বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘর
চট্টগ্রামকে বলা হয় চারশ’ বছরের পুরনো শহর। চার শতকের এ শহর যেমন ইতিহাসে সমৃদ্ধ তেমন ঐতিহ্যে ভরপুর। শত শত বছর ধরে এখানে শাসন করেছে মোগল, ব্রিটিশ থেকে শুরু করে আধুনিক গণতন্ত্রের প্রতিনিধিরা। এ দীর্ঘ সময় পাড়ি দিতে গিয়ে চট্টগ্রাম পরিপূর্ণ হয়েছে ঐতিহ্যের নানা রসদে। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের মতো বাংলাদেশ রেলওয়ের ইতিহাসও বহুদিনের, সেই ব্রিটিশ আমল থেকে। ১৮৬২ সাল হতে শুরু করা বাংলাদেশ রেলওয়ে আজ পেরিয়ে এসেছে দেড়শ’ বছর। এর মধ্যে হয়েছে অনেক পরিবর্তন, রেল প্রত্যক্ষ করেছে অনেক পালাবদল। রেলওয়ে জাদুঘরসময়ের এই বিশাল পরিক্রমাকে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে ২০০৩ সালে পাহাড়তলী ওয়ার্ডের রেলওয়ে কেরিজ এন্ড ওয়াগন কারখানার অপরপাশে নয়নাভিরাম সবুজ প্রকৃতির মাঝে প্রায় ১২ একর জায়গার উপরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ রেলওয়ে জাদুঘর। সিআরবি ভবনের পাশের উঁচু পাহাড়ি রাস্তা ধরে কিছুদূর এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে বহুল পরিচিত সেই কাঠের বাংলো। জাদুঘরের মূল গ্যালারিতে ঢুকতেই ফটকের ওপর ড্রাগন খোঁদিত কাঠের গেটে ইংরেজি হরফে লেখা আছে বাংলোর নির্মাণকাল। ধারণা করা হয়, এখানে রেলওয়ে ভবনগুলোর মধ্যে এটাই সবচেয়ে পুরনো। এই দ্বিতল ভবনটির চতুর্পার্শ্বের পরিবেশও অত্যন্ত আকর্ষণীয়। উঁচু টিলার উপর অবস্থিত এই কাঠের বাংলোটি তার মাঝে ধারণ করে আছে রেলের এই ১৫০ বছরের ইতিহাস। সমগ্র বাংলোটি প্রায় ৪২০০ বর্গফুট এবং কাঠের তৈরি দোতালা। প্রবেশের জন্য নিচ থেকে উঠে এসেছে একটি পাকা সিঁড়ি যার উপরে একপাশে খুব দুর্বল হাতের কাজের একটি বাঘের ভাস্কর্য। এই টিলার পাশে শাহজাহান মাঠের এক কোণায় অবস্থিত ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর স্মৃতি বিজড়িত ইউরোপিয়ান ক্লাব। শুক্রবারসহ সপ্তাহের প্রতিদিন ৩টা হতে ৬ টা পর্যন্ত এই জাদুঘরটি খোলা থাকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now