বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর গল্প---part---16

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan.Part-16 ------পরীস্থান------ পরীস্থানে যাবার পথে পৃথিবীর একটা সাগরে ঈলিনা তান্ত্রিকের অাত্মা বন্ধী অাংটিটা ফেলে দিলো। ভোর হবার অাগেই ফায়াজ অার ঈলিনা পরীস্থানে চলে অাসলো। ঈলিনার বাবা রাজা নার্সিসাস অার মা রানী মারিনা ফায়াজকে পরীস্থানে স্বাগতম জানালেন। ফায়াজকে নিয়ে অাসা হলো ইকোর রুমএ একটু পর চাঁদটা ডুবে যাবে ফায়াজ তারাতারি ফুলটা বের করে ঈকো কে স্পর্শ করালো ধীরে ধীরে ইকো চোখ খুল্লো। চোঁখ খুলে ইকো প্রথমেই দেখলো ফায়াজকে এক পলকেই ইকোর ভালো লেগে গেলো ওকে। ইকো উঠে বল্লো কে তুমি? -অামি ফায়াজ। এর পর ইকোর বাবা নার্সিসাস বল্লো সব কিছু। ঈকো ফায়াজের হাত ধরে বল্লো ধন্যবাদ নিষ্পাপ মানব পুএ। এদিকে রাজ্যের ছোট রাজকন্যা জেগে উঠেছে শুনে পুরো রাজ্যজুড়ে অানন্দের বন্যা বইছে। চারপাশে পরীরা নাচ গানে মেতে উঠেছে। ঈলিনা অামাকে ইশারা করলো তার সাথে বাহিরে অাসার জন্য। অামি অার ঈলিনা রাজা নার্সিসাসকে বলে ইকোর রুম থেকে বাহিরে চলে অাসি। ঈলিনা অামাকে ওর রুম এ নিয়ে গেলো অনেক বড় একটা রুম, দরজার সামনে দুটো পরী দাড়িয়ে অাছে ঈলিনা তাদের কে ইশারা করলো চলে যেতে রুম এর সব কিছুই সাদা রং এর। অামার হাত ধরে ঈলিনা ওর রাজকীয় খাটে বসালো এর পর একটা ধাক্কা দিয়ে খাটের উপর ফেলে দিয়ে অামার উপরে শুয়ে অামাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরলো। অামার বুকে মাথা রেখে বল্লো কেমন লাগছে এখানে? -অনেক ভালো লাগছে। অামার কপালের কাটা অংশটাতে হাত বুলিয়ে দিলো সাথে সাথে অামার কাটা অংশটা ভালো হয়ে গেলো। ঈলিনার ইশারায় একটা সুন্দর প্লেটে অনেক গুলো ফল চলে অাসলো নিজ হাতে অামাকে ফল গুলো খাইয়ে দিচ্ছে। অাচ্ছা ঈলিনা বিয়ের পর অামাদের বাবু গুলো কি পরী হবে নাকি মানুষ হবে? অামাকে খাইয়ে দিচ্ছে অার বলছে ওরা তোমার মতো একজন ভালো মানুষ হবে। অাচ্ছা ইলিনা অামাদের বাবু গুলো কি পৃথিবীতে হবে নাকি এখানে। ঈলিনা একটা মিস্টি হাঁসি দিয়ে বল্লো তোমার যেখানে ইচ্ছে। জানো ঈলিনা অামি কখনো কল্পনা ও করি নাই কাউকে ভালোবাসবো তাকে নিয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখবো। -অামি জানি সব। অাম্মু সব সময় বলতো তোমার বউটা পরীর মতো হবে। ঈলিনা বল্লো হয়েছে অার বলতে হবে না অামি সব জানি এখন লক্ষি ছেলের মতো তুমি একটু ঘুমাও অনেক ধকল গেছে তোমার উপর দিয়ে। চোঁখ বন্ধ করো অামি তেমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছি। ঈলিনা অামার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। একটু পর অামার ঘুম চলে অাসলো। ইকো তার রুম এর বারান্দায় দাড়িয়ে ফায়াজের কথা ভাবছে, বার বার ফায়াজের মুখটা তার চোখের সামনে ভেষে উঠছে। ইকো ফায়াজের সাথে কথা বলার জন্য ছটফট করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর ইকো এক দাসীকে ডেকে বল্লো মানব পুএ ফায়াজ এখন কোথায়? দাসী বল্লো ওনি তো রাজকন্যা ঈলিনার সাথে একটু অাগে রাজ্য দেখতে গিয়েছে। -ও অাচ্ছা। ওরা ফিরে অাসলে অামাকে খবর দিও। জি অাচ্ছা ছোট রাজকন্যা। এদিকে ঈলিনা অার ফায়াজ শুভ্র সাদা রং এর পাহাড়ের উপর পাশাপাশি বসে অাছে। এই পাহাড়টা অামার অনেক পছন্দের যখন অামার মন খারাপ হয় অামি এখানে চলে অাসি তোমার মতো অামার ও নির্জনতা ভালো লাগে। অাচ্ছা ঈলিনা কালো পরীদের রাজ্যকোথায়? ঐ পাহাড় টার পিছনে একটা সমুদ্র অাছে তার পর তাদের রাজত্ব। অাচ্ছা ওরা কি তোমাদের ক্ষতি করে না। কালো পরীরা অামাদের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না। জিনদের বাদশা জিওলাস তার মায়া শক্তি দিয়ে চারটা রাজ্যকে কাঁচের দেয়াল দিয়ে ঘিরে রেখেছেন কালো পরীদের সেই দেয়াল ভাঙ্গার শক্তি নেই। তুমি হঠাৎ কালো পরীদের কথা কেনো জিজ্ঞেস করলে? অামি সেই মানুষ গুলোকে মুক্ত করতে চাই যাদের পৃথিবী থেকে কালো পরীরা উঠিয়ে এনেছে। =এমন চিন্তা মাথায় এনো না। বাবা অনেক বছর অাগে পৃথিবীর মানুষ গুলোকে মুক্ত করার জন্য কালো পরীর রাজ্যে দুজন জ্বিনকে পাঠায় কিন্তু তারা অারর কখনো ফিরে অাসে নি। হয়তো কালো পরী তাদেরকে বন্ধী করে রেখেছে। অামি তোমাকে কখনো মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না অামি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। ঈলিনা অামাকে জরিয়ে ধরে কাঁদছে। অামি ঈলিনার চোঁখ মুছে ওর দিকে তাকিয়ে বল্লাম অামার জন্য তোমার এতোটা কষ্ট হচ্ছে তাহলে ভেবে দেখো কালো পরী যাদের বন্ধি করে রেখেছে তাদের প্রিয় মানুষ গুলো কতটা কষ্ট পাচ্ছে। অামাদের উচিৎ তাদের কে মুক্ত করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে দেয়ার। =কিন্তু তোমার কোন ক্ষতি হলে অামি তোমার পরীবারকে কি জবাব দিবো। একটা ভেবে দেখেছো তেমার কিছু হলো অামি কি নিয়ে বাঁচবো? অারে পাগলী অামার কিছুই হবে না অামার উপর ভরষা রাখো। =অাচ্ছা অামি বাবার সাথে কথা বলে দেখি। এখন এই প্রসঙ্গ বাদ দাও। তো পরীস্থানের বড়ো রাজকন্যা অাপনি কি প্রসঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছেন শুনি। =কোন প্রসঙ্গ না তুমি অামাকে একটা গান শুনাও। . চলবে............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now