বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্যাঁরানরমাল এক্টিভিটি:২
**কিছুক্ষন আগে আমি একটা খুন করেছি।তাজা রক্তে হলি খেলেছি।অদ্ভুদ এক মাদকতা।এ নেশা বড় কঠিন ছাড়া যায় না।
বিশেষ করে যখন পেশায় এটা হয়।গলগল করে রক্ত বয়ে চলে।মায়া জাগে না। আগে জাগতো।কিছুক্ষন মন খারাপও লাগতো।
এখন আর লাগে না। বাড়ি গিয়ে মন খারাপ করে থাকতাম। রাবেয়া মাথায় হাত বুলিয়ে দিত।
--- আমি তোমার সাথে আছি।
টাকার জন্যই তো এসব করা লাগে।একদিন রাবেয়া সুযোগ বুঝে পালিয়ে গেলো।আজমলের হাত ধরে।সে দিন থেকে আমি একা। বড্ড একা।
প্রতিটা ফোঁটায় আমি রাবেয়ার প্রতি প্রতিশোধ নেই। ভয়ংকর প্রতিশোধ!!
**একদিন একদিন করে দিন গুলো যাচ্ছিলো।আর রক্তের নেশাও ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠছিলো। এমন সময় খবরটা এলো।
ছুটে গেলাম খোলা ছুড়ি হাতে। গিয়ে দেখি
আলেক মুন্সি শুয়ে আছে। হাসেম ভাই আর আমি চেঁপে ধরলাম।দেরী না করে ছুড়িটা চালিয়ে দিলাম গলা বরাবর।রক্ত ফিনকি দিয়ে বেয়ে চলছে। চোখ উল্টেগেছে, পা দুটো দাপড়ে চলছে। পাশে হাসেম ভাই। তিনি হাসছেন।আজ বহুদিন পর কাজ জুটেছে তো তাই।একসময় পা দুটো থেমে গেলো।
শরীরটাও নিস্তেজ হয়ে আসলো।আর রক্তের ধারাও কমে আসতে লাগলো।
হাসেম ভাই তার বিকৃত হাসিটাকে আরো প্রসারিত করে বললেন
---কি মিয়া,জবাই দিয়াই খাঁড়াইয়া থাকবা?চামড়া ছিলবা না?
আমি মাথা নাড়ালাম।চামড়া তো আমাদেরই ছিলতে হবে।
**রওনক আমাকে মেরো না। আমি কথা দিচ্ছি এ বাচ্চার দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে না।তবু আমাকে মেরো না।
তার ভেতর একটা হিংস্র প্রানির আচারন ফুটে ওঠেছে।অনেক আকুতি মিনতি করলাম।কিন্তু রওনক আমার কোন কথাই শুনলো না। আমাকে গলা টিপে, বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেল্ল।
আমার জান বাহির হওয়ার পর দেখলাম
আমি তার পাশেই বসে আছি।তার মানে কি আমি তাকে সব সময় দেখতে পারব? স্পর্শ করতে পারব? কিন্তু আমি তো....
ভেবেছিলাম আমাকে শেষ করে সে অনেক আনন্দিত! কিন্তু না!! সে আরো অস্থির হয়ে গেলো। আমার লাশ নিয়ে।
এ লাশ কোথায় ফেলবে? কোথায় লুকাবে?
** আমি মেয়েটার গলা কেটে আলাদা করতে ব্যাস্ত ছিলাম। হঠাৎ পিছন থেকে একটা বৃদ্ধা মহিলা চিৎকর করে উঠলো। বলল
---- কে তুই??
**
----কে তুই?
ভয় পেলেও সেটা প্রকাশ না করে জানতে চাইলাম কবর থেকে উঠে আসা লাশটাকে।
**অন্ধকারে দাঁড়ানো অদ্ভুদ ছায়াটা কান্না করার সুরে বলতে লাগলো
---বিশ্বাস করো আমি মরতে চাইনি,
কিন্তু সবচেয়ে আপনজনই আমাকে মেরেছিলো।
** ---- বিশ্বাস করো, আমার মৃতা স্ত্রী আমাকে প্রতিদিনই ডাকে।
হসপিটালে ভর্তি হওয়া নতুন পাগলটা অনবরত এ একই কথা বলে যাচ্ছে।
**কাজের বুয়া রাহেলার ছেলেটাকে এক ধাক্কায় ফেলে দিলো পুষ্পিতা।
এখন মেঝেতে তেলের বোতল টা ঢেলে দিতে হবে।যাতে সবাই ভাবে পিছলে পড়েই ছেলেটা মারা গেছে।
কত বড় সাহস গরীবের বাচ্চার ওর ছেলের হাত থেকে জিনিস কেড়ে নেয়!!!
**রাহাত কে জানাতে হবে রিয়া রাস্তা পার হতে গিয়ে এক্সসিডেন্ট করে মারা গেছে।
কিন্তু কেউ জানবে না তাকে আমিই ধাক্কা দিয়ে গাড়ির নিচে ফেলে দিয়েছিলাম!!! আমাকে না বলার শাস্তি কত ভয়ংকর তা সে জানতো না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now