বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
★1.-সূচি আমি অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করছি নাতো?
আমি আমাদের ব্যাবধানের কথা ভুলে যাচ্ছি নাতো?
-জীবনে কিছু পেতে হলে সীমা উলঙ্ঘন করা জরুরী রাফি
সীমায় আবদ্ধ থাকলে কোনদিন কিছু পাবেনা।
★2.মেয়েটি অভিমানী সুরে ছেলেটিকে বলে "তুমি তো কথা দিয়েছিলে আর কোনদিন আমায় বিরক্ত করবেনা?
ছেলেটি হাসতে হাসতে উত্তর দেয়"কথা ভাঙ্গার জন্যই দেয়া"
মেয়েটি আর কিছু বলেনা মুচকি হাসি দিয়ে হাটা শুরু করে।
★3.-তবে কি....
-হ্যা এটাই শেষ।
-সুখী হতে পারবে?
-কি জানি!
-আমায় ছাড়া কষ্ট হবেনা তোমার?
-হয়তো হবে হয়তো হবেনা।
-তোমার চোখে তো জল?
-হয়তো কাউকে হারানোর তীব্র বেদনায়!
-আমাকে ভুলতে পারবে?
-মনে রাখার মত কিছু দিয়েছো কখনো?
-তুমি তো এখন স্বাধীন তাইনা?
-আগে কি ছিলাম না?
-না আমিতো কত কিছুতেই বাধা দিয়েছি।
-তুমি কখনো তা করনি বরং বাধা দিলেই খুশি হতাম।
-আমায় ধন্যবাদ দেবেনা?
-কেনো?
-প্রেমের ফাদে ফেলে তোমার চরিৎে আঘাত করিনি..
রিকশার হুড তুলে তোমার সাথে নোংরামি করিনি..
হঠাৎ করে আমার শূন্য ফ্লাটে আসার জন্য আবদার করিনি..
এসবের জন্য?
-চুপ করো।
-তোমার কি কষ্ট হচ্ছে?
-তোমার কষ্ট হচ্ছেনা?
-ছেলেরা কষ্ট পায়না।
আর কিছু বলতে পারেনা কেউই মেয়েটি চলে যায়।
তীব্র বেদনায় কুকড়ে যায় মেয়েটি।
পেছন ফিরে তাকানোর আর সাহস হয়না তার।
মেয়েটির ভীষণ ইচ্ছে করে ফিরে গিরে শক্ত করে জড়িয়ে ধরবে ছেলেটিকে
কিন্তু মেয়েটি তা করেনা।
আর মেয়েটি যখন ছেলেটির দৃষ্টির সীমানা ছাপিয়ে চলে যায়...
ছেলেটা আঙ্গুলের মাথা দিয়ে চোখের কোণার জল টুকু সযত্নে মুছে নিয়ে উল্টো পথে হাটা শুরু করে।
বড় হতে হবে তাকে অনেক বড়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now