বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #মান_অভিমান_প্লাস_ভালোবাসা !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- নতুন বাসা ভাড়া নিছি...
ব্যাচেলর ভাড়া দিবে না তাও
এইটা ওইটা বুঝাই বাড়ি ওয়ালাকে
পটাই ফেলছি... বেশ ঘাম
ঝড়াইতে হইছে বাসাটা ভাড়া
নেওয়ার জন্য....
এখন বারান্দাই দাঁড়াই দাঁড়াই
ভাবতেছি যে, এই বাড়ি ওয়ালা কে
পটাইতেই যদি এমন ঘাম ঝড়াইতে
হয়..
সামনের বাসার নীলা আপু.. আসলে
আপুনা ভবিষ্যত প্রেমিকা,
প্রেমটা এখন ও হয় নাই তবে
হয়ে যাবে...কিন্তুু কবে সেটা
আমার ওই উপর ওয়ালা ছাড়া
আর কেউ জানে না....।
মূলত নীলা আপুর জন্যই এখানে
আসা, আর তাঁর বাসার একদম
সামনাসামনি বাসাটাই ভাড়া
নেওয়া....
কী করমু ভাই, কিছুতেই মন থেকে
ডিলিট ও করতে পাড়ছি না আবার
হাইড করে ও রাখতে পাড়তেছি না।
এই বাসার মালিক ছেঁচড়া বুইড়াটারেই
বসে আনতে আমার যেমন খাঁটা খাটনি
করতে হইছে...
নীলা আপুর মা তো তাঁর থেকে ও
শত গুণ বেশি রাগি...
আর নীলা আপুর কথা
না হয় নাই বললাম....
একি কলেজে পড়ি আমরা দুই জনেই,
সে সুবাদে একটু আকটু কথা হয়।
সেই ক্লাস টেন থেকে তার পিছনে লেগে
আছি..
কলেজ এর বড় ভাই গুলা আসতো আমাদের স্কুলের মেয়েদের দেখার
জন্য, আর আমি কলেজে যাইতাম
নীলা আপুকে দেখার জন্য...
দূর এতো আপু আপু করছি ক্যান,
তেমন বেশি না মাত্র এক বছরের বড়ো
এই আরকি...
এইটা আবার কোন বড় হইলো
নাকি আজিব....।
দূর বারান্দাই থেকে লাভ নাই..
নিচে রাস্তাই গিয়ে একটু উঁকি ঝুঁকি
মারলে ও সুইটুস মুখ খানার
দেখা মিলবে...
বাসার যেহেতু এখানেই ভাঁড়া নিছি
কেউ কোন কথা বলার ও নাই
হি হি হি.....।
আহারে এই রোদের মধ্যে আমি দাঁড়াই
আছি... মাইয়াটা আসে না ক্যান,
চাঁন্দের দেশে চইলা গেলো নাকি
আবার।
হঠাৎ সামনের দিকে চোখের
পলকটা পড়তেই দেখি....
হাঁসি হাঁসি মুখ নিয়ে নীলা আপু রিক্সা
করে আসছে মুখটা ঘাঁমে কেমন চিকচিক করছে.. চুল গুলে কেমন
বাতাসে উঁড়ছে..
মনে হয় সানসিল্ক শাম্পু করছে,
তাইতে হালকা বাতাসে ফুর ফুর
করে উড়ছে চুল গুলো উড়ছে
মনে হয় একটা কাশবন।
হঠাৎ একটা ছড়া মনে পড়ে গেলো...
চিকচিক করে বালি, কোথা নেই কাঁদা..
দুই ধাঁরে কাশবন ফুলে ফুলে সাদা।
এখানে দাঁত আর মুখটা হচ্ছে বালি,
কারণ ওই গুলোই বালির মতো
চিকচিক করছে...
আর চুল গুলেকে বুঝানো হয়েছে
কাশফুলের সাথে..
কারণ কী সুন্দর ওমন ভাঁবেই
উঁড়ছে....
কবি যেমন প্রকৃতির ঐ সুন্দর্যের
রূপটা দেখিয়াছে...
তেমনি আমি নীলা আপুর এই সু্ন্দর রূপটা দেখিয়াছি...।
এমন সময় হঠাৎ ....।
- ঐ মিয়ে চক্ষে কী কম দেখেন
নাকি.. এমন হা করে রাস্তার মধ্যে
দাঁড়াই আছেন কেন (রিক্সা ওয়ালা)।
- হঠাৎ নিজের মধ্যে হুস আসলো..
নীলা আপুকে দেখতে দেখতে
কেমন ফ্রিজ হয়ে গেছিলাম।
- যত সব পাগল ছাগল.. কোন কাজ
কাম নাই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়াই
আছে...।
- এই মামা কী হয়েছে (নীলা) ।
- দেখেন না ম্যাডাম কই থেকে যে
এই সব পাগল গুলা আসে.. রাস্তার
মধ্যে হা করে দাঁড়াই আছে.. আর
একটু হইলে লাইগা যাইতো..
আর তখন সব দোষ রিক্সা ওয়ালার।
- তুমি সাহরিয়া না..।
- হুমমমমমমমম।
- তুমি এখানে কী করো.. এমন রাস্তার
মধ্যে।
- না মানে আপু.. আমি ঐ যে ওই সামনের
বাসাটাতে নতুন ভাড়া আসছি..
এখান থেকে কলেজটা ও তো
কাছে..
তাই একটু এদিক ওদিন দেখছিলাম
আর কী?
- ঠিকআছে দেখো.. তবে একটু
রাস্তার সাইট দিয়ে দেখে কেমন..
এখন আসি কেমন আবার পড়ে
দেখা হবে...।
- ওকে।
- এই মামা চলেন।
- ওহহহহহহহ আল্লাহ্ তুমি কী.. এই
মেয়েরে তোমার নিজ হাতে
তৈরি করছো... এত্ত সুন্দর কেমনে
হয় একটা মেয়ে...
শুধু হাতটা ধরেই পুরো জিন্দিগি
পার করে দেওয়া যাবে।
আর যদি জরাই ধরে একটা
পাপ্পি দেওয়ার পরে বলা হয় তোমার
এখন মৃত্যু হবে তাও জীবনে কোন দুঃখ
থাকবে না।
একটা বার দেখার জন্য তো আমি,
বারান্দাই খাই... বারান্দাই পড়ি,
এমন কী বারান্দাই ঘুমাই...।
টয়লেটর ব্যবস্থা ও করতে লাগছিলাম
তবে সেখানে বার্থ হয়ে গেছি....
ওটা কোন ব্যাপার না।
সকালে উঠে রেডি হয়ে বারান্দাই
দাঁড়াই আছি... নীলা আপুকে
বের হতে দেখলেই দৌড়ে নিচে যাবো...।
এমন সময় দেখি নীলা আপু বাহিরে
আসলো...
নিচে গেলাম, এমন ভাবে হাঁটছি
যেনো,
দেখতেই পাই নাই।
- হ্যালো.. আপু রিক্সা খুঁজতেছ।
- হুমমমম.. মনে হয় না আজকে
রিক্সা পাবো।
- আমি ও কলেজে যাচ্ছি,
চলো এক সাথে যাই.. আর কলেজ
তো অনেক কাছে।
না মানে থাক, তুমি না যেতে চাইলে
আমি একাই যাবো।
- আজবতো আমি কী বলছি যাবো
না।
- কেমন করে তাঁকালে তো তাই
ভাবছি হয়তো... আমার কথাই
বিরক্ত হয়েছো।
- আরে দূর... আমি ও হেঁটে যাওয়া কথাই বলতে চাচ্ছিলাম।
- সত্যি..... আচ্ছা চলো তাহলে...।
কেমন পাশাপাশি হেঁটে যাচ্ছি
পাড়ার সকল পোলাপান তাঁকাই
আছে....
মনে মনে ভাবছি নীলা আপু
সুন্দর ঠিকআছে.. তবে আমি
ও কম না।
তাহলে সব গুলা আমার দিকে
এমন শকুনের মতো দেখছে
কেনো...
দূর যে যা ভাবে ভাঁবুক।
হঠাৎ নীলা আপুর হাতে আমার
হাত স্পর্শ করলে মনে হলো
যেনো ২০০০০ ভোল্ট এর শক্ট
খেলাম।
আহা হাতটা ধন্য হয়ে গেলো।
কলেজে গেলাম...।
এমন ভাবে প্রতিদিন কলেজ
থেকে বাড়ি আবার বাড়ি থেকে
কলেজ... ভালোই
কাঁপছিলো যেনো কোন সপ্ন দেখছি
আর ভাবছিলাম এই সপ্নটা যেনো
কোনদিন না ভাঙ্গে।
এমনি একদিন কলেজে যাচ্ছি ..
- আচ্ছা আপু তোমাকে একটা
কথা বলি।
- হুমমমমমমমমমম।
- তোমার কী কোন বফ আছে,
মানে হইলে প্রেমিক।
- আচ্ছা ওই সব কথা বাদ,
দে পড়ে এমনিতেই সব জানতে পারবি।
- হুমমমমমম... ঠিকআছে...
এমন সময় দেখি.. একটা ছেলে
বাইক নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়ালো।
বেশ ভালোই দেখতে... আর
বাইকটা ও অনেক দামি মনে হলো।
- আবির তুমি হঠাৎ কেনো (নীলা)।
- আরে তোমাকে দেখার জন্য,
কলেজে যাচ্ছো তো এসো তোমাকে
দিয়ে আসছি।
- ঠিকআছে..... সাহরিয়া
তুমি আয় আমি আবির এর সাথে
গেলাম কেমন।
- আচ্ছা .....
কেমন করে যে আচ্ছা বললাম নিজেই
জানি না....
বুকের ভেঁতরটা কেমন জানি হচ্ছিলো,
আর পুরো শরীলটা কেমন
অবশ হয়ে আসছিলো....।
কী মেয়ে একটা বাইক পেয়েই ডাং ডাং করে চলে গেলে....
দূর.... মনের কথাটা বলে দেওয়াই
ভালো ।
তাও এমন কষ্ট পাওয়া লাগবে না
এক কষ্টে সব শেষ।
সেদিন আর কলেজে গেলাম না,
এমনকি বারান্দাই ও যাই নাই।
রুমের মধ্যে শুয়ে আছি...
যা হবার হবে কালে বলেই দিমু।
পরের দিন সকালে বারান্দাই
দাঁড়াই আছি..
যেই নীলা আপু বের হবে
ওমনি গিয়ে সব বলে দিবো।
একটু পড়ে দেখলাম বাহিরে
আসলো...
নিচে নেমে ভয়ে ভয়ে তার কাছে
গেলাম।
- সাহরিয়া কিছু বলবি।
- না।
- তাহলে এমন করছিস কেনো।
- আসলে মানে।
- কী?
- একটা কথা বলতাম।
- হুমমমমমমম কী কথা শুনি।
- ঐ যে একটু সাইটে যাবা।
- হুমমমমমমম বল।
- আসলে মানে নীলা আপু...।
- হুমমমমম বল।
- আমি না সেই ক্লাস টেন থেকে
এখন পর্যন্ত তোমাকে দেখে আসছি।
- সেটা তো স্বাভাবিক।
- আরে না... তোমাকে দেখলেই আমার
কেমন এক ধরনের ভালো লাগা কাজ
করে.. মনে হয় তুমি কতো
আপন.. তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে
পারবো না এমনটা মনে হয়।
তোমাকে দেখার জন্য আমি কী
না কী করেছি জানো...
এই বাড়ি ওয়ালার পিছনে তিন মাস
ঘুরঘুর করার পর ভাড়াটা দিছে..
তোমাকে সব সময় দেখবো জন্য এখানে
আসছি...
আর আমি বারান্দাই পড়ি ওখানেই
খাই আর ওখানেই ঘুমাই যাই...
তোমাকে আমি কোন সময় মিস করতে
চাই না জানো।
আমি তোমাকে ভালেবাসি...
যখন থেকে ভালবাসাটা বুঝতে
শিখেছে তখন থেকে...
তুমিই আমার প্রথম তুমিই আমার
শেষ।
আই লাভ হউ নীলা.. বলে যেই
হাতটা ধরতে যাবো...
ওমনি একটা থাপ্পড় দিলে.... খুব
জোরে কানটার নিচে লাল হয়ে
গেছিলো... মাথাটা ঝিমঝিম
করতে লাগছিলো।
- ছি.....সাহরিয়া তুই এতোটাই নিচ।
আমি কোনদিন ভাবিনি...
আর কোনদিন আমার পিছো আসবি
না...
আর হ্যা আমি আবির কে
ভালবাসি...
- অনেক আটকাতে
চেষ্টা করে ও কোন লাভ হলো না
চোখ দিয়ে পানিটা গড়িয়েই পড়লো..
ঠিক যখন নীলা আপু চলে যাওয়ার
জন্য উল্টো দিকে ঘুরছিলে তখন ।
কিছু করতে পাড়ছিলাম না আমি..
রুমে এসে ধপ করে বিছানাই
শুয়ে পড়লাম...
কোনদিন ভাবি নাই এমনটা হবে..
কাঁদছি না তবে এমনি চোখ
দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে...
সে যদি আবির কে নিয়ে হ্যাপি
তাহলে... মাঝ পথে আমি কাঁটা
হবো কেনো....।
আজ পনের দিন হলো... বারান্দাই যাই
নি.. বারান্দাই জানালা দরোজাটা ও
বন্ধ ছিলো...
সেই তো বলে ছিলে তার সামনে না যেতে,
কলেজ থেকে স্যার ফোন দিছিলো...
এতদিন কলেজে যাইনি বলে...
কোনদিন ভাবিনি নীলা আপুকে হারালে
এমটা কষ্ট পাবো...
থাক আর মায়া বাড়িয়ে কী
লাভ..
বাড়ি ওয়ালা আংকেল কে বলছিলাম
আমি আর এখানে থাকবো না।
আগ্রিম তিন মাসের টাকা
দিছিলাম সেটা ও লাগবে না বলে
দিছি....
যে জিনিস গুলো ছিলো সে গুলো
আর কিছু দিন পরে নিয়ে যাবো।
সন্ধাই ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে...
চলে যাচ্ছি.. যাতে
নীলা আপুর সামনে না পড়ি তাই
সন্ধাই যাচ্ছিলাম।
বার বার বেহায়া চোখটা নীলা
আপুদের বাড়িটার দিকেই যাচ্ছিলো।
চলে আসছি... আর কোনদিন
তার সামনে যাবো না।
একটা টং দোকানে গেলাম....।
- ভাই একটা সিগরেট দেন।
- কী সিগরেট নাম বলেন।
- দশ টাকা তার দিকে এগিয়ে
দিয়ে বললাম... এটা দিয়ে যা হবে
তাই।
আসলে আমি কোনদিন সিগরেট খাই
নাই...
সবার মুখে শুনে শুনে দুই একটার নাম
জানতাম তবে... কী বলতে কী
বলবো...।
একটু দূরে গিয়ে.. সিগরেট টা জ্বালালাম,
মুখে নিয়ে একটা টান দিতেই..
মাথাটা কেমন চক্বর দিয়ে উঠলো,
আর কাশতে কাশতে শেষ।
হঠাৎ একটা মেয়েলী কষ্টের আওয়াজ
শুনলাম।
- বাহ্ সিগরেট খাচ্ছো.... আর যেটা
খেতে পারো না তাহলে খাও কেনো শুনি।
- তাঁকিয়ে দেখি নীলা আপু....
কোন কথা বললাম না।
সোজা চলে আসছিলাম।
- ঐ কই যাও।
- তোমার কাছে থেকে অনেক দূর
যেখানে গেলে আর তোমার সামনে
পড়ার ভয় থাকবে না।
- এহহহহহহহ.. খালি মুখে মুখে কথা।
- আচ্ছা বিরক্তি করবো না তো
আপু যাও... ঐ যে তোমার আবির
ভালবাসার মানুষ আছে না তার
কাছে যাও।
- কী শয়তান... ওই তুই না যেদিন
বলছিলি আমাকে ভালবাসিস।
- হুমমমমমম... বলছিলাম সেদিন
ও আর জানতাম না যে এক হাতে
তালি বাঁজানোর চেষ্টা করা কত
বড়ো বলদামি।
- মানে....।
- আগে আমি তোমারে ভালবাসতাম..
আর তুমি একজন কে ভালোবাসতা
আর সে ও তোমাকে ভালোবাসে..
মাঝখানে আমি এক হাত ঢুকাই
কী করমু তাই তো কেঁটে পড়তেছি।
- কী বললি শয়তান... তুই আমাকে
ভালবাসিস না...।
- আজবতো আমি খামোখা তোমারে
ভালবাসতে যামু ক্যান।
- তাহলে সেদিন ওই গুলা কী বলছিলি হুমমমমমমম।
- কী বলছি মনে নাই.... আর আমি কোন
সেকেন্ড হ্যান্ড মাইয়ারে ভালোবাসতে
পারমু না...
তাইলে খালি ঠোলডাই আমার ভিতরটা
অন্য জনের।
- হারামি কী বললি দাঁড়া...
তোর কপালে সত্যি আজকে মাইর
আছে.. ওহহহহহ সত্যি কথা কইলেই
দোষ তাই না... যাও তো আবির আছে না।
- কোর আবির কীসের আবির.... আমি ও
তো তোরে ভালবাসি।
- যাও তো আর ঢং করা লাগবে না।
- হঠাৎ শার্টের কলার ধরে বললো...
আমি শুধু তোরে ভালবাসি... আর
অন্য কাউরে না... আর আমি কোন
সেকেন্ড হ্যান্ড না।
- আচ্ছা তাইলে ঐ বাইকে চড়ে যাওয়া কী
হুমমমমমম।
- আরে ঐ ছেলে আমাকে ভালোবাসতো,
কিন্তুু আমি তো আর ওকে ভালবাসতাম
না... তাহলে কী তোমার সাথে প্রতিদিন
কলেজ যাইতাম... আমি ও জানতাম
তুমি ক্লাস টেন থেকে আমার পিছন পিছন ঘুরো।
- তাহলে এতদিন ভাব মারছো তাই না...
আচ্ছা সব ঠিক আছে তাহলে ওমন জোরে থাপ্পড় ক্যান দিছিলা।
- ওই টা তো এমনি... হি হি হি।
- আমি যদি কিছু করে ফেলতাম
তখন।
- একটা সিগরেট ও ঠিক মতো খাইতে
পারো না.. আবার কিছু করবা।
- অনেক কিছু করতে পারি
হুমমমমমম।
- তো দেখি কী করতে পারো.....।
- সত্যি দেখবা।
- হুমমমমমমমমমমম।
- দাঁড়াও দেখাচ্ছি...... বলেই জরিয়ে
ধরলাম.....।
- অনেক দুষ্টু হইছো তাই না।
- হুমমমমমমমমমম... খালি তো
ওমন ভাবে থাপড়ানিই দিতে পারো
অন্য কিছু তো আর দিতে পারো না
হুমমমমম।
- তাই না দাঁড়াও দিতাছি.......
উমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমম্মা।
- এবার থামো... আর একটু হইলেই তো
দম বন্ধ হয়ে মরে যাইতাম..... হি হি হি।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now