বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #কিউট_Love_Story

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #কিউট_Love_Story #Writer : Pantha Shahria আমার জানা মতে এই কমলা লেবুর মতো পৃথীবিতে চার প্রকার ছাত্রের বসবাস। ১ম সব সময় পড়ালেখা করে পরিক্ষার হলে একদম ফাটাই লিখে। ২য় সারাদিন রাত এক কইরা পড়ে বাট পরিক্ষার হলে কিচ্চু মনে নাই। ৩য় জীবনে একটা লাইন ও পড়ে নাই পরিক্ষার হলে এর খাতা ওর খাতা টানাটানি কইরা লেইখা ফাটাফাটি মার্ক তোলে। ৪র্থ এইটা তো বিল গেটস, স্টিভ জবস্, আইনস্টাইন এর মতো বুদ্ধির মালিক। সারাদিন ঘুরাঘুরি এমন কী পরিক্ষার আগের দিন রাতে ও মুভি দেইখা ঘুমাই যায়। আর পরিক্ষার হল এ এমন ভাব লয় যেন সব কমন, সবাই আবার ওরই দেখে লেখে, কিন্তুু ওই জীবনে ও কারো দেখে লেখে না। আর একবার দেখে লেখলে পুরো জমিদারী স্টাইল। হি হি হি আসলে ভাই আমি হইতেছি এই ৪র্থ স্থান অধিকারি পোলা। এখন বসে আছি পরিক্ষার হল এ আর আমার পাশে আছে ইসরাত। মানে আমার পাসের বাসার আন্টির মেয়ে, অনেক ট্যালেন্ট সব বিষয়ে ৯৫ না পেলে কেঁদে কেঁদে অস্থির। সেই ছোট থেকে এক সাথে আমরা পড়ে আসছি, কিন্তুু জীবনে কোনদিন ওর সাথে আমি পড়ি নাই, এইবার ফাস্ট,,,, অনেকের মুখে শুনেছি ওই নাকি কাউরে একটা ওায়ার্ড ও দেখতে দেই না। দেখতে কিন্তুু সেই ফাটাফাটি আমি তো সেই আগে থেকেই ওর জন্য ফিদা, কিন্তুু বলতে পারি না। ফাস্ট মাইয়া গুলা কেমন হয় আপনারা আমার থেকে বেশি জানেন, আর লগে যদি একটু সুন্দরি হয় তাইলে তো পা মাটিতেই পড়ে না। হি হি। ও হ্যা আমি সাহরিয়া, এতক্ষণ তো শুধু হেডলাইন কইলাম, আমি কেমন শয়তান তা এখনই টের পাবেন। হা হা হা। আমার সিটে বসে আছি, ওই তো ইসরাত আসছে, খাড়াও মাইয়া এতদিন কাউরে দেখাও নাই। কিন্তুু আজ তুমি আমার খপ্পরে পড়েছ, কেমনে না দেখাও দেখবনি আজকে। - ওই সাহরিয়া তুই আমার এখানে ক্যান। (ইসরাত) - তোর নাকি বিয়া আজকে তাই দেখতে আসছি, - কীইইইই বললি। - নেহি কিছু না, এইটা কী চিনস। - হুমমমমমমম এইটা রোল নম্বর। (ইসরাত) - ওহহহহ বুইঝা গেছস তাইলে, এটা হইল আমার রোল বুঝলি কিপটুস। - কীইইইই বললি আমি কিপটুস, (ইসরাত) - হুমমমমমমম তা নয়তো কীইইইই, পোলাপান তো একটু না হয় তোর দেখতেই চায়, তোর বাপের জমির ভাগ তো আর নিতে চায় নাই। হি হি কেমন রাগাই দিছি। রেগে গিয়ে একটা স্যার কে ডেকে এনে বলল স্যার আমি এখানে বসব না, আমার সিট পাল্টে দেন। - তা কেমনে হবে, কোন সিট তো ফাঁকা নেই বলেই স্যার চলে গেল। - সাহরিয়া শোন আমাকে রাগাবি না কিন্তুু এমনি অনেক কিছু গুলাই ফেলছি। (ইসরাত) - আচ্ছা ওকে, ওর গুলাই গেলে আমারই বিপদ আহা আজকে থেকে আর পড়তে হইব না, বিনা পড়াতেই পাস, ভাবতেই ভাল লাগছে। একটু পড়। খাতা, আর প্রশ্ন পত্র দিয়ে গেল। হায় হায় কীইইই এই গুলা জীবনে ও তো দেখি নাই। - জীবনে পড়লে তো দেখছি (ইসরাত)। - সালার কপাল আমার, সবাই কীইইই সুন্দর লেখতেছে। এই দিকে ২০ মিনিট হয়ে গেল কিচ্চু লেখতে পারি নাই শুধু নাম আর রোল ছারা। আর ওই দিকে ইসরাত খাতাটা ও ঢেকে লিখতেছে। নেই সাহরিয়া তোর হারলে চলবে না, একটা বুদ্ধি বের কর। - ইসরাত, একটু দেখাবি তোরে ক্যাটবেরি নিয়ে দিবনি পিলিজ। - বিরক্তি করিস না সর। (ইসরাত) - কীইইই মেয়েরে ভাই দয়া মায়া ও নাই, কী আর করার অনুপম রায়ের ক্লাস রুম গানটা গাইতেছি ধীরে ধীরে। শুধু একটা লাইন মনে পড়ছে। ( ওরা বড় হবে চড়বে গাড়ি, আর আমি কাটব ঘাস) আর মাত্র ১ঘন্টা ৩০ মিনিট টাইম আছে, হে আল্লা আমার কী হইব, আব্বাই আমারে সিওর বাড়ি ছারা করবে। না একটু মিষ্টি সুরে ইসরাত কে বলে দেখি কী হয়। - ইসরাত একটু এই দিকে তাকারে পিলিজ, এখন ও কিচ্চু লিখতে পারি নাইরে। আব্বা আমারে এই বার বাড়ি ছারা করবে আর তুই আমার ক্রিকেট খেলা দেখে হাঁসতে পারবি না, দেখা না একটু। - ওই দেখি তোর খাতা,, কী গর্ধবরে তুই, আমি ভাবছি ফাজলেমি করছিস। সত্যি সত্যি তো কিছুই লিখিস নাই। (ইসরাত) - লিখতে পাড়লে কী আর ওমনে কইতাম । - এই নে দেখ তারাতারি লিখে ফেল। তারাতারি আমার আরো একটু লিখতে হতে না হইলে ৯৫ আসবে না। (ইসরাত) - ওই চুপ থাক নারে, আমি এখন ও ২০ এর উত্তর দিতে পারি নাই। - তারাতারি, তারাতারি লিখ আমার ৯০ এর উত্তর কেবল হইছে। - পিজিল একটু দাঁড়া এইতো হয়ে গেছে হয়ে গেছে। আহা বাঁচলাম কোন রকমে পরিক্ষা দিয়ে বেড় হয়ে আসলাম, ভাল স্টুডেন্ট না না স্টুডেন্টি পাসে থাকলে এত্ত শান্তি লাগে আগে জানতাম না। হঠাৎ ইসরাতের কথা মনে পড়তেই ২০টা চকলেট নিয়া ওর দিকে দৌড়। - ইসরাত দাঁড়া একটু, - কীইইই হইছে। - এই নে চকলেট। - এত্ত গুলা ক্যান। - তুই আমার বাড়ি ছাড়া থেকে বাঁচাইছিস তাই, আর হ্যা ভাল করে পড়িস কেমন আমি যাই ক্রিকেট ম্যাচ আছে। - ওই কুত্তা যদি তুই কালকে না পড়ে আসিস, একটা ও দেকামু না, বলেই চলে গেল। - কী মেয়ে বানাইলা আল্লাহ, কালকে আবার গণিত কী যে করমু, যদি না দেখাই যেমন মেয়ে। - বাসাই গিয়ে পড়তে বসলাম, না ভাল লাগছে না, আহা যদি ও আমার বউ হইত কীইইই আরামছেই না পরিক্ষা গুলা দিতে পারতাম। দূর পড়তে ভাল লাগতিছে না, খালি ইসরাত এর কথা মনে হচ্ছে। আমি আবার ওর প্রেমে পড়ে গেলাম নাতো হি হি এইটা আর নতুন কী আরো আগেই তো পড়ছি। একটা কাজ করলে কী হয় ইসরাতের বাসাই যাই আর ওর থেকে গনিত গুলা শিখাই নিয়ে আসি। যেই ভাবা সেই কাজ ছুটলাম ওর বাসাতে, ঠক ঠক ঠক ঠক ঠক ঠক। - আস্ সালামোয়ালাইকুম আন্টি, ইসরাত বাসাই আছে। - হুমমমমমমম ওর রুমে আছে, হঠাৎ সন্ধাই কেন শুনি। - না মানে আন্টি কাল তো গনিত পরিক্ষা তাই একটু ওকে সাজেশন দিতে আসলাম। - ওহহহহহহ যাও ও ওর রুমেই আছে। - হি হি একটু ভাব মারলাম। হেলো ইসরাত ম্যাডাম, পড়তেছেন। - ওই তুই এই খানে কেন, তোরে না পড়তে বলছিলাম, যা গিয়ে পড়। - আরে আমি তো পড়ছিলাম কিন্তুু কিচ্চু মাথায় ঢুকছিল না, আর খালি তোর কথা মনে হচ্ছিল, মনে হয় আমি তোর। - আটকে গেলি ক্যান বল তুই আমার কীইইই, তারাতারি বল না হলে কালকে কিছু দেখামু না। -মনে হয় আমি তোর পিরিতে পইড়া গেছিরে,, বলেই দৌড়, এখন আল্লাহ জানে কালকে কীইইই হবে, পরেরদিন পরিক্ষার হলে গিয়া চুপচাপ বসে আছি, ইসরাত আসল কোন কথা বলিনাই উল্টা ভয় লাগছে কী করে আজকে আবার, যদি না দেখায় তাইলে আমি শেষ। একটু পর খাতা প্রশ্নপত্র দেওয়া হইল প্রশ্নপত্র দেখার পর সব তো মাথার উপর দিয়া যাইতেছে। আমার চেহারাতো একদম লাল হয়েগেছে, ইসরাত আমার দিকে তাকাইয়া মুচকি একটু হাঁসি দিল। - ওই গাধা কিছু কমন আসছে, নাকি এমন কলম মুখে দিয়ে থাকবি। (ইসরাত) - না মানে ইয়ে যদি একটু দেখাতে পিলিজ। - হা হা হা কেমন ভদ্র পোলা। হুম দেখ (ইসরাত) - হি হি হি থাংকু।।।। যা ফাটাফাটি পরিক্ষা হল না আজকে।।। ওই তো ইসরাত যাচ্ছে। ইসরাত ইসরাত ইসরাত - ওই এমন ছাগলের মতে চাচাইতেছিস ক্যান শুনি। (ইসরাত) - আল্লাহ আমার কী হল এমন লাগছে ক্যান ওরে দেখে। না মানে ইসরাত থাংকু অনেক গুলা। - ওই যা যা আমার জন্য চকলেট নিয়া আয়। আর হ্যা প্রতিদিন নিয়া আসবি। চকলেট না আনলে দেখামু না। (ইসরাত) - হা হা ওকে প্রতিদিন নিয়া আসমু।। এখন চলেন যাই। - হুমমমমমমম চল। - বাসাই এসে ফ্রেস হয়ে শুয়ে আছি,কখন ঘুমাই গেছি বুঝতেই পারিনাই। পুরো সন্ধাই উঠলাম এইটা উইটা করতে করতে রাত ৯.৩০ বাজে হঠাৎ একটা নাম্বার থেকে ফোন। - সাহরিয়া বলছি কাকে চাই,ঝটপট বলে চটপট লাইন কাটুন কালকে এক্সাম আছে। - ওই হারামি আমি বলছি। - আমি কে। - আরে আমি ইসরাত। - কীইইই সত্যি। সপ্ন দেখছি না বাস্তব, না আর যাই হোক মেয়েটা ভালই। - ওই শোন ১৫ মিনিট এর মধ্যে আমার বাসার নিচে আইসক্রিম নিয়া আসবি না হলে তোরে আর দেখামু না।। কী আর করার আইসক্রিম নিয়া গিয়া দাঁড়ই আছি। - কই আপনি ম্যাম আমি নিচে। - ওই নিচে ক্যান, পাইপ দিয়া উপরে আয়। - কীইইই, আমি কেমনে উঠমু। - আমি কেমনে কমু কেমনে উঠবি, কিচ্চু জানি না উপরে আইসক্রিম আসলে কাল দেখামু না হলে নাই। - হুমমমমমমম যাচ্ছি, যত্ত সব ঝামেলা।। কী আর করার অনেক কষ্টে দিয়া আসলাম। অনেক ঝামেলার পর সব এক্সাম শেষ হইল। শেষদিন ভাবলাম অনেক গুলা চকলেট দিব নুসরাতকে। কিন্তুু খুঁজেই পাচ্ছি না ঘুরেই যাচ্ছি খালি।ইসরাতের এক বান্ধবীকে দেখে বললাম ইসরাত কইরে। - কেন কী করবা,,, আর এতো গুলা চকলেট ক্যান কাকে দিবি। - ইসরাতকে। - কীইইইইইই,, ও তো চকলেট খায় না। - কেন আমি তো রোজ দেই, কই আছে জানলে বল। - আগে তো ওরে চকলেটের কথা বললেই রেগে যাইতো,। হঠাৎ ইসরাতের আগমন ওই এই খানে কীইইই করছিস। - কখন থেকে চকলেট দিব বলে তোরে খুঁজতেছি কই ছিলি হুমমমম। এই নে ধর খা।।। আর হ্যা এখন তো ফ্রি তোর নাম্বারটা দিবি পিলিজ। আচ্ছা থাক লাগবে না। - ওরে বাবা কিছু বলল না নাম্বারটা দিয়ে দিল। বাসাই আসলাস খেয়ে দেয়ে ফোন করলাম সেই কী কথা। কী আর কইতামরে ভাই। আজ রেজাল্ট দিবে আমার কোন টেনসন নেহি জানি ভালই রেজাল্ট হবে। ইসরাত ফাস্ট ,,, আমার রেজাল্ট আমি দেখি নাই জানি বহুদূর যাইব। কিন্তুু না আমি ২য় আহা ভাবতেই কেমন লাগছে। আমার থেকে ইসরাত বেশি খুশি। কিন্তুু মেয়েটা আগে তো এমন ছিল না। একটা মেয়ের সাথে কথা বলছিলাম, হঠাৎ ইসরাত এসে আমার কলার ধরে বলল ওই ঐ মেয়ের সাথে এত কথা কীসের হুমমমম। -হা হা কেন হুমমমম। - না কিছু না, আমি গেলাম বলেই চলে গেল, চোখটা কেমন ছলছল করছিল। - হঠাৎ ওর এক বান্ধবী এসে বলল, সাহরিয়া জানিস, ইসরাত তোকে খুব ভালবাসে, কিন্তুু বলতে পারে না, ও তোর জন্য স্যারকে বলে তোর সিটটা ওর পাশে নিছিল।। ও তোকে অনেক আগে থেকেই ভালবাসত যখন তুই ওদের বাসার সামনে ক্রিকেট খেলতি। ও লুকিয়ে লুকিয়ে দেখত। - ও আচ্ছা তাইতো বলি যেই মেয়েটা চকলেট খাইতো না সে কেমনে এক কথাই চকলেট খায়। ওখান থেকে সোজা ইসরাতের কাছে দৌড় একবারে ইসরাতের সামনে। কই যাচ্ছিলিরে আমাকে ছেরে আমি ও তোকে সেই আগে থেকেই ভালবাসতামরে পাগলি। বলতে ভয় হত তাই বলিনাই। বলেই জরাই ধরছি, তবু কিছু বলল না। হি হি তার মানে প্রেম ক্লিয়ার। ছি ছি আপনারা তাকাইয়েন না সরম করব তো। হা হা হা।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now