বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালবাসা শুধু কাদাঁয়

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Elma (guest) (০ পয়েন্ট)

X ???? ???? ???? ????ভালোবাসা শুধু কাঁদায়  ???? ???? ???? ???? ???? মেয়ে: আমাকে কোথায় নিয়ে যাও? ছেলে: মরতে....!! মেয়ে: কেনো দোষ টা কি আমার? ছেলে: আরে দোষ তো তোর না। দোষটা তো তোর বাবার আর আমার বাবার। মেয়ে: কেনো হয়েছে টা কি? কি করেছে তারা? ছেলে: কিছু করে নাই। তারা আমাদের মেনে না নিয়ে তাদের ইচ্ছামতই চলতেছে এটাই তাদের দোষ। আর তোর বাবা তো তোরে কালকেই বিয়ে দিয়ে দিবো কইতেছে!! মেয়ে: হুম!! বুঝলাম। কিন্তু আমি করেছি টা কি? ছেলে: তুই কিছু করিস নি বিধায় তো তোকে আজ মেরে ফেলবো। যাতে আমি ছাড়া তোকে আর কেউ না পায়। মেয়ে : তুমি স্বার্থপরের মত কথা বলছো কেনো? আমি তো তোমার কোন কথাই বুঝতে পারছি না। যাই হোক, তুমি মরবে না? ছেলে : তোকে মারার পরে আমি মরবো। মেয়ে: কিন্তু মারবে টা কোথায়? ছেলে : ঐ যে, গহীন জঙ্গল দেখছিস ওখানেই তোকে মারবো। মেয়ে: তোমার কাছে ঘুমের ট্যাবলেট আছে? ছেলে : কেনো কেনো? বেঁচে যাওয়ার বুদ্ধি? মেয়ে : আরে না!! কিন্তু মরতে তো ভয় করে তাই একটু আমি ঘুমানোর পরে যদি আমাকে মেরে ফেলো তাহলে আমি ভয় পেতাম না এই আর কি!! ছেলে : ওসবের দরকার নেই। কারন আমি সব বুদ্ধি করে রেখেছি আগে থেকেই। এরপর তারা যাচ্ছে আর যাচ্ছে। কিন্তু ওই জঙ্গলের ভেতরে মানুষের কোন শব্দ নেই। মেয়ে : আচ্ছা আমার কিন্তু খুব ভয় করছে। তবে তোমাকে আমি ভালবাসি তাই তুমি যা কিছু করবে আমি মাথা পেতে নিবো। কিন্তু আমাকে মারার পরে কিন্তু তুমি ও মরে যেও, কারন তাহলে তুমি বেঁচে থাকলে যদি অন্য মেয়েকে বিয়ে করো তাহলে আমি সহ্য করতে পারবো না। ছেলে : এতো ভালবাসিস আমাকে? মেয়ে : হ্যা আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। ছেলে : চল আজকে দেখবো তুই কত ভালবাসিস আমাকে!! মেয়ে : আচ্ছা আমার কিন্তু খুব ভয় লাগছে। ছেলে : এই তো আর ২০ মিনিট পরে পৌঁছে যাবো মরণাস্থলে। মেয়ে : আচ্ছা আমরা কি পারতাম না বাবা মাকে আরো একটু বুঝিয়ে আমাদের কথা গুলো বলতে? ছেলে : আর চুপ থাকতো। ঐ ভিলেনের দল গুলো যদি আমাদের প্রেমের মর্ম বুঝতো তাহলে আজ আমাদের আর অকালে মরে যাওয়ার জন্য রাস্তা খুঁজতে হতো না। কি আর হবে দুঃখের কথা বলে? থাক চল দু-জনে মরে গিয়ে ঐ-পারে সুখের ঘড় বাধি। মেয়ে : তুমি যা ভালো মনে করো!! কারন তুমিই আমার সব কিছু। পাঠকদের কাছে প্রশ্ন, আসলে মানুষ মানুষকে কতটুকু ভালবাসলে এই রকম মৃত্যেকে ও মেনে নিতে দ্বিধা করে না? আসলে প্রকৃত ভালবাসা এমনি। চলুন সমনে আগাই... ছেলে : আসলে খারাপ লাগেরে। এই ভিলেনরা আমাগো এতো ভাল চায়!! তাইলে আমাগো মাইনা না নিয়ে আমাদের সাথে সাথে চক্রান্ত করে কেনো? তুই কি জানিস তোর আগামীকাল বিয়ের দিন ছিলো? মেয়ে: নাতো। তবে বাবা আর মা সকাল থেকেই বাসায় নেই। ছেলে : গেছে কোথায় জানিস? মেয়ে : তা জানি না। তবে ঘড় দোওয়ার খুব গুছিয়েছে এই কয়েক দিনে মা। তোমার কথা সত্য আমি এখন বুঝতে পারছি। ছেল : প্রায় এসে পরেছি। তুই মরনের দোওয়া পরতে থাক। মেয়ে: ঠিকাছে আমি দোওয়া পরে নিচ্ছি। (সত্যিই অবাক!! এতটা ভালো মানুষ মানুষ কে কিভাবে বাসে? তবে ওদের মৃত্যুতে আমি নিজেই বিস্মিত ) ছেলে: আমরা এসে পরেছি। তোর কি দোওয়া পড়া শেষ হইছে? মেয়ে : হ্যা শেষ হয়েছে। কিন্তু জীবনের শেষ একটা ইচ্ছা ছিলো পূরণ হবে কিনা জানি না। বাকি টা তোমার ইচ্ছা। ছেল: দুঃখের সময় আবার কিসের ইচ্ছা ( ধমক স্বরে বলে। মেয়ে : আমার খুব পানি পিপাসা লেগেছিলো এই আরকি!! ছেলে : বেশ তো!! চল পানি খাইয়ে নিয়ে আসি। ( ততক্ষনেও চোকে বাধা কাপড় টি খুলে নি। আসার সময় মেয়েটি ভয় পাবে বলেই একটু দূরে এসে চোখে কালো কাপড় পরানো হয়েছিলো।) মেয়ে: কিন্তু এখানে পানি কই পাবে? ছেলে : আরে চল। তোর কোন ইচ্ছা আমি কোন দিন অপূর্ণ রাখি নাই। আর আজকে তো তোর শেষ ইচ্ছা। তাই পূরণ আমাকে করতেই হবে। ছেলেটি কান্না কান্না কন্ঠে কথা গুলো বললো। মেয়ে : আচ্ছা কই যাচ্ছি? রাস্তা তো শেষ হয় না? তবে আমি কিছুট একটা শব্দ শোনতে পাচ্ছি মনে হয়। তবে সিউর না। কারন মরনের আগে মানুষের অনেক রকম পরিবর্তন হয়। ছেল : হ্যা সাউন্ড বক্স। আর সাউন্ড বক্সের সাউন্ড তো আমি ও শুনতে পাচ্ছি। (এতক্ষনে বাড়িটির কাছে চলে এলো ) মেয়ে : আচ্ছা আমার চোখের বাধন টা একটু খুলে দিবে? আমি না চোখে কিচ্ছু দেখতে পাচ্ছি না। পানি খাওয়ার পরে আবার বেঁধে দিও। ছেলে: ছেলেটি চোখের বাধন খুলে দিলো। মেয়েটি : আবেগ ভরা চাহনিতে ছেলেটির চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, দেখো বিয়ে বাড়ি টা খুব সুন্দর সাজিয়েছে তাই না? দুঃখের কপাল আমাদের। আমাদের আজ মা-বাবার কারনেই মরতে হচ্ছে। তবু ও ভালো। কারন যে জীবনে তুমি থাকবে না সে জীবন না থাকাটাই উত্তম। ছেলে : ছেলেটি কিছুই না বলে শুধু মাথা নাড়ালো। (বিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করলো দু-জনই) (আর সাথে সাথেই বাড়িতে হইচই পরে গেলো। আর একটা কথা ভেসে আসলো মেয়েটির কানে, কথাটি হলো বড় আর কনে চলে এসেছে এখনি বিয়ে ) মেয়ে: মেয়েটু শুনে ও যেন শুনলো না। কারন একটু পরেই মরে যাবে সেটাই তার মাথাই বেশি কাজ করে বেড়াচ্ছে। ছেলে: ছেলেটি মেয়েটির হাঁতটি আলতো চাপ দিয়ে শুধু বললো, যাও বামের ঘড়ে তোমার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। বউ সেজে আসো। মেয়ে : কিহ!! বউ সেজে আসবো মানে? বিয়ে কার ছেলে: বিয়ে আমাদের। আর বিয়ের আয়োজক তোমার বাবা আর আমার বাবা। তোমাকে আর আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্যই এতো সব অভিনয় করেছিলেন তাঁরা। আমি ও জানতাম না, তবে আজ সকালে আমার বাবাই আমাকে সারপ্রাইজ টা দিয়ে তোমাকে নিয়ে আসতে বলেছলো। তাই তোমার সাথে ও আমার অভিনয় করতে হয়েছে!! অমনিই মেয়েটির মা এসে মেয়েটিকে বললো কিরে তোরা এতো দেরী করলি কোথায়? মেয়েটির তো একদম নিশ্চুপ হয়ে গেলো। মেয়ে: সবাই মিলে আমাকে নিয়ে এই তামাসা করেছো?? যাক ভাল। মনের আনন্দে মেয়েটি নেচে উঠলো। তারপর তাদের বিয়ে হয়ে গেলো তাঁদের। কিন্তু মেয়েটি ছেলেকে প্রশ্ন করলো, মেয়ে : আচ্ছা এই কিচ্ছা কাহিনীর প্রথম আয়োজক কে? ছেলে: দিল মোহাম্মদ নামে যে তোমার আইডি তে একজন ছেলে ছিলেন ছবি ছাড়া এবং মাঝে মাঝে তোমার আর আমার ছবি তে কমেন্ট করতেন ঐ ব্যক্তিটি আমার বাবা। আর সেলিম রানা নামের যে আরো একটা আইডি তোমার আর আমার আইডি তে এড ছিলো ওটা তোমার বাবা। তাই তো তুমি কোন পোষ্ট আমাকে নিয়ে দিলে তাঁরা দু- জনেই কমেন্ট করতো। একই ভাবে আমি ও তোমাকে নিয়ে কোন পোষ্ট করলে আমার পোষ্টে ও কমেন্ট করতো সেই দু-জনে। আর তারা দু-জনই এই নাটকের প্রথম ভিলেন এবং আয়োজক। অনেক সাধনার পরে তারা সফল হয়েছেন তাই কথা বলতে বলতে বাসর রাতের মাঝে থেকেই আমার গল্পটি শেষ করতে হলো । কারন বাসর রাতে কাউকে ডিষ্ট্রাব করা ঠিক নয়। আমার গল্পটি ভাল লাগলে কপি করে ছড়িয়ে দিতে পারেন সবাই। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। শুভ বিদায়। আর গল্পটি কেমন লাগলো অবশ্যি জানাবেন কিন্তু!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now