বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। ইসলামী পরিভাষায় আরবি বর্ষপঞ্জি হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলে। মুসলিম উম্মাহর কাছে এ দিনটি একই সঙ্গে ধর্মীয়ভাবে গভীর তাৎপর্যময় ও বেদনাদায়ক।
একদা সাহাবীগণ হযরত রাসূলে করীম (সা.) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)!আশুরার দিন কি সকল দিবস হতে উত্তম? তিনি উত্তরে ইরশাদ করেন, হ্যাঁ উত্তম। আসমান, জমিন, পাহাড়-পর্বত, লৌহে মাহফুজ, নদী-সাগর, আদম-হাওয়া এবং জান্নাত ও জাহান্নাম ঐ দিনই সৃষ্টি করা হয়েছে।
দশজন নবীর ঐতিহাসিক ঘটনা:
১।হযরত ইকরামার (রা বর্ণনামতে হযরত আদম (আ এর দোয়া আল্লাহ তা’আলা ঐদিন কবুল করেছেন এবং ঐদিন তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেছেন এবং ঐ দিনই তিনি দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেছেন।
২। এই দিন হযরত ইবরাহীম (আ জন্ম লাভ করেন।
৩। হযরত ইউনুস (আ মাছের পেট থেকে মুক্তি লাভ করেন।
৪। হযরত ইউসুফকে (আ কুয়া থেকে বের করা হয়।
৫। হযরত নূহ (আ এর কিস্তি মহাপ্লাবন থেকে মুক্তি লাভ করে জুদী পর্বতে এসে অবতরণ করে।
৬। হযরত আইয়ুব (আ তাঁর জটিল রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেন।
৭। হযরত মুসা (আ কে আল্লাহ তা’আলা এই দিন ফেরআউনের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন। নীলনদের বুকে তার জন্য রাস্তা করে দিয়েছেন এবং ফেরআউনের সৈন্যবাহিনীকে ডুবিয়ে মেরেছেন।
৮। হযরত দাউদ (আ এর তাওবা কবুল হয় এবং ইয়াকুব (আ কে দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
৯। হযরত ঈসা (আ আল্লাহর অসীম কুদরতে পিতার ঔরশ ব্যতীত মাতৃগর্ভ হতে জন্মলাভ করেন এবং এই দিনই তাঁকে বনী ইসরাইল এর হাত থেকে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়।
১০। রাসুলুল্লাহ (সা এর অগ্র-পশ্চাতের সকল কসুরি মাফ করে দেওয়া হয়। ঐ দিন হযরত সুলাইমান (আ সাম্রাজ্যের রাজত্ব লাভ করেন। হযরত ইদ্রিস (আ জান্নাতে প্রবেশাধিকার লাভ করেন।
এছাড়া নবী দৌহিত্র হযরত হোসাইন ইবনে আলী (রা তাঁর সাথী সহচরগণ ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে ঐতিহাসিক কারবালার প্রান্তরে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন। কারবালার এই মর্মান্তিক বিষাদপূর্ণ ঘটনা মুসলিম জাতির হৃদয়ে এক করুণ বেদনার ছাপ এঁকে দিয়েছে। সুতরাং কারবালার এই মর্মন্তুদ শাহাদাতের ইতিহাস প্রত্যেক মুমিনকে বেদনাতুর করে তোলে। (উমদাতুল কারী ১১ খ/ ১১৭-১৮ পৃঃ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now