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে ।এরপর ওর সৎ মা ওকে হঠাৎ করে টেনে তুলে মায়ের ছবিটি কেড়ে নিয়ে ফ্লোরে ফেলে দিয়েছে ।এরপর তাকে টেনে হিচড়ে রান্না ঘরে ফেলে দিয়েছে।আর বলছে-
-এই নে ,আজ তুই এই সব পুড়া গন্ধ যুক্ত খাবার তুই খাবি।রান্না ফেলে দিয়ে গিয়ে আরাম করে ঘুৃম হ্যা???
দাড়াঁ আজ তোর ঘুম দেখাচ্ছি ।
-অ্যা-----------মা পিট খুব জ্বলছে ।জ্বলছে মা।দয়া করে আর গরম কন্তি লাগাবেন না।
-না,আর জীবনে রান্না রেখে ঘুমানোর শাস্তিটা মনে রাখতে হবে।আরেকটু মজা বুঝ তুই।দাঁড়া ছবি দেখা হ্যা?
-মা ,মা ,মা,আপনার পায়ে পড়ি।আম্মুর
ভাঙা ছবিটাই আমায় দিয়ে দিন।এটা জানালা দিয়ে ফেলে দিবেন না।দয়া করে ।
অর্পার কত কে বা,শুনে।তার সৎ মা ৫ তলা থেকে অর্পার মায়ের ছবিটা ফেলে দিয়েছে জানালা দিয়ে।
-এই নে এবার কাজ কর।আর এই পুড়া খাবার গুলো দুপুর ও রাতে খেয়ে নিবি।আর ভাজি আর ডাল রান্না করে,শুটকি গুলো দিয়ে ভর্তা বানিয়ে দে তাড়াতাড়ি ।
-ওকে মা।
এরপর অর্পা নিজের কান্না থামিয়ে এত্ত কষ্টের মাঝে রান্না করা শেষ করেছে।
-কিরে রান্না কি শেষ?
-জ্বী মা রান্না শেষ।
-তাহলে একটা কাজ কর।সবাই কে খাবার বেড়ে দে,ডাইনিং টেবিলে। সবাই খাওয়ার পর তুই খেয়ে নিবি তোর পুড়ে যাওয়া সকল খাবার।কারন এগুলো তুই পুড়েছিস।
-ওকে মা।
অতঃপর অর্পা সবাই কে ডাইনিং টেবিলে খাবার বেড়ে দিয়েছে ।সবার খাওয়ার পর অর্পা তার পুড়ে যাওয়া খাবার গুলো খাচ্ছে আর কান্না করছে।রাতে ও একই ভাবে তার সৎ মা তাকে পুড়ে যাওয়া খাবার খেতে বলেছে,সব কিছু ধুয়া মুছা করে।অর্পা ও ঠিক ওনার মত সব করছে।মার খাওয়ার ভয়ে।যখন অর্পা রাতে ঘুমাতে যাবে।বিছানায় সে তার পিট লাগাতে পারছে না।কারন তার মা আজ তার পিটে গরম কন্তি লাগিয়েছে ।পিটে লাগিয়েছে যাতে কেউ না দেখতে পায়।আর অর্পা ও না পারছে তার পিটে মলম লাগাতে না পারছে শুতে। যন্ত্রণায় সে কাতর হয়ে যাচ্ছে ।
এভাবেই প্রতিনিয়ত তার কেটে যাচ্ছে ।
পরের দিন-------
-ওয়াও এত্ত সুন্দর একটা ছবি।ঠিক আম্মুর মত।ইশ কে জানি ওপর থেকে হয়তো ফেলেছে।
কথা গুলো অর্পাদের বাসার ৬ তলায় থাকে হৃদয় বলছে। সে এই ছবিটি তুলে নেয়।কারন তার মায়ের মত দেখতে বলে।হৃদয় এই ছবিটি বাজার থেকে একবারে নতুন করে নিয়ে এসেছ।এবং তার টেবিলে মায়ের ছবিটির সাথে রেখে দিয়েছে ।
হঠাৎ একদিন হৃদয় ছাদে গিয়েছে।গিয়ে দেখে অর্পা দাঁড়িয়ে রয়েছে ছাদের এক কোণে।কিন্তু হৃদয় ভয়ে ওর সাথে কথা বলতে পারছে না।এভাবে অনেক দিন কেটে যাচ্ছে ।এরপর হঠাৎ করেই একদিন....
- এই যে ,আপনার নামটা কি জানতে পারি?
হৃদয় অর্পার মত ছাদের ধারে গিয়ে নিচের দিক তাকিয়ে এ কথাটি বলেছে।
-আমার নাম সাবরিনা অর্পা
রেগে উওরটা অর্পা দিয়েছে ।
-আমার নাম হৃদয় আহমেদ ।আচ্ছা একটা কথা বলব আপনাকে?যদি কিছু মনে না করেন।
-হ্যা বলুন।
-আচ্ছা আপনি প্রতিদিন নিচের দিক তাকিয়ে থাকেন কেন?তাও আবার মন খারাপ করে?
-এমনি থাকি।এত্ত কিছু আপনায় আমি বলব কেন?
রাগি-সুরে অর্পা উওরটা দিয়েছে ।
-আচ্ছা ওকে বলতে হবে।আরেকটা কথা বলি?
-বলুন।
-আচ্ছা আমিও আপনাদের বাসার ৬ তলায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকি।আমি ও আপনার মতই একা থাকি।তো আমি কি আপনার বন্ধু হতে পারি?
-কেন বন্ধু হতে হবে আপনার?
আমি একাই আছি ,একাই অনেক ভাল আছি।
এগুলো বলে অর্পা হন হন করে চলে গিয়েছে ।
এরপর থেকে হৃদয়ও অনেক দিন আর ছাদে যায়নি।যার কারনে অর্পা আর অকে দেখতে পায় নি।
হঠাৎ একদিন বিকেল বেলায়,
-আপনি আজ হঠাৎ করে ছাদে আসলেন যে?তাও
এত্তদিন পরে।
অর্পা হৃদয়ের কাছে গিয়ে বলছে ।
-এমনি আসিনি ভাল লাগেনি ।
-বন্ধু হবেন?
অর্পা শুকনো হাসি দিয়ে এ কথাটি বলেছে।
হৃদয় ও খুব খুশি হয়ে হ্যা বলে হাসি দিয়েছে।
এভাবেই তাদের বন্ধুর্ত্ব হয়েছে।
-আচ্ছা আমরা একে অপরকে তাহলে তুমি করে বলি?
হৃদয় অর্পাকে বলল
-ওকে।
এরপর থেকেই অর্পা আর হৃদয় একে অপরকে সবকিছু শেয়ার করা হাসি দুষ্টুমি সবই চলছে ।হৃদয় অর্পার সৎ মা সম্পর্কে সব জানতে পারলো।
-আচ্ছা অর্পা তুমি ওনার মত বজ্জাত মহিলার এত কষ্ট সহ্য করো কিভাবে?
-সবই আমার ভাগ্য ।আর তুমি পাশে আছো,সব কিছু সহ্য করতে কোন সমস্যা হয় না।
এভাবে তাদের কথাবার্তা ভালোই চলছে।তাদের সম্পর্ক ও গভীর হচ্ছে ।একে অপরের কেয়ার করা সব কিছুই ভাল চলছে।আর এর মাঝেই হৃদয় অর্পা একে অপরের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়ছে ।হঠাৎ একদিন বিকাল বেলায়.......
-অর্পা তোমায় না আজ এই কালো শাড়িটা ভালো মানিয়েছে ।
-ধন্যবাদ ।তোমায়।
-আচ্ছা অর্পা আমি তো তোমার একজন বন্ধু ।
-হ্যা ।হঠাৎ করে এই কথা?
- না এমনি।
-না,না নিশ্চয়ই একটা কারন আছে।
-আসলে কি তোমায় একটা কথা বলার ছিল।যদি তুমি রাগ না করো।তাহলে বলব।
-আরে বাবা রাগ করার কি আছে ।তুমি হচ্ছো আমার বন্ধু ।আর বন্ধুর অপর তো রাগ করা যায় না।
-তবুও কেমন জানি ভয় হচ্ছে ।
-আরে তুমি পাগল নাকি?এত ভয় পাবার কি আছে?যা বলার বলে ফেলো ভয় না পেয়ে ।না বললে আমি এখন তোমায় ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিবো।
-আচ্ছা বলছি বাবা,বলছি।ছাদ থেকে আর ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার দরকার নাই।
অর্পা আমি তোমায় খুব ভালোবাসি ।বাকি জীবনটা একসাথে কাটাতে চাই ।
হৃদয় হাটুঁ ঘিরে বসে অর্পার মায়ের ছবিটা সামনে রেখে এগুলো বলেছে ।আর অর্পা যখন প্রতিনিয়ত ছাদের ধারে গিয়ে নিচের দিক তাকিয়ে থাকতো।তখনি হৃদয় বুঝে ফেলেছে যে অর্পা কিছু একটা ফেলেছে ।এরপর সত্যতা যাচাই করার জন্য অর্পাকে একদিন হৃদয় বলেছিল।তখনি অর্পা সব কিছু
হৃদয় কে শেয়ার করেছে।আর হৃদয় ও বুঝতে পেরেছে ।সে যে ছবিটা পেয়েছে ,সেটা অর্পার মা।আর তাই আজ হৃদয় তার প্রিয় কালো গোলাপ কে বাদ দিয়ে অর্পার মায়ের ছবিটি দিয়ে প্রপোজ করেছে।তখনি অর্পা হা করে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল .....
-তুমি এই ছবিটা কোথায় পেলে ?এটাতো আমার মায়ের ছবি।
অর্পা তাড়াতাড়ি এ কথাটি বলে হৃদয়ের কাছ থেকে টান দিয়ে ছবিটি নিয়ে নেয়।এমন মনে হচ্ছে, সে তার জীবনটা ফিরে পেল।ছবিটির দিক তাকিয়ে অর্পা হাত বুলিয়ে দেখছে আর কান্না করছে।
-আরে বাবা কান্না কেন করছো ।আজ তো খুশির দিন।আমি তোমার মায়ের ছবি টা তোমার কাছে
ফিরে দিতে পেরেছি।আর তুমিও তোমার মায়ের ছবিটা ফিরে পেয়েছো।
হৃদয় এগুলো বলার পরই হঠাৎ করে অর্পা হৃদয়কে জরিয়ে ধরে কান্না করছে।মনে হচ্ছে হৃদয় কে ও মনে হয় কেউ কেড়ে নিয়ে যাবে।যে এত্ত জুড়ে চেপে ধরে রেখেছে।এরপর হৃদয়ও যখন অর্পাকে জরিয়ে ধরেছে ,হৃদয়ের হাতটা অর্পার পিটে স্পর্শ হয় সাথে সাথে ,অর্পা চিৎকার করে উঠলো।
- কি হয়েছে অর্পা ?ব্যাথা পেয়েছো?
- বুঝেছি ।আবারো আজ ওই বজ্জাত মহিলা তোমায় এত্ত জগন্য ভাবে পিটে গরম কন্তি লাগিয়েছে।
-অর্পা চুপ।
-আসো আমার সাথে আসো বলছি।
অর্পাকে টেনে হৃদয় ওর রুমে নিয়ে গিয়েছে।এরপর অর্পার পিটের পুড়ে যাওয়া অংশে হৃদয় মলম লাগিয়ে দিচ্ছে ।আর বলছে এই বজ্জাত মহিলার কাছ থেকে তোমায় নিয়ে আজ রাতে পালিয়ে যাবো।হৃদয় রেগে রেগে সিরিয়াস ভাবে অর্পাকে বলছে।
-ও খুব জ্বলছে ।অনেক কষ্ট হচ্ছে ।
অর্পা চিৎকার করে কথা গুলো বলছে,কারন জ্বলছে যাওয়া অংশটুকুতে মলম লাগালেই অনেক জ্বালাতন করে।
যার কারনে হৃদয় মলম লাগিয়ে দেওয়াতে ও ঠিক একই কষ্ট তার হচ্ছে ।
-একটু সহ্য করো লক্ষিসোনা।এবার তুমি এখানে চুপ করে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকো।ওই ভাবে শুয়ে থাকলে আবার চামড়াটা উঠে যাবে। আমি আসছি।
এরপর হৃদয় অর্পাদের বাসায় গিয়েছে।ওর আব্বুকে ডেকে আনতে।ভাগ্য ভালো ওইদিন অর্পার সৎ মা বাসায় ছিলো না।
-এই দেখুন আংকেল অর্পাকে এত্ত কষ্ট দিচ্ছে ।ওর সৎ মা অকে।আপনি কিভাবে সহ্য করে নিয়েছেন এত্ত দিন।
অর্পার বাবা যখন অর্পার পিটের দিকে তাকিয়েছে তখনি ওনি কান্না করে দিয়েছে।
-বাবা আমি জানতাম অকে এত্ত কষ্ট দিতো।কিন্তু বাবা আমি যে অচল আমার যে কিচ্ছু করার ছিল না।শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া ।বাবা আজই সুযোগ তুমি অকে নিয়ে পালিয়ে যাও।আর পালিয়ে গিয়ে তোমরা বিয়ে করে ফেলো।আমি আর আমার কলিজার টুকরাটার কষ্ট সহ্য করতে পারছি না।সময় পেলে আমায় সাথে কন্টাক্ট করে নিও। আমার চিন্তা করো না।
অর্পার বাবা হৃদয়ের কাধে ধরে এগুলো বলেছে।
-ওকে বাবা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
-আর হ্যা একটু অপেক্ষা করো।বাবা ,
এর মাঝে তোমরা সবকিছু গুছিয়ে নাও।
-জ্বী বাবা!
এর হৃদয় সবকিছু গুছিয়ে নিচ্ছে ।আর অর্পাকে ও ধীরে ধীরে বসাচ্ছে ।
-এই নাও বাবা।এখানে দশ লক্ষ টাকার একটা চেক আছে।আর আমার সকল সম্পত্তি তোমাদের নামে করে দিয়েছি।ভবিষ্যতে তা দিয়ে কিছু একটা করে নিও।আর বাবা আমার মেয়েটাকে কখনো কষ্ট দিও না।এখানে আমার নাম্বার টা ও দেওয়া আছে।নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আমায় ও এই দজ্জাল মহিলার কাছ থেকে নিও যেও।আমি অপেক্ষা করবো বাবা।দোয়া করি তোমরা সুখি হও।
-ওকে বাবা।
এরপরই অর্পা তার বাবাকে জরিয়ে ধরে কান্না করছে ।আর অর্পাও ছোট্ট বেলার মত জরিয়ে ধরে কান্না করছে,যেভাবে ছোট্ট সময়ে অর্পার কিছু হলে সে ঠিক এভাবেই তার আব্বু আম্মুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতো।
এরপর হৃদয় ও অর্পা ,অর্পার বাবাকে সালাম করে বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছে।
দূরের কোন এক অজানা এক নিরব নিস্তব একটা জায়গায়।যেখানে থাকবে না কোন বজ্জাত মহিলা,যেখানে থাকবে না কোন পশুত্ব মানুষের পায়ের ছাপ।থাকবে না কোন কষ্টের বাতাস ,থাকবে শুধু আনন্দের বাতাস। ( সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now