বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আজও তোমার অপেক্ষায়!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X কলেজ থেকে বেড়িয়ে বাসায় যাবার জন্য রিকসায় উঠল নীলা। কিছুক্ষন পরেই তার চোখটা আটকে গেল মোরের কাছের টংএর দোকানটায়। সে দেখতে পেল শুভ্র সেখানে আনমনে সিগারেট টানছে..!! যে ছেলেটা সিগারেটের গন্ধ সহ্য করতে পারত না সেই ছেলেটা এখন নিজেই সিগারেট খাচ্ছে.!!! . এসব কিছু ভাবতে ভাবতে ৩বছর আগে ফিরে গেল সে। নীলা তখন অনার্স ১ম বর্ষ আর শুভ্র ৪র্থ বর্ষ। কোনো এক বৃষ্টির দিনে তাদের পরিচয় টা হয়েছিল। তারপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব, পরে তা ভালবাসায় পরিনত হয়। ভালই চলছিল দিনগুলি। কিন্তু সমস্যা হল এক বছর পর। হঠাৎ করেই নীলার বাবা খুব অসুস্থ হয়ে পরাতে তিনি চান তার একমাত্র মেয়ের বিয়ে দেখে যেতে। নীলার বাবা যে নীলার জন্য আগে থেকেই তার বন্ধুর ছেলে রিয়াদ এর সাথে বিয়ের কথা পাকাপোক্ত করে রেখেছেন তা নীলা যানতো না। নীলা যখন যানতে পারলো তখন তার কিছুই করার নেই, তার বাবা মৃত্য শয্যায় তার হাতটি ধরে বলেছিল, মারে রিয়াদ সত্যিই খুব ভালো ছেলে, আর আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুইতো কোনোদিন চলিশ নি তাই তোর কাছে না শুনেই আমি রিয়াদের বাবাকে কথা দিয়েছি। সুখে থাকিস। . এসব কিছু শুভ্র কে জানালে সে কিছুই বলেনি, অন্যদিকে ঠিক আজকের মতন আনমনে তাকিয়ে ছিল। অবশ্য চোখের কোনে কিছু জল জমা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তুতা মুছেই ছোট্ট একটি কথা বলেছিল, "সুখে থেকো। " নীলা নিজের ভালবাসাকে বিসর্জন দিয়ে, তার বাবার দেয়া কথা রাখতে বাধ্য হয়েই বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর আর কখনও শুভ্রর সাথে কথা হয়নি, আর সে কথা বলবেই কোন মুখ নিয়ে। . এসব ভাবতে ভাবতে চোখের কোনদিয়ে কখন যে জল গড়িয়ে পরেছে খেয়ালই করে নি.. . বাসায় এসেই ফ্রেস হয়ে কল করল শুভ্রর সেই নম্বরে। রিং হচ্ছে কিন্তু রিসিভ হচ্ছে না। . এইদিকে শুভ্রও তার পর থেকে কিছুটা সময় লাগলেও নিজেকে কোনো রকম সামলে নিয়েছে। যে ছেলেটা সবসময় হাসিমুখে থাকতো, বন্ধুদের সাথে আড্ডা জমাতে পটুছিল, সে এখন আর হাসিমুখে থাকে না। আড্ডায় মেতে উঠে না। তাতে কি..!! সে এখন নিকোটিন কে সঙ্গে নিয়ে একাই চলতে পারে। অবস্য গোপনে সে নীলার খোজখবর যানতো তার এক বান্ধবীর কাছ থেকে। পড়ালেখা শেষ করার পর বেশকিছুদিন বেকার থাকার পর কিছুদিন যাবত একটা কোম্পানিতে আছে সে।। . বাসায় ঢুকতে না ঢুকতেই কে যেন ফোন করছে, স্কিনের দিকে তাকাতেই বুকের বাম পাশটায় হঠাৎ করেই কেপে উঠল শুভ্রর। একি...!! নীলার নম্বর থেকে কল..!! চুপ করে আছে। সে এখন কি করবে..?? হ্যা সে ফোন রিসিভ করবে, কিন্তু কোনো ভাবেই নীলাকে বুঝতে দেওয়া যাবেনা যে তাকে সে এখনও ভালোবাসে। এসব ভাবতে ভাবতে নিজেকে গুছিয়ে ৪বারের বার যখন ফোনটা বেজে উঠল সে রিসিভ করল, শুভ্র: হ্যালো। কে বলছেন...!! নীলা:কেমন আছো শুভ্র...?? -ভাল। কিন্তু আপনি কে..?? -নীলা... -কোন নীলা, কোথাকার নিলা, আমি কোনো নিলাকে চিনি না। পরবর্তিতে আমাকে আর ফোন করবেন না। -নীলা অবশ্য কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু তার আগেই ওপাশ থেকে লাইনটা কেটে দিল। . . হ্যা শুভ্র মনে হয় নীলাকে তা বোঝাতে পেরেছে। চোখের কোন দিয়ে একটু জল অবশ্য গরিয়ে পরল, কিন্তু তা মুছে নিজে নিজেই বলে উঠল, . ""আমি আজও তোমায় ভালোবাসি।""


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now