বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খুব ছোট একটা ছেলে প্রচন্ড রাগী ছিলো। সে খুব সামান্য কারণেই রেগে যেত। তার বাবা একদিন তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিলো এবং বললো যে, যত বার তুমি রেগে যাবে ততোবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানে কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। প্রথম দিনেই বাগানে গিয়ে ছেলেটিকে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো। পরের কয় এক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগ কে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলো, তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যা ও ধীরে ধীরে কমে যেতে লাগলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ি দিয়ে কাঠের বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ। শেষ প্রর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে আর একটি পেরেক ও মারতে হলোনা। সে তার বাবা কে এই কথা জানালো। তার বাবা তাকে বললো, এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগ কে পুরো পুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে, সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলবে। অনেক দিন চলে গেলো এবং ছেলেটি তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেলো এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো, তুমি খুব ভালো ভাবে তোমার কাজ সম্পুন্ন করেছো, এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো। কিন্তু দেখো প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। যখন তুমি রেগে গিয়ে কাউকে কিছু বলো, তখন তার মনে তুমি যেন একটি পেরেক ঠুকলে, পরবর্তিতে তুমি যদি তোমার কথা ফিরিয়েও নাও তখনও তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় থেকে যায়। তাই নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে শেখো। মানুষিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়ে ও অনেক বেশি ভয়ংকর ???? ????
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now