বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #বাটপার_420 !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #বাটপার_420 !!! Writer : Pantha Shahria !!! - কেলিয়ে কেলিয়ে একটা বিশ টাকার নোট নিয়ে যাচ্ছি.. এমন ভাঁবে নিয়ে যাচ্ছি যেনো জীবনে টাকা দেখি নাই...। এমন সময় রাফি বাজ পাখির মতো এসে, হাত থেকে টাকাটা ছোঁ মেরে নিয়ে নিলো...। - দেখ রাফি আমি ফ্লেক্সিলোড দিতে যাচ্ছি.. এখন ভালোই টাকাটা দিয়ে দে কইতেছি। - ওলে বাবা.. তোর মনে নাই তুই যে সেদিন আমার ফোনের ৪০ এমবি ফুরাইছিস তাঁর হিসেব...। টাকা দিমু না.. যা ভাগ এখান থেকে। - রাফিল্লার বাচ্চা হেব্বি খারাপ হয়ে যাবে কিন্তুু... এমনি তে আজকে ছ্যাঁকা খাইছি..। - তাই.. কী করতে গিয়ে ছ্যাঁকা খাইছিস শুনি। - ভাই তুই টাকা দিবি কী না তাই বল। - না দিমু না.. তুই যা করার তাই কর। - সত্যি তো...। - হুমমমমমমম যা। - এক মিনিট দাঁড়া....। - কেনো। - নে এবার বল.... মাত্র যেটা বললি। - ওহহহহহহ রেকর্ড করে নিবি... ঠিক আছে বলতেছি... তোর যা খুশি তুই তাই করতে পারিস। - থ্যাংকু বন্দু..... তুই থাক আমার অনেক কাজ আছে...। - আচ্ছা যা যা... এবার থেকে চিন্তা ভাবনা করে আমার সাথে লাগতে আসিস। - ঠিকআছে। এখন উদ্দেশ্য রাফিদের বাড়ি... আসলে এটা আমার একটা ফাঁদ ছিলো... আর সালা মদন বিশ টাকা নিয়ে নিজেকে মহান ভাঁবতেছে.. আর আমি তো এটাই চাচ্ছিলাম, তাই তো টাকা কেলাই কেলাই নিয়ে যাচ্ছিলাম। ওদের বাসার কলিং বেল চাঁপতেই..রাফির বাবা বের হয়ে আসলো। - কে বাবা তুমি...। - আংকেল আমি সাহরিয়া.. আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম ফ্লেক্সি দিতে.. আপনার ছেলে রাফি আর দুই জন মিলে.. আমার টাকা নিয়ে নিছে.. আমি কিছু বললে আমার এই দেখেন আমার পায়ে মারছে.. এমনিতেই লাগা ছিলো.. আমি কী করবো বলেন, বাসাই যদি বলি টাকা নাই আবার মাইর দিবে, আমি বলছিলাম আমি কিন্তুু আপনার বাবার কাছে নালিশ দিবো.. সে কী বলছে জানেন.. এই যে রেকর্ড শুনেন। - আজকে ও আসুক তাঁর পরে মজা দেখাচ্ছি.... আচ্ছা তোমার বাবার নাম কী। - বাবলু আংকেল। - কোন বাবলু...। - ঐ যে মাষ্টার বাবলু আংকেল। - না মানে.. আর একটা বাটপার বাবলু ও আছে তো তাই... শুনেছি ওর ছেলেটা ও নাকি খুব বাটপার..। - হুমমমমম আংকেল... কপাল ভালো যে ওনার ছেলে কে দেখেন নাই। - কী বললা.. না মানে আপনার কপাল ভালো যে তাঁর ছেলের সামনে আপনে পরেন নাই। আচ্ছা আংকেল আপনি বলেন আমি এখন কী করবো। - দাঁড়াও একটু...। - ওকে। - এই নাও ধরো... তিনশো টাকা.. একশো টাকার ঔষধ কিনে খেও। আর শয়তানটা আজ বাসাই আসুক কী হাল করি ওর। - হুমমমমম আংকেল.. আচ্ছা মতো দিয়েন, তা না হলে আজ আমার নিছে কাল আপনাকে বেঁধে রেখে টাকা নিবে...। আহা... রাফিল্লা তুই আমার বিশ টাকা নিছস.. আর আমি তোর বাপের থেকে তিনশো নিছি..হি হি হি..। এবার খালি বাড়িতে যা চান্দু। ওহহহহ কপাল ভালো ছিলো যে.. ওর বাপ আমারে চিনেনা... আমার বাপ ও হয়তো রাফির দাদার কাছে থেকে এমন টাকা নিছিলো... এবার বুঝলাম কেনো মানুষ বলে... বাপ কা ব্যাটা, সিপাই কা ঘোঁড়া। পরের দিন কলেজে যাইতেছি..। - সাহরিয়া ভাইয়া দাঁড়াও না.. (রিয়া)। - পিছনে একটু তাঁকিয়ে আবার হাঁটা দিলাম। - আরে দাঁড়াও না একটু প্লিজ। একে বারে সামনে আসলো। - ঐ সামনে থেকে সরে যাও আমি কলেজে যাবো। - ওহহহহহহহ এমন করছো কেনো। - এখন এমন করছি কেনো তাই না... হুমমমম ভালো ভালো...। - কীসের ভালো ফোন ধরো না ক্যান। - ফোন আবার তোমার... সেটা আর জীবনে ধরমু না আমি। - আচ্ছা কী হয়েছে বলবা তো। - কী বলবো হুমমমম... কত শখ করে নিজের পকেটের চৌদ্দ টাকা ফোনে ভরে ভাঁবলাম.. তোমার সাথে একটু সুখ দুঃখের কথা বললো... কিন্তুু তুমি এমন করে ফোনটা কেঁটে দিলা... তাঁর সাথে সাথে আমার কাঁচের মতো হৃদয়, পরাণ, মনটা টুকরো টুকরো হয়ে ভেঁঙ্গে তছনস হয়ে গেলে... চোখের সামনে আমার ৩৯ মিনিট ২৯ সেকেন্ড টা ও ধংস হয়ে গেলো..। আমি তাঁদের রক্ষা করতে পারলাম না। - আরে আমি তো একটু পরে তোমাকে ফোন দিছিলাম। - একটু পরে দিয়ে কী হবে... যা ভাঙ্গার তা তো ভেঁঙ্গে তছনছ হয়েই গেছে। এখন যাও সরো সামনে থেকে। - আচ্ছা তুমি এখন কেনো.. আরে তখন তো হঠাৎ আব্বু আসছিলো তাই। - বুকের মধ্যে যা ছ্যাঁকা লাগছিলো, হাত দাও এখন ও গরম হয়ে আছে বুক..। - ও মা তাই... দেখি দেখি... হ্যা তাই তো অনেক গরম.. তো এখন কী করলে তোমার মন জোরা লাগবে বলো...। - তেমন কিছু না.... বলবা যে সাহরিয়া আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি... আর তারপরে আইসক্রিম খাওয়াতে হবে... তারপরে রিক্সা ডাকতে হবে.. আচ্ছা ওটা না হয় আমিই ডাকলাম... ভাঁড়াটা কিন্তুু তোমাকে দিতে হবে হুমমমমম... তারপরে রিক্সা করে আমরা নদীর পারে ওই বটগাছ এর নিচে বসে থাকবো... সন্ধাই আসার সময়, একটা পাপ্পি দিতে হবে, তাহলেই মন আবার আগের মতোই হয়ে যাবে হি হি হি। রিয়ার দিকে তাঁকিয়ে দেখি, আমার দিকে রাগান্বিত দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে আছে.. - আরে আমি আবার কী করলাম, মনে যা আসছে তাই তো বলছি নাকি। - না কিছু করো নাই...যাও রিক্সা নিয়ে আসো। - ঠিকআছে.. তবে এটাতো দ্বিতীয় নাম্বারে ছিলো..। - আনবা নাকি... আমি চলে যাবো। - আচ্ছা আনছি তো রে বাবা। - এই যে রিক্সা নিয়ে আসছি এসো উঠে এসো। - ঐ তোমারে আমি আগে উঠতে বলছি নাকি হুমমমমমম..নামো বলছি.. আমি উঠার পরে তুমি উঠবা। - কী দজ্জাল মেয়ে উফফফফফ...। - কী বললা। - কিছু না হি হি....। - ঠিকআছে উঠে এসো...। রিক্সা করে যাচ্ছি কী সুন্দর রিয়ার ও চুল উঁড়ছে.. সাথে আমারও। - ওই হাত দিয়ে এমন গালে ঘুসছো কেনো। - না মানে দেখছিলাম যে... কত গুলা মেকআপ মাখছো... সকল পোলা তোমার দিকে হা করে তাঁকিয়ে আছে তো তাই। - সাহরিয়া.... তুমি জানো যে আমি মেকআপ করি না। - আরে আমি ও তো জানি.. কিন্তুু পোলা গুলা এমন করে তাঁকাই আছিলো...। - এত ছেলে আমার পিছনে ঘুর ঘুর করে... সব বাদ দিয়ে কেন যে আমি তোমার কাছেই আসি.. আসলেই আমি একটা পাগলি। - তুমি পাগলি হতে যাবে কেনো শুনি, এটাই তো ইতিহাস থেকে হয়ে আসছে, সব সুন্দরী মেয়েই সব বাটপার আর গাধা টাইপ এর পোলাগো প্রেমেই পরে...। - তাই না... ইতিহাস বই এ লেখা আছে এইটা। - আরে ইতিহাসে লেখা থাকবে কেনো... লাইভ দেখতে পাচ্ছো তো। হি হি। - ফাজিল...তুমি যদি আমার ছোট হইতে কত্ত গুলা যে মাইর খাইতে জানো। - আচ্ছা....এই মামা দাঁড়ান দাঁড়ান। - আবার দাঁড়াবে কেন। - ঐ এখনি এখনি.. ভুলে গেছো। আইসক্রিম খাবো না। - আচ্ছা ধরো টাকা নিয়ে এসো যাও। - এই দেখো তিনটা আনছি.... এই মামা ধরো তুমি একটা নাও। - আইসক্রিম আনছো ভালো, পানি নিয়ে আসলে কেনো। - আরে যেখানে দেখবো অনেক গুলো ছেলে তোমার দিকে হা করে তাঁকাই আছে... ওখানে তুমি মুখ ধুবা বুঝলা, তাহলে ওই ছেলে গুলো আরো জ্বলবে...। - কেনো। - আরে ওরা মনে মনে বললে... একটা পরীর সাথে একটা পান্ডা যাচ্ছে হি হি হি। - সাহরিয়া চুপ করো বলছি...দুষ্টু বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তুু। - ওকে। নদীর পারে গেলাম....। - ওহহহহহহহ দেহটা জুরাই গেলো কী সুন্দর বাতাস। এখন যদি একটা দয়ালি মেয়ে থাকতো তাহলে তাঁর কোলে মাথা দিয়ে নদীর স্রোত দেখতাম। - তাই না..... আমাকেই যে বলছে সেটা ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে সরাসরি বললেই পারো। - তার মানে তুমি রাজি... তাই তো বলি তুমি দিন দিন এত্ত কিউট কেনো হচ্ছো। - থাক ঐ পাম দেওয়া হবে। - আচ্ছা তাহলে ঘুমাই কেমন। - ঠিকআছে। - আচ্ছা রিয়া বলতো, তখন রিক্সা ওয়ালাকে আইসক্রিম কেন দিলাম। - তুমি কেন দিলে আমি কেমনে বলবো। - আমি এর আগে ও মিনিমাম.. দুই তিনশো রিক্সাওয়ালাকে আইসক্রিম দিছি জানো। - আচ্ছা এবার বলো কেনো। - এখন না লাইভ দেখাবো। আরে একটু চুল গুলো টেনে দাও না....। - ওহহহহহহ তাই বলে এত জোরে আস্তে আস্তে দাও। - আমি পারিনা দেখিয়ে দাও। - ঠিক আছে তুমি আমার কোলে মাথা দাও আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। - আচ্ছা...... সাহরিয়া তুমি না অনেক সুইট। - জানি হি হি হি। এই রাত হয়ে গেছে বাসাই যাবা না রিয়া বুড়ি। - মন তো চাচ্ছে এভাবেই তোমার কোলে মাথা দিয়ে থাকি। - হুমমমম এটাতো সরকারি কোল তাই না... চলো এবার। - হুমমমমম হুমমমসস চলো। - সাহরিয়া রিক্সা পাবো কই এখন। - ঐ তখন লাইভ দেখাতে চাইছিলাম না.. এখন দেখো আইসক্রিম খাওয়ানোর গুণ। - ঐ যে ওখানে একটা রিক্সা দাঁড় করানো আছে... তুমি গিয়ে বলো দেখি আসবে নাকি। একটু পড়ে। - ওনি আসবে কিন্তুু অনেক টাকা চাচ্ছে । - চলো দেখি। আরে মামা আপনি...। - আরে সাহরিয়া মামা যে... কই যাবেন.. - আমার বাসাই যাবো..কত টাকা নিবেন বলেন। - আরে মামা টাকাই কী সব বলেন.. একটা আইসক্রিম দিয়েন.. ঐ যে সেদিনের টা.. যা স্বাদ ছিলো না মামা। - ঠিকআছে মামা চলে ..। - রিয়ার কানে কানে বললাম,, দেখলে তাঁকে আমি চিনতেই পারছি না,আর সে আমাকে চিনে... এটাই হলো আইসক্রিম দেওয়াে গুন। - মামা একটা কথা বলি। - হুমমমমম - ঐটা আপরার বউ। - আরে হ্যা... মাত্র দুই মাস আগে বিয়ে করছি। - রিয়াকে আস্তে বললাম... মুখ ফসকে বলে ফেলছি সরি...। দেখি সে কিছুই বললো না। রিক্সা থেকে নেমে... আমি আর রিয়া রাস্তা দিয়ে হাঁটছি...। রিয়া কিছুই বলছে না একেবারে চুপচাপ। - ঐ কী হয়েছে... কিছু তো বলো, আরে বাবা আমি তো মুখ ফসকে বলে দিছি। আসলে দুই মাস আগে যখন প্রথম তোমাকে কলেজে দেখছি.. তখন থেকেই তোমাকে আমার বউ বউ লাগে... হি হি।।। একি আবার রাগ করলা নাকি। ও রিয়া কথা বলা...। - ঐ দেখো তোমার বাসা চলে আসছে। দেখি আগেই চলে গেলো বাসার ভেঁতর। - কিছুই বললা না হুমমমমম। একটা দূরে হেঁটে আসতেই.. পিছন থেকে নীলার ডাক... - সাহরিয়া দাঁড়াও। - দৌঁড়ে এসেই জরাই ধরলো...। - সাহরিয়া আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি... আর সাথে একটা পাপ্পি দিয়ে দৌঁড়ে চলে গেলো...। - আর আমি তো হা করে আবুল এর মতো দাঁড়াই আছি... কী ঘটে গেলো...। একটু দূরে হেঁটে আসতেই দেখি.. রাফি। - কীরে রাফি তুই এখানে কেনো। - সালা হারামজাদা আমার বাপের কাছে কী বলছিস হুমমমমমম..। - কেন তুই না বললি যা করার কর। - ভাই আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিছে... কী করমু এখন। - আচ্ছা দাঁড়া আমি সমাধান করে দিচ্ছি...। - তোর বাপের কাছে ফোন দে। - কেনো। - দিতে বলছি দে। - ধর দিছি। - হ্যালো আংকেল... আমি ঐ বাবলু মাষ্টার এর ছেলে না... আমি ঐ বাবলুর ছেলে... আর আপনার পোলার কাজ কর্ম সত্যিই ছিলো। - ধর বলে দিছি... এবার বাড়িতে যা... সব ঠিক হয়ে গেছে।।। - তাই না হারামি...খালি দাঁড়া তুই... তোরে মাইরা ফ্যালামু। - সাহরিয়া পালা.... রাফিল্লা ক্ষেপে গেছে..... দিলাম দৌঁড় আর কে পায় আমারে হি হি হি।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now