বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভাত ভিটা
মাগুরা সদর উপজেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত বেয়ে ফটকি নদী। এই নদীর উত্তর তীরবর্তী গ্রাম টিলা। নামের সাথে গ্রামের ভূ-প্রকৃতির মিল খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে পূণ্যস্থান হিসেবে আদৃত ভাতের ভিটা মাগুরা জেলা শহর হতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণের এই টিলা গ্রামে অবস্থিত। ভাতের ভিটা স্থানটি দেখতে টিলার মত। কিংবদন্তি এই যে-কোন এক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী দরবেশ রাতের বেলা এই পথে ভ্রমণের সময় এখানে এসে মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। নির্মাণ কাজে নিয়োজিতদের জন্য ভাত রাধা যখন শেষ নির্মাণ কাজ তখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যে ভোরের পাখ-পাখালীর কূঞ্জনে মুখরিত হয়ে ওঠে রাতের নিস্তব্ধতা। নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত রেখে দরবেশ চলে যান। ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারিতে এলাকায় দিয়ে যাওয়ার সময় বুঝতে পারেন রাত তখনো শেষ হয়নি। তখন সেখানে নতুন করে একটি মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন এবং সেখানেই নামাজ আদায় করেন। এদিকে রাত শেষে লোকজন দেখতে পায় এখানে গ্রামের মধ্যে অসমাপ্ত মসজিদ, রান্না করা ভাত আর ভাতের ফ্যান গড়িয়ে পাশে পুকুরের মত তৈরি হয়েছে। সেই থেকে উঁচু টিলার নাম হয় ভাতের ভিটা। মাগুরার ভাত ভিটাটি খনন করে এখানে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের স্থাপত্যশৈলীর অনুরূপ অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রায়তঃ বহুকক্ষ বিশিষ্ট ইমারতের অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যায়। সরকারিভাবে এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হলেও বেশিদূর এগোয়নি। ভাত ভিটাটির সামনে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েই তারা কৃতকর্মটি সেরেছেন মাত্র। বর্তমানে স্থানীয় গ্রামবাসী সেখানে একটি মসজিদ তৈরি করেছেন। যেখানে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা হয়েছে। মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের টিলা গ্রামটিতে অবস্থিত ভাত ভিটায় পৌছনো খুবই সহজ। মাগুরা শহর থেকে যশোর রোড ধরে যেতে হয়। যাত্রিবাহি যেকোন পরিবহনেও যাওয়া সম্ভব। তাছাড়া অটোপেম্পুযোগেও সেখানে পৌঁছনে যেতে পারে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now