বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশ্বের ভয়ানক ও রহস্যময় স্থান (পর্ব- ০৭)

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ফেরদৌস ইবনে আবু বকর (০ পয়েন্ট)

X পৃথিবীতে এমন অনেক স্থান রয়েছে যার রহস্যের শেষ নেই। কিছু কিছু স্থানে যেতে মানুষ ভয় পায়, আবার কিছু কিছু স্থান আনন্দের মাঝেও বেদনার অনুভব জাগায়। কিছু জায়গা আছে যেখানে আপনি দীর্ঘশ্বাস না নিয়ে পারবেন না। এমন কিছু ভয়ানক স্থান রয়েছে যেখানে ঘুরে আসার পর আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সকল স্থানের কথা- (বাকি অংশ) ১. পুতুলের দ্বীপ (Island of the dolls)- মেক্সিকো মেক্সিকো শহরের দক্ষিণে একটি ছোট দ্বীপ রয়েছে যাকে পুতুলের দ্বীপ বলা হয়। দ্বীপটির পেছনে রয়েছে একটি বেদনাদায়ক কাহিনী যার কারনে এটি কখনো পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। দ্বীপটি উৎসর্গ করা হয়েছে একটি অভাগী মেয়েকে যে কিনা খুব অল্প বয়সে অদ্ভুতভাবে দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছিলো। মেক্সিকো শহরের দক্ষিণে হাজার লোকের বাস থাকলেও অই ছোট্ট দ্বীপটিতে রয়েছে শত শত ভয়ঙ্কর পুতুলের বাস। পুতুলগুলোর কোনটির মাথা নেই, হাত-পা নেই, দেহ নেই, শুধু চোখ রয়েছে এমন সব অদ্ভুত পুতুল দ্বীপ জুড়ে গাছে ঝোলানো দেখতে পাওয়া যায়। পুতুলগুলো দিনের আলোতে দেখতেই ভয়ঙ্কর, আর রাতের আঁধারে তো কথাই নেই। কথিত আছে যে অনেক বছর আগে ভাগ্যাহত মেয়েটিকে রহস্যময় ভাবে পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পুতুলগুলো তার আত্মা হতে তৈরি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের মতে, পুতুলগুলো হাত-পা নাড়ে এমনকি চোখ খোলে ও বন্ধ করে। অনেক প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, পুতুলগুলো নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলে। অনেকে নাকি দ্বীপের পাশ দিয়ে নৌকা নিয়ে যাবার সময় দেখেছে পুতুলগুলো তাদের দ্বীপে যাবার জন্য ডাকছে। সত্যি হল দ্বীপটি আসলেই রহস্যময় ও ভূতুড়ে যে কারনে সাধারন দর্শনার্থী এখানে যায়না। ২.স্পটেড লেক-কানাডা এটি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার অসইউস শহরে অবস্থিত একটি বিশেষ লেক যা দেখতে সারা পৃথিবী হতে পর্যটকরা ভিড় করে থাকে। লেকটি সারা বছর সাধারন লেকের মত থাকলেও শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালে এর বিশেষত্ব দেখা যায়। লেকটির পানিতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, ক্যালসিয়াম এবং সোডিয়াম সালফেট থাকায় গ্রীষ্মকালে এর পানি বাস্পায়িত হতে থাকার ফলে লেকের পানির উপরিস্তরে খনিজ লবণগুলোর নানান রকম নকশা বা দাগ দেখতে পাওয়া যায়। এই নকশা দেখতেই পর্যটকরা এখানে এসে থাকে। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now