বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃA..shorif,,,,,,,
এই সব চিন্তা করে জমিদার বাড়ির পার হচ্চি। সমনেই শ্মাশান ক্রমাগত
যে দিকেয় চোখ যাচ্চে শুদু অন্ধকার, মাঝে-মাঝে বিদ্যুৎ চমকানোর আলোয় ধিক নির্দেশ করে নদির পার দিয়ে গুটি গুটি পায়ে এগোচ্চি এইযা
শ্মশানের কাছে আসতেয় কেমন যেন
একটা অদ্ভুত আওয়াজ কানে ভেসে
আসতে লাগল। যত এগুচ্চি
ক্রমাগত আওয়াজটা ততই কাছে
আসচে। হঠাৎ আমার চোখগেল
রাস্তার পাশে ঝুপ-ঝারের দিকে।
কে জেন ওকানে বসে আচে আওয়াজটা সেখান তেকেই আসচে।
আওয়াজটা কিসের তা পর্যবেক্ষণ
করার জন্য গুটি গুটি পায়ে তার দিকে এগিয়ে যেতে লাগলাম আমি।
তার কাচে এসে ভয়ে ভয়ে বল্লাম কে
ওকানে?অপর পাশতেকে কোনো
সারাশব্দ নেই। এত রাতে একানে কি
করচেন। কোন উওর এলোনা। তাই
বাধ্য হয়ে। তার শরীরে স্পর্স করতে
চোখের সামনে নিমিসেই হাওয়ার
সাথে মিশে গেল। আর এক বিকঠ
হাসির উদয় হল। চোখের সামনে
এসব দেখে নিজেকে আর দরে
রাকতে পারলাম না। এবার হাসি
তেমে এক বিবশ্য চেহারা সামনে
ধারিয়ে বলচে যানতে চেয়ে চিলিনা
এখানে কি করি। তখন ভয়ে আমার
মেরুদন্ড বেয়ে শিতল ঘামের স্রোত
বেয়েচলচে। ছায়া মূর্তিটা আমার
দিকেই এগিয়ে আসচে। চুটে পালাব
ভাবচি কিন্তু তাও পারচি না।
পা দুটু যেন কেও শিখল দিয়ে বেদে
রেখেচে বলে মনে হচ্চে। এ অবস্থায়
আমার আর্দনাত শুনার মতকেও নেই
।চিৎকার করতে করতে এক সময়
অচেত্ন হয়ে পরলাম,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now