বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
অ্যাডভেঞ্চার অব দ্য টুনাইট [১ম পর্ব]
Writer:HAMIDUL
X
ডিটেকটিভ আমার পেশা নয়।আমাকে শখের গোয়েন্দা বলা চলে।আমি মি.জন হ্যারীসন,জীবনে অনেক মামলা মিমাংসা করেছি।গত আট বছরে ৬০টি মামলা মিমাংসা করেছি।এর প্রতিটিই ছিল আশ্চার্য রকমের জটিল,অদ্ভুদ আর উদ্ভট রকমের।আর সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর মামলাটি হলো মি.উইলিয়ামের মার্ডার কেস।১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাস সবে পড়েছে।সাত সকালে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার পুরনো বন্ধুবর মি.রবিনসন।অবাক হলাম এত সকালে তাকে দেখে।ভেতরে আসতে বললাম--কী খবর রবিন এত বছর পর আমাকে স্মরণ--আমাকে বাঁচাও হ্যারী,ভয়ে আমার হাত পা কাঁপছে।তুমি ছাড়া আমাকে সৎপরামর্শ দেবার আর কেউ নেই--শান্ত হয়ে বসো,ভয় কী?বাড়ি থেকে বেড়িয়েছো দেখছি তাড়াহুড়ো করে,টেনশনে সবকিছু গুলিয়ে ফেলছ,আর আসার পূর্বে চিঠি লিখেছ।হতভম্ভ হয়ে এক মিনিট তাকিয়ে রইল রবিন।মৃদু হেসে বললাম তোমার দু পায়ে দু রকম জুতো,জামার নিচের বোতাম উপরের কোটায় লাগানো এতেই বোঝা যায় তাড়াহুড়ো ও টেনশনে এসব হয়েছে,আর তোমার জামার দস্তানায় ও হাতে কলমের টাটকা কালি দেখা যাচ্ছে--তোমার তদন্তের কথা আমি অনেক শুনেছি।বড় বিপদে পড়ে তোমার স্মরনাপন্ন হয়েছি--কেসটাই তো শোনা হলো না,কেসটা কী--মার্ডার কেস।আমার মামা মার্ডার হয়েছেনকাল--কীভাবে--কাল মামাকে.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now