বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরীর গল্প---part---13

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X Writing by #md sumon al hasan.Part-13 . অাজ খুব ভোরে অামার ঘুম ভাঙ্গে। অাবির এখনো ঘুমাচ্ছে চাঁদ থেকে যে কখন পৃথিবীতে এ অাসছি কিছুই জানি না। হাতের মুস্টির মধ্যে একটা চুল। অারে এটাতো ঈলিনার চুল অামি ভুলেই গেছিলাম। জিনিয়াস গার্ল ফ্রেন্ড অামার সব কিছুই মনে রাখে। চুলটাতে একটা চুমু দিয়ে মানি ব্যাগ এর ভিতরে রেখে দিলাম। ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি অাবিরের ঘুম ভাঙ্গছে। অামাকে দেখে বল্লো সারা রাত -কই ছিলি? চাঁদে গিয়েছিলাম। তুই কি করছিস? -অামাদের তো পরী গার্ল ফ্রেন্ড নাই যে সাথে নিয়ে ঘুরবে। তোর কি মন খারাপ? -কিছুটা।একটা প্রবলেমে পড়ছি। কি প্রবলেম বল? -মিম এর অাব্বার শরীর ভালো না তাই ওর জন্য ছেলে দেখতেছে। ধূর বেটা এইটা কোন সমস্যা হইলো অামি অার ঈলিনা অাছি তো চিন্তা করিস না সব ঠিক হয়ে যাবে। এখন যা ফ্রেশ হয়ে অায় অামার খুব খুদা লাগছে নাশতা করবো। এদিকে তৃশা গিয়েছে তান্ত্রিকের অাস্তানায়। তান্ত্রিক তৃশাকে বল্লো চুল এনেছো মা? -না, কাল রাতে সারা বাড়ি খুজে ও অামি ফায়াজকে পাই নি। তাই চুল অানতে পারি নাই। অাপনার চুল নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই। তান্ত্রিক বল্লো অাজ রাতে যদি তুমি চুল অানতে না পারো তাহলে অাজ ফায়াজকে বলি দিয়ে দিবে। না না এমন কথা বলবেন নাহ, অামার ফায়াজের কিছুই হবে না। অামি চুল নিয়ে অাসবো। তৃশা অাবিরদের বাসায় এসে দেখে বাসায় কেউই নাই। সবাই তমার শশুর বাড়িতে গিয়েছে। তমার শশুর বাড়িটি অাবিরদের গ্রাম থেকে অনেক দূরে। অাবির অার ফায়াজ হেটে হেটে গ্রামটা দেখছে। অাবির অামাদের তো এখান থেকে ফিরতে অনেক রাত হয়ে যাবে। অামরা দুপূরের খাবার খেয়ে বাসায় দিকে রওনা দিবো, বাসায় পৌছাতে পৌছাতে সন্ধা হয়ে যাবে তার পর কাজটা শেষ করবো। -ওকে। তুই ঈলিনার কাছে থাকবি অামি অার শুভ অাত্মা বাড়ির ভিতরে যাবে। ঈলিনা যে ভাবে বলেছে সব কিছু ওরে ঐ ভাবে বুঝিয়ে দিলাম। দুপূরে খাবার খেয়ে অামরা বাসার দিকে রওনা দিলাম। সন্ধার একটু অাগে বাসায় পৌছালাম অামরা। তৃশা বাসার সামনের দোলনাটাতে বসে অাছে। অাবির বল্লো কিরে তুই যাসনি কেনো অার সকালে কোথায় ছিলি? -সকালে একটা কাজে গিয়েছিলাম, অার অামার শরীর টা ভালো না তাই যাই নাই। -ও অাচ্ছা। তোরা দুজন অাসলি বাসার অন্যরা কোথায়। -অাসতেছে অামাদের একটা কাজ অাছে তাই চলে অাসছি। ও অাচ্ছা।ফায়াজ কেমন লাগলো তমার শশুর বাড়ির এলাকা? =হে ভালো লেগেছে। অাবির বল্লো তোরা কথা বল অামি অাসছি। অাবির চলে যাবার পর তৃশা বল্লো তোমাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে কি হয়েছে তোমার। =কিছু না। অামি ঠিক অাছি। অাচ্ছা তোমাকে কাল একটা কথা বলেছিলাম মনে অাছে? হে অাছে। এর পর অামি মানি ব্যাগ থেকে ঈলিনার চুলটা বের করে ওর হাতে দিয়ে বল্লাম এই দেখে ওর চুল কতো বড় অার সুন্দর। ও চুলটা দেখছে ঠিক তখনি অাবিরের চীৎকার শুনলাম বাসার ভিতর থেকে। অামি দৌড়ে গিয়ে দেখি অাবির খাটের উপর বসে ফোনে কথা বলছে অামাকে দেখে সাথে সাথে ফোন কেটে দিয়ে বলে কি রে কি হয়েছে। অামি বল্লাম চিৎকার দিলি কেনো? -কিসের চিৎকার? অার তুই এভাবে দৌড়াই অাসলি কেনো? অামি বাহির থেকে তোর চিৎকার শুনতে পেরেছিলাম। -অামি কোন চিৎকার করি নাই। অামি তো মিম এর সাথে কথা বলছিলাম। ফায়াজ অামার কোন কিছু ঠিক লাগতেছে না। অামি ওরে বল্লাম অাল্লাহর উপর ভরসা রাখ। কিছুক্ষণ পর অামি অার অাবির ছাদে উঠলাম অাকাশে তাকিয়ে দেখলাম অনেক সুন্দর বড়ো একটা চাঁদ উঠেছে। অামি ঈলিনাকে স্মরণ করলাম। ঈলিনার সেই মিস্টি গন্ধটা অামাদের অাচ্ছন্ন করলো ঈলিনা অামাদের সামনে দৃশ্যমান হলো। ঈলিনা এসে বল্লো চলো অভিশপ্ত বাড়িটায়। অাজ ওকে অনেক চিন্তিতো মনে হচ্ছে। অামরা অভিশপ্ত বাড়িটার সামনে এসে দাড়ালাম। তৃশা শুভ অাত্মাকে ডাক দিলে, সাথে সাথে অাত্মা অামাদের সামনে চলে অাসলো। ঈলিনা অামাকে বল্লো তোমরা কেউই এখন অালাদা এই বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। ফায়াজ যখন শুভ অাত্মা তোমার শরীরে প্রবেশ করবে তখন তোমার অাত্মা বের হয়ে যাবে কারন একটা মানুষের শরীরে শুধু একটা অাত্মাকেই প্রবেশ করানো যায়। তোমার অাত্মা বাসার বাহিরে থাকবে। ভিতরে যাওয়ার পর খারাপ অাত্মা গুলো হয়তো তোমাকে অনেক কিছু দেখাবে তুমি ভ্রুক্ষেপ করবা না। এমনকি অামিও যদি তোমাকে ডাকও দেই তবুও তুমি পিছনে ফিরে তাকাবা না। অাচ্ছা ফুলটা অামি চিনবো কি ভাবে? . চলবে............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now