বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঘুরে আসুন কীর্তনখোলার তীর থেকে

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Real hero (০ পয়েন্ট)

X ঘুরে আসুন কীর্তনখোলার তীর থেকে এই গরমে একটু প্রশান্তির জন্য নদীর পাড় থেকে তো ঘুরে আসাই যায়। ব্জহালকাঠী যাওয়ার কোন পরিকল্পনা রয়েছে আপনার? তাহলে একটু সময় করে কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে কিন্তু ঘুরে আসতেই পারেন। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা কিংবা শরত, সব ঋতুতেই এখন বিনোদন প্রেমিদের কাছে টানে কীর্তনখোলা নদীর তীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দিনের আলোতে প্রাকৃতিক দৃশ্যের নৈসর্গিকতার পাশাপাশি কুলু কুলু ধ্বনিতে বয়ে চলা কীর্তনখোলা নদীর পানির গতির সাথে মাঝির বৈঠার ছলাত ছলাত শব্দ যেকোনো বিনোদনপ্রিয় মানুষকে মুগ্ধ করে তুলবে। সকাল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে খানিক রাত অবধি নদীর কূলে মানুষের আনাগোনা থাকে। আর তারুণ্যের ঢেউ খেলা করে কীর্তনখোলা নদীর দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে। জলরাশির পাশে আনন্দের ঢেউ আর শান্তির সুবাতাস ভরা কীর্তনখোলার নৈসর্গিক রূপে মানুষের টান থাকে সর্বক্ষণ। সারাদিন হৈ চৈ, আনন্দে মাতামাতি, দর্শনার্থীদের বাড়তি বিনোদন হিসেবে আছে নৌকা-ট্রলার ও সি-বোট। নদীর মাঝামাঝি কিংবা এপার-ওপার সংক্ষিপ্ত ভ্রমণের জন্য নৌকায় উঠে থাকেন দর্শনার্থীরা। একটু দূরবর্তী দপদপিয়া সেতু, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বেলতলা ফেরিঘাটের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য ট্রলারে (ইঞ্জিন চালিত নৌকা) ভ্রমণ করতে পারেন ইচ্ছে হলে। দিনের আলো শেষে এখানে সন্ধ্যার পরে নদী আর চাঁদের জ্যোস্নার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন শত শত উৎসুক মানুষ। কেউ কেউ চাঁদের মায়াবী আলোতে গভীর রাত পর্যন্ত উপভোগ করেন নয়নাভিরাম এ সৌন্দর্য। চাইলে আপনিও যোগ দিতে পারেন এই আনন্দে!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now