বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আবেগি ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tahsan faruk(guest) (০ পয়েন্ট)

X গল্পঃ আবেগি ভালোবাসা লেখকঃতাহসান(ওমর ফারুক) স্কুলে থেকে বাড়ি যাচ্ছি একা একা।রাস্তায় হঠাৎ একটা গাড়ি এক্সিডেন্ট করল,দৌড়ে গেলাম সেখানে ,দেখলাম একটা মেয়ে সাইকেল চালিয়ে ব্রেকফেল করে সোজা পুকুরে , পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে আর আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছি..আমার তো মনেই নেই যে মেয়েটি কে এখন হিরোর মতো বাঁচাতে হবে..মনেই থাকবে বা কেন ..ইসসস কি সুন্দর দেখতে তাকে তার চুল গুলো মুখের ওপর আসলে, কি সুন্দর বাচ্চা মানুষের মতো হাত নাড়াচ্ছে.. আরে দূর আর কোনো কথা না বলে দিলাম ঝাপ.. আল্লাহ আকবার বলে.কোনোমতে মেয়েটাকে পাড়ে তুললাম ..আরে মেয়েটা তো কোনো কথা বলছে না.. অনেকটা ভয় পেলাম ..ভাবলাম মেয়েটা তো মারা যায়নি হায়.হায়. হায় আমার জন্য ই এত মিষ্টি একটা মেয়ের মৃত্যু হবে .. একটু আগে পানিতে নামলে হয়তো মেয়েটাকে বাচানো যেত..তখন মেয়েটা একটু নাড়া দিয়ে উঠলো..তখন আমি গ্রামের প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করলাম মেয়েটার পেটে জোরে চাপ দিলাম..সাথে সাথে মুখ থেকে পানি বের হতে লাগল আমি আবারও চাপ দিলাম এবার একটু কম পানি বের হলো..তারপর তার মুখে ফুক দিলাম যাতে সে‌ শ্বাস নিতে পারে.. একটু পরে মেয়েটার চোখ মেলে তাকালো.. আমাকে বলল আমি এখানে কি করছি.. এখানে কি করে এলাম.. আমি একটু মুচকি হেসে বললাম .. আপনি সাইকেল চালিয়ে পানিতে পরে গেয়েছিলেন..আমিই আপনাকে ওঠে নিয়ে এসেছি..আর এখন আপনি আমার সামনে .. আমি:চলুন আপনাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যাই.. একটু রেস্ট করে তারপর বাড়িতে চলে যেয়েন.. মেয়েটা:না..আমি যেতে পারব .. এমনিতেই আপনি আমাকে বাঁচিয়েছেন..আমি আপনার কাছে চির ঋণী থাকব.. আমি: কথা না বলে চলুন..আমিই আপনাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসব.. আপত্তি সত্ত্বেও আমি তাকে বাড়িতে আনলাম..মা বাড়িতে ছিল.মাকে সব ঘটনা খুলে বললাম .. মা বলল অনেক ভালো করছিস.. মা:চলো মা তোমার কাপর চেঞ্জ করবে.. নাহলে জ্বর আসতে পারে(ঘরে থেকে কাপর এনে) এগুলো আমার মেয়ের ..বিয়ে হবার পর এগুলো এখানেই আছে.. মেয়েটা কাপর চেঞ্জ করে আসল.. তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে অনেক ভয় পেয়েছে..এখনও সে কাঁপছে.. ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‍‌‌‌‌‌‌‌মা: তুমি ভয় পাচ্ছ মা.. আচ্ছা এখানে আসো তোমার নাম কি মা?? তোমার বাড়ি কোথায় আর এখানে তো এর আগে কখনো তোমাকে দেখিনি... মেয়ে:আমার নাম হলো ফাগুন .. ফাগুন রাউমান..আমার বাড়ি কুমিল্লা..এখানে মামার বাসায় বেড়াতে এসেছিলাম?? মা: তোমার মামার নাম কি..মা?? ফাগুন:জি..আমার মামার নাম মিরাজ আহমেদ . পাশের গ্রামে তার বাসা.. আন্টি আমি এখন বাড়ি যেতে চাই..মামা হয়তো চিন্তা করছেন.. মা: একি তুমি এখনই যাবে..একা একা যেতে পারবে না .. দাড়াও আমি তোমার সাথে আমার ছেলে কে পাঠাচ্ছি.. তাহসান..এই তাহসান.. জি মা..আসছি... বলো.. মেয়েটাকে ওদের বাসায় দিয়ে আয় ..একা একা যেত পারবে না ঠিক আছে.. চলুন. মেয়েটা আর আমি চলছি ..তখন মেয়েটা জিঙ্গাস করলো ..আপনার নাম কি.. তাহসান আহমেদ..আপনার নাম কি. ফাগুন রাউমান.. আচ্ছা কি করেন আপনি. আমি এখন দশম শ্রেণীতে পরি.. আপনি কি করেন আমি নবম শ্রেণিতে পরি...আপনাকে ধন্যবাদ??? এতে ধন্যবাদের কি আছে..আপনি বি পদে পড়েছিলেন আল্লাহ আমার মাধ্যমে আপনাকে বাচিয়ে ছেন.. ধন্যবাদ আল্লাহ কে দিন.. তা ঠিক আছে.. তারপর কোনো কথা নাই সোজা হাটছি..তো হাটছি.. সামনে তার মামার বাড়ি..মনে হলো মেয়েটাকে আমার কাছে রেখে দেই..যেতে দিতে কেন যেন মনে চাইল না... চলুন ...ভিতরে আপনাকে মামার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই... ঠিক আছে.. চলুন..তার মামার সাথে পরিচয় হলাম .. তারপর সব ঘটনা খুলে বললাম..মেয়েটার মামা তো আমাকে এক্কেবারে চুমু খেতে খেতে শেষ করে দিল.. বাজান ...আজ তুমি আমার কত‌বড় যে উপকার করছো তুমি জানো না.. না.না কি বলেন এসব.. আমি তাহলে যাই সন্ধ্যা হতে চলছে ..মা বাড়িতে একা আছে. আচ্ছা.. বাজান .. মাঝেমধ্যে আবার আসো ..আমরা তোমার কাছে ঋণী বাজান... তারপর আর কি..সোজা বাড়িতে এলাম ..এরপর মেয়েটার সাথে আর দেখা হয়নি..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now