বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md sumon al hasan.Part-12
.
অনেকক্ষণ ছাদে দাড়িয়ে
অাছি। অাবির অনেক
জিদ্দি ছেলে, একবার
যেহেতু বলে দিয়েছে যাবে
তাহলে যাবেই। অাজ প্রথম
বার চোঁখ বন্ধ করে
ঈলিনাকে ডাকলাম চোঁখ
খুলার সাথে সাথে
ঈলিনাকে দেখে মনটা
খুশিতে ভরে উঠলো। একটা
মুচকি হাঁসি দিয়ে বল্লো
অাজ এভাবে ডাকলে
কেনো?
-কোথায় ছিলে সারাদিন?
পরীস্থানে।
- একটা সমস্যা অাবির ও
নাকি অামাদের সাথে সেই
বাড়িতে যাবে।
তো কি হয়েছে তোমার বন্ধু
তোমার সাথে যাবে।
কিন্তু ও তো বাড়ির ভিতরে
প্রবেশ করতে পারবে না।
তুমি অার শুভ আত্মা বাড়ির
ভিতরে ঢুকবে, অামি অার
অাবির বাহিরে দাড়িয়ে
থাকবো।
-অাচ্ছা ঠিক অাছে।
অামি ঈলিনার চুলে হাত
দিয়ে বল্লাম তোমার চুল
গুলো অনেক সুন্দর অামাকে
তোমার একটা চুল দিবা?
ও একটা মিস্টি হাঁসি দিয়ে
বল্লো শুধু একটা চুল ই নিবা
অার কিছু কি চাওয়ার নাই।
অার কি চাইবো তুমি তো
অামারই বলে ঈলিনার একটা
হাত ধরে অামার কাছে
টেনে নিলাম ও অামার বুকে
মাথা রেখে অামাকে শক্ত
করে জরিয়ে ধরলো। এর
অাগে কখনে কোন মেয়েকে
অামি জরিয়ে ধরিনি।
অদ্ভুত মিস্টি একটা গন্ধ
চারপাশটাকে অাচ্ছন্ন
করলো। অামি চোখ বন্ধ
করলাম মনে হচ্ছে অামি
মেঘের ভেলায় ভাষছি,
হালকা শীতল মেঘগুলো
অামাকে স্পর্শ করছে। চোঁখ
খুলে দেখি সত্যি অামি
মেঘের মাঝে। সাদা
গোলাকার একটা বৃত্য।
ধিরে ধিরে অামরা সেই
বৃত্যের কাছেই যাচ্ছি।
ঈলিনা এখনো অামাকে
জরিয়ে ধরে অাছে। একটু পর
অামরা সেই বৃত্যের
মাঝখানে এসে দাড়ালাম।
ইলিনা অামার বুক থেকে
মাথাটা উঠিয়ে অামার
চোঁখের দিকে তাকিয়ে
একটা মুচকি হাঁসি দিয়ে
বল্লো অামরা এখন কোথায়
জানো?
অামি বল্লাম না। কোথায়
অাছি অামরা?
অামরা এখন চাঁদের
মাঝখানে অাছি। অামি
অবাক হয়ে গেলাম
চারপাশে ছরিয়ে ছিটিয়ে
অাছে ছোট বড়ো অনেক
পাথর। চাঁদের মাটি গুলো
পৃথিবীর মাটির মতে না
হালকা কালচে ধরনের।
অাচ্ছা ছোট বেলায় অাম্মু
বলতো চাঁদে নাকি একটা
বুড়ি অাছে সে নাকি
পৃথিবী থেকে ছোট ছোট
বাচ্চাদের উঠিয়ে নিয়ে
অাসতো। ঈলিনা একটা
হাঁসি দিয়ে বল্লো তুমি
ছোট বেলায় অনেক দুস্ট
ছিলে তুমি যাতে দুস্টামি
না করো তাই তোমার মা এই
কথাটা বলে তোমাকে ভয়
দেখাতো।
ও অাচ্ছা।
ঈলিনা একটা শুভ্র সাদা
মেঘের উপর বসে অাছে।
অামি চারপাশটা দেখছি।
ঈলিনা অামাকে ওর কাছে
ডাক দিলো অামি গিয়ে ওর
কোলে মাথা রেখে মেঘের
উপর শুয়ে পরলাম। ঈলিনা
অামাকে বল্লো এখানে
কেমন লাগছে তোমার?
অামি একটা মুচকি হাঁসি
দিয়ে বল্লাম অনেক ভালো
ইনফেক্ট নির্জনতা অামি
অনেক পছন্দ করি।
ঈলিনা অামার চুলে হাত
বুলিয়ে দিচ্ছে।
অাচ্ছা ইলিনা অামি
শুনেছি অশরীরীরা নাকি
দিনের বেলায় দৃশ্যমান হতে
পারে না কিন্তু তোমরা কি
ভাবে পারো?
অামরাতো অশরীরী নাহ।
অামাদের ও শরীর অাছে,
তোমাদের মতো অামাদের
ধর্ম, বর্ণ, গৌত্র, অাছে।
মানুষ অার জ্বীন জাতিদের
মধ্যে মধ্যে সবচেয়ে বড়
পার্থক্য হলো তোমাদের
তৈরি করা হয়েছে মাটি
দিয়ে অার অামাদের
অাগুন। অামরা পৃথিবীতে
না অাসলে পৃথিবীর কোন
ফুলই ফুটতো না। তোমাদের
জীবনটা হলো ক্ষণস্থায়ী
কিন্তু অামরা চিরস্থায়ী।
কেয়ামত হবার অাগ পর্যন্ত
অামরা থাকবো। শেষ
বিচারের দিন বিধাতা
অামাদের ও পাপ পূণ্যের
হিসাব করবেন।
অার অশরীরা হলো অতৃপ্ত
মানব অাত্মা যাদের
বাঁচার ইচ্ছে ছিলো কিন্তু
নির্মম নিয়তির কাছে
হেরে গেছে তারাই
পরবর্তীতে অাত্মা হয়ে
পৃথিবীতে ফিরে অাসে।
তাদের কোন অস্তিত্ব নেই।
হুম বুঝছি।
অাচ্ছা অনেকের মুখে
শুনেছি পরীরা নাকি
পৃথিবী থেকে মানুষদের
পরীরাজ্যে নিয়ে যায়, এর
পর তারা অার কখনোই
ফিরে অাসেনা পরে
তাদের কি হয়?
-মানুষের মাঝে যেমন
ভালো খারাপ অাছে
অামাদের মাঝে ও ভালো
খারাপ অাছে।কালো
পরীরা হচ্ছে খারাপ
প্রকৃতির। পৃথিবী থেকে
নিয়ে যাওয়া মানুষ গুলোকে
তাদের মায়া শক্তি দিয়ে
বন্ধি করে রাখে।
অাচ্ছা ঈলিনা সেই মানুষ
গুলোকে মুক্ত করার কি কোন
উপায় নেই?
-হে অাছে ওদের রাজ্যে
অনেক কালো পানির ঝর্ণা
অাছে সেই ঝর্ণা গুলোর
মাঝে ধূসর রং এর একটি
ঝর্ণার ভিতরে একটি টিয়া
পাখি অাছে ঐ পাখির
ভিতরে কালো পরীর
মায়াবী শক্তি লুকানো
অাছে, যদি পাখিটাকে
মেরে ফেলা যায় তবেই
অামি অামার মায়াবী
শক্তি দিয়ে মানুষ গুলোকে
মুক্ত করতে পারবো। কিন্তু
কোন সাদা পরী সেই ধূসর
ঝর্নাকে চিনতে পারবে না
শুধু মাএ মানব সন্তান এ কাজ
করতে পারবে।
হুম বুঝলাম।অাচ্ছা ঈলিনা
তোমরা নাকি নাঁচ গান
করতে অনেক পছন্দ করো?
-হুম।
অামাকে একটা গান শুনাও?
ঈলিনা গান গাইতে শুরু
করলো অামি চোঁখ বন্ধ করে
ওর গানের মাঝে হারিয়ে
যেতে লাগলাম। একটা
পর্যায় অামার ঘুম চলে
অাসলো।
.
চলবে.............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now