বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিকেলে মামার দোকানে বোসে চা খাচ্ছি আর বাইরের দিকে তাকিয়ে বিকালের সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করছি। হঠাৎ আমার দৃষ্টি চলে গেলো রাস্তার কোন এক রমনির পায়ের দিকে। কি সুন্দর টা না লাগছে মেয়েটার পায়ের পায়েল। 5 সেকেন্ডে আমি মেয়েটার উপর ক্রাস খেলাম। আসলে আমি মেয়েটার পায়েল ও পা দেখেছি, তার মুখটা দেখার আগে কোথায় যেন মেয়েটা হারিয়ে গেলো। এর পর থেকে আমি প্রতিদিন ওই মামার দোকানে দারিয়ে থাকতাম। আর যত মেয়েকে দেখতাম তাদের মুখ দেখার আগে, আমি তাদের মুখ দেখতাম। এই ভেবে যে তার দেখা পাবো। একদিন দুইদিন করে পুরো একমাস কেটে যায়, কিন্তু আমার নূপুর পরীর কোনো দেখা পেলাম না।আমার কষ্ট দেখে আমার ফ্রেন্ড বুদ্ধি দিলো। বুদ্ধিটা কি তা একটু পরে জানতে পারবেন।রাতের খাবারের সময় ---
> মা আজকের রান্নাটা অনেক সুন্দর হয়েছে। (আমি)
< তাহলে আর একটু নে। (মা)
> না থাক অনেক খেয়েছি। মা তোমার কোমরের ব্যাথ্যাটা কমেছে।
< টাকা লাগবে।
> আরে আমি কী বলি আর তুমি বল কী। তোমার কোমরের ব্যাথ্যা কমেছে।
< কত টাকা লাগবে। এত টাকা টাকা করিস কেন। কয়দিন আগে না কতোগুলো টাকা নিলি।
> কী যে বলোনা তুমি মা। আমি কী একবার ও টাকার কথা বলছি। কী আজব।
< আমি তোরে পেটে ধরছি না। কথার স্বর শুনলে বুঝি।
> মানে এমন ভাবে বলতেছেন। যেন আমি কখনো জিগায় নাই। যে আপনার শরির ভালো আছে কী না।
< উসিলা বাদ দিয়ে কাজের কথায় আয়। আমার অনেক কাজ আছে।
> আচ্ছা বলছি হয়েছে কী আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমি ব্যবসা করবো।
< রাতে মানুষের দিল নরম থাকে। ভালো ভালো কথা বলে। কালকে দিনের বেলায় বলিস।
> মানে কী। আমি তো সরাসরি বলছি। আমি এখন যা বলছি কালকে ও তাই বলবো।
< তার মানে লেখা পড়া বাদ।
> আমি কী একবার ও তাই বলছি নাকি। আর এক্সামের অনেক দেরি আছে।
< কিসের ব্যবসা করবি কিছু ভাবছিস।
> আমি একটা হাসি দিয়ে বললাম। আমি একটা জুতার সরুম দিব।
< কী জুতার দোকান মানে জুতার ব্যবসা।
> হ্যা মা। সে খানে বাচ্চাদের সেন্ডেল, জুতা মেয়েদের সুন্দর সুন্দর সেন্ডেল, জুতা থাকবে মানে ছেলেদের তাও থাকবে।
< আচ্ছা আমি তোর বাবার সাথে কথা বলে দেখি সে কী বলে।
> তুমি কী করবা আমি জানি না। আমি এই ব্যবসা করবো।
( আসলে আমার বন্ধু বুদ্ধি দিছে জুতার সরুম দিতে। সে খানে মেয়েরা আসবে জুতা কিনতে আর আমিও ভালো করে তাদের পা দেখতে পারবো। )
এই জন্য জুতার সরুম দেব। কী বলেন ভালো বুদ্ধি তাই না। কিছু দিন পরে মোটামুটি অনেক বড় একটা জুতার সরুম দিলাম। বেচা কেনা অনেক ভাল হচ্ছে, কিন্তু আমি যে জন্য দোকান দিলাম তার দেখাইতো পেলাম না। একদিন বিকালে আমার দোকানে তার দেখা পেলাম। মানে আমার নূপুর পরীকে। জুতা পরতেছে আর আমি তার পায়ের দিকে তাকিয়ে আছি। আমি দোকানের ছেলেটাকে দূরে সরিয়ে তার পিছনে দাড়ালাম। সে ঘুরে আমাকে বললো ------
< কে আপনি ( নুপূর পরী )
> এই দোকানের মালিক। আপনার তো এই জুতাটা লাগবে। ( আমি )
< হ্যা এটার দাম কত???
> 500 টাকা। ( আসলে 1500 টাকা দাম )
< কী বলেন মাএ 500 টাকা।
> জি।
অত:পর সে জুতা নিয়ে বের হয়ে গেলো। আর আমি তার পিছু পিছু হাটা শুরু করলাম। কিছু দূর যাওয়ার পরে আমাকে দেখতে পেয়ে ------
< কিছু বলবেন। ( নূপুর পরী )
>হ্যা অনেক কথা বলবো। ( আমি )
< মানে।
> মানে আমি আপনাকে কিছু কিছু কথা বলতে চাই।
< বলেন।
> এখানে না আমরা ওই নদির পারে বসি প্লিজ।
< এখন বলেন।
> আপনার নামটা।
< ইসরাত জাহান রীতু। ( তার মানে আমার পরির নাম রীতু )
> আসলে আপনাকে কী ভাবে যে বলি বুঝতে পারছি না।
< কেনো প্রেমে পরেছেন নাকি। বাহ একদিনের দেখাতে প্রেমে পরেছেন। ওউ।
> একদিন নাতো বহু দিন। বললে আপনি বিশ্বাস করবেন না। আপনার চেহারা ও দেখিনি কিন্তু আপনার প্রেমে পড়েছি। প্রথমে আমি আপনার পা দেখি। এতো সুন্দর কী করো পা হতে পারে। আর পয়েল এর কথা নাই বা বললাম। এমন কোনো জায়গা নেই যে খানে আপনাকে খুজিনি। তার পর তাকে সব কিছু বললাম।
< আমি অবাক হচ্ছি যে কেউ আমাকে এতোটা ভালোবাসতে পারে। কিন্তু আমার কিছু করার নেই। আমি একজনকে অনেক ভালোবাসি। ভালো থাকবেন বাই। ( এই বলে রীতু চলে গেলো )
সেই দিন আমি প্রচুর কান্না করলাম। আমি প্রতিদিন ওকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতাম কিন্তু সামনে যেতাম না। এই ভাবে 15 দিন কেটে গেলো। একদিন বিকালে আমি নদির পারে বসে রীতুর কথা ভাবছি আর কান্না করছি। হঠাৎ বুঝতে পারলাম কেও আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে। আমি ঘুরে তাকাতেই দেখলাম রীতু দাড়িয়ে আছে। আমি চোখ মুছে ----
> আপনি!। ( আমি )
< ভালোবাসা যাচাই না করে ভালোবাসা যায় বলো। ( রীতু )
> মানে কী!!!
< মানে হলো দেখলাম এটা আবেগ নাকি অন্য কিছু।
> কিছু বুঝতেছি না আমি।
< বিশ্বাস হচ্ছে না। আরে বলদ i love u
> তাহলে তোমার ওই ভালোবাসা।
< ওইটা মিথ্যা ছিল দিখছিলাম কতোটা ভালোবাসো আমাকে।
> আমি হাসবো নাকি কানবো কিছু বুঝতেছিলাম না। রীতুকে জরিয়ে ধরে বললাম i love u too
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now