বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

_শর্তের_ডির্ভোস

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ ছেলে (০ পয়েন্ট)

X । ---------------------------- আজ ১০ বছর পর! সামিয়া এসেছে তাদের মেয়েকে দেখতে। আসার আগে অয়নকে ফোন দিয়েছিল। অয়ন প্রথমে ফোন ধরেনি, চার- পাঁচবার ফোন দেয়ার পর ধরেছিল।কথা বলতে পারেনি। কারন তার খুব কাঁন্না আসছিল তবু মনকে শক্ত করে বলেছিল, কেন ফোন করেছ? সামিয়া- মেয়ের সাথে দেখা করতে চাই। অয়ন- আচ্ছা! কাল দুপুর ১২ টায় দেখা করতে আসবে, আর বিকাল তিনটার আগে চলে যাবে। সামিয়া শর্তে রাজি হল। অয়ন সকাল ৯ টায়, সময় মত ডিউটিতে চলে যায়। আর তাদের মেয়ে মৌ কে বলে যায় তোমার মা আসবে, দেখা কর। সে প্রথমে রাজি হয়নি কারন সে সব ইতিহাস জানত না। অবশেষে বাবার কথায় রাজি হল। ১২ টার সময় সামিয়া আসল। মৌ-কেন এসেছেন বলেন? সামিয়া- তকে দেখতে মা! মৌ-কেন? বাবাকে কাঁদিয়ে সুখ পাওনি? সামিয়া- তোমার বাবা আবার আমার জন্য কাঁদে? মৌ-কেন কাঁদবে না? যে তোমাকে এত টা ভালবাসে তাকে ছেড়ে তুমি চলে গেছ। সামিয়া-আমি তোমার বাবাকে ছেড়ে চলে যাইনি।তোমার বাবাই..থাক সে সব কথা। মৌ-থাক কেন? আজ বলতে হবে কেন চলে গিয়ে ছিলে। সামিয়া-না থাক! তোমার বাবার কাছে জেনে নিও। মৌ- বাবা বলতে চায় না, আর কখনো জানতে যেন না চাই তার জন্য রেগে হুমকি দিয়েছে আর বলেছে আমার যদি এটা বলতেই হয় তাহলে তোমার জন্য বিপদ আছে। সামিয়া- একথা বলেছে? মৌ-হুমম বলেছে। সামিয়া-তাহলে কখনো ওনার কাছে জানতে যেও না। মৌ- যাব না! কিন্তু তোমাকে আজ বলতে হবে। সামিয়া- আচ্ছা ঠিক আছে..তাহলে শোন... আজ থেকে বিশ বছর আগে। তোমার বাবা অয়নের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় আমার।খুব ধুমধুম করে আমাদের বিয়ে হয়েছিল।একটা মেয়ের যেরকম স্বপ্ন থাকে, ঠিক সেই রকম ভাবেই বিয়ে হয়েছিল।কিছু কমতি ছিল না। বিয়ের পর বাসর রাত যেটা প্রত্যেক নারীর জন্য খুবই আকাঙ্খিত রাত। সে বাসর রাত টা ছিল ভিন্ন রকম। তোমার বাবা আমার জন্য কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। শর্ত গুলো হল:- ১) আমার অনুমতি ছাড়া কখনো মার্কেট, বাপের বাড়ি যেতে পারবে না।না মানলে চরম শাস্তি ভোগ করতে হবে। ২)কখনো কোন কারনে আমার বাবা-মাকে, তোমার বাবা-মা বলে সম্বোধন করতে পারবে না। তাহলে তুমি আমার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ৩)সন্দেহ আর অবিশ্বাস এই দুইটা আমি খুব ঘৃনা করি।তাই এরকম কিছু করেছ প্রমান পেলে,তোমার কঠিন শাস্তি হতে পারে । ৪)সব গোপন জানতে চেও না। যদি কখনো আমার গোপনীয়তাকে মানতে না পেরে চলে যাও।তবে হয়ত গোপনীয়তা ফাঁস করব। তবে সেটা হবে তোমার আমার বিচ্ছেদের কারন। আর আমি শর্ত ভঙ্গ করার কারনে আমি আজ তোমাদের সাথে নেই। মৌ- কোন শর্ত ভাঙ্গছিলে তুমি? সামিয়া-সেটাও জানতে চাও? মৌ- হুমম.. সামিয়া-শোন তাহলে... বিবাহের পর আমাদের সর্ম্পক টা ভাল ছিল।বলতে গেলে খুব ভাল মানুষ ছিল তোমার বাবা।আমার বাবা-মা মানে শ্বশুর-'শ্বাশুড়ি ও বেশ ভাল ছিল। বিয়ের আমরা কেউ প্রেম করিনি তাই আমাদের মাঝে বেশ প্রেম ও জমে ছিল। বিয়ের আড়াই বছর পর তোমার জন্ম হয়। তোমার বাবা আর আমার দেয়া নামে সম্মিলিত নামকরন করা হয় তোমার "আরিফিন আক্তার মৌ"। মৌ নামটা ছিল আমার দেয়া। যে নামে তোমার বাবা আজও তোমাকে ডাকে। প্রতি সপ্তাহে আমরা কোথাও না কোথাও ঘুরতে যেতাম।এরকম পাওয়াটা আমার চাওয়ার চেয়ে বেশি ছিল।প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে গিয়ে কোন না স্মৃতি একে দিয়েছে আমার হৃদয়ে। কখনো আইসক্রিম খাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে মুখে মেখে দেওয়া। বাবা -মাকে লুকিয়ে দুষ্টমি করা।কখনো আমাকে রাগানোর জন্য, অন্য মেয়ের সাথে আমাকে তুলনা করা। এরকম আরও অনেক ধরনের স্মৃতি। আমার বিরুদ্ধে তার বা তার বিরুদ্ধে আমার, কোন রকম অভিযোগ ছিল না। পরিবারে ছোট খাট সমস্যা প্রায় সব পরিবারেই হয়, তেমনি আমাদের হয়েছে তবে খুবই কম। কোন বিষয়ে জানতে চাইলে কোন রকম গোপন করত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now