বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : ফাজিল ৪২০ !!!
Part : 1st.....
Writer : Pantha Shahria !!!
- ভাল্লাগেনা এই সকাল সকাল আবার কে
আসল।
দরজা খুলতেই দেখি ওত্তেরি, এ তো
দেখি পুরা এলাকা ওইঠা আসছে।
সব গুলা কেমন এক বারে চিল্লাচিল্লি
শুরু করে দিছে।
ঐইইইইইইই থামেন, থামেন সবাই
এক এক করে বলেন না
হলে কেমনে বুঝমু কার কী প্রবলেম।
- ঐ ছোকরা তোর বাপরে ডাক, (এক বুড়ি)।
- চুপ বুড়ি, মে হু না, বাপরে ক্যান
লাগব।
- ওমনি কে জানি ক্যান ধরল পিছন
থেকে,
তাঁকাই দেখি আব্বাআআআআ।
- আচ্ছা বলেন সবাই সাত সকালে
আমার বাড়িতে কেন (আব্বা)।
- কেন মানে আপনার এই কুলাঙ্গার
পোলার জন্য কারো শান্তি আছে (পারার
এক আংকেল)।
- এহহহ মনে হয় আমি ওনার পাঁকা
ধানে মই দিছি।
- চুপ করে থাকবি তুই নাকি কান
ধরে থাকবি (আব্বা)।
- না না ঠিকআছে।
- হুমমমম, তো বলুন কার কী অভি যোগ।
- আপনার এই ছেলে মিথ্যা প্রশ্ন পত্র
এর বদলে আমার মেয়ের সাথে
ছি ছি ছি।
- ছি ছি ছি না কইয়া আসল কথা কন,
মেয়ে কিচ্ছু পড়বে না আর যত দোষ
আমার, আমি কী প্রশ্ন পত্র নিতে
হাতে পায়ে ধরেছি, আর প্রশ্ন এর
বদলে আমারে কিস দিছি এতে
আমার কী দোষ।
আপনার কাজ শেষ এবার পরের
জন আসুন।
আব্বাই তো হেব্বি চেইতা আছে।
- বাবু আপনার ছেলে আমার সরল
সোজা পোলাডার কাছ থেকে
দুই হাজার টাকা নিছে।
- কী মিথ্যা কথা রে ভাই, আব্বা জীবনে
ও না ওর পোলা আমার সাথে দাবা
বাজি খেলে হাইরা গেছে দুই
হাজার টাকা।
নিজের পোলারে সামলান মিয়া
আসছে বিচার দিতে।
নেক্সট জন...
- ঐ তোর পোরা আমার গাছের সব
ডাব পাড়ছে।
- ওলে বাবা কইল আর হইল
ঐ মিয়া কোন প্রমান আছে, আমার
বাপরে বোকা পাইছেন,
এইটা ও মিছা কথা আব্বা তুমি
জীবনে ও বিশ্বাস করই না।
- চুপপপপ, তোর কথা আমার শুনতে
হবে তাই না, তোর জন্য আর কত
মানুষ এর কথা শুনতে হবে (আব্বা)।
- হেব্বি ঝড়ব এখন আমাকে
ও আমার অভ্যাস হয়ে গেছে,
কেমন সিনেমার ভিলেন গো
মতো হি হি হি হি।
মাঝ পথে কলেজের কু্দ্দুস স্যার
হাজির, সালা বিপদ এক সাথেই
আসে।
এই টাকলুরে আবার ক্যান আসতে
হবে।
না না পালাইতে হইব।
- আব্বা একটু হিসি চাপছে।
- চুপ করে দাঁড়া।
- ইকবাল সাহেব আপনার ছেলে
পুরো কলেজে আমার মান সম্মান
সব শেষ করে দিছি।
আমার টাক মাথার
ছবি তুলে ফেসবুব টুইটার এমনকি
ইউটিউব ভিডিও বানাইছে।
আপনি এর বিচার করবেন নাকি
আমি ওকে কলেজ ছাড়া করব।
- আব্বার কানে কানে বললাম,
আব্বা একদম ঠিক করছি তাই
না।
ওমনি ঠাসসসসসসসস।
- না এমন আপমান সহ্য করা যাবে
না পাবলিক এর সামনে
চর মারা কী ঠিক।
- আবারো মারতে এসে থেমে
গেল।
- তুই আজ এক্ষুনি আমার বাড়ি
থেকে বের হয়ে যাবি, আর কোথাও
পরিচয় দিবি না তুই আমার ছেলে।
- হুমমমম বের হয়েই যামু, আর আমার
খাইয়া দাইয়া কাম নাই তো তোমার
পরিচয় দিমু।
এহহহহহ বিল গেটস আসছে মনে
হয় পরিচয় দেওয়া লাগব।
দশ মিনিট দাঁড়াও।
দশ মিনিট পড় পুরা নায়ক নায়ক
ভাব নিয়া, কাঁধে একটা ব্যাগ নিয়ে
চলে আসলাম।
টাটা গেলাম আমি।
- আর হ্যা আব্বা আমি তোমার ঐ সিন্দুক
থেইকা ত্রিশ হাজার টাকা নিছি
হু হা হা হা হা।
- কীইইইই হারামি আমার টাকা দে।
- সাহরিয়া পালা, এক দৌড়ে বাস টপ।
- মাম্মা ঢাকার বাস কোনটা।
- ঐ যে ওইটা।
- হায় হায় ছেঁড়ে দিছে তো।
- কোন মতো বাসের মধ্যে উঠলাম,
ভিতরে দেখি কোন সিট ফাঁকা নাই
পিছনের একটা সিট ফাঁকা।
ওমা দেখি বোরকা পড়া একটা
মেয়ে বসে আছে অন্য দিকে মুখ করে।
নিচে তাঁকাতেই দেখ সাপ।
আহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ।
- হঠাৎ বাস থেমে গেল।
- দুই চারটে লোক এসে বলল কী
হইছে।
- আরে ভাই এই মেয়ের পায়ের কাছে
সাপ।
- নিচের দিকে তাঁকাই সবাই চিল্লানি
দিয়ে।
হঠাৎ মেয়েটা সাপটা হাতে নিয়ে
বলল আরে এটা আসল সাপ না
এটা তো রাবার এর।
- এবার সবাই একটু শান্ত হল আর
বাস ও চলতে লাগল।
- আচ্ছা মানুষ তো আপনি সাপ
দেখলেই এমন চিল্লানি দেওয়া লাগবে (মেয়েটা)।
- আমি এই দুনিয়াতে এই জিনিসটা দেখে
সব থেকে বেশি ভয় পাই।
- হুমমমম এখন পা গুলো নেমে বসেন।
- এবার মেয়েটাকে ভাল করে দেখলাম।
ও মা গো কী সুন্দর দেখতে।
- হঠাৎ নিচে তাঁকাই দেখি মেয়েটা
কেস পড়ে আছে।
- না না পড়তেই পারে।
- এবার ভাল করে দেখলাম জিন্স প্যান্ট
ও আছে, কেমন ডাউট লাগছে।
- আচ্ছা আপনাকে একটা কথা
বলি।
- হুমমমম বলেন।
- আপনাকে দেখে কেমন যেন ডাউট
ডাউট লাগছে।
- কেন।
- হি হি হি নিচে দিকে তাঁকান।
হঠাৎ মেয়েটা বোরকাটা নিচে
নামাই দিল।
মেয়েটার ফোনে একটা ফোন আসল,
আমার তো মাথা ঘুরে পড়ে
যাবার দসা আইফোন এক্স।
না না বড়লোক মাইয়া, মনে
হয় বয়ফ্রেন্ড এর লগে পালাইব।
- কষ্ট ভাই কষ্ট এই ফাঁটা কপালে
একটা মাইয়া ও জুটল না।
- কী হুমমমম বাড়ি থেকে পালাইছেন
তাই না, বয়ফ্রেন্ড কই আছে।
- আপনি কেমনে জানলেন।
- হি হি হি অনেক কিছু দেখে।
- না মানে বয়ফ্রেন্ড না, তবে বাড়ি
থেকে বিয়ে দিতে চাইছিল তাই
পালাইছি, কিন্তুু চিঠিতে বয়ফ্রেন্ড এর
সাথে পালাব তাই লিখছি।
- কীইইইই কেন।
- যাতে বুঝতে না পারে আমি
বুবলির ওখানে আছি।
- ওয়াও ভাল বুদ্ধি বুবলি কে।
- আমার ফ্রেন্ড ঢাকাতে থাকে,
ওর কাছেই যাচ্ছি, আপনি কই
যাচ্ছেন।
- আমার আর যাওয়া, ভালা পোলা
তো তাই আব্বাই বাড়ি থেকে বের
করে দিছি, তাই ঢাকাই যাচ্ছি।
- ওহহহহহহ গিয়ে কী করবেন।
- বাদাম বেঁচব হি হি হি। আপনার
নাম কী।
- মেঘলা আপনার নাম কী।
- আমার নামের সাথে
আমার নামটা ও মিল আছে।
- ও তার মানে আপনার নাম মেঘ।
- আরে দূর না আমার নাম সাহরিয়া।
- সাহরিয়া আর মেঘলা এর মধ্যে
মিলটা কোথায় শুনি।
- ওই যে দুই জনের শেষে আকার
আছে হি হি হি হি।
আচ্ছা আমার না আপনি বললে
আর শুনলে কেমন হিসি পায়,
তাই তুমি করে বলি কেমন।
- তুমি না খুব মজা করো।
- হুমমমম, দেখছ তুমি আমারে চেননা
জাননা কেমন দশ মিনিটেই
জেনে গেলা, আর আমার বাপ আর
পারার লোক একটু ও বুঝল না
সোজা টা টা বলে দিল।
- আহারে কী কষ্ট।
- এবার বোরকা খুলে ফেল আমি
আছি তো।
- কীইইইই বললা।
- না মানে ওমন ভাবে বলি নি তো,
আমি জানি বোরকা পড়ছ যাতে কেউ
চিনতে না পারে, তাই বলছি।
- ও আচ্ছা, ঠিকআছে।
- হায় হায় আমি তো পুরা শেষ,
মেয়েতো না যে পুরাই মাখন।
ছি সাহরিয়া তুই ও, না না মেয়ে
তো না যেন পরী একটা।
তোমার নাম মেঘলা কে
রাখছে বলতো, সে সিওর
কানা ছিল।
- কেন শুনি।
- না মানে দেখতে পরী নাম রাখছে
মেঘলা সেটা কী হয়।
আবার মেঘলার ফোন।
কেমন মনমরা হয়ে গেল।
- ও মা এবার তো সত্যি সত্যি
পরী থেকে মেঘলা হয়ে গেছ।
কী হইল আবার।
- আমার আর যাওয়া হবে না ঢাকাই।
- কেন।
- সামনের স্টপ এ আমার
আব্বু নাকি সব বাস চেক করছে।
- নেহি টেনসন ম্যাম, সাহরিয়া
কামিং মানে তুমি যেখানে ইচ্ছা
সেখানে গোইং খালি বলো কত
দিন হাইড থাকবা।
- এই ধরো একমাস।
- ঠিকআছে পঞ্চাশ হাজার টাকা
আর থাকা খাওয়া আমার জন্য ফ্রি
করতে হবে, তা হলে আমি রাজি, না
হলে বাসাই যেতে পারো।
- আমি এক লাখ দিব তবু
কিছু করো।
- ওকে বোরকাটা পড়ে ফেল এখন।
- মাম্মা বাস থামান আমরা নেমে যামু
এখানে।
- না এখানে বাস থামানো যাবে না।
- ওকে থাক থামানো লাগবে না,
আমার মামা এখান কার থানার এস আই
আমি ফোন করে বলি এই বাসে বোম
আছে, ওরাই থামাইব।
- না না থাক থামাচ্ছি।
- এই তো লাইন এ আসছ।
- চলে আস রিয়া, নেমে পড়ো।
বাস চলে গেল।
- ঐ আমার নাম রিয়া হুমমম আর
এমন চিল্লাই বললা কেন।
- আরে যখন পরের স্টপে বাসটা
থামবে, আর তোমার বাবার
লোকেরা চেক করার সময় বলবে
তখন এই লোকেরাই বলবে না না
এই মেয়ে না, আর ওই মেয়ের নাম
তো রিয়া হি হি হি বুঝলা।
- বাহ্ বেশ বুদ্ধি তো তোমার।
- হুমমমম এখন চলো হাঁটা দাও।
Coming Soon Next Part.....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now