বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #বড়_আপুর_প্রেমে_হাবুডুবু !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- সাহরিয়া তুমি বোঝ না কেনো
আমি তোমাকে কতোটা ভালোবাসি (তিন্নি)!!
- আল্লাহ্ তুমি কই মোরে তুমি তুইলা নাও
না কেনো....আচ্ছা তুমি আমারে
ভালবাসো ভালো কথা... তবে
এখানে একটা ছোট্ট পরিমানের
কিন্তুু আছে।
- কীসের কিন্তুু বলো...।
- আমার না খালি বড় আপু গুলারে
ভালো লাগে... এখানে আমার
বিন্দু পরিমানের কোন দোষ নাই
জানো... উপর থেকেই সেটআপ
দেওয়া আমি কী করমু।
- তুমি একটু বোঝার চেষ্টা করো
আমি তোমাকে খুব ভালবাসি....
- আহারে.... আপু আমি না তোমারে
ছোট বোনের মতো দেখি হুমমমমম....
অন্য সব পোলার মতো আমি না..
আমার খালি বড় আপু গুলারেই ভালো
লাগে।
- আচ্ছা আমি কী দেখতে খারাপ
বলো...।
- দূর তা হতে যাবা ক্যান... কী সুন্দর
পরীর মতো... আমার থেকে শত
গুণ ভালো ছেলে পাবা... আমি
না তোমার সাথে একদম
যাই না হুমমমমমমম।
কেমন বাঁদর মার্কা চেহারা দেখো।
- না না না আমি তোমাকেই চাই
ব্যাস.....।
- আচ্ছা তোমার বাবার একটা বাড়ি
আমার নামে করে দিতে পারবা।
- হুমমমমমমম... তুমি আমাকে
ভালো বাসলে সব তোমার নামে
করে দিবো... সাহরিয়া আমাকে
একটু ভালো বাসো প্লিজ।
- এই মেয়ে পুরাই গেছে.... ওহহহহ
কী ঝামেলা.....।
আচ্ছা বিশ টাকা হবে তোমার কাছে।
- দূর মাত্র বিশ টাকা... আমার কাছে
যা আছে সব নাও ধরো।
- কী মেয়েরে ভাই নেহাত আমার পাল্লাই
পড়ছে... আমি না হয়ে যদি অন্য
কোন ছেলে হতো এতদিনে যে কত
পরিমান টাকা নিত সেই জানে...
- ঐ কী ভাবছো ধরো নাও।
- আচ্ছা তিন্নি এমন পাগলামী ক্যান
করো হুমমমমমমমম।
- সাহরিয়া আমি তোমার জন্য পাগল
হয়ে গেছি....।
- আহারে... এই মেয়েরে এখন কে বুঝাবে
যে আমার শুধু বড় আপুদের ভালো লাগে....
আচ্ছা বাদ দাও.. এখন বিশ টাকা
দাও।
- ধরো... কিন্তুু বিশ টাকা দিয়ে কী করবা
শুনি...।
- বিশ টাকা দিয়ে... একটা গোলাপ
কিনে নিধি আপুকে প্রপোজ করবো
হি হি হি....
বলেই দৌড়..।
- ঐ সাহরিয়া শোন একটু... কই যাও।
এই জন্যই তোমারে আমার এত্ত
ভালো লাগে রে পাগল।
ওহহহহহ মেয়েটার হাত থেকে
বাঁচলাম.... সেই তিন মাস
যাবৎ আমার পিছে লেগে আছে,
আর সব সময় বলে ভালোবাসি
ভালোবাসি...
দেখতে যে খারাপ তা কিন্তুু না..
অনেক সুন্দর, আবার অনেক বড়লোকের মেয়ে।
কিন্তুু আমি কী করমু আমার যে
খালি ঐ বড় আপুদের কেই ভালো লাগে।
ঐ তো সামনে নিধি আপু.....।
- হ্যালো আপু.... আমি তোমাকে
আই লাভ ইউ হি হি হি।
- ঠাসসসসসসসসসস......।
- সাথে সাথে দাঁত গুলো বন্ধ হয়ে
গেলো।
- ঐ তোরে না বলছি আমার পিছে
এমন ঘুর ঘুর করবি না।
- তুমি কইলেই হবে নাকি হুমমমমমমমমমম....আমি তো
তোমার পিছে ঘুরমুই।
- আচ্ছা তুই কেন বুঝিছ না আমি
তোর থেকে অনেক বড়...।
- সেই জন্যই তো তোমার পিছে পিছে
ঘুড়ি...।
- ওহহহহহহহহহহহহ... সাহরিয়া এবার
আমার সামনে থেকে যা তো।
- কেনো।
- যাবি নাকি আবার একটা থাপড়ানি
দিমু কোনটা।
- না না থাক যাইতেছি।
সন্ধার সময় হেঁটে হেঁটে
বাসাই যাচ্ছি .....
এমন সময় তিন্নির ফোন।
- হ্যালো।
- কই আছো এখন।
- আস্তে বলো আস্তে এখন
আব্বার সামনে আছি... পড়ে
ফোন দিবোনি কেমন।
- তুমি যে কেমন ফোন দিবা সেটা আমি
জানি।
- আচ্ছা টাটা বাই... কেমন...
বলেই ফোনটা রেখে দিলাম।
- সাহরিয়া কেনো বোঝে না আমি
ওকে কতোটা ভালোবাসি....
খুব ভালোবাসিরে তোমাকে
অনেক ভালোবাসি.... (তিন্নি)।
- তিন্নি.. মা.. খাবি চল।
- যাও তো বাবা খেতে ইচ্ছে করছে
না...।
- এমন করছিস কেনো... কয়েকদিন
থেকে দেখছি কেমন মন খারাপ
করে থাকছিস... ঠিক মতো খাচ্ছিস
না... এমন করতে থাকলে তো
অসুস্থ হয়ে পড়বি।
- আচ্ছা বাবা.. আমার কিচ্ছু হবে
না যাও... আজকে খেতে ইচ্ছে
করছে না.. ঘুম পাচ্ছে বাবা।
- ঠিকআছে... যাই হোক না কেনো
আমাকে বলতে পারিস কিন্তুু।
- ওকে.... যাও তো এবার.....।
বাসাই চলে আসলাম.....।
- খেয়ে দেয়ে নীলা আপুকে ফোন
দিচ্ছি... বার বার কেঁটে দিচ্ছে।
আবার দিলাম...
এবার ধরলো।
- ঐ কী করছিলে হুমমমমমম,
ফোন কেঁটে দাও কেনো শুনি।
- সাহরিয়া তোকে না বলছি এমন রাতে
আমাকে... ফোন দিবি না।
- একটু তো কথাই বলি তাই
না।
- যাই হোক ফোন দিবি না আর রাতে।
- ঠিকআছে ... তবে একটা কথা।
- কী কথা....।
- আই লাভ ইউ হি হি....।
- ফারদার যদি এমন কথা
বলিস..... চুপ চাপ ঘুমা....।
- ফোনটা কেঁটে গেলো....।
- এই ছেলে কেনো বোঝে না এটা
ঠিক না.... সমাজ এটা কিছুতেই
মেনে নিবে না... পাগলটাকে তো
আমার ও ভালো লাগে... কিন্তুু কী
বলবো ওকে যে ভালবাসি...
তাহলে তো ওর লাইফ টা ও শেষ..
কারণ যদি আমার বিয়ে হয়ে
যায়.. তাহলে ও কী করতে পারবে
এখন ও তো নিজের পায়ে দাঁড়াইতে
পারে নাই।
এটাই তো পাগলটাকে বুঝাইতে পারি না।
আর ও বুঝবে ও না... বলে ও কোন
লাভ নাই।
- নীলা তোর সাথে কিছু কথা
ছিলো।
- জ্বী বাবা বলো...।
- গতকাল আবির আমেরিকা
থেকে আসছে...
সবাই বলছিলো.. আর আমি ও ভাবছি
যে কালকেই তোদের এঙ্গেজমেন্টটা
সেরে ফেলতে.... আবির ও বলছিলো
এই মাসেই নাকি বিয়ে করে বউ সব
আমেরিকা চলে যাবে।
তুই কী বলিস।
- তোমরা যা ভালো মনে করো বাবা।
- ঠিকআছে এখন ঘুমা।
- চোখ দুটো দিয়ে পানি পরে যাচ্ছে..
সাহরিয়াকে কী বলবো এখন আমি,
সারাজীবন তো আমি ওর কাছে
অপরাধী হয়ে থাকবো...
পাগলটা তো আবার কিছু বুঝবে ও না।
মনে মনে ভাবছি কালকে তিন্নি আর
নিধি আপুকে সব মনের কথা বলে
দিবো।
তিন্নি কে ফোন দিলাম।
- হ্যালো তিন্নি...।
- সাহরিয়া বলো।
- ঐ কাঁদছো কেনো পাগলি...।
- কই কাঁদছি না তো।
- আচ্ছা আমি বুঝি সব... কালকে
বিকেল চারটার দিকে দেখে করতে
পারবা।
- হুমমমমমমমমমমম।
- তাহলে নদীর পারে কালকে
ঠিক বিকেল চারটার দিকে আসবা কেমন।
- ওকে....।
- এবার ঘুমাও পাগলি।
নিধি আপুকে ফোন দিতে যাবো
এমন সময় নিধি আপুই ফোন দিলো।
- হ্যালো সাহরিয়া।
- জ্বী আপু বলো।
- কালকে সকালে দেখা করতে
পারবি।
- হুমমমমমম পারমু না ক্যান... আমার
ও কিছু কথা ছিলো... বলো কখন।
- তুই কখন পারবি...।
- দশ টায়।
- ওকে।
- এখন ঘুমিয়ে যা....।
পরেরদিন সকালে.....।
- সাহরিয়া তোকে কিছু বলার আছে।
- আচ্ছা বলো।
- না তুই ও কিছু বলতে চাইছিলি তুই
বল।
- না তুমি বলো।
- সাহরিয়া এই মাসেই আমার বিয়ে,
আমাকে তুই ভুলে যা... ভাবিস না
যে তোকে আমি ভালোবাসি না...
তোকে খুব ভালোবাসিরে পাগল...
কিন্তুু সমাজের কাছে আমি হেরে গেলাম।
- হি হি হি.... আরে বিয়েই তো অন্য কিছু
তো আর না.... আচ্ছা বিয়ে তো হয়েই
যাবে.... একটা পাপ্পি দিবা...।
- পাগল একটা..... কাছে আয়....।
- যাই হোক তোমার জামাইয়ের আগে
পাপ্পি পাইলাম..... বলেই দৌড়।
- ঐ তুই কী বলবি বললি না তো....
তেমন কিছুই না তবে.... ফ্রিতে
পাপ্পি পেয়ে গেলাম হা হা হা।।।।
- শয়তান একটা।
- চিন্তা কইরো না...তোমার বিয়েতে
ডাবল হয়েই যাবো ।
- শয়তান একটা.......।
- আচ্ছা টা টা.... বাসাই যামু।
- ওকে যা।
তিন্নির কথা মনে হচ্ছে.... পাগলিটা
সত্যিই আমাকে ভালোবাসে....
এতদিন একটা আবেগের মধ্যে
ছিলাম.... দূর
আসলেই আমি একটা গাধা ছিলাম....।
তিন্নি কে ফোন দিলাম.....।
- ঐ কই তুমি।
- কেনো।
- দেখা করবো।
- চারটাই না আসবা বললা।
- না এখনি আসো প্লিজ বাবু।
- হঠাৎ কী হলো শুনি।
- কিছু না কই তুমি।
- বাসাই......।
- তাঁড়াতাড়ি আসো।
- আরে বাবা একটু দাঁড়াও... আমি গাড়ি
নিয়ে আসছি....।
- ওকে।
- হঠাৎ কী হলো তোমার শুনি... (তিন্নি)।
- না মানে আমি অনেক ভেঁবে দেখছি
যে।
- ঐ এমন ছটফট করছো
কেনো।
- আমি ও না তোমাকে... ভালো....।
- কী ভালো।
- বেসে ফেলেছি...... ।
- আচ্ছা কী বলছ এই সব পাগলের মতো...
আর কিছু না বলেই গিয়ে জরিয়ে ধরলাম...
- কোনদিন ছেঁড়ে যাবা না তো।
- ছেঁড়ে গেলে কী এত্ত ভালোবাসতাম
রে পাগল।
- আচ্ছা এমন জরাই ধরেই থাকি....।
- হুমমমমমমমম।
- তিন্নি তুমি না হেব্বি নরম।
- চুপ দুষ্টু একটা....।
- সত্যি.... কেমন তুলোর মতো
নরম হি হি হি....।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now