বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিজ্ঞানের যুগে ভূতের নাম- এ যেন বড়ই বেমানান। আর কেউ ভূতের অস্তিতে বিশ্বাসী, তা তো নিতান্তই হাস্যকর।
অথচ বিশ্বের এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে গেলে এখনো গা ছমছম অনুভূতি আসবে দিনদুপুরে। দেখতে পাবেন ব্যাখ্যাতীত কিছুর আনাগোনা। শুনতে পাবেন ভয়ঙ্কর অার্তচিৎকার। খুব সাহসী মানুষটিরও ভয় পেতে এসব উপকরণ যথেষ্ট হবে। প্রযুক্তির নীল আলোতে সেখানে এখনো রচিত হচ্ছে বহু ভৌতিক গল্প। এমন বহু শহর, গ্রাম এখনো ঠিকে আছে ভুতুড়ে হিসেবে। যার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আজও মেলেনি। এমনকি সাহসিকতার সঙ্গে এসব ঘটনাকে মিথ্যা প্রমাণ করাও সম্ভব হয়নি।
বিশ্বের এমন কিছু শহর নিয়ে আজকে আলোচনা করব।
সম্পূর্ণ পোস্টটা পড়বেন। এতে আপনার ভালো লাগবে।
???? বোডি [ক্যালিফোর্নিয়া]
ভাবুন তো, কোনো পাহাড়ঘেরা শহরের ভিতরকার নির্জন খাদ থেকে মাঝে মাঝে উচ্চ শব্দের হাসির আওয়াজ আসে, দূর থেকে ভেসে আসে গল্প করার আওয়াজ বা শোঁনা যায় ফিসফিসির শব্দ। তাকে কি বলবেন, নিশ্চয় ভুতুড়ে? হ্যাঁ, ক্যালিফোর্নিয়ার বোডি শহরে এমন সব কাণ্ড ঘটার জন্য তাকে ভুতুড়েই বলা হয়।
আমেরিকার মানুষ শহর ঘুরে এসে বলে- শহরটি থেকে গুরুগম্ভীরর পিয়ানো বাজানোর শব্দ দূর থেকে ভেসে আসে। মাঝে মাঝে শোনা যায় গানের আওয়াজ। লোকে বলে ওখানে সত্যি সত্যিই ভূতের বাস আছে।
একসময় আমেরিকার সবচেয়ে দুর্ধর্ষ বাসিন্দারর শহর ছিল এটি। ঊনবিংশ শতাব্দীরর মাঝামাঝাতি এসে এখানে প্রতিদিন প্রকাশ্যে খুন হতো।
১৮৮০ সালে বোডির বাইরে দুই ডাকাত একটি স্টেজ কোচ লুট করে। হাজার হাজার ডলারের সোনাও তারা লুকিয়ে ফেলে। পরে অবশ্য তারা জনগণের হাতে মারা যায়। কিন্তু লুট করা সোনার সন্ধান আর মেলেনি। কেউ বলে সেসব সোনা শহরের ধারেকাছে কোথাও মাটি খুঁড়ে নিচে ডাকাতরা পুঁতে রেখেছিল। বর্তমানে বোডি শহরকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ক্লপকথা। এই শহরে বর্তমানে মানুষজন বাস করে না।
১৮৭০ সালের দিকে শহরে তৈরি করা কাঠের দালানগুলো আজও শুধু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। ভয় আর কল্পকাহিনী নিয়ে বোডি আজ আমেরিকার এক ভুতুড়ে শহর।
???? রিওলাইট [নেভাদা]
আমেরিকার পূর্ব ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম আশ্চর্য স্থান ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে যাবেন আর অদূরেই নেভাদার রিওলাইট শহর থেকে একবার ঘুরে আসবেন না তা কি হয়? ভুতুড়ে এই শহরটিকে নিয়ে বিশ্ববাসীরা যে পরিমাণ মাতামাতি তা হয়তো আর কোনো শহরকে ঘিরে হয়নি এ পর্যন্ত তার ছবিও তোলা হয়েছে অন্য যেকোনো শহর থেকে অনেক বেশি। এর অর্থ দাঁড়ায়, এই শহরের অবশ্যই কিছু না কিছু বিশেষত্ব আছে।
বিংশ শতাব্দীতে নেভাদার এই শহরে ১০ হাজাীর মানুষের বসবাস ছিল। একসময় মাইননাররা শহর ছেড়ে বিদায় নিতে শুরু করে। ফলে ১৯০৭ সালে ভয়ানক আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এখানের শ্রমিকরাও সবাই শহর ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। তারপরই সোনার খনি থেকে সোনা উত্তোলনের কাজ শেষ হয়। যাও-বা ছিল তারা মরে যায়। এমনকি জনশূন্যও হয়েছিল। তারপর থেকে এটি সত্যি একটি ভুতুড়ে শহরে পরিণত হয়। স্বাভাবিকভাবেই গা ছমছমে একটি পরিবেশ তৈরি হয়। অনেকেই বলে ফাঁকা গ্রামে নাকি ভূত আস্তানাও গেড়েছে। শহরটি ক্রমে ধ্বংসস হতে থাকে। সারা শহর মিলে বর্তমানে দর্শনীয় জিনিস বলতে আছে একটি ট্রেন ডিপো এবল একটি বটল হাউস। শহরের বটল হাউসটি একটি অনন্য নিদর্শন। ১৯০৬ সালে মাইনার টম কোলি পঞ্চাশ হাজার বোতল দিয়ে বোতল বাড়িটি তৈরি করেন। বাড়টির নির্মাণশৈলী সবাইকে অবাক করে দেয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now