বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পৃথিবীতে এমন অনেক স্থান রয়েছে যার রহস্যের শেষ নেই। কিছু কিছু স্থানে যেতে মানুষ ভয় পায়, আবার কিছু কিছু স্থান আনন্দের মাঝেও বেদনার অনুভব জাগায়। কিছু জায়গা আছে যেখানে আপনি দীর্ঘশ্বাস না নিয়ে পারবেন না।
(বাকি অংশ)
এমন কিছু ভয়ানক স্থান রয়েছে যেখানে ঘুরে আসার পর আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সকল স্থানের কথা-
১. ইষ্টার দ্বীপঃ
ইষ্টার দ্বীপ (Easter Island) যার আরেক নাম "রাপা নুই" (Rapa Nui), এর অবস্থান তাহিতির সমুদ্র তীর হতে ২০০০ মাইল দূরে। এই দ্বীপে আদিবাসীদের নাম "পলিনেশিয়ান" (Polynesian)। যারা এই দ্বীপে আসে ৪০০ থেকে ৬০০ খ্রীষ্টপূর্বে। এই দ্বীপের রহস্য হচ্ছে এখানে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তি। এই মূর্তি গুলির নাম "মুয়াই" (Moai)। সব থেকে বড় মুয়াইয়ের উচ্চতা ৩৩ ফুট এবং এর ওজন ৮২ টন। এই মূর্তির গুলির আকৃতি কিছুটা অন্য রকম। এদের মাথা গুলি অনেক বড়। ধারনা করা হয় এখানকার লোকেরা অনেক আগেই অন্যগ্রহের লোকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং তাদের উপসনার জন্য এই গুলি তৈরি করা হয়। সব থেকে অবাক করার বিষয় ৮৮৭ টি মোয়াইয়র কোনটারই চেহারা আরেক্টির সাথে মিলে না। অগ্নিয়গীরি থেকে নির্গত ছাই (Tuff) থেকে ৫৭ টি মুয়াই তৈরি করা হয়েছে, Basalt দিয়ে ১৩টি মোয়াই তৈরি করা হয়েছে, লাল রঙের Scoria ১৭ টি তৈরি করা হয়েছে, Trachyte দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ২২টি মোয়াই। ৮৮৭ টি মোয়াইয়ের মধ্যে ৩৯৪টি মুয়াই সম্পূর্ন ভাবে তৈরি করা হয় নাই। এছাড়াও অনেকের মতে বছরের কোন এক নির্দিষ্ট সময়ে এই মূর্তি গুলি থেকে শব্দের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে জলপনা আর কল্পনার কোন শেষ নেই। এই মুয়াই নিয়ে না হয় আরেক দিন বিস্তারিত আলোচনা করব।
২. El Dorado এর উতসর্গঃ
El Dorado হচ্ছে "মুইছা" (Muisca) সম্প্রদায়ের নেতার পদবি। এদের বসবাস ছিল ১০০০ থেকে ১৫৩৮ খ্রীষ্টপূর্বে সময়কালে বর্তমান কলম্বিয়ায়। কোন সম্প্রদায়ের নেতা মানে অনেক ক্ষমতা কিন্তু এই মুইছা সম্প্রদায়ের নেতার এই ক্ষমতা কেমন ছিল জানি না তবে নেতাদের নিজেদের উতসর্গ করা লাগত দেবতাদের নামে। উতসর্গের পূর্বে তারা প্রথমে সম্পূর্ন শরীর সোনা দিয়ে পরিপূর্ন করবে (যতটা সম্ভব সোনার অলংকার পরবে), পরে সোনার গুড়া বা বালি দিয়ে সম্পূর্ন শরীর সোনালি রঙ করবে এর পর হৃদের পানিতে ঝাপিয়ে পরে নিজের জীবন উতসর্গ করবে। আর সোনার ওজনের কারনে তার দেহ কোন দিব ভেসে উঠত না।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now