বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এস এস সি পাশ করে সবে মাত্র কলেজে
ভর্তি হয়েছি আজ আমাদের নবিন বরন
অনুষ্ঠান সকাল নয় টা রায়হান (আমার বন্ধু)
কে ফোন দিলাম ......
রায়হান--হ্যালো দোস কই তুই?
আমি---এই তো বাসায় । তুই কোথায় ?
রায়হান--এই তো আমি বের হবো কলেজের ঊদ্দশ্যে
আমি--তুই আগে বেরোস না আমি তোকে নিয়ে যাবো
রায়হান--ওকে তাড়াতাড়ি আসিস......
আমি---ওকে ...
এত সময় যার সাথে কথা বলছিলাম আমার
জানের দোস্ত রায়হানের সাথে.....
রায়হান আমার বল্যকালের বন্ধু...আর আমি
শুভ ...
বাবা মা এর আদরের এক মাত্র সন্তান ..........
আজ আমাদের নবিন বরন অনুষ্ঠান ...নতুন কলেজ কারও সাথে তেমন পরিচয় নেই ...
তবে ফেসবুকে একটা মেয়ে ফ্রেন্ড ছিলো নাম
রিধিতা..খুব ভালো বন্ধু আমার ওর সব কথা
আমাকে শেয়ার করে আর আমিও...আজ ওর
সাথে দেখা করার কথা...
বলতে বলতে বাইকটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম
রায়হানদের বাসা থেকে রায়হান কে নিয়ে আমি
আর রায়হান কলেজের উদ্দশ্যে যাত্রা শুরু করলাম .....
..
..20 মিনিট পর ক্যাম্পাসে এসে পৌছলাম ....
আমি আর রায়হান গল্প করছি...
রায়হান ---দোস্ত আর তো সিংগেল থাকলে লাইফ টা চলে না এখন কলেজে এখন লাইফে কাউকে দরকার
আমি---হুম ...ঠিক তাই ...কিন্তু তুই তো যানিস মেয়েদের সাথে আমি ঠিক মত কথা বলতে পারিনা
রায়হান--হ্যা আমাদের দুই জনের সমস্য তো একটাই.....
আমি--বাদ দে তো । দাড়া একজন কে ফোন দি।
রায়হান--কাকে?
আমি --রিদিতা কে ?আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড আমাদের সাথেই পড়ে ।
বলতে বলতে ফোন দিলাম ১ম বার রিসিভ হলো না আবার দিলাম ...হুম রিছিভ করেছে...
রিধিতা--- হ্যালো
আমি--হ্যা রিদি তুই কৈ?
রিধিতা--এই তো আমি গাড়িতে।
আমি--তাড়াতাড়ি ক্যাম্পাসে আয়
রিধিতা--ওকে এসে তোকে ফোন দিবো
আমি--ওকে বাই..
.....
রায়হান--কিরে মামা এটা আবার কে?
আমি--আসলেই দেখতে পারবি?
দুই জন ঘোরাঘুরি করছি ....
সব ঘুরে ঘুরে দেখছি.....
নতুন পরিবেশে খুব ভালো
লাগছে আর সাথে প্রিয় বন্ধু রায়হান
আছে তাই আরো বেশি ভালো লাগছে.
হঠাৎ
ফোন টা বেজে উঠলো ....
রিধিতা ফোন করছে...
আমি ফোন রিসিভ করলাম
রিধিতা--হ্যালো কই তুই?
আমি--এই তো শহিদ মিনারের কাছে
রিধিতা--ওকে তুই ওয়েট কর আমি আসছি?
আমি রায়হান কে বললাম দোস্ত আমাদের গুপে সদাস্য এক জন বাড়ছে .....
কিছু সময় পর রিধিতা আসলো
চিনতে আসুবিধা হয় নি কারন আগেই
দুজন দুজনের ছবি দেখেছি....
আমি--এই রিধিতা এদিকে
রিধিতা--এই তো ...কেমন আছিস ?
আমি--ভালো এই হলো আমার বল্য কালের দোস্ত রায়হান আর রায়হান এ রিধিতা আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড...
রায়হান --হায়
রিধিতা-- হ্যালো...আর হ্যা শুভ এখন তো আর ফেসবুক ফ্রেন্ড না এখন ক্লাস ফ্রেন্ড...
আমি--ওকে আজ থেকে আমরা তিন জন বেষ্ট ফ্রেন্ড....
আর কিছু সময়ের মধ্যে আমাদের নবিন বরন অনুস্ঠান শুরু হবে ..... তাই ক্লাসের দিকে যাচ্ছি
আমরা তিন জন ক্লাসের দিকে যাচ্ছি
আমার হঠৎ মনে পড়লো বাইকের
চাবিটা বাইকেই রেখে এসেছি.......
আমি-- তোরা এগাতে থাক আমি একটু আসছি
রায়হান--কেনো কই যাবি?
আমি--বাইকের চাবিটা হয়তো বাইকেই ফেলে এসেছি তাই ...
রায়হান-- এত সময় হয়ে গেছে ....চাবিটা পাবি তো...
আমি--দেখে আসিতো আগে...
রিধিতা --এই শুভ দাড়া ।আমিও যাবো ...সামনের দোকান টা থেকে একটা কলম আনতে হবে...
আমি--ওকে তাহলে চল দুজন এক সাথে যায়।
আমরা দুই জন হাটছি প্রথমে গাড়ি পার্কিং এ গেলাম কপাল টা ভালো ছিলো বলে চাবিটা পেলা বাইক নিউটল করা ছিল কিন্তু কেউ দেখতেই পেলো না।।
সবই আল্লাহর রহমাত।।।।
তারপর গেলাম রিধিতার সাথে কলম কিনতে
রাস্তার ও পাশে দোকান রিধিতা কে বললাম আমি গেটের সামনে দাড়ায় তুই যা কলম কিনে নিয়ে আয়।।।।।যেই কথা সেই কাজ রিধিতা গেলো রাস্তার ওই পাসের দোকান টায়।
হঠাৎ
রিধিতা--এই শুভ( আমাকে ডাক দিলো)
আমি--(তড়াহুড়ো করে ওর দিকে ফরতে গিয়ে খেলাম ধাক্কা।একি এটা তো একটা মেয় । কি অসম্বব সুন্দর । এত কিউট কনো মেয়ে হতে পারে ।কি মায়াবিনি মুখ তার শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্চা করে।এক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছি।
মেয়েটি--ওই হ্যালো এভাবে তাকিয়ে আছেন কেনো ?কানা নাকি চোখে দেখেন না ?না কি সুন্দরী মেয়ে দেখলে ইচ্চা করে ........
আমি--(মেয়েটির কথার মধ্যে )ওই হ্যালো নিজের মুখ কখন ও আয়নায় দেখছেন ।নিজেকে সুন্দরী দাবি করছেন।
এর মধ্যে রিধিতা চলে এলো
রিধিতা--সরি আপু (মেয়েটিকে বললো)
মেয়েটি--হয়েছ যতসব ফালতু পোলাপাইন....
বলে গদ গদ করে হেটে চলে গেলো ......
আমি তাকিয়ে আছি মেয়েটির যাওয়া দেখছি...
রিধিতা--কি হয়েছে রে?
আমি--- আর বলিস না তুই আমাকে তখন ডাক দিলি কেনো
রিধিতা--এমনি তোকে বলতে চাইছিলাম কন রং এর কলম নিবো...
আমি-- ডাক দিয়ে ভালই করছিস তানা হলে ফ্রিতে কি এটা পেতাম(যার সাথে ধাক্কা খেলাম তার একটা কানের দূল)
রিধিতা--কার এটা ...?
আমি--ওই যে যার সাথে ধাক্কা খেলাম...দোস্ত I am crush ....প্রেমে পড়ে গেছি তুই love is 1st said এ বিস্বাস করিস....
রিধিতা-- মাথা ঝাকালো কিছু বললো না...
আমি--দোস্ত প্লিজ হেল্প কর প্রথম দেখায় আমি ওর প্রেমে পড়ে গেছি
রিধিতার মুখ টা ফ্যাকাসে হয়ে গেলো
রিধিতা-- চল নবিন বরন শুরু হয়ে গেছে । আর এই মেয়েকে যা বলার সব আমি বলবানি..
এই বলে দুই জন আবার হাটা শুরু করলাম
ক্লাসে স্যার রা বক্তব্য দিচ্চি আমি আর রিধিতা ক্লাসে ডুকলাম ..
রায়হান হাত নাড়িয়ে আমাকে ডাক দিলো আমি রায়হান রিধিতা একই ব্যান্চে বসা
রায়হান--কিরে এত দেরি করলি কেনো?
আমি--আর বলিস না এক টা মে.......এমনি দোস্ত
রিধিতার দিকে ইসারায় বললাম রায়হান না বলতে ওকে সারপ্রাইজ দিবো
রায়হান-- চাবি পেয়েছিস ?
আমি--হ্যা
রায়হান--যাক তোর কপাল টা ভালো...
রিধিতা কনো কথা বলছে না চুপ করে আমাদের কথা শুনছে.....
যারা বক্তব্য দিচ্ছলো তাদের বক্তব্য একে একে শেষ করছে আর আমরা ফাকে ফাকে কথা চালিয়ে যাচ্ছি। ছেলে মেয়ে একই সাথে বসেছে কিন্তু আমি যাকে খুজছি সে কই?
আপনারা হয়তো ভাবছেন আমি কাকে খুজছি
হ্যা সেই মেয়েটিকে খুজছি যার সাথে সকালে ধাক্কা খেলাম তাকে খুজছি ....কিন্তু সে কোথায় তাকে তো দেখছিনা? তাহলে কি সে আমাদের গ্রুপে না?
রায়হান বলে উঠলো ........
রায়হান-- কি মামা কি খোজো?
আমি-- না কিছুনা
রায়হান--কিছুনা বললেই হলো ?
আমি--আরে বললাম তো কিছুনা...
সামমের ব্যেন্চে চোখ যেতেই দেখি সেই সকালের মেয়েটি ....মনটা আনন্দে ভরে উঠলো । দারুন লাগছে ওকে..
মজার ঘটনা হলো প্রাধান অথিতি যখন ফুল দিয়ে নবীনদের বরন করছিলেন মেয়েটি প্রথম ব্যেন্চে থাকায় তাকে প্রথমে ফুল দিলেন আমি 'থ' হয়ে গেলাম...
অনুষ্ঠান শেষে আমার ক্লাস থেকে বের হলাম ....
আমি--রায়হান দোস্ত আমি তো প্রেমে পড়ে গেছি...
রায়হান--আরে কস কি?তো মামা মেয়েটা কে?
আমি --আছে একজন ...
রায়হান--আমি ও ক্রাশ খাইছি একজন কে দেখে....
আমি--বলিস কি?ট্রিট দে তাড়াতাড়ি..আর মেয়েটা কে তাড়াতাড়ি দেখা....
রায়হান--আগে তোর টা দেখা...
আমি--কই পাচ্ছি না তো মনে হয় চলে গেছে.
রায়হান--আমার টা ও তো পাচ্ছিনা...
আমি--তাহলে আর দেরি করে লাভ নাই চল আমরা বাড়ি ফিরে যায় । রিধিতা তো আগেই চোলে গেছে....
রায়হান-- ওকে চল ...
তারপর দুজন চোলে এলাম সারাটা দিন কেমন ঘোরের মধ্যে কাটলো বুঝলাম না....বার বার শুধু ধাক্কাটার কথা মনে পড়ছে আর হাসি পাচ্চে.....
রাতের বেলায় ঘুম আসছেনা মেয়েটার মুখ ভেসে উঠছে ...রাত টা কোন রকম পার করে দিলাম
সকাল ৮ টা বজে করো ফোনে ঘুম ভাংলো
রায়হান ফোন দিছে .....
আমি--হ্যালো
রায়হান-- তুই এখনো ঘুম থেকে উঠিস নাই....
আমি--না কেনো?
রায়হান-- কলেজে আসবি না...
আমি--ও হ্যা আমি আসছি ...কলেজ কয়টায়?
রায়হান--নয় টায়..
আমি--ওকে তুই ওয়েট কর আমি আসছি..
রায়হান-- ওকে আয়..
অতপর আসলাম রায়হানদের বাসায়
রায়হান আর আমি বাইকে দুই জন খুব
আনন্দের সাথে কলেজে যাচ্ছি দুজন
দুজনের প্রয়তমা কে দেখাবো.......
কলেজে পৌছে গেলাম এখন অপেক্ষার
পালা। মেইন গেটের সামনে অপেক্ষা করছি।
দুই জন এর কেউই কোনো কথা বলছি না
হঠাৎ রায়হান চিৎকার করে উঠলো ......
রায়হান--দোস্ত পেয়ে গেছি ঐ দেখ হলুদ
ড্রেস পরা ওই মেয়েটা আমার ক্রাশ...
আমি--(একি এটা তো কালকের সেই ধাক্কা
খাওয়া মেয়েটা আমার মাথায় যেন আকাশ
ভেংগে পড়লো চখে সরিষা ফুল দেখছি ।হঠাৎ মন টা খারাপ হয়ে গেল)
রায়হান--(ধাক্কা দিয়ে) কিরে কিছু বলছিস না
কেনো!
আমি-- সত্যি তোর ক্রাশ অসাধারন....
রায়হান--এবার তোর টা দেখানোর পালা?
আমি--( কিছু বলতে পারছি না কি বলবো
রায়হান কে ?বলতে তো পারবোনা তুই
যাকে দেখালি ওই টাই আমার ক্রাশ)
রায়হান--কিরে কিছু বলছিস না কেনো?আর
তোর মন খারাপ কেনো? একটু আগে ও তো ভালো ছিলো?
আমি--না কিছু এমনি শরীর টা ভালো লাগছেনা।
রায়হান--কিন্তু তোর ক্রাশ কে তো দেখলম ই না
আমি-- আজ মনে হয় আসবেনা । ক্লাসের টাইম হয়ে গেছে চল ক্লাসে চল..
রায়হান--ওকে চল..
প্রথম ক্লাস আমি আর রায়হান ৩য় বেন্চে
আর মেয়েটি ১ম বেন্চে রায়হান বার বার
উকি দিয়ে মেয়েটা কে দেখছে...
..ক্লাসে একটা স্যারের প্রবেশ ....
স্যার একগাদা লেকচার দিয়ে তারপর
বললেন "এখন তোমাদের রোল নম্বর
জানিয়ে দেওয়া হবে" তারপর নাম ধরে
ডেকে ক্রমানুযায়ী রোল বলছে.....
আমাদের বিভগে ২০০ থেকে শুরু
আমরা দুজন নিজেদের রোলের থেকে
মেয়েটার রোল জানার জন্য অপেক্ষা বেশি
করছি কারন মেয়েটার নাম জানতে পারবো
৩৩৬ সাদিয়া আক্তার বলার সাথে সাথে মেয়ে টি
বললো Yes sir...
আমাদের বুঝতে বাকি রইলো না মেয়েটির নাম ই
সাদিয়া...
1ম ক্লাস করে বাড়ি চলে আসলাম ।
বাড়ি এসে রিধিতা কে ফোন দিলাম....
আমি-- হ্যালো তুই আজ কলেজে গেলি না কেনো।
রিধিতা--এমনি ....তোর ক্রাশ এর কি কবর নাম টাম কিছু জানসোস?
আমি--হ্যা । ওর নাম সাদিয় ।কিন্তু তুই এই কথা কাউকে বলবি না।
রিধিতা-- কেনো
আমি-- কারন রায়হান যে মেয়ে কে পছন্দ করে ওইটায় ওই মেয়ে ।
রিধিতা--বলিস কি?
আমি-- হ্যা দোস্ত।আর হ্যা রায়হান যানো এই কথা কনো দিন যানতে না পারে ।
রিধিতা--ওকে যানতে পারবে না।
আমি-- আর হ্যা আর একটা হেল্প করতে হবে
রিধিতা-- কি?
আমি-- রায়হান এর সাথে সাদিয়ার রিলেসন টা তুই করায় দিবি পারবিনা।
রিধিতা-- হ্যা পরবো...
আমি-- ওকে বাই।আর কাল কলেজে আসিস
বলেই ফোন টা কেটে দিলাম .....
কিছু দিনের মধ্যে সাদিয়া আর রিধিতার মধ্যে ভালো ফ্রেন্ডসীপ হয়ে গেলো রিধিতা প্রথম রায়হান এর কথ বললে সাদিয়া না করে.....কিন্তু দুই তিন মাস পর হ্যা বলে দেয় ।ওদের ভালই চলছিলো কিন্ত রায়হান আর আগের মত আমার সাথে কথা বলে না আমাকে দেখলে এড়িয়ে চলে...
আমি ব্যাপার টা বুঝতে পারে রায়হান কে
ফোন দিলাম.....
আমি--হ্যালো
রায়হান-- হ্যা কি বলবি বল ?
আমি-- রায়হান তোব কি হয়ছে বল তো?ইদানিং আমার ফোন ধরিস না আমাকে এড়িয়ে চলছিস কেনো ?
রায়হান-- আসলে সাদিয়া তোর সাথে মেলামেসা পছন্দ করে না। তোর সাথে মিশলে নাকি আমার সাথে ব্রেকআপ করবে।
আমি--............ (বুকের মধ্যে চিন চিন করে উঠলো কি বলবো বুঝতে পারছি না যেই বন্ধুত্বের জন্য এত কিছু আত সেই বন্ধু কি না শেষ পর্যন্ত এমন টা করবে)
রায়হান--এখন বল আমি কি করবো ?
আমি-- আরে তুই চিন্তা করছিস কেনো আমি তো আছি ।আমাকে নিয়ে যখন এত সমস্যা তখন তুই আর আমার সাথে কথা বলিস না ।আমি তো এই আছি এই নেই কিন্ত সাদিয়া তোর লাইফে সারা জীবন থাকবে ...তুই বরং সাদিয়া কে নিয়ে সুখে থাকিস বিদায় বন্ধু..... (বলেই এক বুক কষ্ট নিয়ে ফোনটা কেটে দিলাম)
এই ঘটনার পর আর কনোদিন কলেজে যায় নি ।
এবাবেই নষ্ট হয়ে গেলো শুভর জীবন ।আজ শুভর নৃত্যদিনের সংগী হিসাবে বেছে নিয়েছে নিকটিন কে
আর রায়হান এর মত বন্ধু কখনোই যানবে না শুভ তার জন্য নিজের ভালোবাসা ত্যাগ করেছে।।।।
পিচ্চি রমিও
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now