বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর গল্প---part---14

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan.Part-14 . ফুলটার রং সাদা। ফুলটা থেকে অালো ছড়িয়ে চারপাশ অালোকিত থাকবে। যখন তুমি ফুলটা ছিরবে সাথে সাথে গাছটা অদৃশ্য হয়ে যাবে। কিন্তু শুভ অাত্মা তোমার শরীরে থাকা অবস্থায় তুমি ফুলটা ছিরলে ফুলটা অদৃশ্য হয়ে যাবে। অাগে তোমাদের এই বাড়িটাকে অভিশাপ মুক্ত করতে হবে। তার পর শুভ অাত্মা তোমার শরীর থেকে বের হয়ে যাবে অার তোমার অাত্মা তোমার শরীরে প্রবেশ করবে। এর পর তুমি ফুলটাকে ছিরবে। ঈলিনা অামার কাছে এসে অামার কপালে একটা চুমু খেলো।অামার হাতে একটা ছোট্ট পবিত্র পানির বোতল দিয়ে বল্লো এই পানি খারাপ অাত্মা গুলোর উপর ছিটিয়ে দিলে ওরা ধংস হয়ে যাবে তারপর শুভ অাত্মাকে বল্লো যাও তুমি ওর শরীরে প্রবেশ করো, শুভ অাত্মা অামার শরীরে প্রবেশ করলো অামার অাত্মা ও বের হয়ে গেলো। অামি বাড়িটার ভিতরে প্রবেশ করলাম। এদিকে তৃশা ও তান্ত্রিকের আস্তানায় পৌছে গেছে চুল নিয়ে। তান্ত্রিক ঈলিনার চুলটাকে একটা বৃও্যের ভেতরে রেখে মন্ত্র পড়া শুরু করলো। অভিশপ্ত বাড়িটার সামনে ঈলিনা ফায়াজের অাত্মা অার অাবির দাড়িয়ে অাছে। হঠাৎ ঈলিনা অাবিরকে বলছে কেউ অামাকে কালো জাদু করছে অামার খুব কস্ট হচ্ছে অামার মায়া শক্তি কাজ করছে না। ফায়াজ অার শুভ অাত্মা বাহিরে অাসার অাগ পর্যন্ত তুমি ভিতরে যেও না, ফায়াজ অাসলে এই অাংটি টা ফায়াজকে দিও অার বইলো অামি বলছি এটাতে একটা তে চুমো দিতে। হটাৎ ঈলিনা অদৃশ্য হয়ে গেলো। বাড়ির প্রধান দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকার পর দেখি একটা বড় ড্রয়িংরুম ভিতরের দরজা গুলো খসে পড়েছে। চারপাশে হালকা বাতাস বইছে অামি ড্রয়িং রুম দিয়ে ভিতরে ঢুকতে যাবো হঠাৎ কেউ একজন অামাকে ডাক দিলো ফায়াজ? অামি কেয়ার না করে ড্রয়িংরুম পেরিয়ে বাড়ির ভিতরে গিয়ে দেখি একটা পুরনো ভাঙ্গা সুইমিং পুল। অামি পুলটা ঘেসে হাটছি এমন সময় একটা মেয়েলী অট্ট হাঁসির শব্দ সুনতে পেলাম। অাবির অামাকে ডাকছে, অামার অাম্মু অামাকে বলতেছে তুমি ঐ দিকে কই যাও এই খানে অাসো অাম্মু ঈলিশ মাছ রান্না করেছি অামি সেই দিকে কেয়ার না করে সামনের দিকে হাটছিলাম হঠাৎ বাড়িটার মধ্যে বিকট শব্দ হতে শুরু করলো বাসার জিনিসপএ গুলো একপাশ থেকে অন্য পাশে ছুড়তে শুরু করলো, ঝড়ের মতো বাতাস বইতে শুরু হলো চারপাশে জানালা দিয়ে দেখছি বাহিরের বড় বড় গাছগুলো নড়তেছে দুটো অাত্মা অামার সামনে এসে দাড়ালো ওরা দেখতে খুবই বাজে ধরনের ছিলো চুল গুলো এলোমেলো মুখ থেকে রক্তের লালা ধরছে, শরীরের অনেক অংশে পচন ধরা মনে হচ্ছে কিছু একটা কামড়ে কামড়ে খেয়েছিলো ওদের শরীরটাকে। একটা আত্মা এসে অামার গলা টিপে ধরলো অামার খুব কস্ট হচ্ছিল হঠাৎ অামার ভিতরে কেমন যেনো অদ্ভুত শক্তি কাজ করতে শুরু করলো অামি খারাপ আত্মাটার হাতটা অামার গলা থেকে ছাড়িয়ে ওর চুলের মুস্টি ধরে উপরের দিকে উঠিয়ে সজোরে একটা অাছাড় মারলাম, এর পর ওর উপর পবিএ পানি ছিটিয়ে দিলাম সাথে সাথে অাত্মাটা তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে ধংস হয়ে গেলো অন্য অাত্মাটা অদৃশ্য হয়ে গেলো। এদিকে অাবির বাড়িটার ভিতর থেকে অদ্ভুত অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেলো, অামার চিৎকার শুনে অাবির ভিতরে ডুকতে যাবে এমন সময় ঈলিনার দেয়া অাংটি টা দেখে মনে পড়লো ভিতরে যাওয়া যাবে না এতে ফায়াজেরই ক্ষতি হবে। অামি এখন বাড়িটার পিছনের বাগানে দাড়িয়ে অাছি বাগানের গাছগুলো দুলতেছে ঝড়ের সময় গাছেরা যেমন দুলতে থাকে ঠিক তেমনি হঠাৎ পিছন থেকে কিছু একটা অামাকে হ্যাচকা টান দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলো ইটের সাথে লেগে অামার কপালের একটা অংশ কেটে গেছে হাত দিয়ে দেখি রক্ত বের কিন্তু কোন কিছুই দেখতে পেলাম না। হঠাৎ চোখ পড়লো একটা ফুলের উপর অামি ফুলটার দিকে এগুচ্ছি এমন সময় একটা আত্মা সামনে থেকে অামাকে স্বজোরে ধাক্কা মারলো। অামি ছিটকে গিয়ে পড়লাম বাড়ির পেছনের দেয়ালের উপরে। অামি উঠে অাসার অাগেই অাত্মাটা অামার কাছে উড়ে অাসলো অামাকে শূন্যের উপর উপর উঠিয়ে একটা অাছাড় মারলো কিন্তু অামি মাটিতে না পড়ে শূন্যের উপর দাড়িয়ে গেলাম। আত্মাটা অামার দিকে কটু দৃষ্টি তাকিয়ে অাছে। অামি পবিএ পানিটা বের করলাম পবিএ পানিটা দেখে অাত্মাটা অদৃশ্য হয়ে গেলো। অামি ফুলটার দিকে অাগাতে থাকলাম এমন সময় অামার চারপাশে অনেক গুলো অাত্মা তেড়ে অাসলো অামি কোন উপায় খুজে পাচ্ছিলাম না হঠাৎ অামার হাতটা উপরে উঠতে শুরু করলো ঈলিনার দেয়া পবিএ পানিটা অামি অামার শরীরে ঢেলে দিলাম কিন্তু এই কাজটা অামি করছি না অামাকে দিয়ে করানো হচ্ছে এদিকে সব গুলো অাত্মা এসে একসাথে অামাকে স্পর্শ করলো অার সব গুলো ধংস হয়ে গেলো। এখন অার ঝড় নেই বাতাস ও থেমে গেছে গাছ গুলো নড়ছে না কোন শব্দ ও নেই। চারপাশটা শান্ত নিরব। অামার শরীর থেকে অাত্মাটা বের হলো সাথে সাথে অামার অাত্মা এসে অামার শরীরে প্রবেশ করলো। অামি ফুলটাকে স্পর্শ করার সাথে সাথে নিজের মধ্যে অন্যরকম পরিবর্তন অনুভব করলাম। ফুলটা ছেড়ার সাথে সাথে গাছটা অদৃশ্য হয়ে গেলে। ফুলটাকে পেন্টের পকেটে রেখে অামি অার শুভ অাত্মা বাড়ি থেকে বের হয়ে অাসলাম। . চলবে.................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now